• অল্পতেই ভিজে গেল মিথিলার, করলেন মাথা নত

    অল্পতেই ভিজে গেল মিথিলার, করলেন মাথা নত

    রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতেও ছড়িয়েছেন অভিনয়ের দ্যুতি। শোবিজের বাইরেও তার একাডেমিক ক্যারিয়ার নিয়ে রয়েছে বেশ সুপরিচিতি। এছাড়াও লেখালেখিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় তিনি।সাম্প্রতিক সময়ে বেশ খারাপ সময়ের মধ্যেই কাটাচ্ছেন মিথিলা। সামাজিক মাধ্যমে তার প্রোফাইল ঘাঁটলেই বুঝতে বাকি থাকবে না যে এই মুহূর্তে এক শোকাবহ পরিস্থিতির মাঝে কাটাচ্ছেন অভিনেত্রী।

    তার ফেসবুক প্রোফাইলে দেখা যায়, মূল ছবির বদলে কালো পর্দা! একের পর এক শোকসন্তপ্ত পোস্ট; ক্যাপশনের কথাগুলো যেন অভিনেত্রীর শোকে ভেঙে পড়ার প্রতিফলন।

    এই মুহূর্তে কলকাতার সৃজিতের ঘর ছেড়ে মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় বাবার বাড়িতে সময় কাটাচ্ছেন মিথিলা। এরই মধ্যে অভিনেত্রী তার বিষাদে ভরা মনে কিছুটা শক্তি সঞ্চার করতে মেয়ের সঙ্গে কবিতা পাঠ করতে বসলেন। এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তা শেয়ার করে লেখেন, স্কুলগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ। আব্বু সকাল সকাল আমার মেয়েকে বাংলা পড়াতে বসলো। বাংলা পাঠ্যবই ‘আমার বই’ এর প্রথম কবিতাটাই হলো কাজী নজরুল ইসলাম এর ‘সংকল্প’ কবিতা। সেই ছোটবেলা থেকেই কবিতাটা আমার মুখস্থ। তাই আমিও যোগ দিলাম কবিতাপাঠে।

    এরপর কবিতার অংশ তুলে ধরে তিনি লিখলেন,

    থাকবো নাকো বদ্ধ ঘরে
    দেখবো এবার জগৎ টারে
    কেমন করে ঘুরছে মানুষ
    যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে
    দেশ হতে দেশ দেশান্তরে
    ছুটছে তারা কেমন করে।
    কিসের নেশায় কেমন করে
    মরছে যে বীর লাখে লাখে
    কিসের আশায় করছে তারা
    বরণ মরন যন্ত্রণাকে।

    এরপর থামলাম। আবার এই চার লাইন পড়লাম।

    কিসের নেশায় কেমন করে
    মরছে যে বীর লাখে লাখে
    কিসের আশায় করছে তারা
    বরণ মরন যন্ত্রণাকে।

    সব শেষে তিনি লিখলেন, চোখ ভিজে এলো। মাথা নত হলো।

  • মেয়েদের বী*র্যপাত হয় কিনা জানালেন শ্রীলেখা

    মেয়েদের বী*র্যপাত হয় কিনা জানালেন শ্রীলেখা

    অধিকাংশ পর্নোভিডিওতে দেখা যায় মেয়েদের কোনো সিমেন আউট হয় না_ অনেকে এ ব্যাপারে প্রশ্নবিদ্ধ হয়। মেয়েদের সিমেন দেখার জন্য অনেকে একের পর এক সেক্স ভিডিও দেখতে থাকে কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা হতাশ হয়। এখানে সমস্যাটি কী? এজন্য আপনাকে অর্গ্যাজম ও ইজ্যাকুলেশন বা বীর্যপাতের তারতম্য বুঝতে হবে। নারীদের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় অর্গ্যাজম হয়। অর্গ্যাজম তার মস্তিষ্কের একটি নিউরোকেমিক্যাল পরিস্থিতি, যৌন উত্তেজনা যখন চরম শিখরে পৌঁছে, তখন নারীর শরীর ও ভ্যাজাইনায় একপ্রকার প্রেসার সৃষ্টি হয়, চূড়ান্তে যখন এই প্রেসার রিলিজ হয়, তখন তারা যৌনসুখ লাভ করে। এ সময় তার যোনি থেকে পুরুষের মতো কোনো তরল পদার্থ নিঃসৃত হবে এমন কোনো কথা নেই। এটি হতেও পারে আবার নাও হতে পারে!

