• বাংলাদেশের যে জায়গায় সে”ক্সে”র জন্য ছেলেদের ভাড়া করছেন নারীরা

    বাংলাদেশের যে জায়গায় সে”ক্সে”র জন্য ছেলেদের ভাড়া করছেন নারীরা

    গাড়ির গ্লাস নামিয়ে ‘হ্যালো স্মার্টবয়’ বলেই যুবককে ডাকলেন এক মধ্য বয়সী নারী। মৃদু হেসে যুবক এগিয়ে যান। তারপর আস্তে আস্তে কথা হয় তাদের। যুবক গাড়িতে উঠেতেই গাড়িটি বনানীর দিকে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই গুলশান-২ এর মোড়ে ঘটে ঘটনাটি। একটি জিমনেশিয়াম থেকে বের হয়ে গুলশানের ওই মোড়ে দাঁড়িয়েছিলেন যুবক। তার পরনে কালো প্যান্ট, কালো গেঞ্জি, কাঁধে ছোট একটি ব্যাগ। তার শরীর থেকে ভেসে আসছিল পারফিউমের ঘ্রাণ। বারকয়েক কথা বলেছেন মোবাইলফোনে। সময় তখন রাত ৮টা প্রায়। দেখেই মনে হয়েছিল নির্ধারিত কারো জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি। অল্প সময়েই মধ্যেই নিশ্চিত হওয়া গেলো নির্ধারিত সেই জন হচ্ছেন ওই মধ্য বয়সী নারী। ওই যুবককে অনুসরণ করে জানা গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    সুঠামদেহী এই যুবক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। পাশাপাশি তিনি একজন যৌনকর্মী। যদিও এ জগতে মেইল এস্কর্ট, এস্কর্ট বয় বা রেন্ট বয় হিসেবে পরিচিত তিনি। ঢাকায় এরকম কয়েক হাজার মেইল এস্কর্ট রয়েছে। তাদের মধ্যে একজন রিদওয়ান সামি। এটা তার প্রকৃত নাম না হলেও এই নামেই এ জগতে পরিচিতি তার। পরিচয় গোপন করে কথা বললেও সরাসরি দেখা করতে চাননি তিনি। তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুরুটা আজ থেকে দু’বছর আগে। তখন তিনি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। লেখাপড়ার পাশপাশি ফরেনারদের গাইড হিসেবে কাজ করতেন। ধারণাটি আসে আমেরিকান এক নারীর মাধ্যমে। পথশিশুদের নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি করতে ঢাকায় এসেছিলেন ওই নারী। গুলশানের একটি হোটেলে ছিলেন। ওই নারীর গাইড হিসেবে কাজ করার দ্বিতীয় দিনই তাকে বিছানায় সঙ্গ দিতে প্রস্তাব দেন। বিনিময়ে তাকে পে করা হবে। তখন আমেরিকান ওই নারীর প্রস্তাবে রাজি হয়ে বেশ কিছু বাড়তি টাকা আয় করেছিলেন রিদওয়ান। ওই নারী তাকে পরামর্শ দেন মেইল এস্কর্ট হিসেবে কাজ করলে ভালো আর্ন করবেন তিনি। তারপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে ভাবছিলেন রিদওয়ান।

    এ প্রসঙ্গে রিদওয়ান বলেন, শুরুতে ভেবেছি এদেশে এটা মানুষ সহজে গ্রহণ করবে না। তবে এদেশে বিভিন্ন শ্রেণি রয়েছে। একটা শ্রেণি রয়েছে যাদের লাইফ স্টাইল ফরেনারদের মতোই। তারা অন্তত সাদরে গ্রহণ করবে। আর্নও হবে। তবে ওই শ্রেণির কাছে তা প্রচার করতে হবে। এই ভাবনা থেকেই তৈরি করেন একটি ওয়েভ সাইট। পরবর্তীকালে খোঁজ পান মেসেঞ্জার পাবলিক ডটকমের। সেখানে অনেক মেইল ইস্কর্ট রয়েছে রিদওয়ানের মতোই। অ্যাকাউন্ট ওপেন করেন সেখানে। ওই সাইটে গিয়ে দেখা গেছে এতে তার বিস্তারিত তথ্য রয়েছে। যা দেখলে সহজে তার সম্পর্কে অনুমেয়। বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষ তিনি। তার উচ্চতা ৫ফুট ১০ ইঞ্চি, বয়স ২৮। এতে তিনি ইংরেজিতে যা লিখেছেন তার বাংলা হচ্ছে, ‘আমি আপনাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি আমার সঙ্গে …। আমার হট ও উত্তেজনাপূর্ণ অভিজ্ঞতা অনুসারে প্রকৃত তৃপ্তি দেব। আমি নিরাপদ সম্পর্ক করব। আমি স্বাস্থ্য সম্মত ও রোগমুক্ত। আমি খুব পরিষ্কার এবং আপনার কাছেও তা আশা করি।’ শুধু প্রকৃত ক্লায়েন্টকে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করে ফোন নম্বর ও মেইলের ঠিকানা দেয়া আছে এতে।

