• মেয়েদের কোন অঙ্গটি আমরা খেতে পারি, অনেক মজা করে খাই

    মেয়েদের কোন অঙ্গটি আমরা খেতে পারি, অনেক মজা করে খাই

    মেয়েদের শরীরের কোন অংশ গরম থাকে! মেয়েদের কোন অঙ্গটি আমরা খেতে পারি! কি এই প্রশ্ন শুনে মনে হচ্ছে যে এ কেমন অশ্লীল প্রশ্ন? কিন্তু এই প্রশ্নই করা হয়েছিল IAS পরীক্ষার ইন্টারভিউ বোর্ডে.. যার উত্তর দিতে কালঘাম ছুটেছিল পরীক্ষার্থীদের।

    ভারতের চাকরির জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হল IAS. যেখানে শুধু মেধা নয় পরীক্ষা হয় তীক্ষ্ণ বুদ্ধির। কিছুদিন আগে ইউটিউবের ভিডিওতে এই পরীক্ষারই ইন্টারভিউয়ে কি কি প্রশ্ন করা হয়েছিল তা দেখানো হয়। সেই প্রশ্নগুলির মধ্যে এমন কিছু প্রশ্ন ছিল যা খুব সাধারণ কিন্তু সহজে মাথায় আসবে না। চলুন দেখে নিন সেই প্রশ্নগুলি সঙ্গে দেখুন কটা উত্তর আপনি দিতে পারছেন!

    প্রশ্ন: চীনের মানুষ জাপানের মানুষের চেয়ে বেশি ভাত খায় কেন?

    প্রশ্ন শুনে মনে হতে পারে এ আবার বলা সম্ভব! কি কত খায় কি করে জানা যাবে? কিন্তু এর উত্তর খুবই সোজা যেহেতু চীনের জনসংখ্যা জাপানের চেয়ে বেশি তাই স্বাভাবিকভাবেই চীনের মানুষ বেশি ভাত খায়।

    প্রশ্ন: মেয়েদের কোন অঙ্গটি আমরা খেতে পারি? উত্তর: প্রশ্নটা শুনে অশ্লীল মনে হলেও এটি আসলে tricky প্রশ্ন যার উত্তর Ladyfinger অর্থাৎ ঢেঁড়শ।

    প্রশ্ন: এভারেস্ট আবিষ্কারের আগে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি ছিল? উত্তর: এর উত্তর সবচেয়ে সহজ। উত্তর হবে এভারেস্টই। কারণ আবিষ্কার না হলেও তার অস্তিত্ব তো ছিল।

    প্রশ্ন: কোন মাসে একজন মানুষ সবথেকে কম ঘুমায়? উত্তর: প্রশ্নটা অবাক করার মতন; অথচ উত্তর জলের মতোন। যে মাসে দিন সংখ্যা সবচেয়ে কম সেই মাস অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি মাস‌।

    শেষের প্রশ্নটা শুনে মনে হবে এত বড় পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন আসতে পারে! আসলে প্রশ্ন ছিল মেয়েদের শরীরের কোন অঙ্গ সবচেয়ে বেশি হট? কি মনে হচ্ছে ছিঃ এমন অশ্লীল প্রশ্ন.. আপনি একটু ভুল করে ফেললেন এটা আসলে জীবন বিজ্ঞানের প্রশ্ন। কারণ মেয়েদের তথা আমাদের সেই অঙ্গ সবচেয়ে বেশি হট যেখানে রক্ত চলাচল বেশি। এবার এই উত্তরটা আপনি বলুন তো!

  • মেয়েরা কোন জিনিসটা মুখে নিলে ছেলেরা খুশি হয়

    মেয়েরা কোন জিনিসটা মুখে নিলে ছেলেরা খুশি হয়

    চাকরির ইন্টারভিউগুলি সব সময় খবরের শিরোনামে থাকে। আসলে ইন্টারভিউ চলাকালীন প্রার্থীদের এমন কিছু প্রশ্ন করা হয় যা শুনে অনেকেই ঘাবড়ে যান। তবে একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করলে আপনিও উত্তর দিতে পারবেন। এই প্রতিবেদনে তেমনি কিছু প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আসা হয়েছে, যা বিগত কয়েক বছরের ইন্টারভিউগুলিতে করা হয়েছিল…

    ১) প্রশ্নঃ কোন ভারতীয় রাজ্যের জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
    উত্তরঃ বিহার রাজ্যের জনঘনত্ব কিলোমিটারে ১১০৬ জন, যা সবচাইতে বেশি।

    ২) প্রশ্নঃ ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা নির্ধারণী মানচিত্র তৈরি করেন কে?
    উত্তরঃ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা রেখাটি র‌্যাডক্লিফ লাইন নামে পরিচিত। এটির স্থপতি স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফের নামে নামকরণ করা হয়েছিল।

    ৩) প্রশ্নঃ বিদ্যুতের সর্বোত্তম পরিবাহী কোন ধাতু?
    উত্তরঃ রূপা হল সবচেয়ে বৈদ্যুতিক পরিবাহী ধাতু।

    ৪) প্রশ্নঃ একটি কাটা আপেলের রং কিছু সময় পর বাদামি হয়ে যায় কেন?
    উত্তরঃ এর কারণ এটি বাতাসের সাথে বিক্রিয়া করে আয়রন অক্সাইড গঠন করে।

    ৫) প্রশ্নঃ করোনা মহামারীর পরিপ্রেক্ষিতে কোন ব্যাঙ্ক ‘জরুরী ঋণ’ সুবিধা চালু করেছিল।
    উত্তরঃ স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।

