-
প্রেম করে বিয়ে,বিয়ের কিছুদিন পর ডিভোর্স!
প্রেম করে বিয়ে,বিয়ের কিছুদিন পর ডিভোর্স! এই টাইটেলে ভাইরাল একটি ভিডিও ভেসে বেড়াচ্ছে নেটিজন দের ফিডে।ভিডিওতে ৪ জন ব্যক্তি রয়েছে ৩ জন পুরুষ আর একজন মহিলা। ভিডিও দেখে বিষয় বস্তু মনে হচ্ছে ডিভোর্স এর কিছু।ছেলের হাত থেকে মেয়েকে হাশি মুখে কাবিন এর টাকা নিতে দেখা যাচ্ছে ।এই বিষয় দেখে মানুষ বিভিন্ন ধরনের কমেন্ট করতেছে ।এই ভিডিও টি “শূন্য পকেট ” পেজ থেকে আপলোড করা হয়েছে -
চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ছেলেদের পু.রু.ষত্ব, ব্যবসা চলছে রমরমা
বিক্রি হচ্ছে পুরুষত্ব কলগার্লের যখন রমরমা ব্যবসা তখন এ’সকর্টের খাতায় নাম লেখাতে ছেলেরাও পিছিয়ে নেই। বেশিরভাগ সময় এইসব ছেলেরা পুরুষত্ব বিক্রি করে কর্পোরেট বিজনেসম্যানদের স্ত্রীদের কাছে। কিংবা সেই সকল মহিলা যারা উদ্যম জীবন যাপনে অভ্যস্ত। ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে এসকর্ট বিজনেস কিংবা কল গার্ল নামে যে কালচারটা গড়ে উঠেছে সেটার লিডিং পজিশনে আছে নামী দামি ভার্সিটির উচ্চ শিক্ষিত মেয়েরা।
শুধু মেয়েরাই এই এসকর্ট বিজনেসে চালিয়ে যাচ্ছে এমনটা নয়; ছেলেরাও এখন নিজেদের পুরুষত্ব বিক্রি করছে চড়া দামে। সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন’ এসকর্ট বিজনেসের এই রমরমা ব্যাবসায় মেয়েরা আগে পেটের দায়ে আসলেও’ এখন আসে স্রেফ উচ্চাভিলাষী জীবনযাপনের জন্য। ঢাকার উত্তরায় এরকম কিছু ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানেস্বামী স্ত্রী” উভয়েই এসকর্ট বিজনেসের সাথে জড়িত। স্বামী বাইরের লোককে ডেকে এনে স্ত্রীর ঘরে পাঠায়। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একেবারে বাসায় বসে নিরাপদে এরকম বিজনেস চালিয়ে আসছিল বেশ কিছু যুগল। যেহেতু হোটেল বিজনেসের মতো উদ্যম নয় অতএব মানুষের চোখের আড়ালে খুব সহজেই বিজনেস চালানো সহজ ছিল। লক্ষ্যনীয় বিষয় এই যে’ ভার্সিটির এই ছেলে মেয়েগুলোকে কখনোই আপনি ধরা পড়তে দেখবেন না। ধরা খায় রাস্তার ৩০০ টাকার মেয়েটা’ কিংবাকোন সস্তা পতিতালয়ের কোন সস্তা মেয়ে। অনলাইন এবং অফলাইন সব জায়গায় এই এক্সপেন্সিভ গ্রুপটা বেশ আধিপত্যের সাথে বিজনেস করে। উচু লেভেলের
