• জেনে নিন বিশেষ অঙ্গ কত বড় হলে বউ অন্যের কাছে যাবে না

    জেনে নিন বিশেষ অঙ্গ কত বড় হলে বউ অন্যের কাছে যাবে না

    ৪ থেকে ৬ ইঞ্চি হচ্ছে বেশিরভাগ পুরুষের উত্তেজিত লিঙ্গের দৈর্ঘ্য। এর চেয়ে ছোট হলে যৌনমিলনের কোন কোন আসনে যোনিতে লিঙ্গ চালনা কঠিন হতে পারে। বেশি বড় হলেও আবার সঙ্গিনী ব্যাথা পেতে পারে।

    পুরুষের লিবিডো বা কামচেতনা এবং যৌনক্ষমতা আনুপাতিক—এ এক বহুপ্রচলিত বিশ্বাস। এই বিশ্বাসকে যারা ব্যাখ্যা করে তারা বলে বেড়ায় যে পুরুষাঙ্গের আকার যত বড় হবে যৌন প্রেরণাও ততই বাড়বে। একইভাবে লিঙ্গোত্থান ঘটানো ও তা বজায় রাখাও পুরুষাঙ্গের বর্ধিত আকারের ওপর নির্ভরশীল।

    কোন ব্যক্তি কি পরিমাণ যৌন প্রেরণায় অধিকারী মনস্তাত্ত্বিক পরিভাষায় তা বর্ণনা করতে লিবিডো শব্দটি ব্যবহার করা হয়। যৌন প্রেরপণা হল বংশপরস্পরায় প্রাপ্ত যাবতীয় সহজাত অনুভূতি, হরমোন বা গ্রন্থি নিঃসরণ সংস্ক্রান্ত যাবতীয় তাগিদ এবং চেতন ও অচেতন নির্বিশেষে সবরকম মানসিক অনভূতির এক জটিল সংমিশ্রণ। এই পোস্ট টি করা হয়েছেঃ হেল্‌থ বাংলা ওয়েবসাইট এ, আপনি যদি এটি অন্য কোন ওয়েবসাইট এ পেয়ে থাকেন, তাহলে গুগল এ সার্চ করে হেল্‌থ বাংলা সার্চ করে আসল ওয়েবসাইট খুজে নিন। এইসব উপাদানের প্রত্যেকটিই লিবিডোর ওপর পুরুষাঙ্গের আকারের কোনও প্রত্যক্ষ ভূমিকা নেই।

    জরিপে অংশ নেওয়া ১৬-৪৫ বছর বয়সী নারীদের কাছে পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক চেহারাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ত্বক, স্বাভাবিক আকৃতি, স্বাভাবিক অণ্ডকোষই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।

    ফ্যাশন ম্যাগাজিন কসমোপলিটানের এক জরিপে অংশ নিয়েছেন ১১ শ পাঠক যার অধিকাংশই নারী। এ জরিপে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যে নারীর বয়স এবং যৌন আকাঙ্ক্ষা যত বেশি, তার কাছে সঙ্গীর পুরুষাঙ্গের আকার তত কম গুরুত্বপূর্ণ। মূলত অভিজ্ঞতাই তাদের এ সত্য উপলব্ধিতে সাহায্য করেছে।

    পুরুষাঙ্গের আকার সম্পর্কে যেসব ভ্রান্ত ধারণা দেখা যায় তাদের অধিকাংশেরই মুলে রয়েছে পুরুষাঙ্গের দুটি স্বাভাবিক অবস্থা। প্রথমটি হল শিথিল অনুত্থিত লিঙ্গ, এবং দ্বিতীয়টি হল উত্থিত লিঙ্গ। যৌন বাসনা চালিত হলে লিঙ্গের উপরিভাগ বরাবর দুটি ‘কর্পাস ক্যানভারনোসার’ মৌচাক সদৃশ্য ফাঁপা টিস্যু বা কলা এবং লিঙ্গের নিম্ম ভাগে অবস্থিত কর্পাস স্পঞ্জিয়োসাম—এর থলথলে টিস্যু যখন রক্তে ভরে ওঠে তখনই পুংলিঙ্গ বা পুরুষাঙ্গের ইরেকশান অর্থাৎ উত্থান হয়।

