• ব্রা-এর বাংলা অর্থ কী? অনেকেই বলতে পারেন না, জানলে অবাক হবেন

    ব্রা-এর বাংলা অর্থ কী? অনেকেই বলতে পারেন না, জানলে অবাক হবেন

    মহিলাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পোশাকের মধ্যে ব্রা একটি। কিন্তু আজও সমাজে এটি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা হয় না। এমনকি দোকানে কিনতে গিয়েও মহিলাদের বেশ সমস্যায় পড়তে হয়। কিন্তু এটি একটি অন্তর্বাস, যা নিয়ে লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই। বরং লজ্জা ঢাকতেই এই পোশাক পরা হয়। যাইহোক এই প্রতিবেদনে ব্রা সম্পর্কে একটি মজার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

    আপনি নিশ্চয়ই জানেন, মহিলাদের অন্তর্বাসকে ব্রা বলে, যা একটি ইংরেজি শব্দ। আসলে ব্রা হল একটি সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি ফরাসি শব্দ ব্রেসিয়ার থেকে এসেছে। ১৮৯৩ সালে এই শব্দটি প্রথমবার এক মার্কিন সংবাদপত্রে ব্যবহার করা হয়েছিল। এরপর ধীরে ধীরে বিভিন্ন ম্যাগাজিনেও এই শব্দটির প্রচলন হয়। কয়েক বছর পর অক্সফোর্ড অভিধানেও জায়গা করে নেয় এই শব্দ৷

    তবে অতীতের তুলনায় এখন ব্রা-র ডিজাইনে অনেক পরিবর্তন এসেছে। শুরুতে ব্রা-তে কাপের আকার ছিল না। তাহলে একবার ভাবুন সেই সময় মহিলাদের কতটা সমস্যায় পড়তে হতো। জানা যায়, ১৯৩০ সালে এসএইচ ক্যাম্প কোম্পানি প্রথমবারের মতো ব্রা-তে কাপের আকার ডিজাইন তৈরি করেছিল।

    প্রাথমিকভাবে এই শব্দের অর্থ হলো শিশুদের অন্তর্বাস, কিন্তু পরবর্তীতে মহিলাদের পোশাকের রূপ দেয়া হয়েছিল। আসলে ব্রা (BRA) একটি সংক্ষিপ্ত রূপ। এর পূর্ণরূপ হল Breast Resting Area অর্থাৎ স্তন বিশ্রামের এলাকা। তবে একে বক্ষবন্ধনীও বলা হয়ে থাকে৷ তবে যত সময় এগিয়েছে, মহিলাদের এই অন্তর্বাসটির ডিজাইন পরিবর্তন হয়েছে। আজকাল বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের A থেকে D সাইজের ব্রা পাওয়া যায়।

    তবে অধিকাংশ মহিলাই স্তনের সঠিক আকার না জেনেই অন্তর্বাস ব্যবহার করেন। সমীক্ষায় দেখা গেছে, বিষের প্রায় ৮০ শতাংশ নারী ভুল সাইজের ব্রা পরেন। এমনকি তারা ফিটিং এবং সঠিক মাপ নেওয়ার পরেও ভুল করেন। তবে ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক মাপের ব্রা পরাই উচিত। তবে একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর আর এটি ব্যবহার করা যায় না। একটি ব্রা-র মেয়াদ ৮ থেকে ৯ মাস থাকে। কিন্তু দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে তার স্তনের ক্ষতি হতে পারে।

  • মি’লনের পর যা করলে পু’নরায় মি’লন করার শ’ক্তি পাবেন, অনেকেই জানেন না

    মি’লনের পর যা করলে পু’নরায় মি’লন করার শ’ক্তি পাবেন, অনেকেই জানেন না

    স”হবা”সের পরে দু’জনেরই উচিত কমপক্ষে এক পোয়া গরম দুধ, একরতি কেশন ও দুই তোলা মিশ্রি সংযোগে সেবন করা। সহবাসে কিছু শক্তির হ্রাস হ’তে পারে। এতে করে কিঞ্চিৎ পূরণ হয়।

    অন্যথায় স”হবা”স করা উচিত নহে। এই কারণেই মনীষীরা মাসানে- একবার রতিক্রিয়া ব্যবস্থা করে দেন। যাতে উপরোক্ত সামগ্রীর যোগাড় করতে গরীব বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকের পক্ষেও কষ্টকর না হয়।

    পুষ্টিকর খাদ্য না খেলে পুরুষ অচিরেই শক্তিহীন হ’য়ে পড়ে ও তার কর্মশক্তি লোপ পায়। অত্যধিক মৈ”থুনের জন্য হজমশক্তি লোপ পায়। ফলে অম্ল, অজীর্ণ প্রভৃতি নানা প্রকার রোগ দেখা দেয়।

    প্রত্যেক মানুষের কিছু গোপন ইচ্ছা, চাওয়া – পাওয়া থাকে। তবে এগুলো অনেকে প্রকাশ করে আবার অনেকেই প্রকাশ করে না। বিশেষ করে মেয়েরা । কিছু কিছু জিনিস আছে, যেগুলো একজন নারী সবার অগোচরে চাহিদা করেন কিন্তু মুখে সম্পূর্ণ বিপরীত কথা বলেন।

    চলুন জেনে নেওয়া যাক নারীদের এমন ১০টি গোপন আকাঙ্ক্ষা কথা যা মনে মনে খুব চান কিন্তু কাউকে তা জানতে দেন না:

    ১) প্রত্যেক মেয়েই চায় তার স্বামী আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হোক। লক্ষ্য করলে দেখবেন অনেকে প্রেম করে কিন্তু বিয়ে করার কথা বললে প্রেমিকাকে বলে আগে একটা ভালো চাকরি কর তরাপর। অধিকাংশ নরীদের চাওয়া এটাই।

