• কয়েক ঘন্টার জন্য বিয়ে করা যায় ইরানী নারীদের!

    কয়েক ঘন্টার জন্য বিয়ে করা যায় ইরানী নারীদের!

    মাত্র এক ঘণ্টার জন্য তরুণীদের বিয়ে করা যায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানে। এ ধরনের বিয়েকে বলা হয় মোতাহ বিয়ে।

    ইসলামে যেহেতু পতিতাবৃত্তি বা বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক হারাম। তাই এই ধরনের বিয়ে চালু রয়েছে দেশটিতে।

    ইরানে বিয়ে ছাড়া একসঙ্গে যুবক-যুবতীর থাকাকে বলা হয় ‘হোয়াইট ম্যারেজ’ বা সাদা বিয়ে। দেশটিতে কড়া ইসলামী আইনে নারী-পুরুষের এভাবে একসঙ্গে থাকা অবৈধ। কিন্তু তারপরও চলছে এই সাদা বিয়ে।

    ইরানে অনেক যুগলই তাড়াহুড়ো করে বিয়ে করতে চান না। এর কারণ হচ্ছে দেশটির ক্রমবর্ধমান বিবাহবিচ্ছেদের হার। কারণ দেশটিতে প্রতি পাঁচটি বিয়ের একটি বিচ্ছেদ হয়। এর মধ্যে রাজধানী তেহরানে বিবাহবিচ্ছেদের হার সবচেয়ে বেশি।

    ইরানের আইনে বিয়ের বাইরে কোনো নারী-পুরুষের শারীরিক সংস্পর্শ ঘটলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ কারণে যে যুগলরা এ রকম সাদা বিয়ে করেছেন -তারা এটা নানাভাবে গোপন রাখেন, যাতে লোকের চোখে তা ধরা না পড়ে।

    সাদা বিয়ে করেছেন এমন কোনো নারী যদি অত্যাচারিত হন তাহলে তিনি পুলিশের কাছে যেতে পারেন না, কারণ তাহলে তিনি ও তার সঙ্গী উভয়কেই ব্যভিচারের দায়ে গ্রেপ্তার করা হবে।

    তবে ইরানের তরুণ প্রজন্মকে বিয়েতে উৎসাহিত করতে চালু হয়েছে হামদানের মতো ডেটিং অ্যাপ । বিয়ের প্রাথমিক খরচ মেটাতে সুদমুক্ত ঋণও দেওয়া হচ্ছে।

    শুধু তাই নয়, বিয়ে নিয়ে বিচিত্র আচার প্রচলিত আছে ইরানে। দেশটিতে ১৩ বছর বয়সী মেয়ে এবং ১৫ বছর বয়সী ছেলেদের বিয়ে দেওয়া বৈধ।

    দেশটিতে বিয়ের আগে নারীকে কুমারীত্বের সার্টিফিকেট দিতে হয়। এ ছাড়া মেয়ের বয়স ১৩ বছর হলে পালক কন্যাকে বিয়ে করতে পারেন বাবা।

    ইরানের আছে হাজার বছরের ইতিহাস। তবে দেশটিতে ইসলামের ছোঁয়া লাগে সপ্তম শতকে। আরব মুসলিমরা ৬৩৬ খ্রিষ্টাব্দে পারস্য সাসানীয় সাম্রাজ্যে আক্রমণ শুরু করে। পরবর্তী ৫ বছরের মধ্যে তারা এলবুর্জ পর্বত ও কাস্পিয়ান সাগরের তীরবর্তী সমভূমি ব্যতীত সমগ্র ইরান করায়ত্ত করে। ৬৫১ সালে তারা সাসানিদ সাম্রাজ্যের পূর্ণ পতন ঘটাতে সক্ষম হয়।

    এর পর প্রায় দুই শতাব্দী ধরে ইরান আরব ইসলামিক সাম্রাজ্যের অধীনে। এ সময় মূল ইরানের বাইরে বর্তমান পশ্চিম আফগানিস্তানের হেরাতেও এই সাম্রাজ্যের বিস্তার ঘটে। ইসলামের খলিফারা প্রথমে মদীনা ও পরবর্তীকালে সিরিয়ার দামেস্ক ও শেষ পর্যন্ত ইরাকের বাগদাদ থেকে ইরান শাসন করতেন।

  • মায়ের কাছে পড়ে ৯ মাসে হাফেজ

    মায়ের কাছে পড়ে ৯ মাসে হাফেজ

    কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার ৭ বছর বয়সী এক শিশু, মুহাম্মদ, তার মা ও নানির কাছে ৯ মাসে কোরআন মুখস্থ করে “হাফেজ” হয়েছে। শিশুটি ভেড়ামারা উপজেলার সাতবাড়ীয়া গ্রামের মুফতি আবদুল্লাহ আমজাদের ছেলে। তার মা, আলেমা মাসুমা জান্নাত, “মাসুমা জান্নাত মহিলা মাদ্রাসা” নামে একটি মাদ্রাসা পরিচালনা করেন, যেখানে তিনি এবং তার মা (মুহাম্মদের নানি) উভয়েই কোরআনের হাফেজ। কিছু বাংলা সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে। 

  • স্মার্ট এনআইডি বিতরণ শুরু! আপনার কার্ড এসেছে কি না, ঘরে বসেই জেনে নিন

    স্মার্ট এনআইডি বিতরণ শুরু! আপনার কার্ড এসেছে কি না, ঘরে বসেই জেনে নিন

    ২০২৫ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন উপজেলায় আবারও শুরু হয়েছে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্ট এনআইডি) বিতরণ কার্যক্রম। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম চলবে ধাপে ধাপে, এবং অগ্রাধিকার পাচ্ছেন ২০০৮ সাল থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ভোটার হওয়া নাগরিকরা।

    কিভাবে জানবেন আপনার স্মার্ট কার্ড তৈরি হয়েছে কি না?

    আপনার স্মার্ট এনআইডি কার্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা জানার জন্য খুব সহজেই অনলাইনে চেক করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে www.nidw.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Smart Card Status Check’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।

    এরপর, আপনার বর্তমান এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ এবং প্রদত্ত ক্যাপচা কোড দিয়ে ফর্মটি পূরণ করে সাবমিট করুন।

    যদি দেখা যায় “স্মার্ট কার্ডের কোন তথ্য পাওয়া যায়নি”, তাহলে বুঝতে হবে আপনার কার্ডটি এখনো তৈরি হয়নি এবং আপনি এই ধাপে স্মার্ট কার্ড পাচ্ছেন না।

    আর যদি স্ট্যাটাসে “Completed” লেখা আসে এবং একটি বক্স আইডি নম্বর দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে আপনার স্মার্ট কার্ড প্রস্তুত।

    কোথা থেকে ও কিভাবে সংগ্রহ করবেন?

    যদি আপনার স্মার্ট কার্ড প্রস্তুত থাকে, তাহলে দুটি উপায়ে আপনি তা সংগ্রহ করতে পারবেন:

    নির্ধারিত তারিখে নির্ধারিত স্থানে
    নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত সময় ও তারিখে স্থানীয় স্কুল, মাদ্রাসা বা উন্মুক্ত স্থানে স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম চালাবে। ঘোষিত সময় অনুযায়ী সেখানে গিয়ে এনআইডি কার্ড বা ডেলিভারি স্লিপ দেখিয়ে কার্ড সংগ্রহ করা যাবে।

    উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে সরাসরি
    কেউ চাইলে সরাসরি নিজ নিজ উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে এনআইডি কার্ড বা ডেলিভারি স্লিপ সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।

    শেষ কথা

    স্মার্ট এনআইডি কার্ড এখন শুধু পরিচয়পত্র নয়, বরং নাগরিক সেবা গ্রহণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ডকুমেন্ট। তাই সময়মতো নিজের কার্ডের অবস্থা জেনে নেওয়া এবং নির্ধারিত সময়ে সংগ্রহ করা সবার জন্যই জরুরি।

  • পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে মা/র/ধ/র, ভিডিও ভাইরাল…

    পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে মা/র/ধ/র, ভিডিও ভাইরাল…

    পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ফেনীর পরশুরামে ব্যবসায়ী সুমন হোসেনকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি দল থেকে অব্যাহতি পাওয়া স্থানীয় এক যুবদল নেতা এ মারধর করেছেন বলে জানা গেছে।

     

    শনিবার (১২ জুলাই) বিকেলে ভুক্তোভোগীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

    ৫ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, যুবদল নেতা সায়েম ও তার ভাতিজা ফয়সালসহ কয়েকজন ওই ব্যবসায়ীকে টানাহেঁচড়া করছেন। একপর্যায়ে টানতে টানতে তার গায়ের পোশাক খুলে ফেলা হয়। তাকে মারধর করা হয়। বার বার টেনে সুমনকে দোকান থেকে বের করার চেষ্টা করা হয়।

    পরশুরাম উত্তর বাজারের ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সুমন অভিযোগ করে বলেন, বকেয়া টাকা চাওয়াতে দক্ষিণ কোলাপাড়া ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মো. সায়েম ও তার ভাতিজা ফয়সালসহ কয়েকজন আমাকে মারধর করেন। রাতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মারধরের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। বর্তমানে আমি পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

    এ দিকে অভিযুক্ত যুবদলের ওয়ার্ড সভাপতি মো. সায়েমকে গত ২৫ জুন অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে পরশুরাম পৌর যুবদলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

    পরশুরাম পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মোস্তফা খোকন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিছফাকুছ ছামাদ রনি ও যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আবছার চৌধুরী কমল সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ফেনী জেলা যুবদলের নির্দেশক্রমে পরশুরাম পৌর যুবদলের ৫ নং ওয়ার্ডের আহ্বায়ক মো. সায়েমকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।

    পরশুরাম পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মোস্তফা খোকন বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ সায়েমকে ২৫ জুন অর্থাৎ ১৭ দিন আগে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।