• স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক মেলামেশার পর ৪টি কাজ অবশ্যই করবেন

    স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক মেলামেশার পর ৪টি কাজ অবশ্যই করবেন

    সহবাসের বিষয়ে আমাদের জানাশোনা খুব কম। জানা আগ্রহ থাকলেও সঠিক উপায় ও মাধ্যম না পেয়ে অনেকটা লজ্জার কারণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অজ্ঞ্যত রয়ে যায়। ফলে নানা সময়ে ঘটতে পারে বিপদ। আর তাই কোনো বিষয়ে সংকোচ না করে জানা চেষ্

     

    সহবাস নিয়ে কথা হলে প্রথমেই মাথায় আসে, সহবাহের পূর্বেরর্বে করণীয় এবং শেষের করণীয় সম্পর্কে।

     

    সর্বাধুনিক এবং শান্তির ধর্ম ইসলাম বৈধ যৌনতাকে উৎসাহিত করেছে। বলা হয়েছে, স্বামী-স্ত্রীর মিলনে রয়েছে অপার রহমত ও সওয়াব। কিন্তু অনেকেই হয়ত ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক সহবাসের স্বাভাবিক নিয়ম বা পন্থা সম্পর্কে জানেন না।

     

    আরও দেখুন
    জীবনধারা
    ডেইলি
    সংবাদপত্র

     

     

    সবচেয়ে বড় সমস্যা হল, সহবাস ও স্বাস্থ্যকর যৌন জীবন নিয়ে খোলাখুলি কেউ কথা বা আলোচনা চান না। বিশেষ করে মেয়েরা তো একেবারেই এড়িয়ে যেতে চান। সহবাসের আগে পুরুষ ও নারীদের প্রস্রাব করা উচিত। এতে প্রস্রাবের স্থানে সংক্রমণ বা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের সম্ভাবনা অনেকটাই কম হয়।

     

    আরও দেখুন
    জীবনধারা
    ডেইলি
    সংবাদপত্র

     

     

    শারীরিক সম্পর্কের আগে যেসব খাবার বিপদ ডেকে আনে

    শারীরিক সম্পর্কের আগে যেসব খাবার বিপদ ডেকে আনে

     বিস্তারিত পড়ুন

     

    সহবাসের সময় ফোরপ্লে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেই সময় সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধন দৃঢ় করার নানা পথ নিতে হয়। ভালোলাগা, মানসিক ও শারীরিক বিশ্বাস গড়ে তুলতে হয়। এসবের মধ্যে প্রস্রাবের জন্য বিরতি নেয়া, নিজের সঙ্গীকে সেটা বলাটাও মুড নষ্ট করে দিতে পারে।

     

    দীর্ঘদিন শারীরিক মিলন না হলে শরীরের উপর যে প্রভাব পড়ে

    দীর্ঘদিন শারীরিক মিলন না হলে শরীরের উপর যে প্রভাব পড়ে

     বিস্তারিত পড়ুন

     

    বিশেষজ্ঞদের মতে, যৌন মিলনের পর প্রস্রাব করা একটি অত্যন্ত ভালো অভ্যাস। এর ফলে যৌনাঙ্গের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া পরিষ্কার হয়ে যায় এবং সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা কমে। যৌনমিলনের পর প্রস্রাব করলে ইউরেথরা থেকে ব্যাকটেরিয়া মুক্ত হয়ে যায়। ফলে যে কোনো রকমের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। যৌনমিলনের পর ৩০ মিনিটের মধ্যে প্রস্রাব শরীরে পক্ষে উপকারী।

     

    শারীরিক সম্পর্কের আগে পার্টনারের সাথে যা করা প্রয়োজন

    শারীরিক সম্পর্কের আগে পার্টনারের সাথে যা করা প্রয়োজন

     বিস্তারিত পড়ুন

     

    সহবাসের সময় ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা খুবই জরুরি। সুস্বাস্থ্যের জন্য এই পরিচ্ছন্নতা আপনি কী বজায় রাখেন? সহবাসের সময় পরিচ্ছন্নতা বজায় না রাখলে শরীরে বড় বিপদ হতে পারে। বিশেষ করে নারীদের যৌনাঙ্গে হতে পারে সংক্রমণ, যা কঠিন অসুখও ডেকে আনতে পারে।

     

    শারীরিক সম্পর্কের চূড়ান্ত মুহূর্তে মেয়েরা যে কথাটি শুনতে চান

    শারীরিক সম্পর্কের চূড়ান্ত মুহূর্তে মেয়েরা যে কথাটি শুনতে চান

     বিস্তারিত পড়ুন

     

    কিন্তু এতে সত্যিই কী কোনো উপকার হয়? নারী-পুরুষ উভয়েই বেশিরভাগ সহবাসের পর প্রস্রাব করে থাকেন। তবে মিলনের আগে প্রস্রাব করে কী সত্যিই কোনো লাভ হয়? স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বিস্তারিত জানিয়েছেন। তার মতে, সহবাসের আগে ও পরে উভয়েরই প্রস্রাব করা উচিত। ব্ল্যাডারে প্রস্রাব জমে থাকা অবস্থায় যে জীবাণু থাকে, তা সঙ্গমের সময় একে অপরের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। তা থেকে উভয়েরই, বিশেষ করে নারীদের ইউটিআই বা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। একইসঙ্গে মিলনের আগে প্রস্রাব করা থাকলে শারীরিক স্বস্তিও অনেকটাই থাকে। এতে সঙ্গম আরো আকর্ষণীর্ষ য় হয়ে উঠতে পারে।

     

    অনেক সময় অর্গাজম হওয়ার মুহূর্তে প্রস্রাবের অনুভূতি চলে আসে। এতে সহবাস চলাকালীন প্রস্রাব করার দিতে মন চলে যায়। প্রস্রাবের চিন্তায় অনেক সময়ই ইজাকুলেশন থেকে বিরত হয়ে যান অনেকে। অর্গাজমের আনন্দানুভূতি বা অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত হতে হয়। প্রস্রাব করার পর সহবাসে লিপ্ত হলে এই অনভিপ্রেত মুহূর্তের মুখোমুখি হতে হয় না।

  • পায়খানায় এই ৪টি লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার!

    পায়খানায় এই ৪টি লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার!

    কোলোরেক্টাল ক্যান্সার এখন বিশ্বব্যাপী দ্রুত বাড়তে থাকা এক জনস্বাস্থ্য সংকট। শুধু বয়স্ক নয়, তরুণদের মধ্যেও এ রোগের আক্রান্তের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। সমস্যাটি আরও জটিল হয় কারণ শুরুর পর্যায়ে এই ক্যান্সার সাধারণত নিঃশব্দে থাকে, কিংবা এমন কিছু হজমজনিত পরিবর্তন দেখা দেয় যা সহজেই অন্য সাধারণ অসুস্থতার সঙ্গে মিলে যায়। জেএএমএ নেটওয়ার্ক–এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, কিছু উপসর্গ বিশেষভাবে প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    নিচে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংকেত তুলে ধরা হলো, যেগুলো মলের মাধ্যমেই শরীর আগে থেকেই জানান দেয়।

    কেন আগেভাগে শনাক্ত করা এত গুরুত্বপূর্ণ?

    আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির তথ্যে দেখা যায়, কোলোরেক্টাল ক্যান্সার যদি রোগ ছড়িয়ে পড়ার আগেই ধরা পড়ে, তাহলে ৫ বছরের সার্ভাইভাল রেট প্রায় ৯০ শতাংশ। কিন্তু রোগ ছড়িয়ে পড়লে এ হার কমে দাঁড়ায় আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রায় ৭৩ শতাংশ এবং দূরবর্তী অঙ্গ আক্রান্ত হলে মাত্র ১৩ শতাংশে নেমে আসে।

    অর্থাৎ সময়ের আগেই শনাক্ত করতে পারলেই চিকিৎসা সফলতার সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়ে এবং সম্পূর্ণ সেরে ওঠার সুযোগও তৈরি হয়।

    মলে দেখা দিলে যেগুলো হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের প্রাথমিক সংকেত
    ১. পেন্সিলের মতো সরু বা ফিতা-আকৃতির মল

    হঠাৎ এবং স্থায়ীভাবে মল সরু, ফিতার মতো বা পেন্সিলের মতো পাতলা হয়ে গেলে তা সতর্কতার কারণ। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি জানায়, কয়েক দিনের বেশি এমন পরিবর্তন থাকলে তা অন্ত্রের ভেতরে টিউমারের কারণে পথ সংকুচিত হওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে। মেও ক্লিনিকের তথ্যমতে, কোলন বা রেকটামের ভেতর দেয়ালে টিউমার বড় হতে থাকলে মলের স্বাভাবিক পথ সঙ্কুচিত হয়, ফলে মল স্বাভাবিক আকৃতি হারায়।

    ২. মলে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা

    অন্ত্র স্বাভাবিকভাবেই অল্প পরিমাণ শ্লেষ্মা উৎপন্ন করে যা কোলনের ভেতরকার অংশ লুব্রিকেট করতে সাহায্য করে। কিন্তু মলে চোখে পড়ার মতো পরিমাণে শ্লেষ্মা দেখা গেলে তা অন্ত্রের সমস্যার সংকেত হতে পারে। এনসিবিআই এর মেডিকেল নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মলদ্বার দিয়ে রক্তপাত বা অতিরিক্ত শ্লেষ্মা নিঃসরণ হতে থাকলে তা গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

    ৩. মলে রক্ত

    উজ্জ্বল লাল বা গাঢ় তারের মতো রক্ত উভয়ই কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের অন্যতম প্রাথমিক উপসর্গ। গবেষণা বলছে, প্রাথমিক পর্যায়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই কোনো না কোনোভাবে রেকটাল ব্লিডিং দেখা যায়।

    হেমোরয়েড, অ্যানাল ফিশার বা হজমজনিত সংক্রমণের কারণেও রক্ত দেখা দিতে পারে, তবে রক্তপাত যদি বারবার ঘটে বা অন্য সতর্ক লক্ষণও দেখা দেয়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    ৪. দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য

    বারবার ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বা কখনো ডায়রিয়া আবার কখনো কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো পরিবর্তন কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের শুরুতে দেখা দিতে পারে। মোফিট ক্যান্সার সেন্টারের তথ্যমতে, বিশেষ করে ৫০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের এ ধরনের স্থায়ী মলত্যাগের পরিবর্তনকে আরও গুরুত্বসহকারে দেখা প্রয়োজন।

    যদিও খাদ্যাভ্যাস, সংক্রমণ বা আইবিএস অনেক বেশি সাধারণ কারণ, তবুও উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে কোলোনোস্কোপির মতো পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।

    তরুণদের মধ্যেও বাড়ছে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি

    দ্য লানসেট অনকোলজি–তে প্রকাশিত বড় ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে, ২৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী মানুষের মধ্যে ৫০টি দেশের মধ্যে অন্তত ২৭টি দেশে প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের হার বাড়ছে। জীবনযাপনও এই ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। এমডিপিআই এর গবেষণায় বলা হয়েছে, অল্প বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া এবং স্থূলতা প্রধান ঝুঁকির কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। গবেষকদের আশঙ্কা, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, শারীরিক কার্যক্রম কমে যাওয়া এবং মেটাবলিক রোগ বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতা, আগেভাগে স্ক্রিনিং এবং জীবনযাপনে পরিবর্তন আনলেই এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

    মলে ছোট ছোট পরিবর্তনও অনেক সময় বড় রোগের বার্তা দেয়। অবহেলা না করে সতর্ক থাকা, নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই কোলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধ ও প্রাথমিক শনাক্তকরণের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

  • বীর্য দিয়েই হতে পারেন লাখপতি, কোথায় শুক্রাণু দানের ‘রেট’ কত? জেনে নিন

    বীর্য দিয়েই হতে পারেন লাখপতি, কোথায় শুক্রাণু দানের ‘রেট’ কত? জেনে নিন

    ২০১২ সালে জনপ্রিয় হিন্দি সিনেমা ভিকি ডোনার ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক চর্চা হয়েছিল। তখনও অনেকেই জানতেন না যে শুক্রাণু দান করাও হতে পারে একটি বৈধ জীবিকা। বর্তমানে ভারতের বিভিন্ন বড় ক্লিনিকে শুক্রাণু দাতাদের অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়া হয়।

    বীর্য

    ভারতে শুক্রাণু দানের জন্য দাতারা প্রতিবারে পেতে পারেন ৫০০ থেকে ২,০০০ টাকা। এটি নির্ভর করে ক্লিনিকের মান ও দাতার মানের উপর। সাপ্তাহিক দু’বার করে শুক্রাণু দান করলে একজন ব্যক্তি মাসে ৪,০০০ থেকে ৮,০০০ টাকা উপার্জন করতে পারেন। মুম্বই, দিল্লি ও বেঙ্গালুরুর মতো বড় শহরে চাহিদা বেশি হওয়ায় উপার্জনের পরিমাণও ৮,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

    ক্লিনিকগুলো সাধারণত কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের উপর জোর দেয়। যেমন—দাতা যদি ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, মেধাবী ছাত্র হন, উচ্চতা ভালো হয় এবং গায়ের রঙ উজ্জ্বল হয়, তাহলে তাঁদের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। তবে বিদেশে এসব শর্ত খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়।

    আমেরিকাতে সিয়াটল স্পার্ম ব্যাঙ্কে প্রতিবার দানে পাওয়া যায় প্রায় ৮,৪০০ টাকা, যেখানে মাসে উপার্জন হতে পারে এক লক্ষ ২৬ হাজার টাকা পর্যন্ত। ক্যালিফোর্নিয়া স্পার্ম ব্যাঙ্কে প্রতিবার দেওয়া হয় ১২,০০০ টাকা এবং মাসিক আয় হতে পারে ৫৮ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকার মধ্যে।

    ইউরোপে ইউরোপিয়ান স্পার্ম ব্যাঙ্ক প্রতিবারের জন্য দেয় প্রায় ৩,৬০০ টাকা। ক্রায়োস ইন্টারন্যাশনালে মাসিক আয় হতে পারে ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত। যদি ছয় মাস টানা শুক্রাণু দান করেন, তাহলে আয় হতে পারে প্রায় সাড়ে আট লক্ষ টাকা পর্যন্ত।

  • বাজারে হঠাৎ পাল্টে গেল জ্বালানি তেলের দাম

    বাজারে হঠাৎ পাল্টে গেল জ্বালানি তেলের দাম

    শক্তিশালী মার্কিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং ভেনিজুয়েলা ও রাশিয়ার তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার ৪ সেন্ট বা শূন্য দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৬২ দশমিক ৪২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড ৩ সেন্ট বা শূন্য দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৫৮ দশমিক ৪১ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

    এর আগে সোমবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম ২ শতাংশেরও বেশি বেড়ে যায়। এদিন ব্রেন্ট ক্রুড দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দৈনিক বৃদ্ধি দেখায় এবং ১৪ নভেম্বরের পর ডব্লিউটিআইয়ের দাম সবচেয়ে বেশি বাড়ে। মঙ্গলবারও তেলের দাম আরও শূন্য দশমিক ৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

    মঙ্গলবার মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিস তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপির প্রাথমিক হিসাব প্রকাশ করে জানায়, শক্তিশালী ভোক্তা ব্যয়ের কারণে মার্কিন অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুতগতিতে বেড়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ত্রৈমাসিকে যুক্তরাষ্ট্রের মোট দেশজ উৎপাদন বার্ষিক ভিত্তিতে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে, যা ২০২৩ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের পর সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি।

    আইজি গ্রুপের বিশ্লেষক টনি সাইকামোর এক নোটে বলেন, ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার পটভূমিতে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপি তথ্য রাতারাতি তেলের দামে সমর্থন জুগিয়েছে।

    হাইটং ফিউচারস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভেনিজুয়েলার তেল রফতানিতে সম্ভাব্য ব্যাঘাত বাজারের মনোভাবকে সমর্থন করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে রাশিয়া ও ইউক্রেনের একে অপরের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর চলমান হামলাও তেলের দামে ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি করছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, অন্যান্য প্রভাবশালী বিষয়ের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল ভোক্তা দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মজুতের তথ্য আপাতত বাজার খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না।

    মঙ্গলবার আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের তথ্যের বরাত দিয়ে বাজার সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত ২৩ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল বেড়েছে। একই সময়ে পেট্রোলের মজুত বেড়েছে ১০ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল এবং ডিস্টিলেট মজুত বেড়েছে ৬ লাখ ৮৫ হাজার ব্যারেল।

    ছুটির কারণে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দেরিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন সোমবার তাদের সরকারি তথ্য প্রকাশ করবে। হাইটং ফিউচারস জানিয়েছে, ডিসেম্বরে ছুটির মৌসুমের প্রভাবে পরিশোধিত তেলের চাহিদা সাময়িকভাবে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফলে মজুত বৃদ্ধির তথ্যের প্রতি বাজারের প্রতিক্রিয়া তুলনামূলকভাবে সীমিত থেকেছে।

    এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি মাসের শুরুতে ভেনিজুয়েলায় প্রবেশ ও বের হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার আওতায় সব তেল ট্যাঙ্কার অবরোধের ঘোষণা দেন। এতে জাহাজ মালিকদের মধ্যে সতর্কতা বেড়েছে।

    মঙ্গলবার পর্যবেক্ষণ সংস্থা ট্যাংকারট্র্যাকার্স ডটকমজানায়, গত সপ্তাহে ভেনিজুয়েলা থেকে তেল বহনকারী পানামা-পতাকাবাহী একটি বড় অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের আরও কয়েকটি ট্যাঙ্কার আটকের পর ভেনিজুয়েলার জলসীমায় ফিরে এসেছে।

    এর আগে এই মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র একটি সুপারট্যাঙ্কার আটক করে এবং সপ্তাহান্তে আরও দুটি জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করে। এর ফলে এক ডজনেরও বেশি তেলবাহী জাহাজ ভেনিজুয়েলায় অবস্থান করে তাদের মালিকদের কাছ থেকে নতুন নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে।