Category: অর্থনীতি

অর্থনীতি

  • বাজারে হঠাৎ পাল্টে গেল জ্বালানি তেলের দাম

    বাজারে হঠাৎ পাল্টে গেল জ্বালানি তেলের দাম

    শক্তিশালী মার্কিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং ভেনিজুয়েলা ও রাশিয়ার তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার ৪ সেন্ট বা শূন্য দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৬২ দশমিক ৪২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড ৩ সেন্ট বা শূন্য দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৫৮ দশমিক ৪১ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

    এর আগে সোমবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম ২ শতাংশেরও বেশি বেড়ে যায়। এদিন ব্রেন্ট ক্রুড দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দৈনিক বৃদ্ধি দেখায় এবং ১৪ নভেম্বরের পর ডব্লিউটিআইয়ের দাম সবচেয়ে বেশি বাড়ে। মঙ্গলবারও তেলের দাম আরও শূন্য দশমিক ৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

    মঙ্গলবার মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিস তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপির প্রাথমিক হিসাব প্রকাশ করে জানায়, শক্তিশালী ভোক্তা ব্যয়ের কারণে মার্কিন অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুতগতিতে বেড়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ত্রৈমাসিকে যুক্তরাষ্ট্রের মোট দেশজ উৎপাদন বার্ষিক ভিত্তিতে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে, যা ২০২৩ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের পর সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি।

    আইজি গ্রুপের বিশ্লেষক টনি সাইকামোর এক নোটে বলেন, ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার পটভূমিতে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপি তথ্য রাতারাতি তেলের দামে সমর্থন জুগিয়েছে।

    হাইটং ফিউচারস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভেনিজুয়েলার তেল রফতানিতে সম্ভাব্য ব্যাঘাত বাজারের মনোভাবকে সমর্থন করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে রাশিয়া ও ইউক্রেনের একে অপরের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর চলমান হামলাও তেলের দামে ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি করছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, অন্যান্য প্রভাবশালী বিষয়ের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল ভোক্তা দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মজুতের তথ্য আপাতত বাজার খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না।

    মঙ্গলবার আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের তথ্যের বরাত দিয়ে বাজার সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত ২৩ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল বেড়েছে। একই সময়ে পেট্রোলের মজুত বেড়েছে ১০ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল এবং ডিস্টিলেট মজুত বেড়েছে ৬ লাখ ৮৫ হাজার ব্যারেল।

    ছুটির কারণে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দেরিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন সোমবার তাদের সরকারি তথ্য প্রকাশ করবে। হাইটং ফিউচারস জানিয়েছে, ডিসেম্বরে ছুটির মৌসুমের প্রভাবে পরিশোধিত তেলের চাহিদা সাময়িকভাবে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফলে মজুত বৃদ্ধির তথ্যের প্রতি বাজারের প্রতিক্রিয়া তুলনামূলকভাবে সীমিত থেকেছে।

    এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি মাসের শুরুতে ভেনিজুয়েলায় প্রবেশ ও বের হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার আওতায় সব তেল ট্যাঙ্কার অবরোধের ঘোষণা দেন। এতে জাহাজ মালিকদের মধ্যে সতর্কতা বেড়েছে।

    মঙ্গলবার পর্যবেক্ষণ সংস্থা ট্যাংকারট্র্যাকার্স ডটকমজানায়, গত সপ্তাহে ভেনিজুয়েলা থেকে তেল বহনকারী পানামা-পতাকাবাহী একটি বড় অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের আরও কয়েকটি ট্যাঙ্কার আটকের পর ভেনিজুয়েলার জলসীমায় ফিরে এসেছে।

    এর আগে এই মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র একটি সুপারট্যাঙ্কার আটক করে এবং সপ্তাহান্তে আরও দুটি জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করে। এর ফলে এক ডজনেরও বেশি তেলবাহী জাহাজ ভেনিজুয়েলায় অবস্থান করে তাদের মালিকদের কাছ থেকে নতুন নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে।

