• ‘হ”স্ত”মৈ”থুন করে,মেয়েরা কোন সুখ অনুভব করেছেঃ  শ্বেতা ত্রিপাঠি

    ‘হ”স্ত”মৈ”থুন করে,মেয়েরা কোন সুখ অনুভব করেছেঃ শ্বেতা ত্রিপাঠি

    ‘ভিরে দি ওয়েডিং’ ছবিতে স্বরা ভাস্করের স্বমেহন দৃশ্য ও ‘লাস্ট স্টোরিজ’-এ কিয়ারা আদবানির স্বমেহনের দৃশ্য নিয়ে কিছু কম ঝড় ওঠেনি। এবার ওই একই দৃশ্যে কারণে আলোচনায় ওঠে আসছে ‘মির্জাপুর’ নামে আরও একটি ওয়েব সিরিজ। চটকদর গল্পের প্লট, অসাধারণ অভিনেতা, অভিনেত্রী, সাহসী দৃশ্য সবই রয়েছে এই ওয়েব সিরিজে।

    গত ১৬ নভেম্বর থেকে ‘মির্জাপুর’ নামে এই ওয়েব সিরিজটি সম্প্রচারিত হওয়া শুরু হয়। আর এরপরেই আলোচনায় উঠে আসে অভিনেত্রী শ্বেতা ত্রিপাঠি। এই ওয়েব সিরিজে গোলু গুপ্তার চরিত্রে দেখা যাবে শ্বেতাকে। ওয়েব সিরিজের দ্বিতীয় পর্বে হস্তমেহন দৃশ্যের মাধ্যমেই দর্শকদের সঙ্গে আলাপ হয় গোলু গুপ্তার (শ্বেতা ত্রিপাঠি) চরিত্রটি। ওই দৃশ্যে দেখা যায়, গোলু গুপ্তাকে ( শ্বেতা ত্রিপাঠিকে) গ্রন্থাগারের কোণে বসে পর্নোগ্রাফির বই পড়তে পড়তে হস্তমৈথুন করতে দেখা যায়। আর এরপরেই গোলুর (শ্বেতা ত্রিপাঠি) দিদি সুইটি (শ্রিয়া পিলগাঁওকর) তাঁকে খুঁজতে খুঁজতে তাঁকে গ্রন্থাগারে পায়। দেখে সে কোণে বসে বই পড়ছে, আর ঘেমে চান করে গেছে। এরপর যখন তাঁর দিদি সুইটি (শ্রিয়া পিলগাঁওকর) তাঁকে জিজ্ঞাসা করে, সারা বিশ্বের সমস্ত বিষয়ে তাঁর জ্ঞান হয়েছে কিনা? উত্তরে গোলু গুপ্তা (শ্বেতা ত্রিপাঠি) বলে ”হ্যাঁ, স্বর্গের বিষয়ে তো জ্ঞান হয়েই গেছে।”

    এই শ্বেতা ত্রিপাঠির অভিনয় করা এই দৃশ্যই আলোচনায় উঠে এসেছে। একই ভাবে ‘ভিরে দি ওয়েডিং’-এ স্বরা ভাস্করের হস্তমৈথুন দৃশ্য ও ‘লাস্ট স্টোরিজ’-এ কিয়ারা আদবানির অভিনয় করা স্বমেহন দৃশ্য নিয়ে কিছু কম বিতর্ক হয়নি। তবে এধরনের সাহসি দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে অভিনেত্রী শ্বেতা ত্রিপাঠি বলেন, ”পুরুষদের মতো মহিলাদেরও একটা যৌন চাহিদা আছে। আর এটা খুব স্বাভাবিক। এর মধ্যে খারাপ কিছু নেই। আমাকে যখন চিত্রনাট্য টা পড়তে দেওয়া হয়েছিল, তখনই ওয়েব সিরিজের চিত্রনাট্য সম্পর্কে ধারনা হয়ে যায়। এই চরিত্রে অভিনয় করা নিয়ে তখন আমি আর দ্বিতীয়বার না ভেবেই রাজি হয়ে যাই। আমার এক্কেবারেই মনে হয়নি এটা সাহসি দৃশ্য।এটা খু সাধারণ একটা বিষয়, প্রতিদিনের চা-কফি খাওয়ার মতো। আর আমি বুঝতে পারছি না এই দৃশ্যটা নিয়ে এতো আলোচনার কী আছে? আমার কাছে যখন এটা ভীষণই স্বাভাবিক বিষয় তাহলে অন্যদের কাছে কেন নয়? ”

    শ্বেতা এই দৃশ্য নিয়ে আরও বলেন, ” পুরুষরা এই ধরনের কাজ করেন তো সাহসি হয়ে যায়, আর মহিলারা করলেই সভ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, কিন্তু কেন? কামসূত্র আমাদের দেশের সংস্কৃতিরই অঙ্গ। আমাদের এটা নিয়ে গর্ব করা উচিত। ”