    শিথিল অবস্থায় পুরুষাঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য তিন থেকে সাড়ে তিন ইঞ্চি হয়ে থাকে। উত্থিত অবস্থায় পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য আরও দুই থেকে চার ইঞ্চি বেড়ে যায়। কিন্তু যেসব পুরুষাঙ্গ আকারে ক্ষুদ্র সেগুলো শিথিল অবস্থায় স্বাভাবিক পুরুষাঙ্গের তুলনায় অনেক বেড়ে যায় এবং তা দৈর্ঘ্য দ্বিগুণও হয়ে থাকে। শিথিল অবস্থায় যেসব পুরুষাঙ্গের আকার উত্থিত অবস্থায় চাইতে বড় হয় (তিন থেকে চার ইঞ্চি দৈর্ঘ্য), উত্থান হলে আনুপাতিকভাবে তাদের বৃদ্ধি হয় অনেক কম ( উত্থিত অবস্থায় দুই বা আড়াই ইঞ্চি বৃদ্ধি পায়) এইভাবে ছোট ছোট পুরুষাঙ্গের মধ্যে যে পার্থক্য তা যৌন ক্ষমতা চালনার সঙ্গে হ্রাস পায়। উত্থিত অবস্থায় পুরুষাঙ্গের গড় মাপ হল সাড়ে পাঁচ থেকে সাড়ে ছয় ইঞ্চি (মূল থেকে অগ্রভাগ পর্যন্ত)।

    অতএব দেখা যাচ্ছে যে, ওপরে বর্ণিত এইসব তথ্য সেই অলীক ও ভ্রান্ত বিশ্বাসকে খন্ডন করতে সমর্থ, যে পুরুষের লিঙ্গের আকার যত বড় হয় সে তার শয্যাসঙ্গিনীকে সহবাসকালে ততই অধিক পরিমাণে পরিতৃপ্তি প্রদানে সমর্থ হবে। আকারে অস্বাভাবিক দীর্ঘ পুরুষাঙ্গও সহবাসকালে যেকোন নারীর পক্ষে যন্ত্রাণার কারণ হতে পারে, অবশ্য সেই নারী যদি এই যন্ত্রাণাকে হাসিমুখে গ্রহণ করে ত সে ক্ষেত্রে বলার কিছু নেই। তাঁকে আনন্দ ও বেদনার এক মিশ্র অনুভূতি হিসেবে বর্ণনা করা চলে ।এক্ষেত্রে নারীর উরু ওপরে ওঠালে অথবা তার পিঠ ও কোমরের মাঝামাঝি জায়গায় একটি বালিশ রাখলে তা উভয়ের পক্ষেই সুবিধাজনক হবে।

    যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন খাবার বড়ি, ক্রিম, লকিং মেশিন এবং অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে পুরুষরা তাদের লিঙ্গের আকার পরিবর্তনের চেষ্টা করে আসছে । আর প্রায় একশত বছরের বেশি সময় ধরে এর জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা অথবা চেষ্টা করেও লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন একটা ভাল ফলাফল/আবিষ্কার এখন পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি । কারণ সত্যিকার অর্থে খাবার বড়ি, ক্রিম, লকিং মেশিন ইত্যাদির কোনটিই কার্যকর হয়না। বরং এ রকম চেষ্টার ফলে অনেক পুরুষই লিঙ্গত্থান সমস্যাসহ নানবিধ যৌন জটিলতায় পতিত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত ।

    ডক্টর মাইকেল ও’লেয়ারী (প্রফেস্যার, হাবর্ড মেডিক্যাল স্কুল, ইউরোলজিষ্ট, ব্রিগহাম এন্ড ওমেন্স হসপিটাল ইন বোষ্টন) বলেন, “বিশ্বাস করুন, আমি যদি জানতাম কি করে নিরাপদে এবং সত্যিকারেই লিঙ্গের আকার বড় করা যায় তাহলে আমি তা প্রেসক্রাইব করে কোটিপতি হয়ে যেতাম। কিন্তু আমি এটা জানিনা ।”

    প্রায় অর্ধেক প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ মনে করেন তাদের পুরষাঙ্গ অনেক ছোট । বিশ্বজুড়ে সাধারনত উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে ৪.৭ থেকে ৬.৩ ইঞ্চি। অনেকের মতে পেনিসের গড় দৈর্ঘ্য ৫.১-৫.৯ ইঞ্চি। তবে লিঙ্গের আকার ব্যাক্তি এবং অঞ্চলভেদে অনেক পার্থক্য দেখা যায়। বিরল ক্ষেত্রে পারিবারিক (জেনেটিক) এবং হরমোন জনিত সমস্যার কারনে ৩ ইঞ্চির চেয়েও অনেক ছোট লিঙ্গ দেখা যায়। চিকিত্সা শাস্ত্রে এটি মাইক্রোপেনিস নামে পরিচিত। তবে পেনিস ৪ (চার) ইঞ্চি হলেই স্ত্রীকে অর্গাজন দিতে কোনো প্রকার অসুবিধা হওয়ার কথা নয় । অনেকের ক্ষেত্রে প্রোষ্টেইট ক্যান্সার অপারেশান সহ নানা রোগের কারনে লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যেতে পারে।

    একটা বিষয় চিন্তা করুন, বাংলাদেশের বড় বড় ঔষধ কোম্পানিগুলি বসে বসে কি করছেন। তারা কেন পেনিস বড় করার ঔষধ তৈরী করেন না ? দেশের বড় বড় খ্যাতনামা যৌন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা কেন তাদের রোগীদের জন্য প্রেসক্রিপসনে এইসব ঔষধের নাম লিখেন না ? এর কারণ লিঙ্গ বড় করার মত কোনো ওষুধের ফর্মূলা এখনও আবিষ্কার হয়নি। যদি আসলেই স্বাভাবিক পেনিস লম্বা বা মোটা করার কোন ঔষধ থাকত তাহলে অবশ্যই তার সরকারী অনুমোদন থাকত আর সেটি আপনি আপনার পাশের ঔষধের দোকান থেকেই কিনতে পারতেন ।

    * পেনিসের আকার কতটা হওয়া দরকার ?

    প্রায় অর্ধেক প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ মনে করেন তাদের পুরষাঙ্গ অনেক ছোট । বিশ্বজুড়ে সাধারনত উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে ৪.৭ থেকে ৬.৩ ইঞ্চি। অনেকের মতে পেনিসের গড় দৈর্ঘ্য ৫.১-৫.৯ ইঞ্চি। তবে লিঙ্গের আকার ব্যাক্তি এবং অঞ্চলভেদে অনেক পার্থক্য দেখা যায়। বিরল ক্ষেত্রে পারিবারিক (জেনেটিক) এবং হরমোন জনিত সমস্যার কারনে ৩ ইঞ্চির চেয়েও অনেক ছোট লিঙ্গ দেখা যায়। চিকিত্সা শাস্ত্রে এটি মাইক্রোপেনিস নামে পরিচিত। তবে পেনিস ৪ (চার) ইঞ্চি হলেই স্ত্রীকে অর্গাজম দিতে কোনো প্রকার অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। অনেকের ক্ষেত্রে প্রোষ্টেইট ক্যান্সার অপারেশান সহ নানা রোগের কারনে লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যেতে পারে।