  • বাজারে চরম নৈরাজ্যের পর এলপিজি নিয়ে সুখবর

    বাজারে চরম নৈরাজ্যের পর এলপিজি নিয়ে সুখবর

    বাজারে চরম নৈরাজ্যের পর অবশেষে বাড়ছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি। চলতি মাসে ১২টি প্রতিষ্ঠান ১ লাখ ৬৭ হাজার ও আগামী মাসে ১ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন এলপি গ্যাস আমদানির লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে।

    সব মিলিয়ে দুই মাসে দেশে আসবে সাড়ে তিন লাখ মেট্রিক টন এলপিজি। আর এতে রমজানের আগেই বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরার আশা সংশ্লিষ্টদের।

    দেশে ১২ কেজি সিলিন্ডার গ্যাসের নির্ধারিত দাম ১৩০৬ টাকা, অথচ বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায়, তারপরও দোকানে দোকানে সাঁটানো এলপি গ্যাস না থাকার নোটিশ। গত মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে নজিরবিহীন এমন নৈরাজ্য চলছে বাজারে। ফলে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন রান্নাবান্না থেকে যানবাহন-সব খাতের ভোক্তারা। সংকট চরম আকার ধারণ করলে এলপিজি আমদানিতে ঋণ সুবিধা বাড়ানো, ভ্যাট-ট্যাক্স কমানো, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিপিসিকে আমদানির অনুমতিসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়। এলপি গ্যাস আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠকও করেন জ্বালানি উপদেষ্টা। নীতিগত কিছু সিদ্ধান্তের ফলে স্থবিরতা কাটিয়ে আবারো বাড়ছে এলপিজি আমদানির হার। আমদানিকারকদের আশ্বাস, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে চলতি মাসে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করতে পারবে ১২টি প্রতিষ্ঠান। আর আগামী মাসে আমদানির লক্ষ্য ১ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন। যা সর্বোচ্চ চাহিদার তুলনায় ৩৪ হাজার মেট্রিক টন বেশি। এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সহ-সভাপতি হুমায়ুন রশীদ বলেন, লোয়াবের সব মেম্বার কাজ করছে এবং কিছু জাহাজ এরমধ্যেই প্রক্রিয়াধীন। বাংলাদেশের প্রাইভেট সেক্টর খুব সক্রিয়; তারা বাজারে এলপিজির স্বল্পতা চাইছে না এবং শিগগিরই এলপিজি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন ও নিশ্চিতভাবে চলবে। জ্বালানি উপদেষ্টার আশা, আমদানি বাড়ায় স্থিতিশীলতা ফিরবে বাজারে, রোজার আগেই কাটবে সংকট। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান মুঠোফোনে সময় সংবাদকে বলেন, আমদানিকারকরা কমিটমেন্ট দিয়েছে যে এলপিজি আনবে এবং তারা বলছে রোজার আগে সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। আমরা আশা করছি ধীরে ধীরে সব স্বাভাবিক হয়ে আসবে। বর্তমানে এলপি গ্যাসের মাসিক চাহিদা ধরা হয় ১ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন থেকে দেড় লাখ মেট্রিক টন।

  • চলতি মাসেই কার্যকর হচ্ছে পে স্কেল, বেতন কত বাড়ছে?

    চলতি মাসেই কার্যকর হচ্ছে পে স্কেল, বেতন কত বাড়ছে?

    সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। নতুন বেতন কাঠামোর চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরি করেছে বেতন কমিশন, যা কার্যকরের পথে এখন শেষ ধাপে। কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে নতুন পে স্কেল কার্যকর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পুরো কাঠামো বাস্তবায়ন হবে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে।
    অর্থ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগামী ২১ জানুয়ারি বেতন কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে জমা দেওয়া হবে। এরপর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে তা উপস্থাপন করে প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
    বাজেটে প্রস্তুতি, বাড়ছে ব্যয়
    নতুন বেতন কাঠামো আংশিক বাস্তবায়নের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় ২২ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। তবে কমিশনের হিসাব বলছে, প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো পুরোপুরি কার্যকর করতে সরকারের অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে।
    নিম্ন গ্রেডে বড় স্বস্তি
    সুপারিশকৃত কাঠামোয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে নিচের দিকের গ্রেডগুলোতে। কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমানে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থাকলেও তা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এতে নিম্ন আয়ের সরকারি কর্মচারীরা তুলনামূলকভাবে বেশি উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
    অন্যদিকে, সর্বোচ্চ ধাপে বর্তমানে বেতন যেখানে ৭৮ হাজার টাকা, সেখানে তা বাড়িয়ে এক লাখ ২০ হাজার টাকারও বেশি করার প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের ব্যবধান কমিয়ে আনতে ১:৮ অনুপাত বজায় রাখার সুপারিশ করেছে কমিশন।
    কমিশনের গঠন ও কার্যক্রম
    গত বছরের ২৭ জুলাই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে বেতন কমিশন গঠন করা হয়। সাবেক অর্থসচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের প্রধান করা হয়। ২১ সদস্যের এই কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশমালা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
    সব প্রক্রিয়া শেষ হলে নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার মধ্য দিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। এখন সবার নজর উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্তের দিকে, যা নির্ধারণ করবে কবে থেকে এবং কীভাবে এই নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবে রূপ পাবে।

    আফরোজা

    স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ইঁদুর আখ্যায়িত করে, ধানের শীষের পক্ষে প্রকাশ্যে

    প্রার্থীদের হলফনামায় টাঙ্গাইলে বিএনপি মনোনীত সাত প্রার্থী কোটিপতি

    ‘আমার ইউনিয়ন এটা, মোবাইল কোর্ট  করলে আগে আমাকে বলতে হবে’

    নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত:স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    লক্ষ্মীপুরে জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষে পাল্টাপাল্টি মামলা

    পাগলবেশে রাস্তায় ঘুরছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী! চিনতে পারছেন কে?

    মহিলা ভোটই জয় পরাজয় নির্ধারণ করবে: সালাম

    যে তিন ইস্যুতে ইসিতে ছাত্রদলের অবস্থান চলছে

    ঢাবিতে দাতব্য অনুষ্ঠানে ফ্রি সিগারেট বিতরণ, যা বলছেন জুমা

    এসএসসি সংক্রান্ত ঢাকা বোর্ডের নতুন সিদ্ধান্ত

    নিখোঁজের পাঁচ দিন পর হাত-পা ও মুখ বাঁধা স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে চায় না আরও একটি দেশ

    আজ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক

    জানা গেল শবেবরাতের সম্ভাব্য তারিখ

    নতুন পে স্কেলের জন্য বরাদ্দ ২০ হাজার কোটি টাকা

     আরো পড়ুন

    নতুন পে স্কেলের জন্য বরাদ্দ ২০ হাজার কোটি টাকা 

    নতুন পে স্কেলের জন্য বরাদ্দ ২০ হাজার কোটি টাকা

    দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত আজ

    দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত আজ

    প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলের শেষ দিনের শুনানি আজ

    প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলের শেষ দিনের শুনানি আজ

    আজ রাজধানীতে যেসব কর্মসূচি

    আজ রাজধানীতে যেসব কর্মসূচি

    নতুন বেতন কাঠামোতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন কত? 

    নতুন বেতন কাঠামোতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন কত?

    গ্যাস না দিয়েই ৪শ’ কোটি  টাকা বিল নেওয়ার  অভিযোগ

    গ্যাস না দিয়েই ৪শ’ কোটি টাকা বিল নেওয়ার অভিযোগ

    তিস্তায় পলি দূষণের দাপট শীতে কমছে অতিথি  পাখির আগমন

    তিস্তায় পলি দূষণের দাপট শীতে কমছে অতিথি পাখির আগমন

    বাজার নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের  দ্বিমুখী হস্তক্ষেপ নিয়ে বিতর্ক

    বাজার নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বিমুখী হস্তক্ষেপ নিয়ে বিতর্ক

    ×

    সম্পাদক, মুদ্রাকর ও প্রকাশক: শামীমা এ খান।

    সম্পাদক মন্ডলী কর্তৃক গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবার-এর সদস্য প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে গ্লোব প্রিন্টার্স লি: ও জনকণ্ঠ লি: থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত। রেজি: নং ডিএ ৭৯৬।