যাবে। ভার্সিটির মতো জায়গা থেকে যখন উচ্চ শিক্ষিত মেধাবী মানুষ বের হওয়ার কথা’ তখন সেখান থেকে বের হয় উচ্চ শিক্ষিত এসকর্ট (ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই)। এসকর্ট বিজনেসের সঙ্গে জড়িত এক বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণী জানায়’ একজন স্ত্রী তার স্বামীর কথায় আরেকজন পুরুষের সাথেবিছানা শেয়ার করতে সানন্দে রাজি হয়ে যাচ্ছে। বিনিময়ে শরীর বিক্রি করে স্মার্ট ফোন’ ল্যাপটপও আদায় করে নিচ্ছে অনেকে। এ পেশায় আধুনিক ছেলেরাও যোগ দিয়েছে। যে লক্ষণগুলো স্পষ্ট করে একজন নারী বিবাহিত জীবনে অসুখী অনেকগুলো স্বপ্নের জাল বুনে একজন নারী স্বামীর সংসার শুরু করেন। বলা যায় একটি নতুন জীবনের সূচনা। বিবাহিত জীবন খুব সুখে শান্তিতে কাটবে এমনটাই কমনা থাকে সবার তবে সব আশা সবার পুর্ন হয়না। তাই বিয়ের পরও দুঃখী থেকে যায় কিছু নারী।
আপনি যদি একজন বিবাহিত নারী হয়ে থাকনে এবং আপনার বিবাহিত জীবন যদি সুখকর না হয়ে থাকে তবে আজকের এই লেখা ধরে নিন আপনাকে উদ্দেশ্য করেই। আসলে একটা সময়ে গিয়ে আমরা জীবনে ঠিক বেঠিক বুঝে উঠতে পারিনা। আমরা কি আসলেই ভালো আছি কিনা তাও বুঝিনা। আজ আমরা আলোচনা এমন কিছু লক্ষণ নিয়ে যা স্পষ্ট করে যে একজন বিবাহিত নারী সুখে নেই। প্রথমেই বলা যাক ঘুমের কথা। উইমেনস হেলথ
একরোস দ্যা ন্যাশনের ডাক্তার ট্রক্সেল একটি বিশেষ গবেষণার পর এ কথা বলেন যে’ সুখী বিবাহিত নারীরা অসুখী নারীদের তুলনায় শতকরা ১০ ভাগ গভীর এবং সুখকরভাবে নিদ্রা যাপন করে থাকেন। হতে পারে আপনার স্বামী শহরের বাইরে আছেন কিংবা আপনার আপনার সন্তানের অসুস্থ। যে কোন কারনেই হোক না কেন একজন বিবাহিত নারী সেই মুহূর্তে যথেষ্ট অসুখী যখন তার ঘুমের জায়গা টেনশন দখল করে নেয়। একজন অসুখী বিবাহিত নারীর দ্বিতীয় লক্ষণ হচ্ছে ক্লান্তি।
-
স্বপ্নে স্বামী আসায় গর্ভধারণ, নারীর দাবি
ভারতের এক নারী দাবি করেছেন, ১১ বছর আগে মারা যাওয়া স্বামী নিয়মিত তার স্বপ্নে আসতেন। আর সেই ‘স্বপ্ন-সম্পর্ক’ থেকেই তিনি গর্ভধারণ করেছেন। কয়েক মাস আগে শারীরিক অসুস্থতার পরীক্ষায় গর্ভধারণ ধরা পড়ার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আজকাল ইন বুধবার (১৩ আগস্ট) প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানায়, ওই নারী স্বামীর মৃত্যুর পর একাই বসবাস করছিলেন এবং অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়াননি। তার দাবি, বহুদিন ধরে স্বামী স্বপ্নে এসে গল্প করা, খাওয়াসহ সময় কাটাতেন; এ সময়েই তিনি অন্তঃসত্ত্বা হন।
ঘটনাটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক কৌতূহল ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। কেউ একে ‘অলৌকিক’ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ সম্পূর্ণ অবিশ্বাস্য বলছেন। অনেকেই সত্যতা যাচাইয়ে ডিএনএ পরীক্ষার দাবি তুলেছেন।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গর্ভধারণের জন্য নারীর ডিম্বাণুর সঙ্গে পুরুষের শুক্রাণুর মিলন জরুরি, যা স্বাভাবিক শারীরিক সম্পর্ক বা সহায়ক প্রজনন প্রযুক্তি (যেমন আইভিএফ) ছাড়া সম্ভব নয়। কেবল স্বপ্ন বা আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতায় গর্ভধারণের কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
উল্লেখ্য, বিশ্বে মৃত স্বামীর সংরক্ষিত শুক্রাণু ব্যবহার করে সন্তান নেওয়ার নজির রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৫ সালে লরা অরিকো নামে এক নারী স্বামীর মৃত্যুর ১০ বছর পর তার সংরক্ষিত শুক্রাণু ব্যবহার করে গর্ভধারণের খবর জানান। ভারতে কেরালার এক নারীও স্বামীর মৃত্যুর এক বছর পর ফ্রোজেন এমব্রিও ব্যবহার করে যমজ সন্তানের জন্ম দেন। যুক্তরাজ্যে ডায়ান ব্লাড মামলায় মৃত স্বামীর শুক্রাণু ব্যবহারের আইনি স্বীকৃতি নিয়ে ঐতিহাসিক রায় হয়েছিল।
-
মুখের গন্ধে কারো সামনে যেতে ল’জ্জা? তাহলে দেরি না করে এই টিপস জানুন
মুখের দুর্গন্ধ মানেই সামাজিক বিড়ম্বনা। আপনি হয়তো টেরই পেলেন না, আপনার সামনে বসতে গিয়ে লোকে সঙ্গে সঙ্গে উঠে পড়ছে। কারণ যখন বুঝতে পারলেন, তখন খুব দেরি হয়ে গেল।
যদিও মুখের দুর্গন্ধ খুবই সাধারণ একটি সমস্য়া। অনেকেরই থাকে। কতগুলি বিষয় মাথায় রাখুন এক্ষেত্রে।
নিয়মিত জিভ পরিষ্কার রাখুন। দিনে অন্তত দুবার দাঁত ব্রাশ করুন। বড় এলাচ এখন আর সেভাবে পাওয়া যায় না। তাই ছোট এলাচ মুখে রাখুন। মৌরি চিবিয়ে খেতে পারেন। পুদিনা পাতাও ভাল কাজ দেয়। চাইলে লবঙ্গ খেতে পারেন। লেমন অয়েল মাউথ ওয়াশ হিসেবে ব্য়বহার করতে পারেন। এককাপ ঈষদষ্ণু জলে দু-চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারেন। দুধ চা নয়, বরং লিকার চা বা ব্ল্য়াক টি আর গ্রিন-টি মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।
তবে এসবের পরও যদি মুখের দুর্গন্ধ থেকে যায়, তাহলে কিন্তু বিষয়টা ভাবনার। তখন আর বাইরে থেকে নয়। বরং ভেতর থেকে চিকিৎসার ব্য়বস্থা করতে হবে। বলে রাখা ভাল, দাঁত বা মাড়ির সমস্য়াতেও কিন্তু মুখে দুর্গন্ধ হয়। সেক্ষেত্রে একজন দাঁতের ডাক্তারকে দেখিয়ে নিন। আর তাতেও যদি কাজ নয়, তাহলে একজন জেনারেল ফিজিশিয়ানকে দেখিয়ে নিন। হতে পারে লিভারের সমস্য়া থেকে আপনার মুখে দুর্গন্ধ হচ্ছে। সেক্ষেত্রে যথাযথ চিকিৎসা দরকার। আর সেইসঙ্গে দরকার কিছু খাওয়া দাওয়ার ওপর বিধিনিষেধ জারি করা।
তবে দেখা গিয়েছে, দিনে ভাল করে দুবার ব্রাশ করে, মুখে এলাচ বা মৌরিজাতীয় কিছু একটা রেখে অনেকেই সুফল পেয়েছেন। তাই, মুখে দুর্গন্ধ নিয়ে অহেতুক বেশি চিন্তা করতে হবে না। ওপরের টোটকাগুলো দিয়ে চালিয়ে দেখুন। তাতে না-হলে ডাক্তার দেখিয়ে নিন।