    ৬) প্রশ্নঃ ভারতের কোন দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হয়?
    উত্তরঃ ২৩ শে মার্চ। ভগৎ সিং সুখদেব এবং রাজগুরুর বলিদানকে সম্মান জানিয়ে এই দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

    ৭) প্রশ্নঃ পলাশীর যুদ্ধ কবে ও কাদের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল?
    উত্তরঃ পলাশীর বিখ্যাত যুদ্ধ ১৭৫৭ সালে বাংলার শেষ স্বাধীন শাসক, নবাব সিরাজ উদ-দৌলা এবং লর্ড ক্লাইভের নেতৃত্বে ব্রিটিশ বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল।

    ৮) প্রশ্নঃ যে গাছপালা শুষ্ক অবস্থায় বেড়ে ওঠে তাকে কি বলা হয়?
    উত্তরঃ জেরোফাইটস।

    ৯) প্রশ্নঃ পঞ্চতন্ত্রের রচয়িতা কে?
    উত্তরঃ বিষ্ণু শর্মা হলেন পঞ্চতন্ত্র গ্রন্থের রচয়িতা, যা মূলত সংস্কৃত ভাষায় রচিত হয়েছিল।

    ১০) প্রশ্নঃ মেয়েরা কোন জিনিসটা মুখে নিলে ছেলেরা খুশি হয়?
    উত্তরঃ মেয়েরা ছেলেদের নাম ধরে ডাকলে ছেলেরা খুব খুশি হয় (বিভ্রান্ত করার জন্য এমন প্রশ্ন করা হয়)।

  • ডাকসু নির্বাচনে লাইভ শেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন সাংবাদিক

    ডাকসু নির্বাচনে লাইভ শেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন সাংবাদিক

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) কার্জন হল ভোট কেন্দ্রের ভেতরে সংবাদ সংগ্রহ করার সময় তরিকুল শিবলী (৪০) নামে এক সাংবাদিকের মৃত্যু হয়েছে। জানা গেছে, তিনি চ্যানেল এস টেলিভিশনের সিটি রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    সহকর্মী সোহেল রানা জানান, ছাত্র সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) ঢাবির কার্জন হলের ভিতরে সংবাদ সংগ্রহ করার সময় লাইভে ছিলেন তরিকুল শিবলী হঠাৎ অচেতন অবস্থায় পড়ে যান। পরে তার সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    তিনি আরো জানান, নিহতের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার এতবারপুর এ কে এম শাহিদুল্লাহ সন্তান। বর্তমানে উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় থাকতেন। দুই কন্যার জনক ছিলেন তিনি।

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মোঃ ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে। তিনি আরো জানান,চিকিৎসক জানিয়েছে হৃদ যন্ত্রপ্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে তবুও ময়নতন্ত্রের প্রতিবেদনে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

  • সুমাইয়া ও তার মায়ের মৃত্যুতে নতুন মোড়, সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল

    সুমাইয়া ও তার মায়ের মৃত্যুতে নতুন মোড়, সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সুমাইয়া আফরিন ও তার মা তাহমিন বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুরীর ভাড়া বাসা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

    নিহত সুমাইয়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী এবং তার মা তাহমিন বেগম মৃত শামসুল হকের মেয়ে। তার স্বামী মৃত  নুরুল ইসলাম কুমিল্লার আদালতের সাবেক হিসাবরক্ষক ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর তাহমিন বেগম দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করছিলেন।

    জানা গেছে, প্রায় ৪ বছর আগে বাসাটি ভাড়া নেন সুমাইয়ার বাবা নুরুল ইসলাম। গত বছর তার মৃত্যুর পর মায়ের সঙ্গে ওই বাসায় থাকতেন সুমাইয়া। রোববার রাতে তার দুই ভাই ঢাকা থেকে বাসায় আসলে ঘরের দরজা খোলা দেখেন। প্রথমে তারা ধারণা করেন তাদের মা ও বোন ঘুমিয়ে আছে। কিন্তু দীর্ঘ সময়ে তাদের সাড়া-শব্দ না পেলে কাছে গিয়ে নিশ্চিত হন, তারা মৃত।

    প্রথমে তাদের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ধোয়াশা তৈরি হলেও পরবর্তীতে পাশের স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসার পর নতুন দিকে মোড় নেয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রোববার সকাল ৮টা ৮ মিনিটে মাথায় টুপি ও পাঞ্জাবি-পায়জামা পরিহিত এক অজ্ঞাত ব্যক্তি ওই ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন। বেলা ১১টা ২২ মিনিটে তাকে একবার বের হতে দেখা যায়, তবে ১২ মিনিট পরই তিনি আবার ভেতরে ঢোকেন। এরপর দুপুর ১টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত আর বের হতে দেখা যায়নি। এরপর স্কুল বন্ধ হয়ে গেলে সিসিটিভি ক্যামেরাও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে পরবর্তীতে তিনি কখন বের হয়েছেন তা ক্যামেরায় ধরা পড়েনি।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম জানান, মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজসহ সব আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। তবে, প্রাথমিক তদন্তে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড মনে হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, নিহত ব্যক্তিদের শরীরে তেমন কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। মেয়েটির গলায় একটি দাগ দেখা গেছে। আর মায়ের একটি চোখ রক্তাক্ত ছিল। অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে তাদের শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। আমরা পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি।