Author: News Live

  • কোন জিনিস মেয়েদের মধ্যে সহজেই ঢুকিয়ে দেওয়া যায়

    কোন জিনিস মেয়েদের মধ্যে সহজেই ঢুকিয়ে দেওয়া যায়

    আপনি যদি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাহলে সাধারণ জ্ঞানের পাশাপাশি বেশ কিছু বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন থাকে, যেগুলো জেনে রাখা উচিত। আসলে ইন্টারভিউ চলাকালীন এমন কিছু প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় যা শুনে অনেকেই ঘাবড়ে যান। আসলে এগুলি ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করলে আপনিও সহজেই উত্তর দিতে পারবেন।

    ১) প্রশ্নঃ আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের প্রধান বন্দর কোনটি?
    উত্তরঃ পোর্ট ব্লেয়ার।

    ২) প্রশ্নঃ রেটিনা ও অপটিকা স্নায়ু স্থল কে কি বলা হয়?
    উত্তরঃ অন্ধবিন্দু।

    ৩) প্রশ্নঃ কোন বায়ু বাণিজ্যিক বায়ু নামে পরিচিত?
    উত্তরঃ আয়ন বায়ু।

    ৪) প্রশ্নঃ সোলার সিস্টেম কে আবিষ্কার করেন?
    উত্তরঃ বিজ্ঞানী নিকোলাস কোপার্নিকাস।

    ৫) প্রশ্নঃ অনশনের কারণে কোন বিপ্লবী জেলের মধ্যে শহীদ হয়েছিলেন?
    উত্তরঃ বাঙালি বিপ্লবী যতীন দাস।

    ৬) প্রশ্নঃ বিশ্বের কোন দেশটি প্রথম কার্বন মুক্ত দেশ হিসেবে ঘোষিত হয়েছে?
    উত্তরঃ আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভুটান।

    ৭) প্রশ্নঃ বক্সাইট উৎপাদনে ভারতের কোন রাজ্যটি প্রথম স্থান অধিকার করেছে?
    উত্তরঃ ওড়িশা।

    ৮) প্রশ্নঃ কোন বিদ্যার হাত ধরে মানচিত্র অঙ্কন শুরু হয়েছিল?
    উত্তরঃ গণিতবিদ্যা।

    ৯) প্রশ্নঃ মরুভূমিতে মরীচিকার জন্য দায়ী কোনটি?
    উত্তরঃ অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন।

    ১০) প্রশ্নঃ ১৮২০ এর দশকের ইয়ংবেঙ্গল আন্দোলন নেতা কে ছিলেন?
    উত্তরঃ হেনরি ডিরোজিও।

    ১১) প্রশ্নঃ আর্সেনিক দূষণের ফলে যে রোগটি দেখা যায় তার নাম কি?
    উত্তরঃ ব্ল্যাকফুট।

    ১২) প্রশ্নঃ আলোর প্রতিসরণের সূত্র কে আবিষ্কার করেছিলেন?
    উত্তরঃ ১৬২০ সালে হল্যান্ডের বিজ্ঞানী স্নেল (Willebrord Snellius) সর্বপ্রথম আলোর প্রতিসরণের সূত্র প্রকাশ করেন। তাই এই সূত্রটিকে স্নেলের সূত্রও বলা হয়।

    ১৩) প্রশ্নঃ হ্যারিকেন ঝড়ের উদ্ভব হয় কোথায়?
    উত্তরঃ সাধারণত আটলান্টিক ও উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়গুলোকে হ্যারিকেন নামে ডাকা হয়। একই ধরণের ঝড় যখন ভারত মহাসাগরে উৎপন্ন হয়, তখন তার নাম হয় সাইক্লোন।

    ১৪) প্রশ্নঃ কোন সালে মায়ানমার ভারত থেকে আলাদা হয়ে যায়?
    উত্তরঃ ১৯৩৭ সালে।

    ১৫) প্রশ্নঃ কী এমন জিনিস যা মেয়েদের মধ্যে সহজেই ঢুকিয়ে দেওয়া যায়?
    উত্তরঃ সন্দেহ ও কুসংস্কার — এ দুটি মেয়েদের মনে সহজেই ঢুকিয়ে দেওয়া যায়।

  • হঠাৎ শা’রীরিক মি’লন বন্ধ করলে মেয়েদের যা হয়, সকল ছেলেদের জানা উচিৎ

    হঠাৎ শা’রীরিক মি’লন বন্ধ করলে মেয়েদের যা হয়, সকল ছেলেদের জানা উচিৎ

    হঠাৎ শা’রীরিক মি’লন বন্ধ করলে মে’য়েদের যা হয়, সক’ল ছেলেদের জা’না উ’চি’ৎ স্বা’মী-বিয়োগ, বিবাহ-বি’চ্ছেদ, বা অন্য শহরে চাকরি, এধরনের নানাবিধ কারণে মি`লন’তা হা’রিয়ে যেতে পারে না’রীর থেকে।
    এতে অনেক স’ময় ক্ষ’তিগ্র’স্থ হয় না’রী শ’রীর। মা’নসিক দিক থেকে সুখ ও শান্তি চ’লে যায়। অনেক দেখা দেয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে ভা’লোও হয়। ভা’লো-ম’ন্দ মি’লিয়ে স’হবা’স বন্ধ হওয়ার কারণে কী কী আসে জেনে নিন

    আ’গের চেয়ে অনেক বেশি উ’তলা করে তোলে: আম’র’া স’বাই জানি, মি’লন হ’তাশা, হাঁ’হুতাশ মেটাতে সাহায্য করে। কিন্তু কোনও অ’জ্ঞাত কারণে যদি না’রীর জীবনে স’হবা’সের চ্যা’প্টার বন্ধ হয়ে যায়, তবে মা’নসিক তৈরি ‘হতে পারে। ক’থায় ক’থায় মন খারাপ, কিছু ভা’লো না লা’গা, কারণে অকারণে অ’তিরিক্ত রা’গ জ’ন্মাতে শুরু ‘হতে পারে।

    মা’নুষের স’ঙ্গে দু’র্ব্য’বহার করতেও শুরু করে দিতে পারেন সেই না’রী। স্ক’টিশ গবেষকদের প’রীক্ষায় জা’না যায়, স’হবাস বন্ধ হয়ে গেছে এমন ম’হিলাদের নাকি লো’কের স’ঙ্গে ক’থা বলতেও অ’সুবিধে হয়।

    এর কারণ, স’হবা’স করার স’ময় থেকে যে ফি’ল গু’’ড কে’মিক্যাল এ’ন্ডোর্ফিন ও অ’ক্সিটোসিন নিঃ’সরিত হয়, তা বন্ধ হয়ে যাওয়া। ই’উরিনারি ট্র্যা’ক্ট ই’নফেকশন হওয়ার স’ম্ভাবনা কমে যায়: স’’ঙ্গ’মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূ’ত্র’নালীতে সং’ক্রমণ ‘হতে পারে।

    প্র’স্রাবের স’ময় জ্বা’’লায’ন্ত্রণা শুরু ‘হতে পারে তখন। কিন্তু স’হবাস করা বন্ধ হয়ে গেলে ই’উরিনারি ট্র্যা’ক্ট স’ম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। স’র্দি কা’শি প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা কমে যায়: মি’লন- করলে শ’রীরে রো’গ-জী’বাণুর প্র’বেশ ক’ষ্টকর হয়ে ওঠে।

    অর্থাৎ, শ’রীরে রো’গপ্র’তিরো’ধ শ’ক্তি গড়ে ওঠে। পে’নসিলভেনিয়ার উ’ইলকিস’বারে বি’শ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মত, স’প্তাহে অ’ন্তত দু’বার স’হবা’স করলে ইমিউনোগ্লোবিন অ ছোটো করে বললে, ওমঅ।’ এই হর’মোনের নিঃ’সরণ শ’রীরে রো’গ প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা বা’ড়ায় হ’রমোনের প’রিমাণ ৩০% বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে স’র্দি, কা’শি, জ্ব’র হওয়ার প্র’বণতা কমে যায়। কিন্তু মি’লন করা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে ক’মজো’রি হয়ে পড়ে না’রীশ’রীর। স’র্দি, কা’শির শুরু হয়।

    হৃ’দয় হা’র মা’নতে শুরু করে হ’রমোনের কাছে: দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প’রীক্ষা-নিরীক্ষা বলছে, স’হবা’স করলে ভা’লো থাকে। হ’র’মোনের নিঃ’সরণ যথাযথ প’রিমাণে ‘হতে থাকে। কিন্তু অনেকদিন স’হবা’স বন্ধ থাক’লে হৃ’দযন্ত্রে নে’তিবাচক স’মস্যা তৈরি করতে পারে। শ’রীর ক’মজো’রি হয়ে পড়ে। নিয়’মিত এ’ক্সারসাইজ় করলে বা ট্রে’ডমি’লে দৌড়ালেও লাভ হয় না। স’হবাস করার ইচ্ছে চ’লে যেতে পারে: যাঁরা মনে করেন, নিয়’মিত স’হবাস করার অ’ভ্যাসে একবার দাঁ’ড়ি বসলে, কা’মনা-বা’স’নার লা’গাম ছাড়িয়ে যায়।

    তা হলে তাঁরা ভু’ল জানেন। স’হবা’স করা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে, মি’লিত হওয়ার বাস’না কমে যায়। এটা ম’হিলাদের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। শ’রীরে উ’ত্তেজ’না লোপ পেতে শুরু করে। একটা স’ময় প’র আর কা’মেচ্ছা জাগে না। বু’দ্ধি কমে যায়: নিয়’মিত স’হবা’স করা শুরু করলে, সেটা যদি হঠাৎ ব’ন্ধ হয় যায়, তবে বু’’দ্ধি লো’প পেতে পারে। সারাক্ষণের ক্লা’ন্তি, হ’তা’শা ম’স্তিষ্কে নেতিবাচক প্র’ভাব ফে’লতে পারে।

    যার ফলে স’বচেয়ে বেশি প্র’ভাবি’ত হয় স্ম’রণশ’ক্তি। স’বকিছু ভু’লে যাওয়ার স’মস্যা তৈরি ‘হতে থাকে। আর এর জ’ন্য দায়ি একমাত্র স’হবা’স থেমে যাওয়া।

  • প্রাকৃতিক ওষুধ ইসবগুলের নানান উপকারিতা

    প্রাকৃতিক ওষুধ ইসবগুলের নানান উপকারিতা

    ইসবগুলকে বলা হয় প্রাকৃতিক ওষুধ। এটি দ্রুত পেট পরিষ্কার করে এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সুস্থ রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসবগুল গরম পানিতে গুলে খেলে শরীর থেকে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর হয়।

    ইসবগুলের ভুসি কী

    ইসবগুলের ভুসি মূলত সাইলিয়াম (প্ল্যান্টাগো ওভাটা) বীজের খোসা, যা দ্রবণীয় ফাইবারে ভরপুর। এটি রেচক বা ল্যাক্সেটিভ হিসেবে পরিচিত। গবেষণায় প্রমাণিত, এটি হার্ট ও অগ্নাশয় সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

    খাওয়ার নিয়ম

    .প্রথমে দিনে একবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

    .ধীরে ধীরে দিনে ২-৩ বার খাওয়া যেতে পারে।

    .এক গ্লাস গরম পানিতে ১ টেবিল চামচ ইসবগুল মিশিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খেতে হবে।