    © ২০২৬ | দৈনিক জনকণ্ঠ কর্তৃক সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত

    X

  • বাজারে হঠাৎ পাল্টে গেল জ্বালানি তেলের দাম

    বাজারে হঠাৎ পাল্টে গেল জ্বালানি তেলের দাম

    শক্তিশালী মার্কিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং ভেনিজুয়েলা ও রাশিয়ার তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার ৪ সেন্ট বা শূন্য দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৬২ দশমিক ৪২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড ৩ সেন্ট বা শূন্য দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৫৮ দশমিক ৪১ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

    এর আগে সোমবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম ২ শতাংশেরও বেশি বেড়ে যায়। এদিন ব্রেন্ট ক্রুড দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দৈনিক বৃদ্ধি দেখায় এবং ১৪ নভেম্বরের পর ডব্লিউটিআইয়ের দাম সবচেয়ে বেশি বাড়ে। মঙ্গলবারও তেলের দাম আরও শূন্য দশমিক ৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

    মঙ্গলবার মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিস তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপির প্রাথমিক হিসাব প্রকাশ করে জানায়, শক্তিশালী ভোক্তা ব্যয়ের কারণে মার্কিন অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুতগতিতে বেড়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ত্রৈমাসিকে যুক্তরাষ্ট্রের মোট দেশজ উৎপাদন বার্ষিক ভিত্তিতে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে, যা ২০২৩ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের পর সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি।

    আইজি গ্রুপের বিশ্লেষক টনি সাইকামোর এক নোটে বলেন, ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার পটভূমিতে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপি তথ্য রাতারাতি তেলের দামে সমর্থন জুগিয়েছে।

    হাইটং ফিউচারস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভেনিজুয়েলার তেল রফতানিতে সম্ভাব্য ব্যাঘাত বাজারের মনোভাবকে সমর্থন করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে রাশিয়া ও ইউক্রেনের একে অপরের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর চলমান হামলাও তেলের দামে ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি করছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, অন্যান্য প্রভাবশালী বিষয়ের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল ভোক্তা দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মজুতের তথ্য আপাতত বাজার খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না।

    মঙ্গলবার আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের তথ্যের বরাত দিয়ে বাজার সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত ২৩ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল বেড়েছে। একই সময়ে পেট্রোলের মজুত বেড়েছে ১০ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল এবং ডিস্টিলেট মজুত বেড়েছে ৬ লাখ ৮৫ হাজার ব্যারেল।

    ছুটির কারণে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দেরিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন সোমবার তাদের সরকারি তথ্য প্রকাশ করবে। হাইটং ফিউচারস জানিয়েছে, ডিসেম্বরে ছুটির মৌসুমের প্রভাবে পরিশোধিত তেলের চাহিদা সাময়িকভাবে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফলে মজুত বৃদ্ধির তথ্যের প্রতি বাজারের প্রতিক্রিয়া তুলনামূলকভাবে সীমিত থেকেছে।

    এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি মাসের শুরুতে ভেনিজুয়েলায় প্রবেশ ও বের হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার আওতায় সব তেল ট্যাঙ্কার অবরোধের ঘোষণা দেন। এতে জাহাজ মালিকদের মধ্যে সতর্কতা বেড়েছে।

    মঙ্গলবার পর্যবেক্ষণ সংস্থা ট্যাংকারট্র্যাকার্স ডটকমজানায়, গত সপ্তাহে ভেনিজুয়েলা থেকে তেল বহনকারী পানামা-পতাকাবাহী একটি বড় অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের আরও কয়েকটি ট্যাঙ্কার আটকের পর ভেনিজুয়েলার জলসীমায় ফিরে এসেছে।

    এর আগে এই মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র একটি সুপারট্যাঙ্কার আটক করে এবং সপ্তাহান্তে আরও দুটি জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করে। এর ফলে এক ডজনেরও বেশি তেলবাহী জাহাজ ভেনিজুয়েলায় অবস্থান করে তাদের মালিকদের কাছ থেকে নতুন নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে।