Author: News Live

  • রমজানে অফিসের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি

    রমজানে অফিসের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি

    রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমজান শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী ১৮ অথবা ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজানের গণনা শুরু হবে। রমজান মাসকে সামনে রেখে অন্যান্য বছরের মতো এবারও সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

    রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) এক সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পবিত্র রমজান মাসে সাহরি ও ইফতারের সময় বিবেচনায় দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস চলবে রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে দুপুর সোয়া ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত যোহরের নামাজের বিরতি থাকবে।

    শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হিসেবে বহাল থাকবে।

    তবে ব্যাংক, বিমা ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ডাক বিভাগ, রেলওয়ে, হাসপাতাল, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা এবং জরুরি সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলো জনস্বার্থ বিবেচনায় তাদের নিজস্ব আইন ও বিধি অনুযায়ী অফিস সময়সূচি নির্ধারণ ও অনুসরণ করবে।

    এদিকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও এর আওতাধীন সব কোর্টের অফিস সময়সূচি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট নির্ধারণ করবে।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রমজানের ছুটি নিয়ে সুখবর

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রমজানের ছুটি নিয়ে সুখবর

    আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে মাদরাসাগুলোতে পবিত্র রমজানের ছুটি শুরু হচ্ছে, তবে স্কুলগুলিতে এবার ১৫ রমজান পর্যন্ত ক্লাস চলবে। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেক শিক্ষক। ক্ষুব্ধ শিক্ষকদের একটি অংশ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি)-তে আবেদন করেছেন যাতে স্কুলের রমজানের ছুটি পুনরায় সমন্বয় করা হয়।

    মাউশির এক কর্মকর্তা গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, রমজানের ছুটি সমন্বয়ের বিষয়ে আবেদনটি ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, অধিকাংশ মাধ্যমিক শিক্ষার্থী রোজা পালন এবং নিয়মিত নামাজ আদায় করে, তাই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

    ওই কর্মকর্তা বলেন, “এটি মূলত শিক্ষকদের পক্ষ থেকে করা একটি আবেদন। রোজা রেখে নিয়মিত ক্লাস চালানো এবং তারাবির নামাজ আদায় করা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য কষ্টসাধ্য। অতীতেও এমন সমন্বয় ছিল, তাই এবারও তা কার্যকর হওয়ার আশা রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপর নির্ভর করছে।”

    সূত্র জানায়, এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের আবেদনের ভিত্তিতে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী এ আবেদন করেছেন।

    এ আবেদনের প্রেক্ষিতে পুরো রমজান মাসে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত বার্ষিক ছুটির তালিকায় রমজান মাসে ৫ মার্চ পর্যন্ত প্রায় ১৫ দিন স্কুল খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষে নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকা কঠিন হয়ে ওঠে। এছাড়া মার্চ, মে এবং ডিসেম্বরের নির্দিষ্ট সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোকে বার্ষিক ছুটির অংশ হিসেবে গণনা করা হয়েছে।

  • ব্রেকিং: রোজায় স্কুল ছুটি নিয়ে হাইকোর্টের  নতুন সিদ্ধান্ত

    ব্রেকিং: রোজায় স্কুল ছুটি নিয়ে হাইকোর্টের নতুন সিদ্ধান্ত

    পুরো রমজান মাসে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল, অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা।

    এর আগে পবিত্র রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।

     

     

    সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন। গত ৫ জানুয়ারি পবিত্র রমজানে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ দেন সুপ্রিম কোর্টের ওই আইনজীবী।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই নোটিশ পাঠান তিনি।

    নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে— এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং ওইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের তর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।

    নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিশু-কিশোররা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়ে রোজা রাখার অভ্যাস থেকে দূরে থাকার সম্ভাব্না দেখা দেয়। যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এ ছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র জানযটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। নোটিশের জবাব না পাওয়ায় এ রিট দায়ের করা হয়।

  • বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন কাঠামো বা পে স্কেল বাস্তবায়নের সময়সূচি চূড়ান্তের পথে। বেতন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই আংশিকভাবে নতুন স্কেল কার্যকরের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে জানানো হয়েছে।

    সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত ২১ সদস্যের বেতন কমিশন তাদের সুপারিশমালা এরইমধ্যে চূড়ান্ত করেছে।

    আগামী ২১ জানুয়ারি অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে এই আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রতিবেদন জমার পর তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    এবারের পে-স্কেলে নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুপারিশমালা অনুযায়ী বর্তমানে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থাকলেও তা দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ১৮,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

     

     

    একইসঙ্গে সর্বোচ্চ ধাপে বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে, যাতে বেতন বৈষম্য কমে আসে।

    নতুন এই বিশাল বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়নে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ব্যয়ের সংস্থান নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি আংশিক বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হবে।
    উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০১৫ সালের বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রায় ১০ বছর পর নতুন এই বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।