    সাধারণত, এটা মনে করা হয় যে, পুরুষের ইজ্যাকুলেশন হলো যৌন জাগরণ এবং অর্গ্যাজমের সময় সিমেন রিলিজ হওয়া। এ সময় তার শ্রোণিচক্রের পেশি সংকুচিত হয় এবং মূত্রনালী দিয়ে স্প্যার্ম বের হয়। ইজ্যাকুলেশন হওয়ার পর একজন পুরুষের মধ্যে সেনসেশন এবং সেন্স অব রিলিজ তৈরি হয়ে থাকে। অন্যদিকে অর্গ্যাজম হলো, সুতীব্র শারীরীক ও মানসিক ক্লাইমেক্স। এ সময় শ্রোণিচক্র ও যৌনাঙ্গের চারপাশে ছন্দোবদ্ধভাবে পেশি সংকুচিত হয়। “আমরা অর্গ্যাজমকে ডিফাইন করি প্লেজার, হৃদস্পন্দের মাত্রা ও সেক্সচুয়াল টেনশন রিলিফের ওপর”। অতএব দেখা যাচ্ছে, নারী ও পুরুষ দুজনের ক্ষেত্রেই অর্গ্যাজম একই ব্যাপার। “একজন পুরুষের বীর্যপাত হওয়ার পূর্বেও তার এক বা একাধিকবার অর্গ্যাজম হতে পারে। “অর্গ্যাজম হওয়ার জন্য যে সিমেন অথবা ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ হতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই”। কোনো কোনো সময় অর্গ্যাজম ও ইজ্যাকুলেশন একসাথেও হতে পারে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা সময়েও ঘটতে পারে।নারীর ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন। একজন পুরুষ যদিও ইজ্যাকুলেশনের সময় স্প্যার্ম রিলিজ করে। একজন নারী অর্গ্যাজম অথবা সেক্সচুয়াল অ্যাকটিভিটির সময় কোনো ডিম নিঃস্বরণ করে না। নারীর ডিম তার গর্ভাশয়ে জমা থাকে, এটি চক্রাকারে প্রতি মাসিকে একটি করে নিঃস্বরণ হয়। একজন নারী সেক্স করলেও তার ডিম নিঃস্বরণ হয়, সেক্স না করলেও তার ডিম নিঃস্বরণ হয়। এ প্রক্রিয়াকে বলে অভিউলেশন বা ডিম্বোস্ফোটন। পুরুষের শুক্রাণু নারীর ডিম্বাশয়ে প্রবেশ করে, এজন্য পুরুষের ইজ্যাকুলেশন প্রয়োজন। কিন্তু পুরুষের তো কোনো ডিম্বাশয় নেই, যে নারী ইজ্যাকুলেশনের মাধ্যমে পুরুষকে প্র্যাগনেন্ট করবে!

  • কোন বয়সী মেয়েদের শারীরিক চাহিদা বেশি, জানালেন গবেষকরা

    কোন বয়সী মেয়েদের শারীরিক চাহিদা বেশি, জানালেন গবেষকরা

    একাধিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে, সাধারণত পুরুষদের থেকে নারীদের যৌন চাহিদা অনেক বেশি থাকে। একথা একেবারেই মিথ্যা নয়। কারণ, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মেয়েরাই শারিরীকভাবে অনেক বেশি চাহিদা নিয়ে জীবন কাটায়।

    সম্প্রতি টেক্সাস ইউনিভার্সিটির একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ২৭ থেকে ৪৫ বছর বয়সের নারীদের সাধারণত যৌন চাহিদা বেশি থাকে। বিবাহিত হলে, স্বামীর প্রতি অত্যাধিক কামাসক্ত হয়ে পড়ার বিষয়টিও এই সময়েই বেশি দেখা যায়।

    পুরুষদের ক্ষেত্রে কিন্তু বিষয়টি অন্য। গড়ে দেখা গিয়েছে, একজন পুরুষের যৌন জীবন অনেক তাড়াতাড়ি শুরু হয়, আর একজন নারীর যৌন জীবন শুরু হতে হতেই অনেকটা সময় লেগে যায়। ভারতীয় উপমহাদেশে যা সমাজ ব্যবস্থা সেক্ষেত্রে এই কথাটি আরও বেশি প্রযোজ্য। তাই পুরুষের চাহিদাও ফুরিয়ে যায় দ্রুত। কিন্তু নারীর চাহিদা অনেকদিন পর্যন্ত থাকে। এতে কিছুটা সমস্যা বাড়ে মেয়েদের।

    অনেক ক্ষেত্রে চাহিদা পূরণের স্বার্থে অনেক নারী এই বয়সের পর পরকীয়াতেও জড়িয়ে পড়েন। তবে সবটাই হয় প্রাকৃতিক নিয়মে। নারী প্রকৃতিই এমনভাবে কাজ করে। তবে সঙ্গীর প্রতি বিশ্বাস রাখা এবং সঙ্গীকে পরিপূর্ণতা প্রদান করা একে-অপরের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

  • অতিরিক্ত কার্টুন দেখা শিশুদের মস্তিষ্ক ও আচরণে যে ধরনের প্রভাব ফেলে

    অতিরিক্ত কার্টুন দেখা শিশুদের মস্তিষ্ক ও আচরণে যে ধরনের প্রভাব ফেলে

    কার্টুন শিশুদের কাছে আনন্দের বিষয়। অনেক সময় এগুলো শিক্ষণীয়ও বটে। তবে যখন শিশু অতিরিক্ত সময় ধরে কার্টুন দেখে, তখন মজার এই বিষয়টিই ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশু কী ধরনের কার্টুন দেখছে, কতক্ষণ ধরে দেখছে এবং বাবা-মা কতটা সঙ্গ দিচ্ছেন এসবের ওপর নির্ভর করছে কার্টুনের ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব। শিশু স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. পূজা কপূর এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানিয়েছেন।

    কার্টুনের ইতিবাদক দিক: কার্টুন তৈরি করা হয় শিশুদের আকর্ষণ করার মতো করে রঙিন ছবি, প্রাণবন্ত চরিত্র আর সহজবোধ্য গল্প দিয়ে। এর মাধ্যমে একটি শিশু খুব দ্রুত ভাষা শিখতে পারে, নতুন শব্দ মুখস্থ করতে পারে এবং বিভিন্ন বাক্য গঠনের নিয়ম বুঝতে শুরু করে। শুধু ভাষাই নয়, কার্টুনে ব্যবহৃত নানা রঙ, আকার, সংখ্যা কিংবা প্রতীক শিশুর মনে সহজে গেঁথে যায়। যেমন, বিভিন্ন প্রাণীর নাম, খাবারের ধরন, এমনকি ভদ্রতা বা সামাজিক আচরণ সম্পর্কেও শিশুরা কার্টুন থেকে শিখে নেয়। বিশেষ করে ‘সিসিমি স্ট্রিটের’ এর মতো শিক্ষামূলক কার্টুন শিশুদের ভাষা ও সংখ্যা শেখায়। তবে বাবা-মায়ের অংশগ্রহণ এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

