• ভক্তদের সুখবর দিলেন তানজিন তিশা

    ভক্তদের সুখবর দিলেন তানজিন তিশা

    ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। তিনি ফ্যাশন শুট ও র‍্যাম্প মডেলিংয়ের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর রিজভি ওয়াহিদ এবং শুভমিতার গাওয়া ‘চোখেরি পলকে’ মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করে তারকা খ্যাতি পান।

    নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিশা। অভিনয়ের পাশপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব থাকেন তিনি।

    সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে তানজিন তিশা বলেন, ‘এটা আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে লাভলী একটা মুহূর্ত। আমার মা এটা ২য় সময় কোথাও আদর্শ মা হিসেবে অ্যাওয়াড পায়।’

    তার কথায়, ‘কারণ আমি বলবো প্রতিটা আটির্স্ট সন্তানের পেছনে বাবা-মার দায়িত্ব যেমন, বাবা-মার ভারটাও অনেক। সে জায়গা থেকে আমি এখানে দাঁড়িয়ে আছি ঠিকমতো কাজ করছি। শুধুমাত্র আমার মায়ের জন্য। সে জায়গা থেকে মাকে যখন সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাই আমি খুবই খুশি।’

    ভক্তদের সুখবর দিয়ে তিশা বলেন, ‘আমার দর্শকরা যেটা চায়, আমিও সেটা চাই। আমি সবসময় অপেক্ষা করেছি খুব ভালো বাজেটের কাজের। চেষ্টা করি, বেছে বেছে কোয়ালিটি সম্পন্ন কাজগুলোর সঙ্গে থাকার। এছাড়া খুব তাড়াতাড়ি আমাকে সিনেমায় দেখা যাবে।’

    অভিনেত্রীর ভাষ্যে, ‘আমার দর্শকদের জন্যই আজকে আমি এই অবস্থানে। আমি বিশ্বাস করি, আমার জেনুইন কিছু দর্শক আছে। তাদের জন্যই আমার সবকিছু। সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ সবসময় আমাকে এত ভালোবাসা ও সাপোর্ট দেওয়ার জন্য।’

  • প্রতি মুহূর্তে ঘনিষ্ঠ দৃশ্য, ভুলেও কারও সামনে দেখবেন না এই ওয়েব সিরিজ

    প্রতি মুহূর্তে ঘনিষ্ঠ দৃশ্য, ভুলেও কারও সামনে দেখবেন না এই ওয়েব সিরিজ

    একটি অসাধারণ ওয়েব সিরিজ সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল হল। যা দেখে প্রত্যেকেই কিন্তু বেশ উত্তেজিত হয়েছেন। যা কিছু নিষিদ্ধ তার প্রতি মানুষের একটা অদ্ভুত টান আছে, পুরুষ হোক কিংবা নারী প্রত্যেকের মানসিকতাই কিন্তু অনেকটাই একরকম সম্প্রতি এই মানসিকতাকে কাজে লাগাচ্ছে বেশ কয়েকটি ওয়েব সিরিজের প্লাটফর্ম। এই ধরনের ইউরোটিক ওয়েব সিরিজ গুলো কিন্তু মানুষের কাছে খুব সহজেই পৌঁছে যাচ্ছে মানুষও কিন্তু এগুলো রীতি মতন উপভোগ করছেন।

    তবে এই সিনেমাগুলি দেখার সময় আপনাকে অবশ্যই করতে হবে, কারণ বাড়ির সকলের সামনে এগুলো মোটেই দেখতে পারবেন না। টান টান উত্তেজনায় ভরা প্রত্যেকটি সিরিজ, গল্পের প্রতিটি বাঁকে রয়েছে রোমান্স। রোমান্টিক দৃশ্যগুলি এবং উত্তেজনারময় দৃশ্যগুলি করার জন্য এখানে যারা অভিনয় করেন তারা যে অত্যন্ত পাকাপোক্ত অভিনেত্রী, তা কিন্তু বোঝাই যায়। এদেরকে খুব একটা অন্যান্য সিনেমা অর্থাৎ মেইনস্টাইনের সিনেমাতে দেখতে পাওয়া যায় না মূলত এই ধরনের সিনেমা করবেন বলেই তারা নিজেদেরকে সেই ভাবে ট্রেন করেন।

    অনেক সময় টেলিভিশনের পর্দায় এই ধরনের সিনেমাগুলি দেওয়া যায় না সে ক্ষেত্রে এই ধরনের কিছু ওয়েব সিরিজ আছে যেগুলো কিন্তু আপনাকে দেখতে গেলে আপনার মোবাইল ফোনের সাহায্য নিতে হবে সেখান থেকেই আপনাকে সাবস্ক্রান করতে হবে। এই প্লাটফর্ম গুলোকে তারপরে আপনি এই সিনেমাগুলি দেখতে পারবেন। বেশ কিছুদিন আগে ট্রেলার রিলিজ হয়ে যায়। ট্রেলার দেখেই আপনি গল্পের খানিকটা বুঝতে পেরে যাবেন, তার পরেই আপনি সাবস্ক্রিপশন করলে দেখতে পাবেন অসাধারণ সিনেমাগুলি।

    খালিস পার্ট 1 ULLU স্টোরিলাইনে ওয়েব সিরিজ খালিস একটি মহিলার গল্প যাকে তার বাবা-মা অল্প বয়সে বিয়ে দিয়েছেন। স্বামীর মৃত্যুর পর তার পাশে শুধু ছেলে আছে। তারপর ছেলের বিয়ে দেন। ছেলে বউ এর মাখো মাখো প্রেম থাকে গোটা সিরিজ জুড়ে। রান্নাঘর থেকে শোয়ারঘর সব জায়গার রোমান্স দেখে পাগল হয়ে যাবেন সবাই। তবে এই ভাবেই গল্পটা কিছুটা চলার পর কাহানিমে এলো টুইস্ট। যেখানে দেখা যাচ্ছে, শাশুড়ি কিন্তু বিধবা তবে তার যৌবন কিন্তু এখনো বজায় আছে এবং এই বিষয়টি লক্ষ্য করেন তার পুত্রবধূ।

    শুনতে তিনি শাশুড়ি হলেও তার শরীরের প্রতিটি ভাঁজ বলে দেয়, তার শরীরে কতটা যৌবনের খিদে আছে। তখন তো আর পুত্রবধূ ঠিক করেন যে তার জন্য একজন বন্ধুকে এনে দেবেন এবং ঘরের মধ্যে সেই বন্ধুকে নিয়েও আসেন তার পুত্রবধূর তার শাশুড়ির চাহিদা মেটানোর জন্য। শাশুড়ি মা প্রথমে একটু দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন তারপরে কিন্তু তিনি আস্তে আস্তে শারীরিক সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যান, তবে এর পরে গল্প কোন দিকে যাবে তা দেখতে গেলে আপনাকে পুরো ওয়েব সিরিজটি দেখতে হবে।

    এই ওয়েব সিরিজটিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রিয়া গামরে এবং আলিয়া নাজ। এইতো গেল পার্ট ওয়ানের গল্প কিন্তু পার টু তেও এই ধারাবাহিকতা বজায় আছে, সেখানেও দেখা যাচ্ছে গৃহবধূ এবং শাশুড়ির মধ্যে একটা অদ্ভুতভাবে কথোপকথন হয়, যেখানে দেখা যায় সে কথোপকথনের মধ্যমণি কিন্তু একজন পুরুষ। প্রথম পার্ট দেখার পর যদি আপনার খুব ভালো লাগে তাহলে চটপট দেখে নিতে পারেন দ্বিতীয় পার্ট। এই পার্টি রিলিজ করছে ২ রা জুন। দ্বিতীয় পার্টের দিকেই সকলে তাকিয়ে বসে আছেন। তবে আগে দেখে নিতে হবে ট্রেলার।

  • না স্বামী, না সন্তান; ৩০৭ কোটির বিপুল সম্পতির মালিক কে হবে জানালেন রেখা

    না স্বামী, না সন্তান; ৩০৭ কোটির বিপুল সম্পতির মালিক কে হবে জানালেন রেখা

    বলিউডের এভারগ্রিন অভিনেত্রী রেখার ফিল্মি ক্যারিয়ার যেমন ছিল চমকপ্রদ, তেমনি তার ব্যক্তিগত জীবনও ছিল দারুণ আকর্ষণীয়। রেখার সৌন্দর্য ও অভিনয়ের কথা সবাই জানে এবং তার অর্থের কোনো অভাব নেই। তিনি কোটি কোটি সম্পত্তির মালকিন, কিন্তু প্রায়শই তার ভক্তরা ভাবতে থাকেন যে রেখার পরে কে তার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে কারণ তার স্বামী বা সন্তান নেই।

    আজ এই প্রতিবেদনে আমরা আপনাদের জানাবো রেখার পর কে পাবেন তার কোটি টাকার সম্পত্তি।মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে, রেখা তার বেশিরভাগ সময় তার বাড়িতে কাটান এবং তার সেক্রেটারি ফারজানাও তার সাথে একই বাড়িতে থাকেন। ফারজানা সারাক্ষণ তার সাথে থাকে, তাকে সারাক্ষণ ছায়ার মতো আগলে রাখে।

    ফারজানা রেখাকে তার মায়ের মতোই যত্ন করে। খবরে বলা হয়েছে, রেখা তার সম্পদের কিছু তার সচিব ফারজানাকে এবং কিছু চ্যারিটি তে দেবেন। রেখা বিশ্বাস করেন যে তিনি তার অর্থ সেই চাই প্রতিষ্ঠানে দেবেন যার খুব প্রয়োজন। রেখা তার কষ্টার্জিত অর্থ অভাবী শিশু এবং বৃদ্ধদের দিতে চান। ফারজানা সবসময় রেখার যত্ন নিয়েছে এবং যদি সে তার খুব কাছে থাকে তবে অভিনেত্রী তার অর্ধেক সম্পদ তাকে দেবেন।

    ফারজানা প্রায় ৩২ বছর ধরে রেখার ছায়ার মতো তার বাড়িতে থাকেন এবং তার সাথে তার সমস্ত কাজ দেখেন। খবরে অনুযায়ী, রেখার বেডরুমে শুধু ফারজানাকেই যেতে দেওয়া হয়। তথ্য সূত্রে জানা গেছে, রেখার বেডরুমে কাউকে অনুমতি দেওয়া হয় না কিন্তু ফারজানা সবসময় তার বেডরুমে তার সঙ্গে থাকে। যদিও তাদের সম্পর্ক নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা করা হয়েছিল এবং তাদের চরিত্র নিয়ে আঙুল তোলা হয়েছিল, কিন্তু ফারজানা রেখার জন্য নীরব ছিলেন।

    রেখা বর্তমানে প্রায় ৪০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পত্তির মালকিন। আসলে রেখা তার সম্পত্তি কাকে দেবেন তা নিয়ে কখনও প্রকাশ্যে কোনও বিবৃতি দেননি। তবে এ নিয়ে গণমাধ্যমে নানা কথা শোনা যায়। এখন শুধুমাত্র সময়ই বলতে পারবে যে রেখার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী কি হতে চলেছে!

  • কোন কাজ ছেলে ও মেয়েরা জামা কাপড় খুলে করে

    কোন কাজ ছেলে ও মেয়েরা জামা কাপড় খুলে করে

    লিখিত পরীক্ষায় পাশ করার পর কেউ যদি ভাবেন ইন্টারভিউ ক্লিয়ার করাও সহজ হবে, তাহলে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কারণ যারা ইন্টারভিউ নেন তারা তাদের পাঠ্য বিষয়ের পাশাপাশি ওই প্রার্থীর উপস্থিত বুদ্ধি যাচাইয়ের জন্য এমন কিছু উদ্ভট প্রশ্ন করেন, যা শুনে অনেকেই ঘাবড়ে যান। তবে ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করলেই এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়। এবার তা দেখে নেওয়া যাক…

    ১) প্রশ্নঃ পশ্চিমবঙ্গের কোথায় মৎস্য বন্দর গড়ে উঠেছে?
    উত্তরঃ শঙ্করপুর, পূর্ব মেদিনীপুর।

    ২) প্রশ্নঃ ধুনো কোন গাছের নির্যাস থেকে পাওয়া যায়?
    উত্তরঃ শাল গাছ।

    ৩) প্রশ্নঃ বিশ্বে কয়লা উৎপাদনে ভারতের স্থান কত?
    উত্তরঃ দ্বিতীয়। চীনের পরেই ভারতের স্থান।

    ৪) প্রশ্নঃ জন্ম ও কাশ্মীরের মাঝে কোন গিরিপথ অবস্থিত?
    উত্তরঃ বানিহাল গিরিপথ।

    ৫) প্রশ্নঃ পৃথিবীর উচ্চতম কনক্রিটের বাঁধ কোনটি?
    উত্তরঃ ভাকরা-নাঙ্গাল বাঁধ।

    ৬) প্রশ্নঃ ভারতের বৃহত্তম লবণাক্ত জলের হ্রদ কোনটি?
    উত্তরঃ সম্বর হ্রদ।

    ৭) প্রশ্নঃ বহুমুখী নদী পরিকল্পনার প্রধান কাজ কী?
    উত্তরঃ বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা।

    ৮) প্রশ্নঃ পালঘাট পূর্ব-পশ্চিমে কোন দুটি রাজ্যকে সংযোগ করেছে?
    উত্তরঃ তামিলনাড়ু ও কেরলকে।

    ৯) প্রশ্নঃ BSNL-এর পুরো নাম কী?
    উত্তরঃ ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড।

    ১০) প্রশ্নঃ ভারতের প্রাচীনতম ও ব্যস্ততম রাস্তাটির নাম কি?
    উত্তরঃ গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড।

    ১১) প্রশ্নঃ ভারতের সিলিকন ভ্যালি বা তথ্য প্রযুক্তির প্রাণকেন্দ্র কোন শহরকে বলে?
    উত্তরঃ বেঙ্গালুরুকে।

    ১২) প্রশ্নঃ ভারতের কোথায় রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটি অবস্থিত?
    উত্তরঃ থুম্বা, কেরালা।

    ১৩) প্রশ্নঃ ভারতের বৃহত্তম প্রবাল দ্বীপ কোনটি?
    উত্তরঃ লাক্ষাদ্বীপ।

    ১৪) প্রশ্নঃ কসমোলজি কি?
    উত্তরঃ মহাকাশ সম্পর্কিত বিজ্ঞান

    ১৫) প্রশ্নঃ কখন ছেলে ও মেয়ে দুজনেই সমস্ত জামা কাপড় খুলে ফেলে উলঙ্গ হয়?
    উত্তরঃ স্নান করার সময় (বিভ্রান্ত করার জন্য এমন প্রশ্ন করা হয়)।