    .রাতে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে বেশি উপকারী।

    পুষ্টিগুণ

    ১ টেবিল চামচ ইসবগুলে থাকে—

    ৫৩% ক্যালোরি

    ১৫ মিলিগ্রাম সোডিয়াম

    ১৫ গ্রাম শর্করা

    ৩০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম

    ০.৯ মিলিগ্রাম আয়রন

    কোনো ফ্যাট নেই, তাই ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না।

    ইসবগুলের উপকারিতা

    কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে: অন্ত্রে একটি স্তর তৈরি করে যা ক্ষতিকর কোলেস্টেরল শোষণ হতে বাধা দেয়। ফলে তা মলের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।

    কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: পেট পরিষ্কার রাখে ও আলসারজনিত ব্যথা কমায়।

    প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমায়: আখের গুড়ের সঙ্গে খেলে দ্রুত আরাম মেলে।

    গ্যাস্ট্রিক প্রতিরোধ করে: পাকস্থলীতে প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে, অ্যাসিডিটি কমায়।

    ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণে: দইয়ের সঙ্গে খেলে তরল মল শক্ত হয় ও দ্রুত আরোগ্য ঘটে।

    হার্ট ভালো রাখে: রক্তের কোলেস্টেরল কমায়, ধমনী ব্লক হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে।

    ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে: রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া রোধ করে।

    ওজন কমাতে সাহায্য করে: দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমায়।

    খাওয়ার সঠিক নিয়ম

    .অবশ্যই পর্যাপ্ত পানির সঙ্গে খেতে হবে।

    .এক গ্লাস পানিতে এক চামচ ভুসি মিশিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে ফেলতে হবে।

    .পানি বা শরবতের সঙ্গেও খাওয়া যেতে পারে।

    নিয়মিত ও সঠিকভাবে ইসবগুলের ভুসি খেলে পাচন সমস্যা, কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

     

  • সোনা কেনার আগে যা জেনে রাখা জরুরি

    সোনা কেনার আগে যা জেনে রাখা জরুরি

    সোনা অবশ্যই নির্ভরযোগ্য জুয়েলারি দোকান থেকে কেনা উচিত। ব্যাচ নম্বর, ক্যারেট মার্কিং এবং বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস) অনুমোদিত দোকানগুলোর তালিকা দেখে তবেই সোনা লেনদেন করুন। বেশি সোনার দামে অথবা ছাড়ে কেনার আগে নিশ্চিত হন যে আসল ও নির্ধারিত মানের কিনা।

    বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি, ডলারের মূল্য ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর নির্ভর করে আগামী মাসগুলোতে সোনার দাম আরও বাড়তে পারে। সাধারণত ঈদের সময় সোনার চাহিদা বাড়ে, ফলে দামও বাড়ে। তাই এখনই পরিকল্পনা করে সোনা কেনা হতে পারে বুদ্ধিমানের কাজ।

    বাজার চাহিদা, আন্তর্জাতিক মান, এবং অর্থনৈতিক অবস্থা অনুযায়ী প্রতিদিন দাম পরিবর্তিত হয়।

    আজকের ২২ ক্যারেট সোনার দাম দেখে বোঝা যায়, বাজার এখন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রয়েছে। যারা সোনা কিনতে আগ্রহী, তাদের উচিত বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া।

    বিশ্ববাজারে সোনার দামের ওঠানামা, স্থানীয় ডলার রেট, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং রপ্তানি-আমদানির ভারসাম্য– এসবই বাংলাদেশে সোনার দাম নির্ধারণে প্রভাব ফেলে। অনেক সময় উৎসবকালীন চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও দামে পরিবর্তন আসে।

     

    বর্তমান অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় সোনার বিনিয়োগের নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত। সোনার দাম প্রতিদিন জানলে বিনিয়োগের সঠিক সময় নির্ধারণ করা সহজ হয়।

    অনেক সোনা ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার চাহিদা বাড়ছে। সেই সঙ্গে ভোক্তাদের আগ্রহও বেড়েছে।