    যোগাযোগ করে জানা গেছে, প্রতি মাসেই অপরিচিত পাঁচ-ছয়জন নারী ক্লায়েন্টের কল পান তিনি। বিশ্বাসযোগ্য হলেই সাড়া দেন। এছাড়া নিয়মিত কিছু ক্লায়েন্ট রয়েছে তার। একইভাবে এরকম একই সাইটে নিজের শুধু দুটি চোখের ছবি দিয়ে এস্কর্ট বয় হিসেবে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন সুমন আহমেদ নামে এক যুবক। তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘আমি আগ্রহী বলেই এখানে তথ্য দিচ্ছি, আপনি আগ্রহী হলে দ্বিধা ছাড়াই আমাকে কল দিতে পারেন।’ একইভাবে ওবাইস নামে এক যুবক লিখেছেন, ‘আমি খুব স্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য। আপনার বাড়িতে বা অন্য কোথাও নিরাপদে।’ এতে শুধু নারীদের যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। লিঙ্কন নামে এক এস্কর্ট বয় জানান, তাদের ক্লায়েন্ট মূলত অভিজাত শ্রেণির ও ফরেনার কিছু নারী। দেশি অভিজাত নারীদের অনেকের স্বামী নেই। ডিভোর্সি অথবা বিধবা। নিঃসঙ্গ বোধ করেন। তারা মেইল ইস্কর্ট খুঁজেন। গুলশান, বনানী, বারিধারা, উত্তরা ও ধানমন্ডি এলাকায় এরকম অনেক ক্লায়েন্ট রয়েছে বলে জানান তারা। অনেক নারী শুধু শরীর ম্যাসেজ করার জন্য এস্কর্ট বয়দের ডাকেন। এসব কাজে ঘণ্টা হিসেবে টাকা নেন মেইল এস্কর্টরা। প্রতি ঘন্টায় ১২ থেকে ৩০ ডলার বা ১ হাজার থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকা নেন তারা।

    নারীরা সাধারণত সুঠামদেহী, শ্যামলা, ২৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ছেলেদের বেশি পছন্দ করেন। এজন্য মেইল এস্কর্টরা নিয়মিত ব্যায়াম করেন। সুস্থ ও শক্তিশালী থাকার জন্য প্রয়োজনীয় খাবার খান। জেন্টস পার্লারে যান নিয়মিত। তবে মেইল ইস্কর্টদের কেউ কেউ প্রতারণা করেন নারীদের সঙ্গে। ইতিমধ্যে তাদের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। তার নাম ফুয়াদ বিন সুলতান। গত ১ আগস্ট তাকে উত্তরার একটি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাব জানিয়েছে, ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সে পর্নোগ্রাফির ব্যবসা শুরু করে। তার সঙ্গে অন্তত দেড় শতাধিক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও পাওয়া গেছে। নিজেকে সুলতান অব সেক্স দাবি করে সে দাবি করেছে, নারীরা তার কাছে স্বেচ্ছায় আসতেন। তবে র‌্যাব দাবি করেছে, শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে নারীদের ব্ল্যাকমেইল করতো সুলতান। ফুয়াদ বিন সুলতান সাবেক এক উচ্চ পদস্থ পুলিশ কর্মকর্তার সন্তান।

    এ বিষয়ে সমাজবিজ্ঞানী মাসুদা এম রশীদ চৌধুরী বলেন, এটি সমাজের চরম অবক্ষয়। সমাজে আইন রয়েছে। ধর্ম রয়েছে। যেখানে নিয়ম-নীতির মধ্য দিয়ে জীবন পরিচালনার কথা বলা হয়েছে। শান্তি-শৃঙ্খলার জন্যই এসব নিয়ম। শারীরিক চাহিদার জন্য বৈধ পথেই হাঁটতে হবে। নতুবা এই সভ্যতা অন্ধকারের দিকে ধাবিত হবে। পরিবার প্রথা, স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা বিলীন হলে নানা অসঙ্গতি সৃষ্টি হবে। বাইরের দেশের অপসংস্কৃতি কোনোভাবেই অনুসরণ করা যাবে না। এজন্য সন্তানদের ছোটবেলা থেকেই নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে। পাশপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানান তিনি।

  • যে ছয় বদভ্যাসে নিজেই কমিয়ে ফেলছেন শুক্রাণুর ক্ষমতা!