    তবে এই প্রথম নয়, এর আগে ‘হারমখোর’ ছবিতেও নওয়াজউদ্দি সিদ্দিকির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করেন শ্বেতা ত্রিপাঠি। প্রসঙ্গত, শ্বেতা ত্রিপাঠি ছাড়াও পঙ্কজ ত্রিপাঠী, বিক্রান্ত মেশি, হার্সাত গৌর, অমিত সিয়াল ও ‘মান্টো’ খ্যাত রাশিকা দুগ্গাল এবং আলি ফজলের মতো অভিনেতা অভিনেত্রীরা এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। সাহসি দৃশ্য ছাড়াও একাধিক খুন-খারাবির দৃশ্য রয়েছে এই ওয়েব সিরিজটিতে।

  • ১১ বছর ধরে একই পুরুষের সঙ্গী দুই তরুণী, এক সঙ্গে হতে চান গর্ভবতী

    ১১ বছর ধরে একই পুরুষের সঙ্গী দুই তরুণী, এক সঙ্গে হতে চান গর্ভবতী

    শুধু দেখতেই এক নয় তারা। পোশাক থেকে প্রেমিক, সব ব্যাপারেই দুই বোনের পছন্দ এক। এবার তারা একই পুরুষের সন্তানের মা হতে চান তারা। এমনই জানালেন অ্যানা ও লুসি ডিসিনকে নামের দুই যমজ বোন।

    অস্ট্রেলিয়ার পার্থের বাসিন্দা দুই তরুণী ১১ বছর ধরে একই পুরুষসঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন। তিন জনের সংসারে এবার নতুন সদস্য আসুক, এমনই চান তারা।

    মাঝেমধ্যে একই পোশাক পরে ইনস্টাগ্রামে ছবি দেন ৩৭ বছর বয়সি দুই বোন। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে তারা নিজেদের ইচ্ছার কথা জানান। তাদের প্রেমিক বেন ব্রায়ান পেশায় শল্যচিকিৎসক। দুই বোন চান, একসঙ্গেই প্রেমিক বেনের সন্তানের মা হবেন। এই মর্মে তিনজন একসঙ্গে চেষ্টার ত্রুটি রাখছেন না বলেও জানান তারা।

    লুসি জানান, খুবই উদ্বেগে রয়েছেন তিনি। তার রোজই মনে হচ্ছে বোন অ্যানা যে কোনো সময়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়বেন। কিন্তু তারা একসঙ্গেই সন্তানের জন্ম দিতে চান। তাই তিনিও মা হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

    সবসময়ই তাদের পছন্দ এক রকম। দুইজন একে অপরকে ছাড়া এক মুহূর্ত থাকতে পারেন না। দূরে গেলেই উদ্বেগে ভোগেন বলেও দাবি দুই বোনের।

    অ্যানা জানিয়েছেন, শৌচা;লয়েও দুইজনে একসঙ্গে যান। গোসলও করেন একসঙ্গে। একে অন্যকে ছাড়া কোনো কাজই করতে পারেন না। এমনকি, ঘ;নি;ষ্ঠ মুহূর্তে দুইজনকে একসঙ্গেই সাম;লাতে হয় প্রেমিক বেনের।

  • সহবাস ছাড়া নারী কতদিন থাকতে পারে

    সহবাস ছাড়া নারী কতদিন থাকতে পারে

    আপনার শক্ত শরীরটার বদলে যখন ঠান্ডা বালিশটা তার দুই পায়ের ফাঁকে জায়গা করে নেয়, আপনার কি সত্যিই মনে হয় সে শুধু আপনাকেই ভেবে শরীরটাকে শান্ত করে?
    আপনি ভাবেন, আপনি বিদেশে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে টাকা পাঠাচ্ছেন আর সে আয়েশ করছে। কিন্তু আপনি কি জানেন, তার শরীরের ঘাম শুকানোর আগেই মধ্যরাতে আবার শরীরটা ঘেমে ওঠে? এটা পরিশ্রমের ঘাম নয়, এটা অতৃপ্ত যৌবনের জ্বলে ওঠা আগুনের উত্তাপ। যে আগুন নেভানোর জন্য আপনি পাশে নেই।
    একজন পুরুষের দায়িত্বের বোঝা হয়তো তার যৌনতাকে শাসন করতে পারে, কিন্তু একজন নারীর শরীর? তার শরীরের প্রতিটি জীবন্ত কোষ যখন একটা পুরুষালি স্পর্শের জন্য ছটফট করে, তখন আপনার পাঠানো টাকার মেসেজ তার শরীরে কীসের শিহরণ জাগাবে? কামনার, নাকি চরম ঘৃণার?
    ভাবুন তো, রাতের অন্ধকারে একা বিছানায় শুয়ে সে যখন নিজের শরীরেই নিজে হাত বোলায়, তখন তার কল্পনায় কার মুখ ভাসে? আপনার, যাকে সে বছরখানেক আগে ছুঁয়েছে? নাকি পাশের বাড়ির সেই ছেলেটা, যে প্রতিদিন তার ভেজা চুলের দিকে ক্ষুধার্ত চোখে তাকিয়ে থাকে? নাকি ফেসবুকের ইনবক্সে নক করা সেই পুরনো প্রেমিক, যে তার একাকীত্বের সুযোগ নিতে মুখিয়ে আছে?
    ভিডিও কলে আপনার মুখটা দেখে তার শরীরের আগুন নেভে না, বরং আরও দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে। কারণ স্ক্রিনের আপনি তাকে ছুঁতে পারেন না, তার ঠোঁটে ঠোঁট রাখতে পারেন না, তার শরীরে আপনার শরীরের ঘামের গন্ধ মিশিয়ে দিতে পারেন না। আপনার ডিজিটাল ভালোবাসা তার শারীরিক খিদের কাছে এক চরম উপহাস মাত্র।
    আপনি কি নিশ্চিত, আপনার অনুপস্থিতিতে তার শরীরটা শুধু আপনার জন্যই তোলা আছে? একটা জলন্ত, জীবন্ত শরীর কতদিন অপেক্ষা করতে পারে? কত রাত সে শুধু চোখের জলেই নিজেকে ভেজাবে?
    নাকি একদিন ক্লান্ত হয়ে সে এমন কারো জন্য দরজা খুলে দেবে, যে তার শরীরটাকে বুঝবে, তার খিদে মেটাবে?
    প্রশ্নটা হলো, আপনি টাকা পাঠিয়ে তার শরীরটা কিনছেন, নাকি তার বিশ্বস্ততাকে প্রতিদিন মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছেন?
    ভাবুন, প্রবাসী স্বামী। কারণ আপনার সাজানো বিছানা হয়তো অন্য কারো জন্য নিষিদ্ধ খেলার মাঠ হয়ে উঠছে।
  • বড় জিনিস নিতে গিয়ে বমি করে দিলেন জাহ্নবী, রইল ভিডিওর লিংকসহ

    বড় জিনিস নিতে গিয়ে বমি করে দিলেন জাহ্নবী, রইল ভিডিওর লিংকসহ

    এবার ‘লাভ’ বাইট, দেখা মিললো জাহ্নবীর শরীরে

    বলিউডের নতুন সেনসেশন জাহ্নবী কাপুর। আগামী ৪ নভেম্বর মুক্তি পাচ্ছে তার অভিনীত সিনেমা ‘মিলি’। এর আগেই তাকে নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কি সেই বিতর্ক

    পরনে কালো রঙের পোশাক। বাতাসে উড়ছে খোলা চুল। চোখে-মুখ থেকে ঠিকরে পড়ছে লাবণ্য। এমন রুপে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। তার ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে এমন দৃশ্য দেখা যায়। মূলত, এটি একটি ফটোশুটের ভিডিও।

    সবকিছু ঠিকই ছিল। কিন্তু জাহ্নবীর শরীরের একটি লাল দাগ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। ফটোশুটের জন্য হাত উঁচিয়ে জাহ্নবী যখন পোজ দিচ্ছিলেন; তখন দেখা যায়, তার ডান হাতে একটি লাল দাগ। নেটিজেনদের ধারণা, এটি লাভ বাইট।

    একজন লিখেছেন, ‘তোমার বাহুমূলে একটি লাভ বাইট।’ তাকে সমর্থন জানিয়ে আরো দশজনের অধিক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন। নায়িকার শরীরে কে এঁকে দিলো এই ভালোবাসার চিহ্ন? এই প্রশ্নই তাড়া করছে নায়িকার ভক্তদের মনে। তবে এ বিষয়ে এখনো মন্তব্য করেননি জাহ্নবী।

    ২০১৮ সালে ‘ধড়ক’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন জাহ্নবী কাপুর। এ সিনেমায় কাজ করতে গিয়ে ইশান কাট্টারের সঙ্গে নাম জড়ায় তার। পরবর্তীতে তার ছোটবেলার এক বন্ধুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের গুঞ্জন চাউর হয়। যদিও এসব গুঞ্জন উড়িয়ে দেন জাহ্নবী।

    বর্তমানে জাহ্নবীর হাতে বেশ ক’টি সিনেমার কাজ রয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে—‘মিলি’, ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মাহি’ ও ‘বাওয়াল’।