  • স্বস্তিকার হ*স্তমৈ*থুনের ভিডিও এখন সবার মোবাইলে, লিংক সহ

    স্বস্তিকার হ*স্তমৈ*থুনের ভিডিও এখন সবার মোবাইলে, লিংক সহ

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই মুহূর্তে তুমুল ভাইরাল এক ভিডিয়ো, সেখানে এক পুরুষের সঙ্গে ওয়েবক্যামে ধরা দিয়েছেন স্বস্তিকা। বিছানায় শুয়ে যৌনসুখ মেটাচ্ছেন নায়িকা। তাঁর হস্তমৈথুনের ঝলক উঠে এসেছে মাত্র ৪৯ সেকেন্ডের ওই ভিডিয়োয়। এক্স হ্যান্ডেল থেকে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে হু হু করে ছড়িয়ে পড়েছে সেই ভিডিয়োকিন্তু এই ভাইরাল ভিডিয়ো কি সত্যিই স্বস্তিকার নাকি ডিপফেকের শিকার হলেন তিনি? না, ভিডিয়োয় যে মহিলাকে দেখা যাচ্ছে তিনি স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ই। তবে এই ফাঁস ভিডিয়ো তাঁর আসন্ন ছবি লাভ সেক্স অউর ধোঁকা ২-এর। দিবাকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ফের একবার বলিউডের ছবিতে বাংলার এই তুখোড় অভিনেত্রী। সেই ছবির প্রিভিউ কপি থেকেই এই দৃশ্যটি ফাঁস হয়েছে। তাতে দেখেই সত্যিটা বোঝবার আগেই রে-রে করে উঠেছেন নেটিজেনরা।

    সেন্সরের ছাড়পত্র পেতে ছবির যে প্রিভিউ কপি তৈরি হয়, সেখান থেকে কীভাবে ফাঁস হল ভিডিয়োটি তা নিয়ে ধন্দে নির্মাতারা। উল্লেখ্য, সিবিএফসির তরফে এই ছবির একাধিক দৃশ্যে কাঁচি চালানোর কথা সামনে আসার কয়েকঘন্টার মধ্যেই এই ক্লিপিংস ফাঁস হয়ে গেল। সূত্রের খবর গোটা ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ স্বস্তিকা। নির্মাতারা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল সাইট থেকে ভিডিয়ো সরিয়ে ফেলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন। কীভাবে বা কোন অ্যাকাউন্ট থেকে সেটি ছড়িয়ে পড়েছে সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    তবে স্বস্তিকাকে ঘিরে বিতর্ক প্রথম নয়। এর আগেও ফেক এমএমএস কাণ্ডের শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী। টেক ওয়ান ছবির একটি অন্তরঙ্গ মুহূর্তকে স্বস্তিকার এমএমএস বলে পর্ন সাইটে আপলোড করা হয়েছিল। এক সাক্ষাৎকারে ওই ভুয়ো এমএমএস কাণ্ড নিয়ে স্বস্তিকা জানিয়েছিলেন, ‘আমার বাবা-মাকে তো আত্মীয়রা রীতিমতো ফোন করছিল, বলছিল তোমার মেয়ে নেশায় ডুবে আছে তোমরা কেন ব্যবস্থা নিচ্ছিল না। দিন সাতেক পর মা এত রেগে গিয়েছিল যে আমায় সটান বলে বসল, তুই এমন ছবি কেন করতে পারিস না যেটা ইউ (U) সার্টিফিকেট পায়। ছোটদের ছবি কর। এইরকম মাতালের চরিত্র করিস না’।

    ১৪ বছর আগে বক্স অফিসে ঝড় তুলেছিল দিবাকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘লাভ সেক্স অউর ধোঁকা’। এবার সেই ছবির সিকুয়েল নিয়ে ফিরছেন বাঙালি পরিচালক। গত শুক্রবার সামনে এসেছে বহুল প্রত্যাশিত লাভ সেক্স অউর ধোঁকা ২-এর ট্রেলার। আজকের জমানায় মানুষের জীবনকে পরিচালনা করছে ইন্টারনেট, সেই অন্তর্জালে খ্যাতির মোহ গ্রাস করছে সকলকে। সেই ভয়ঙ্কর সত্যিটাই এই ছবিতে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন পরিচালক দিবাকর।

    স্বস্তিকা ছাড়াও এই ছবিতে রয়েছেন ছবিতে অভিনয় করেছেন পরিতোষ তিওয়ারি, বনিতা রাজপুরোহিত এবং অভিনব সিং। তিনটি সমান্তরাল গল্প উঠে আসবে এই ছবিতে, যেখানে মিলে মিশে একাকার ভালোবাসা, যৌনতা এবং প্রতারণা। ছবির দ্বিতীয় গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে ট্রান্সজেন্ডার সাফাই কর্মী কুলু। সেই গল্পেই রয়েছেন স্বস্তিকা।

  • পুরুষের কোন অঙ্গ মেয়েরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন

    পুরুষের কোন অঙ্গ মেয়েরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন

    পুরুষের কোন অঙ্গ মেয়েরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন
    প্রত্যেক পুরুষেরই জানতে ইচ্ছা করে তাদের শরীরের কোন কোন অ;ঙ্গ নারী বেশি পছন্দ। এই বিষয়ে এক গবেষণায় প্রায় ১০০ জন নারীকে প্রশ্নটি করা হয় যে, পুরুষদের কোন অ;ঙ্গগুলো তাদের সবচেয়ে বেশি পছন্দের।

    তাদের মধ্যে কেউ বলবেন হাসি, কারও কাছে চুল, কারও আবার মনে হবে পুরুষের পটলচেরা চোখই নারীদের বেশি পছন্দ। তবে অনেকের ভাবনাতেই আসবে না হাতের কথা। অথচ এটা প্রমাণিত যে, পুরুষের হাত নারীর কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় অঙ্গ বলে বিবেচিত। তবে হাতটিকে কিছু যোগ্যতায় পাস করতে হবে অবশ্যই।

    পুরুষের হাত বিষয়টি আবারো আলোচনায় আনল টুইটার-জগতে সাম্প্রতিক এক পোস্ট। ‘ডিইই’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে একটি হাতের ছবি পোস্ট করে বলা হয়েছিল, ‘নারীদের জন্য, যাদের হাত পছন্দ।’ পুরুষ চোখে হাতটিতে তেমন বিশেষত্ব চোখে পড়বে না। হালকা আঁ;চ;ড়ের দাগ আছে তাতে। এ ছাড়া বিশেষত্ব কিছু নেই। অথচ সেই হাতের ছবিটাই প্রচুর ‘লাইক’ এবং ‘রি-টুইট’ হয়।

    শুধু নারী নয়, এই হাতের মাজেজা বুঝতে তাতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন অনেক পুরুষও। নিজেদের হাতের ছবি তুলে তারা সেখানে ‘রি-টুইট’ করছেন। উদ্দেশ্য একটাই, আমাদের হাতই-বা কী দোষ করল!

    অনেকে ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করছেন। তাদের প্রশ্ন, এক হাত নিয়ে এমন হাতাহাতি হওয়ার জোগাড় কেন? কী আছে পুরুষদের হাতে। সেখানেই অনেকে উত্তর দিয়েছেন, ওরা (নারী) ছেলেদের শিরা-উপশিরা বোঝা যায়- এমন হাত পছন্দ করে। এক নারীর আবার একটু কাটাছেঁড়া হাত বেশি পছন্দ। তার মন্তব্য, ঠিক জানি না কেন, তবে কাটার দাগটায় আমি শিহরিত। তবে নারীদের এই হাত প্রেমের গল্পে নারীদের পাশাপাশি নানা রকম কমেন্ট করেন পুরুষরাও।

    সেখানে একজন লেখেন-যেসব ছেলেদের হাতের শিরা উপশিরা দেখা যায় তারা অলস হয় না, পরিশ্রমী ও শক্তিশালী হয়। তুলনামূলকভাবে উত্তম বংশধর জন্মদানের সম্ভাবনা বেশী থাকার কারণে পরিশ্রমী ও শক্তিশালী পুরুষের যে কোনো বৈশিষ্ট্য প্রাকৃতিকভাবে নারীদের বেশি আকৃষ্ট করে।

    আরেক জন লেখেন, বুঝা যাচ্ছে গাজা খোরদের হাত মেয়েদের বেশি পছন্দ। অন্য একজন লেখেন-অসম্পূর্ন হেডিং, আসলে বলা উচিত ছিল- মেয়েদের সবচেয়ে পছন্দ হচ্ছে ছেলেদের টাকা ভর্তি হাত। এবার দেখে নেয়া যাক বিজ্ঞান কী বলছে? বিজ্ঞানও বলছে, পুরুষদের হাতের প্রতি নারীর দুর্বলতা আছে। বিশেষ করে শিরা-উপশিরা দৃশ্যমান হয়, এমন হাত সত্যিই নারীদের ‌‌‌‌শিহরিত করে।

    পুরুষের হাতের প্রতি নারীদের আসক্তি নিয়ে কিন্তু কম গবেষণা হয়নি। হাতের আঙুলগুলোর কথাই ধরুন, ডান হাতের অনামিকা আর তর্জনীর মধ্যে উচ্চতার পার্থক্য নিয়ে গবেষণা করেছে ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়। তাদের সমীক্ষায় উঠে এসেছে, তর্জনী থেকে অনামিকার উচ্চতা বড় হলে সেই পুরুষ তুলনামূলক বেশি সন্তান প্র;জন;নে সক্ষম হন। তার আইকিউও অন্যদের তুলনা বেশি হয়ে থাকে। এমন সঙ্গীকেই তো নারীরা চাইবেন!

    আবার জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানিয়েছেন, সবচেয়ে বেশি না হলেও নারীরা পুরুষকে পছন্দ করার ক্ষেত্রে হাতকে বেশ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। আরো কিছু অ;ঙ্গপ্র;ত্য;ঙ্গের ব্যাপারে আড়চোখে নারীরা ঠিকই পরখ করে নেন পুরুষদের। সেসবের কথা আরেক দিন হবে।

  • শরীরের এই জায়গায় ছুঁলেই পাগল হবেন সঙ্গী, মেয়েদের শরীরের গোপন রহস্য

    শরীরের এই জায়গায় ছুঁলেই পাগল হবেন সঙ্গী, মেয়েদের শরীরের গোপন রহস্য

    মেয়েদের শরীরে এমন অনেক অংশ আছে যা অত্যন্ত সংবেদনশীল। যে জায়গায় স্পর্শ করলে যৌন উত্তেজনা বেড়ে যায়। শরীরের এই জায়গায় স্পর্শ করলে বিছানায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন মেয়েরা।

    হাতের পাতা – হাতের পাতা ও আঙ্গুলে স্পর্শ করলে মেয়েরা তীব্র উত্তেজিত হয়ে পড়ে। মেয়েদের হাতের পাতা অত্যন্ত সংবেদনশীল।

    কোমর- কোমর অত্যন্ত অনুভূতিপ্রবণ একটা জায়গা। মেয়েদের কোমরে স্পর্শ করলে তারা নিজেদের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলতে পারে।

    কব্জি- সঙ্গমের সময়ে হাতের কব্জি ধরলে মেয়েরা অত্যন্ত উত্তেজিত হয়ে পড়ে।

    পেট- মেয়েদের পেট অত্যন্ত স্পর্শ কাতর জায়গা। পেটে হাত দিলে মেয়েদের উত্তেজনা চরমে পৌঁছতে পারে। Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।