    যে ছয় বদভ্যাসে নিজেই কমিয়ে ফেলছেন শুক্রাণুর ক্ষমতা!

    বেশ কিছু বদভ্যাস শুক্রা’ণুর ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। বিজ্ঞা’নীরা গবে’ষণা করে দেখেছেন, মানুষের কিছু বদ গুণ আখেরে যৌ’ন জীবনকেই অখুশি করে তোলে। জেনে নিন, কী কী বদগুণ মানুষের শুক্রা’ণুর ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

    ১.‌কার্বোনেটেড ড্রিঙ্কস অর্থাৎ ঠাণ্ডা পানীয় কিংবা অত্যধিক বিয়ার পান আপনার শুক্রা’ণুর ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। কার্বোনেটেড ড্রিঙ্কসে অত্যধিক চিনির পরিমাণই যার কারণ। এর ফলে রক্তে ইনসুলিনের পরিমাণ বেড়ে যায়।

    ২.‌মোবাইল ফোন প্যান্টের পকেটে রাখাও ক্ষতিকর। রেডিয়েশনের প্রভাবে শুক্রা’ণুর ক্ষমতা কমে যেতে পারে। অনেকেই চুরি যাওয়ার ভয়ে ফোন জামার পকেটে রাখেন না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্যান্টের পকেটে ফোন রাখা আরও ক্ষতিকর।

    ৩.‌অনেকেই গাড়িতে যেতে যেতে কোলের উপর ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করেন। যা মারা’ত্মক ক্ষ’তিকর। এতে মহিলাদের পেটে থাকা বাচ্চা’র ক্ষতি হতে পারে। পুরু’ষদের ক্ষেত্রে ক্ষতি হবে পারে শুক্রা’ণুর। কমে যেতে পারে তাঁর ক্ষ’মতা।

    ৪.‌গরম জলে স্নান করা একদম উচিত নয়। গরম তাপমাত্রায় শুক্রা’ণুর ক্ষ’মতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা। ৫.‌ শরীর ক্লান্ত। চাই ঘুম। কিন্তু আপনার ঘুম কম। দিনে অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম না হলে শুক্রা’ণুতে এর প্রভাব পড়ে।

    ৬.‌ টাইট জিন্স পরলেও শুক্রা’ণুর ক্ষমতা কমতে পারে। তাই ক্যাজুয়াল পরাই বাঞ্ছনীয়। একজন পু’রুষ দু’ধের সাথে যা মি’শিয়ে খেলে সারা রা’ত পাবেন শ’ক্তি

    ১*গবেষণায় দেখা গিয়েছে, রেড ওয়াইন সে’ক্স ড্রাইভকে উ’ত্তেজিত করতে ভীষণ পরিমাণে সাহায্য করে৷ রেড ওয়াইন রক্তপ্রবাহকে বাড়াতে সাহায্য করে৷ ফলে, কা’ম উদ্দীপনা বৃদ্ধি পায়৷৷

    ২* যৌ’ন চা’হিদা বাড়াতে ম্যাসাজ এক উল্লেখযোগ্য পদ্ধতি৷ মানসিক চাপ, বা দুশ্চিন্তার কারণে আবসাদগ্রস্থ হলে আপনি আপনার সঙ্গীকে ম্যা’সাজ দিতেই পারেন৷ তবে, ম্যাসাজ দেয়ার সময় ঘরের আলো কম করে দিন৷ এটি যৌ’ন চাহিদা বাড়াতে সাহায্য করবে ৷

    ৩* আপনার স’ঙ্গীর যদি যৌ’ন ইচ্ছে হারিয়ে যেতে থাকে, তবে নিজেকে শান্ত রাখুন৷ তাকে বুঝতে সময় নিন এবং নিজের মনের কথা তাকে বুঝিয়ে বলুন৷ এছাড়াও এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন ৷

    ৪*বিশেষ কিছু খাবার পু’রুষের কা’মশক্তি বাড়াতে স’ক্ষম যেমন টমেটো, ব্রকোলি, ডালিমের রস ইত্যাদি৷ অন্যদিকে জাঙ্কফুড, বেকড খাবার ও দুধ জাতীয় খাবার কা’মশক্তিকে মেরে ফেলে৷

    ৫* নারী এবং পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই অ্যারোবিক এক্সারসাইজ গুরুত্বপূর্ণ৷ এটি শরীরের যৌ’ন অ’ঙ্গে রক্তচলাচল বৃদ্ধি করে৷

    ৬* যৌ’নক্ষ,মতা বৃ’দ্ধি করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায় ফিটনেস৷ এটি পুরুষের ক্ষেত্রে বিশেষ প্রয়োজনীয়৷ এতে শুধু আপনি সুস্থ থাকবেন তা নয়, শরীরে ফ্যাট টে’স্টোটেরন উৎপাদনে বাধা দেয়৷ এছাড়াও পুরুষের পেটের চর্বি টেস্টোস্টেরণকে শোষণ করে নেয় ৷

    ৭* যদি আপনি একটি রোমান্টিক সন্ধে কাটাতে চান, তবে কফি ও চকলেট কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে৷ কারণ, এই দু’টি খাবারে রয়েছে কা’মোদ্দীপক উপাদান৷ চকলেট, কফি মেজাজ ভালো রাখে, এন্ডরফিন ক্ষরণে সাহায্য করে, শক্তি প্রদান করে এবং শা’রীরিক দী’র্ঘস্থায়িত্ব বৃদ্ধি করে।

    নিউজটি শেয়ার করার অনুরোধ রইলো

  • কেবিনে ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়েটি রাতে ১০ বার দিয়ে সকালে ফেরেন বোরকা পরে

    কেবিনে ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়েটি রাতে ১০ বার দিয়ে সকালে ফেরেন বোরকা পরে

    পা, হাত আর চোখের যাদু দেখাতে থাকেন। কালো বোরকায় ঢাকা ফর্সা শরীর অমাবস্যার চাঁদের মতো উঁকি দিতে থাকে। কখনও কখনও শাড়ি পরে শুরু করেন। রঙিন আলোয় তার শরীর, গোলাপী ঠোঁট দর্শকদের মধ্যে ভীষণ আবেদন ছড়িয়ে দেয়। মনে হয় যেনো আরব্য রজনীর কোনো নর্ত;কী। ধীরে ধীরে ভাঁজ খোলে আনন্দ ছড়িয়ে দেন। বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে এক এক করে খুলেন নিজের

    পোশাক। ছুড়ে দেন পছন্দের পুরুষের নাকে-মুখে। এভাবে ধীরে ধীরে উষ্ণতা ছড়াতে থাকেন। বিটের তালে তালে রাত;ভর থেমে থেমে পুরো শরী;র প্র;দর্শন করেন। এই তরুণীর সঙ্গ পেতে, একটু কাছে পেতে নক করেন অনেকেই। কিন্তু প্রতি রাতে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি একান্তে সময় দেন না তিনি। অবশ্য এজন্য অর্থ গুনতে হয় বেশ। তাই বিত্তশালী ছাড়া সবার ভাগ্যে জুটে না ভার্সিটি পড়ুয়া কুড়ি

    বছরের এই তরুণীর সান্নি;ধ্য। মিম নামের এই তরুণীর নানা রূপ। এই পরিবেশে যেমন খোলা;মেলা। বাইরে একদম অচেনা।রাত শেষে ভোর। দেখে বুঝার উপায় নেই এই মেয়েটি সারারাত নিজের রূপ-সৌন্দর্যে উষ্ণতা ছড়িয়েছে।

    তার পুরো শরীর ছিলো প্রায় উন্মু;ক্ত। নাচ, গান থেকে লঞ্চের কেবিনে তিনিই সময় কাটিয়েছেন কয়েকজনের সঙ্গে। ভোরে বোরকা পরে প্রস্তুতি নেন বাসায় ফেরার। বাসা যাত্রাবাড়ী। মা, বাবা, ভাই, বোন সবাই আছে। বাড়তি টাকা রুজির জন্যই বেছে নিয়েছেন এই পথ।একটা সময় ছিলো ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে কমার্শিয়াল পার্টিতে ডান্স করতেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে অনেক আগেই সেগুলো বন্ধ।

    তারমধ্যে ক;রোনার প্রকোপ। সব মিলিয়ে খারাপ যাচ্ছিলো সময়। মিম অবশ্য থেমে থাকেননি।বাবু নামে এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে খোঁজ পান নতুন মাধ্যমের। সদরঘাট থেকে প্রতি বৃহস্পতিবারে যাত্রা করে প্রমো;দতরী।

    গন্তব্যহীন এই লঞ্চ রাতভর জলে ভাসে। লঞ্চের ভেতরে থাকে বিলাসী আয়োজন। নাচ, গান, ম’দ, জু’য়া..।ওয়েস্টার্ন পোশাক পরে জুয়াড়িদের পাশে বসে থাকলেও বকশিশ মেলে। খেলার ফাঁকে ফাঁকে জু’য়াড়িরা হাত বুলিয়ে দেন নরম শ’রীরে। তরুণী হাসিমুখে সেবা দিয়ে প্রাণবন্ত রাখার চেষ্টা করেন। ম’দ, বি’য়ারের গ্লাসটা এগিয়ে দেন। এরকম অন্তত ১৫-১৬ জন তরুণীর মধ্যে মিম একজন।মিম নাচ জানেন ভালো। ফিল্মে অভিনয়ের জন্য নাচ শিখেছেন। অভিনয়ও করেছেন দু-একটি ফিল্মে। কিন্তু তা আর মুক্তি পায়নি। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে মিম। নিজের বিলাসী চাহিদা পরিবারের মেটানো সম্ভব না বলেই লেখাপড়ার

    পাশাপাশি বেছে নেন এই কর্ম। মিমের প্রতি প্রচন্ড আ;কর্ষণ পরিচিত পুরুষদের। চরম আবেদন ছড়িয়ে দেন তিনি।নির্দিষ্ট অর্থ দিলেই মিমকে মেলে লঞ্চের কেবিনে। পরিবারের সবাই জানে মিম (ছদ্মনাম) ডিজে। আয়োজকদের কমিশনবাদ দিয়ে একরাতে তার আয় ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা। সপ্তাহে এমন একটি রাত পান তিনি। তবে মিম জানান, সম্প্রতি লঞ্চ পার্টিতে যাচ্ছেন না। আইন-শৃঙ্খ;লা বাহিনীর কড়াক;ড়ির কারণেই তা বন্ধ আপাতত।

  • সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ!

    সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ!

    উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট আকার ধারণ করেছে। ক্রমশ এটি আরও ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে আগামীকাল ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। এছাড়া, সমুদ্রপৃষ্ঠে এখন ২৯-৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করছে, যা একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরির জন্য সহায়ক।

    তবে, মাঝারি থেকে উচ্চ ভার্টিক্যাল উইন্ড শিয়ারের কারণে শেষ পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি না হলেও আগামী পাঁচ দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে সারাদেশে। বিশেষ করে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে উপকূলীয় অঞ্চলে।

    এদিকে সুস্পষ্ট লঘুচাপটির প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। ফলে, উপকূলীয় অঞ্চলে ঝড়ের আশঙ্কায় দেশের চার সমুদ্রবন্দরের জন্য ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে।

    শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিমের (বিডব্লিউওটি) পৃথক বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে এসব তথ্য।

    এর মধ্যে, বিডব্লিউওটি তাদের বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরির অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা এখন ২৯-৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রয়েছে, যা একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরির জন্য সহায়ক। অবশ্য, মাঝারি থেকে উচ্চ ভার্টিক্যাল উইন্ড শিয়ারের কারণে এটি সম্ভবত ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হবে না। এই সিস্টেমটি সর্বোচ্চ মৌসুমি নিম্নচাপ হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। তবে, ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উত্তর ও মধ্য বঙ্গোপসাগর বেশ উত্তাল থাকতে পারে।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    পরে শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ঢাকায় দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

    পরদিন রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বেশ কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও বরিশালে দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    আগামী সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    এরপর মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশালে দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    এছাড়া, বর্ধিত ৫ দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। ফলে দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বর্ষণ এবং সমুদ্র উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সামুদ্রিক সতর্কবার্তায় বলা হয়, সকালে লঘুচাপটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়ে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও মধ্যবঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এ অবস্থায় উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্র বন্দরগুলোর উপর দিয়ে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

    এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।