Author: News Live

  • কানে চুল গজানো কিসের ই’ঙ্গিত? বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন!

    কানে চুল গজানো কিসের ই’ঙ্গিত? বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন!

    সাধারণভাবে কানে চুল হওয়া কোনো বিশেষ রোগের লক্ষণ নয়। এটা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক শারীরিক ব্যাপার। তবে কিছু কারণ থাকে—

    ১. জেনেটিক কারণ (বংশগত)

    অনেক পুরুষের কানে চুল হওয়ার প্রধান কারণ বংশগত। পরিবারে যাদের আছে, তা২. বয়স বাড়া

    বয়স বাড়ার সাথে সাথে পুরুষদের কানে, নাকে ও ভ্রুতে চুল বাড়া একটা স্বাভাবিক শারীরিক পরিবর্তন। বিশেষ করে ৩০–৪০ বছর পর থেকে বেশি দে৩. হরমোন (অ্যান্ড্রোজেন) বৃদ্ধি

    টেস্টোস্টেরন বা অ্যান্ড্রোজেন লেভেল বেশি হলে শরীরের কিছু জায়গায় (নাক, কান, বুকে) চুল বাড়তে পারে।

    এটা কোনো সমস্যা না—শুধুই হরমোনের স্বাভাবিক৪. স্বাস্থ্য সমস্যা নয়

    অনেকে মনে করেন কানে চুল মানেই কোনো রোগ বা সমস্যা—

    ➡️ আসলে না। এটা শুনে মনে হলেও এর সাথে কিডনি/হার্ট/ডায়াবেটিসের কোনো সম্পসংক্ষেপে:

    কানে চুল হওয়া = বয়স, জেনেটিক, বা হরমোনের স্বাভাবিক প্রভাব।

    এটা কোনো খারাপ স্বাস্থ্য লক্ষণ না।র্ক নেই। প্রভাব।খা যায়দের হলে এটাও স্বাভাবিক

  • ঢাকাসহ সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ

    ঢাকাসহ সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ

    চলছে বছরের শীতলতম মাস জানুয়ারি। দেশ জুড়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ। ঘন কুয়াশা আর হাঁড় হিম করা শীতে কাঁপছে পুরো দেশ। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে এক অঙ্কে।

    বিজ্ঞাপন
    আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরের জেলা সিরাজগঞ্জ ও নওগাঁয় রেকর্ড হয়েছে এ তাপমাত্রা।

    এর মধ্যেই আবহাওয়া অধিদপ্তরের খবর, চলতি মাসে মোট পাঁচটি শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত।

     

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, চলতি মাসে ২ থেকে ৩টি শৈত্যপ্রবাহ হবে মৃদু থেকে মাঝারি তাপমাত্রার (৮-১০ ডিগ্রি থেকে ৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। এবং ১ থেকে ২টি শৈত্যপ্রবাহ হবে মাঝারি থেকে তীব্র (৬-৮ ডিগ্রি থেকে ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস)।

    মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদ-নদী অববাহিকাসহ কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে পড়তে পারে ঘন কুয়াশা, অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনাও রয়েছে। কখনও কখনও এই কুয়াশা স্থায়ী থাকতে পারে দুপুর পর্যন্ত। ঘন কুয়াশার কারণে দিন এবং রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে শীতের অনুভূতি আরও বাড়বে।

    বিজ্ঞাপন

    আরও পড়ুন

    বাংলাদেশে শীতকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কোন কোন বছরে?
    উল্লেখ্য, দেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দেখা গিয়েছিল ২০১৮ সালে। ওই বছরের জানুয়ারি মাসে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় দুই দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই একই বছর উত্তরাঞ্চলের বিভাগ রংপুরের সৈয়দপুরের তাপমাত্রাও রেকর্ড ভেঙেছিল, তাপমাত্রা গিয়ে ঠেকেছিলো দুই দশমিক নয় ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ২০১৮ সালে উত্তরাঞ্চলের জেলা নীলফামারীর ডিমলা, কুড়িগ্রামের রাজারহাট এবং দিনাজপুরের তাপমাত্রা ছিল তিনের ঘরে। সেগুলো হলো যথাক্রমে— তিন, তিন দশমিক এক এবং তিন দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    এর আগে, ২০১৩ সালে বাংলাদেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। সেসময় রংপুর, দিনাজপুর ও সৈয়দপুরের তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে তিন দশমিক পাঁচ, তিন দশমিক দুই ও তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তালিকায় আছে রাজশাহীও।

    ২০০৩ সালে সেখানকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় তিন দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এখন পর্যন্ত রেকর্ড হওয়া সর্বনিম্ন তাপমাত্রার মাঝে অন্যতম।

     

  • তীব্র শীতের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা

    তীব্র শীতের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, চলতি জানুয়ারি মাসে দেশে চার থেকে পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এতে কিছু সময় বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞাপন
    পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চলতি মাসে দেশের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বঙ্গোপসাগরে কোনো ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা নেই।

    এ সময় ২-৩টি মৃদু থেকে মাঝারি এবং ১-২টি মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় স্বাভাবিক থাকবে।

     

    তাছাড়া, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন নদী অববাহিকাসহ কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে এবং কুয়াশা কখনো কখনো দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে শীতের অনুভূতি বেড়ে যেতে পারে।

    নদ-নদীর পানি স্বাভাবিক থাকবে জানিয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বজায় থাকবে।

    বিজ্ঞাপন

    কৃষি আবহাওয়া সম্পর্কিত তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে দেশের দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ১.৫০ থেকে ৩.৫০ মিলিমিটার এবং গড় সূর্যকিরণকাল ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট থেকে ৫ ঘণ্টা ৫০ মিনিটের মধ্যে থাকবে।

    আরও পড়ুন

    শীত নিয়ে দুঃসংবাদ
    এভাবেই চলতি মাসে আবহাওয়ার পরিবর্তন থাকবে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। জনজীবন ও কৃষি কাজের জন্য এই পূর্বাভাস গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

     

  • মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    বর্তমানে সারা বিশ্বের মহিলাদের কাছেই স্তন ক্যান্সার একটি আতঙ্কের নাম। আর এর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইদানীং ক্যানসারের প্রচলিত ওষুধে কাজ হচ্ছে না। প্রচলিত বেশির ভাগ কেমোথেরাপিও এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই স্তন ক্যান্সার দিনে দিনে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের।

    কিন্তু জানেন কি? দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের ভুলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমনই ৮টি খারাপ অভ্যাসের কথা, যেগুলো স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    ১। স্তনের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার না করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    স্তনের আকারের চেয়ে বড় মাপের বক্ষবন্ধনী স্তনের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্তনের তরলবাহী লসিকাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    ২। সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকার কারণে ঘাম হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ঘরে থাকার সময় টুকুতে ব্রা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

    ৩। প্লাস্টিকের বক্সে খাবার রাখা এবং বিশেষত সেটিতেই ওভেনে গরম করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিতে পারে। এর চেয়ে কাঁচের পাত্র ব্যবহার করুন। আর প্লাস্টিক ব্যবহার করতে চাইলে তা ফুড গ্রেড কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

    ৪। ঘামের দূর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাই! কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। এলুমিনাম বেসড উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যান্সারের ঝুকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া বিশেষ জরুরি।

    ৫। চুল পেকে যাওয়া বা হাল ফ্যাশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চুলে নানা রঙের ব্যবহার, যেটিই হোক না কেন, দোকান থেকে সস্তার চুলের রং কিনে আনবেন না। এতে চুল তো পড়ে যেতে পারেই, সেই সঙ্গে এতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিকের কারণে হতে পারে স্তন ক্যান্সারও। তাই ভালও ব্র্যান্ডের ভেষজ চুলের রং ব্যবহার করুন।

    আর সবচেয়ে ভাল হয় মেহেন্দি ব্যবহার করতে পারলে। মেহেন্দি একদিকে যেমন চুলের জন্যে ভাল, সেই সঙ্গে এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

    ৬। ঘরের দূর্গন্ধ দূর করতে এয়ার ফ্রেশনারের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এতে থাকা প্যাথালেট নামক প্লাস্টিসাইজিং রাসায়নিক যা সুগন্ধকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে, তার সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

    এর চেয়ে ফুটন্ত জলেতে এক টুকরো দারচিনি ফেলে দিন। এবার দেখুন, ঘরময় কি সুগন্ধই না ছড়াচ্ছে! আলমারির কাপড়চোপড় পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে নেপথলিন তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। অনেকে আবার বাথরুমের দুর্গন্ধ এড়াতে বেসিনে, সিঙ্কেও নেপথলিন ফেলে রাখেন।

    কিন্তু এটি পুরোটাই ক্ষতিকর কেমিকেল দিয়ে তৈরী, যা কেবল পোকামাকড়কে দূরেই রাখে না, বরং আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। এর চেয়ে নিমপাতা শুকিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রেখে দিন। একই উপকার পাবেন।

    রান্নাঘরের সিঙ্ক বা কেবিনেট যে রঙিন তরল ক্লিনার দিয়ে আপনি পরিস্কার করছেন, তাতে থাকা কেমিকেল কেবল আপনার স্তন ক্যান্সারই নয়, মাইগ্রেন ও অ্যালার্জির প্রকোপও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কেমিকেলযুক্ত এই ক্লিনার ব্যবহার না করে ভিনেগার বা বেকিং সোডা দিয়ে পরিস্কার করতে পারেন।