    অতিরিক্ত কার্টুন দেখার ক্ষতিকর দিক: বিশেষজ্ঞরা অতিরিক্ত কার্টুন দেখার বেশকিছু ক্ষতিকর দিক তুলে ধরেছেন। এগুলো হলো:

    মনোযোগ কমে যাওয়া: মাত্র নয় মিনিট দ্রুতগামী কার্টুন দেখার পরই প্রি-স্কুল শিশুদের মনোযোগ, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা কমে যেতে দেখা গেছে।

    দীর্ঘমেয়াদি বিকাশে বিলম্ব: ২-৫ বছর বয়সী যারা বেশি সময় স্ক্রিনে কাটায়, তাদের ভাষা, স্মৃতি ও সামাজিক দক্ষতা অন্যদের তুলনায় ধীরগতিতে গড়ে ওঠে।

    আচরণগত পরিবর্তন: অনেক সময় শিশুরা কার্টুনের আক্রমণাত্মক কাজ অনুকরণ করে বা অস্বাভাবিক ভঙ্গিমা ও কথোপকথনের ধরন গ্রহণ করে। তারা বাস্তব ও কল্পনার পার্থক্য বুঝতেও সমস্যায় পড়ে।

    জ্ঞান ও আবেগের চাপ: ফ্যান্টাসিভরা, দ্রুত দৃশ্য পরিবর্তন হওয়া কার্টুন শিশুদের জ্ঞানীয় ব্যবস্থাকে চাপে ফেলে। এতে মনোযোগ কমে, স্মৃতি দুর্বল হয় এবং হঠাৎ সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রবণতা বাড়ে।

    সামাজিক ও মানসিক সমস্যা: বেশি সময় কার্টুন দেখার কারণে বাস্তব খেলাধুলা ও কথোপকথনের সুযোগ কমে যায়। এতে শিশুদের সামাজিক দক্ষতা কমে, উদ্বেগ বাড়ে, ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়।

    শারীরিক ক্ষতি: দীর্ঘ সময় বসে থাকার ফলে শারীরিক কার্যক্রম কমে যায়। খারাপ ভঙ্গিমা, চোখের চাপ, মাথাব্যথা এমনকি ওজন বাড়ার ঝুঁকিও থাকে।

    সঠিক ভারসাম্য তৈরি করার উপায়: পেডিয়াট্রিক নিউরোলজিস্টদের মতে, কার্টুনকে শিক্ষার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে তা অবশ্যই সচেতনভাবে। তারা বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন এগুলো হলো:

    বিষয়বস্তু বাছাই: হিংসাত্মক বা অতিরিক্ত দ্রুতগতির বদলে শিক্ষামূলক কার্টুন নির্বাচন করুন।

    শিশুর সঙ্গে বসে দেখা: বাবা-মায়ের সঙ্গে বসে দেখলে শিশুরা সহজে শেখে এবং বাস্তব জীবনের সঙ্গে মিল খুঁজে পায়।

    সময়সীমা নির্ধারণ: প্রি-স্কুল শিশুদের জন্য দিনে এক ঘণ্টার বেশি নয়।

    বিকল্প উৎসাহ: খেলাধুলা, সৃজনশীল কাজ ও বাস্তব মেলামেশায় উৎসাহ দিন।

    বাস্তবতা বোঝানো: কার্টুনের কল্পনা ও বাস্তব জীবনের পার্থক্য শিশুদের সহজভাবে বুঝিয়ে দিন।

    কার্টুন শিশুদের শেখা ও আনন্দে ভরিয়ে তুলতে পারে, তবে অতিরিক্ত কার্টুন দেখা তাদের জ্ঞান, আচরণ ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই বাবা-মায়ের দায়িত্ব হলো সচেতনভাবে সীমা নির্ধারণ করা এবং কার্টুনকে ইতিবাচক শিক্ষার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা।