Category: বিনোদন

বিনোদন

  • কুমারী মেয়েরা সে’;ক্সে;র সময় কি চায়?

    কুমারী মেয়েরা সে’;ক্সে;র সময় কি চায়?

    আমাদের দেশে সেক্স নিয়ে কথাবার্তা খুব কম ই বলা হয়। কিন্তু সবারই জানা উচিত বিষয়গুলো। অনেকেই মনে করেন এদেশের মেয়েদের সেক্স কম অথবা তারা এ ব্যাপারটি নিয়ে এগোয় না। এটি সম্পূর্ণ সত্য নয়। নিচে মেয়েদের সেক্স বিষয়ক কয়েকটি ফ্যান্টাসি জেনে নিনঃ

    ১. মেয়েদের একটি গোপন সেক্স ফ্যান্টাসী হল তারা চায় একটি সবল পুরুষ, যে কি না তাকে নিচে ধরে কোলে নিয়ে সেক্স করতে পারবে। তাদের ফ্যান্টাসির মাঝে এটাও থাকে যে সেই পুরুষটিই তার সাথে সেক্স করার জন্য পাগল হয়ে থাকবে। এই ব্যপারগুলো…

    ভেবে অনেক মেয়েই ফিংগারিং করে।

    ২. ৮০% মেয়ে চায় রাফ টাইপ সেক্স। তারা চায় আপনি করার সময় তার চুল টেনে ধরবেন জোরে, পা দুটো জোরে সরাবেন, জোর করে জামাকাপড় খুলবেন ইত্যাদি। মেয়েরা বেডরুমে এগুলো করে বেশি মজা পায়।

    ৩. একটি ব্যাপার অনেকে শুধু পর্ণ মুভিতেই দেখেছেন কিন্তু আজকে জেনে নিন। মেয়েরা সবসময়ই স্কুল গার্ল ড্রেস আপ করে উত্তেজিত করে সেক্স করতে পছন্দ করে।

    ৪. অনেক মেয়েরা এটি কল্পনা করতে পছন্দ করে যে একটা অচেনা হট ছেলে তাকে কোন বার অথবা ক্লাব থেকে নিয়ে যাবে রুমে এবং অনেক ওয়াইল্ড সেক্স করবে।

    ৫. আমাদের দেশে গোপনীয়তা এবং লজ্জা বেশি ই সমস্যা। কিন্তু তা যদি না থাকতো তবে জানতেন যে মেয়েদের মজার একটি ইচ্ছা হল আর একটা মেয়ে কে নিয়ে ২ মেয়ে ১ ছেলে এভাবে থ্রি সাম করা। এটি মেয়েদের অনেক মজা দেয়।

    ৬. আপনার কাছে যদি কোন মেয়ে বলে যে সে অন্যদের করতে দেখলে অথবা টিপাটিপি দেখলে অথবা পর্ণ দেখে অনেক মজা পায় ইত্যাদি, তাহলে ধরে নেবেন আপনি তার সাথে যদি না করে থাকেন তাহলে মেয়ে কে করার কথা বলার সময় এসে গিয়েছে। অনেকসময় সামনাসামনি গোপনে পার্কে, লাউঞ্জে ইত্যাদিতে মাখামাখি দেখে মেয়েরা অনেক বেশি হর্নি হয়ে যায়।

    ৭. এবার যেটা বলবো সেটা বহুল প্রচলিত। ইংরেজিতে বলে ফোর্স ফ্যান্টাসি। মেয়েরা অনেক সময়ই চায় আপনি তাদের রেপ করার মত করে, জোর করে সেক্স করবেন। এটাতে তারা অনেক বেশি পাগল হয়ে যায়। অনেক মেয়েরই ফিংগারিং এর ভাবনাই এটা থাকে।

    ৮. আপনার পার্টনারকে বলুন আপনাকে ল্যাপ ড্যান্স দিতে। প্রথমে মানা করবে, কিন্তু সে দেবে এবং দিয়ে সে অনেক হর্নি হবে। কারণটা হল মেয়েদের এই বোধটা বেশি থাকে যে আপনি তাকে দিয়ে কতটা মজা পাচ্ছেন। সে যখন দেখে আপনি ল্যাপ চাইলেন অথবা এভাবে মজা পাচ্ছেন, সে ও মজা পাওয়া শুরু করে।

  • গভীর রাতে বিধবার ঘরে ঢুকে যা করল যু”ব”ক (ভিডিও সহ)

    গভীর রাতে বিধবার ঘরে ঢুকে যা করল যু”ব”ক (ভিডিও সহ)

    গভীর রাতে, গ্রীষ্মের তীব্র গরমে যখন চারপাশ নিস্তব্ধ, গ্রামের যুবতী বিধবা মল্লিকা তার ঘরের জানালা খুলে পাতলা কাপড়ের আবরণে গভীর ঘুমে মগ্ন। গ্রামের কিছু লম্পট যুবক প্রায়ই গভীর রাতে অন্যের ঘরের রোমাঞ্চকর দৃশ্য দেখার চেষ্টা করত।

