Category: জাতীয়

জাতীয়

  • নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশ, জানুন কী করা যাবে না ভোটকেন্দ্রে

    নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশ, জানুন কী করা যাবে না ভোটকেন্দ্রে

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের সব ভোটকেন্দ্রকে ধূমপানমুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের দিন কোনো ভোটকেন্দ্র এলাকায় ধূমপান করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

    শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশের সব ভোটদান কেন্দ্রকে ধূমপানমুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • এবার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি!

    এবার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি!

    আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটকে কেন্দ্র করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালানো থেকে তাদের বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনা কার্যকর করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সব মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই একযোগে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে অনেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছিলেন। তবে নির্বাচন কমিশন বিষয়টি স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে গণভোটের কোনো পক্ষে প্রচার চালানো দণ্ডনীয় অপরাধ। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা জারি করার পর প্রশাসন এখন তা বাস্তবায়নে সক্রিয় হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে জানান যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা বাস্তবায়নে সব পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাপ্তরিকভাবে অবহিত করা হচ্ছে। যদিও গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি ইতিমধ্যে সবার নজরে এসেছে তবে এখন থেকে প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করা হবে। কমিশনের দেওয়া প্রতিটি বিধিনিষেধ যেন অক্ষরে অক্ষরে পালিত হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।

    অন্যদিকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এহছানুল হক মন্তব্য করেন যে আগে সুনির্দিষ্ট বিধি না থাকায় অনেকে প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন। তবে এখন কমিশনের বিধিনিষেধ চলে আসায় কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আর ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে কোনো প্রচারাভিযান বা কর্মকাণ্ডে যুক্ত হবেন না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষতা বজায় রাখাই এখন মূল লক্ষ্য।

  • নির্বাচন ঘিরে টানা ৪ দিনের ছুটিতে দেশ: কোন প্রতিষ্ঠানের কতদিন জেনে নিন

    নির্বাচন ঘিরে টানা ৪ দিনের ছুটিতে দেশ: কোন প্রতিষ্ঠানের কতদিন জেনে নিন

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন (13th National Assembly Election) উপলক্ষে দেশজুড়ে বড় ধরনের ছুটির ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। নির্বাচনের আগের দিন অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সারা দেশে সাধারণ ছুটি (Public Holiday) ঘোষণা করা হয়েছে।

     

    একনজরে নির্বাচনের ছুটির আপডেট

     

     

    • টানা ৪ দিনের ছুটি: ১১ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকুরিজীবীরা।
    • ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার): সাধারণ ছুটি ঘোষণা (নতুন সিদ্ধান্ত)।
    • ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার): নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি (পূর্ব নির্ধারিত)।
    • শিল্পাঞ্চলে ৩ দিনের ছুটি: শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য ১০, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার) টানা ছুটি।
    • সাপ্তাহিক ছুটি: ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার ও শনিবার) নিয়মিত ছুটি।
    • জরুরি সেবা: হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎসহ জরুরি খাতগুলো ছুটির আওতামুক্ত থাকবে।

     

     

    আজ (বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম (Press Secretary Shafiqul Alam) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের (Professor Muhammad Yunus) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে (Advisers’ Council Meeting) এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা: তিন দিনের টানা ছুটি পাচ্ছেন যারা

     

     

     

    টানা ৪ দিনের ছুটির হিসাব (Calculation of 4-day continuous holiday)

     

     

    সাধারণ সরকারি ও বেসরকারি চাকুরিজীবীরা এবার নির্বাচনের আমেজে টানা চার দিনের ছুটি পাচ্ছেন। সূচি অনুযায়ী:

     

     

     

    • ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার): সাধারণ ছুটি (নতুন ঘোষণা)।
    • ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার): নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি (পূর্ব ঘোষিত)।
    • ১৩ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার): সাপ্তাহিক ছুটি।
    • ১৪ ফেব্রুয়ারি (শনিবার): সাপ্তাহিক ছুটি।

     

     

    এর ফলে সরকারি চাকুরিজীবী ও সাধারণ নাগরিকরা টানা চার দিন ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।

     

     

     

    আরও পড়ুন:

    নির্বাচনি সাধারণ ছুটি পাবেন না যারা, খোলা থাকবে কোন কোন প্রতিষ্ঠান?

    নির্বাচনি সাধারণ ছুটি পাবেন না যারা, খোলা থাকবে কোন কোন প্রতিষ্ঠান?

     

     

     

    শিল্পাঞ্চল ও শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছুটি (Special holiday for industrial workers)

     

     

    প্রেস সচিব জানান, শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি থেকেই ছুটি শুরু হবে।

     

     

     

    • ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার): শিল্পাঞ্চলে ছুটি (অনুমোদিত)।
    • ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি: সাধারণ ছুটি।

     

     

    ফলে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকরা নির্বাচনের আগে ও দিন মিলিয়ে টানা তিন দিন (১০, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি) ছুটি পাবেন। তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় যাতায়াত ও ভোট প্রদান সহজ করতেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

     

     

     

    শফিকুল আলম বলেন, “আগেই ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ছুটি নির্ধারিত ছিল। আজ নতুন করে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি এবং ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলে ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।”

  • শিল্পাঞ্চল ও শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছুটি

    শিল্পাঞ্চল ও শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছুটি

    প্রেস সচিব জানান, শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি থেকেই ছুটি শুরু হবে।

     

     

     

    • ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার): শিল্পাঞ্চলে ছুটি (অনুমোদিত)।
    • ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি: সাধারণ ছুটি।

     

     

    ফলে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকরা নির্বাচনের আগে ও দিন মিলিয়ে টানা তিন দিন (১০, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি) ছুটি পাবেন। তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় যাতায়াত ও ভোট প্রদান সহজ করতেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

     

     

     

    শফিকুল আলম বলেন, “আগেই ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ছুটি নির্ধারিত ছিল। আজ নতুন করে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি এবং ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলে ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।”

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন (13th National Assembly Election) উপলক্ষে দেশজুড়ে বড় ধরনের ছুটির ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। নির্বাচনের আগের দিন অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সারা দেশে সাধারণ ছুটি (Public Holiday) ঘোষণা করা হয়েছে।

     

    একনজরে নির্বাচনের ছুটির আপডেট

     

     

    • টানা ৪ দিনের ছুটি: ১১ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকুরিজীবীরা।
    • ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার): সাধারণ ছুটি ঘোষণা (নতুন সিদ্ধান্ত)।
    • ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার): নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি (পূর্ব নির্ধারিত)।
    • শিল্পাঞ্চলে ৩ দিনের ছুটি: শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য ১০, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার) টানা ছুটি।
    • সাপ্তাহিক ছুটি: ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার ও শনিবার) নিয়মিত ছুটি।
    • জরুরি সেবা: হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎসহ জরুরি খাতগুলো ছুটির আওতামুক্ত থাকবে।

     

     

    আজ (বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম (Press Secretary Shafiqul Alam) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের (Professor Muhammad Yunus) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে (Advisers’ Council Meeting) এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

     

     

     

    টানা ৪ দিনের ছুটির হিসাব (Calculation of 4-day continuous holiday)

     

     

    সাধারণ সরকারি ও বেসরকারি চাকুরিজীবীরা এবার নির্বাচনের আমেজে টানা চার দিনের ছুটি পাচ্ছেন। সূচি অনুযায়ী:

     

     

     

    • ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার): সাধারণ ছুটি (নতুন ঘোষণা)।
    • ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার): নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি (পূর্ব ঘোষিত)।
    • ১৩ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার): সাপ্তাহিক ছুটি।
    • ১৪ ফেব্রুয়ারি (শনিবার): সাপ্তাহিক ছুটি।

     

     

    এর ফলে সরকারি চাকুরিজীবী ও সাধারণ নাগরিকরা টানা চার দিন ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।