    তাদেরই একজন, কুখ্যাত রতন, সেদিন মল্লিকার ঘরের জানালায় উঁকি দেয়। কুপির মৃদু আলোয় মল্লিকার ফর্সা শরীর দেখে রতন নিজেকে আর নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে না, তার মনে কামনার ঝড় ওঠে।

    মল্লিকার ঘরের দরজা বন্ধ থাকায় তার সাথে সরাসরি শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা সম্ভব নয় জেনেও, প্রথম রাতেই রতন দূর থেকে সেই দৃশ্য দেখে তার মনের কামনা পূরণ করে নেয়। এরপর থেকে রতন প্রায়ই মল্লিকার বাড়ির আশেপাশে ঘুরঘুর করত, শুধু এক পলক দেখার আশায়।

    একদিন পুকুরঘাটে মল্লিকাকে ভেজা কাপড়ে বাড়ি ফিরতে দেখে রতন আর নিজেকে সামলাতে পারল না, সে মল্লিকার হাত ধরে ফেলে। সঙ্গে সঙ্গেই মল্লিকা তার গালে সজোরে চড় মারে। অপমানিত রতন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। আশেপাশে কেউ না থাকায় এবং পাশে একটি পরিত্যক্ত জঙ্গলের মতো জায়গায় সুযোগ বুঝে রতন মল্লিকাকে জোর করে সেখানে নিয়ে যায় এবং তার লালসা চরিতার্থ করে।

    লজ্জায় মল্লিকা এই ঘটনা কাউকে জানায় না, আর রতন তার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত না হয়ে বরং মল্লিকার প্রতি আরও আকৃষ্ট হয়, তার শরীরের লোভে মত্ত থাকে। এভাবে কিছুদিন চলতে থাকে। মল্লিকা বুঝতে পারে, এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো তার জীবন বিপন্ন হতে পারে।

    একদিন মল্লিকা রতনকে তার বাড়িতে আমন্ত্রণ জানায়। সেদিন আর সেই জঙ্গলে নয়, মল্লিকার নিজের ঘরে তাদের দেখা হয়। মল্লিকা রতনকে ভালোমন্দ খাওয়ায় এবং এরপর তারা গোপন অভিসারে লিপ্ত হয়। রতন যখন ক্লান্ত শরীরে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, সেই সুযোগে মল্লিকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে রতনের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলে।

    এই গল্পে লোভী ও কামুক প্রকৃতির মানুষ রতনের পরিণতি দেখানো হয়েছে। তার অবৈধ আকাঙ্ক্ষা এবং নারীর প্রতি অসম্মানজনক আচরণের ফলস্বরূপ সে চরম শাস্তি লাভ করে। গল্পটি এই শিক্ষাই দেয় যে অবৈধ কামনা এবং অন্যের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপের পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে।

  • বী-’র্য-’পা-ত বন্ধ রেখে রাতভর স;হ;বা;স করতে যা করবেন

    বী-’র্য-’পা-ত বন্ধ রেখে রাতভর স;হ;বা;স করতে যা করবেন

    স্বামী স্ত্রী পবিত্র মিলনের মাধ্যমে সুখ লাভ করে। ইসলামে স্বামী স্ত্রীর মিলনকে বেহেশতের সুখের সাথে তুলনা করা হয়েছে। বৈজ্ঞানিকভাবে ও প্রামণিত যে অধিক সময় যাবত্‍ যৌন মিলন অত্যন্ত সুখের। তবে এই আনন্দ তখনই মাটি হয়ে যায় যখন দ্রুত বীর্যপাতন হয়ে যায়। অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার জন্য আপনার ডক্টর তিনটি পদ্ধতির সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে।

    মিলনে পুরুষের অধিক সময় নেওয়া পুরুষত্বের মুল যোগ্যতা হিসাবে গন্য হয়। যেকোন পুরুষ বয়সের সাথে সাথে সহবাসের নানাবিধ উপায় শিখে থাকে।

    এখানে বলে রাখতে চাই ২৫ বছরের কম বয়সী পুরুষ সাধারনত অধিক সময় নিয়ে সহবাস করতে পারেনা। তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যবধানে পুনরায় উত্তেজিত/উত্তপ্ত হতে পারে। ২৫-এর পর বয়স যত বাড়বে সহবাসে পুরুষ তত অধিক সময় নেয়। কিন্তু বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জাগ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যবধানও বাড়তে থাকে।

    তাছাড়া এক নারী কিংবা এক পুরুষের সাথে বার বার সহবাস করলে যৌন মিলনে অধিক সময় দেয়া যায় এবং সহবাসে বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরূপ: নিয়মিত সহবাসে একে অপরের শরীর এবং ভাল লাগা কিংবা মন্দ লাগা, পছন্দসই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালভাবে অবহিত থাকে।

    পদ্ধতি ১: চেপে/টিপে (স্কুইজ) ধরা: অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যাক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়? যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে মুত্র/বীর্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা/মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চেপে ধরবেন। (লিঙ্গের পাশ থেকে দুই আঙ্গুল দিয়ে ক্লিপের মত আটকে ধরতে হবে।)। চাপ ছেড়ে দেবার পর ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন।এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পুর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে।স্কুইজ পদ্ধতি এক মিলনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামীর প্রমাণ ছাড়া আর কিছু নয়।

    পদ্ধতি ২: সংকোচন (টেনসিং): অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার এ পদ্ধতি সম্পর্কে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই। আমরা প্রস্রাব করার সময় প্রসাব পুরোপুরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিচুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চাপ দেই এখানে বর্নিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম। তবে পার্থক্য হল এখনে আমরা খিচুনী প্রয়োগ করবো – চাপ নয়।এবার মুল বর্ননা – মিলনকালে যখন অনুমান করবেন বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল যৌন কর্যক্রম বন্ধ রেখে অন্ডকোষের তলা থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিচুনী দিন। এভাবে ২/১ বার করার পর যখন দেখবেন বীর্য স্থলনেরে চাপ/অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার যৌন কর্ম শুরু করুন।সংকোচন পদ্ধতি আপনার যৌন মিলনকে দীর্ঘায়িত করবে। আবারো বলি, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

    পদ্ধতি ৩: বিরাম (টিজিং / পজ এন্ড প্লে): এ পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃত্‍। সাধারনত সব যুগল এ পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে মিলনকালে বীর্য স্থলনের অবস্থানে পৌছালে লিঙ্গকে বাহির করে ফেলুন অথবা ভিতরে থাকলেও কার্যকলাপে বিরাম দিন। এই সময় আপনি আপনাকে অন্যমনস্ক করে রাখতে পারেন। অর্থ্যত্‍ সুখ অনুভুতি থেকে মনকে ঘুরিয়ে নিন।যখন অনুভব করবেন বীর্যের চাপ কমে গেছে তখন পুনরায় শুরু করতে পারেন।বিরাম পদ্ধতির সফলতা সম্পুর্ন নির্ভর করে আপনার অভ্যাসের উপর। প্রথমদিকে এ পদ্ধতির সফলতা না পাওয়া গেলেও যারা যৌন কার্যে নিয়মিত তারা এই পদ্ধতির গুনাগুন জানেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করবেন না।

    পরিশিষ্ট: উপরের সবকয়টি পদ্ধতি আপনার সঙ্গীর তৃপ্তির উদ্দেশ্যে। অনেকের ধারনা নারী এ ট্রিকস্ গুলো অনুমান বা জানতে পারলে পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। ধারনাটি সম্পুর্ন ভুল। আপনি আপনার স্ত্রীকে পদ্ধতিগুলো বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন সেই আপনাকে সাহায্য করছে। কারন সে জানে আপনি বেশি সময় নেয়া মানে সে লাভবান হওয়া। স্ত্রীরও উচিত স্বামীর প্রতি যত্নশীল হওয়া।

  • সমুচা আনতে ভুলে যাওয়ায় বিচার বসিয়ে স্বামীকে মারধর, অতঃপর…

    সমুচা আনতে ভুলে যাওয়ায় বিচার বসিয়ে স্বামীকে মারধর, অতঃপর…

    স্ত্রীর আবদার অনুযায়ী সমুচা আনতে ভুলে যাওয়ায় মারধরের শিকার হয়েছেন এক স্বামী। তুচ্ছ এক ঘটনা থেকে সৃষ্ট পারিবারিক বিরোধ নাটকীয়ভাবে গড়িয়েছে গ্রাম্য সংঘর্ষ পর্যন্ত।

    চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশে। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, সংঘর্ষের পর আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া, স্বামীকে মারধর করা স্ত্রীর পরিবারের চার সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগও আনা হয়েছে।

    স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, ৩০ আগস্ট উত্তর প্রদেশের সেহরাপুরের বাসিন্দা শিবম তার স্ত্রী সঙ্গীতার জন্য সমুচা আনতে ভুলে যান। সামান্য এ ব্যাপারটি নিয়ে শুরু হওয়া তর্ক-বিতর্ক দ্রুতই ধারণ করে তীব্র আকার।

    পরের দিন সঙ্গীতা তার বাবা-মা এবং তার মামাকে স্বামীর বাড়ি ডেকে পাঠায়। ৩১ আগস্ট প্রাক্তন গ্রামপ্রধান অবধেশ শর্মার উপস্থিতিতে একটি সালিশ ডাকা হয়। কিন্তু সালিশটি সহিংস হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে স্ত্রী ও তার আত্মীয়রা শিবমকে মারধর করেন। এর জেরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুইপক্ষ। এতে শিবমের পরিবারের সদস্যরাও আহত হন।

     

    এদিকে এ ঘটনায় শিবমের মা বিজয় কুমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। কর্তৃপক্ষ ভারতীয় আইনের ‘ন্যায় সংহিতা’র প্রাসঙ্গিক ধারায় এফআইআর নথিভুক্ত করে, যার মধ্যে হত্যাচেষ্টার অভিযোগও রয়েছে।

    এদিকে সালিশে হামলার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ভুক্তভোগী স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর করা হচ্ছে।