    ২) ছেলেদের থেকে মেয়েরা সব সময় একটা সাজালো গোছালো সংসার চায়। যা সম্ভব শুধু ছোট পরিবারে, বড় পরিবারে ও সম্ভব তবে কষ্টকর। এ কারণে অধিকাংশ মেয়েরা চায় একক পরিবার , যৌথ পরিবার আদৌ বর্তমান মেয়েরা পছন্দ করে না।

    ৩) বাহ্যিকভাবে একটা মেয়েকে ভালো ভাবে চেনা যায় না।প্রত্যেক নারী নিজেকে তার বন্ধুদের মাঝে আকর্ষণীয় এবং যৌবনময়ী হয়ে উঠতে চায় কিন্তু এই বিষযটা সে প্রকাশ করে না। মনে মনে রাখে।

    ৪) প্রত্যেক নারী চায় সে ফর্সা হতে। সে ফর্সা থাকুক আর না থাকুক ফর্সা হওয়ার চেষ্টা সে করবেই। ৫) মেয়েরা কখনই তার স্বামীর মুখে অন্য নারীর গুনকীর্তন শুনতে পছন্দ করে না।সে চাইবে তার স্বামী যেন একমাত্র তাকেই চাক।

    ৬) মেয়েরা মুখে মুখে বলতে পারে সে নিজের দেহের ওজন নিয়ে সে কখনোই চিন্তা করে না কিন্তু অাসলে সে চায় নিজেকে চান স্লিম ও যৌবনময়ী শরীরের অধিকারী করতে।

    ৭) মেয়েদের ভিতর অনেক ঈর্ষা। একজন মেয়ে অন্য একজন মেয়ের সাফল্য কখনোই দেখতে পারে না। ৮) সকল নারী চায় তার প্রিয় মানুষটি তার কথা সবসময় মেনে চলুক, তার কথা সবসময় পালন করুক, সে মনে করে তার অনেক দ্বায়িত্ব।

    ৯) একজন ছেলে তার বয়স এবং চেহারা নিয়ে ততোটা না ভাবলেও একজন নারী চায় তার চেহারায় যেন বয়সের কালো ছাপ না পড়ে।

    ১০) একটি মেয়ে তার বুকের স্তন অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। নারীরা স্ত’নের ব্যাপরে খুবই সজাগ, খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে। কারণ পুরুষকে আকর্ষণ করার মেইন অঙ্গ এটা। এজন্য নারী চায় স্ত’ন থাকুক সবসময় আকর্ষণীয় ও যৌ’বনদীপ্ত।

  • অক্টোপাসের সাথে করতে গিয়ে নিজের টা হারালেন যুবক

    অক্টোপাসের সাথে করতে গিয়ে নিজের টা হারালেন যুবক

    চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে এক যুবকের অদ্ভুত কর্মকাণ্ড ঘিরে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এক তরুণ সৈকতে মাছ ধরতে এসে হঠাৎ করে একটি অক্টোপাস ধরে ফেলে। তবে যা ঘটল এরপর, তা বিশ্বাস করা কঠিন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওই যুবক অক্টোপাসটিকে অস্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছিল। এর ফলেই ঘটে বিপত্তি।

    অক্টোপাস একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান সামুদ্রিক প্রাণী। স্থানীয় জেলেরা জানান, হঠাৎ করেই প্রাণীটি তার শুঁড় দিয়ে যুবকের শ’রীর শক্ত করে জড়িয়ে ধরে। এর একপর্যায়ে যুবক প্রচণ্ড ব্যথায় চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শা’রীরিকভাবে সে মারাত্মক আঘাত পেয়েছে এবং এর ফলে তার ওই স্থানে স্থায়ী ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। ঘটনার খবরে এলাকায় হৈচৈ পড়ে গেছে। স্থানীয়রা অবাক হয়ে বলেছেন, “এমন অদ্ভুত ঘটনা আমরা জীবনে শুনিনি। মাছ ধরা বুঝলাম, কিন্তু সামুদ্রিক প্রাণীর সাথে এমন কাজ করার মানে কী?”

    মনোবিজ্ঞানীরা এ প্রসঙ্গে বলেছেন, আধুনিক সমাজে নানা ধরনের বিকৃত আচরণ দেখা যাচ্ছে। ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা ও অবাধ নীল *ছবির সংস্কৃতির কারণে অনেকেই বাস্তব জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে অস্বাভাবিক কল্পনায় জড়িয়ে পড়ছে। এর ফলেই মাঝে মাঝে মানুষ এ ধরনের বিপজ্জনক ও হাস্যকর কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “এটি নিছক ব্যক্তিগত বিকৃতি নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” পাশাপাশি তিনি সতর্ক করে বলেন, “মানুষের নিরাপত্তা ও নৈতিকতার জন্য এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

  • ১৬ বছর বয়সে প্রথমবার করেছি মজাটাই আলাদা, শ্রাবন্তী

    ১৬ বছর বয়সে প্রথমবার করেছি মজাটাই আলাদা, শ্রাবন্তী

    বাংলার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে সবচেয়ে চর্চিত অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। পেশাগত দিকের জন্য যত না আলোচনা হয়, তার থেকে বেশি কথা হয় নায়িকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে। খুবই ছোটবেলায়, ১৬ বছর বয়সে বিয়ে করেন তিনি। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই পরিবারের অমতে পরিচালক রাজীব বিশ্বাসকে বিয়ে করেন। তবে সেই বিয়ে টেকেনি তার। কিন্তু কীভাবে কি হলো? আসুন জানা যাক আসল কারণ।
    শ্রাবন্তী অভিনয় জগতে পদার্পণ করেন ১৯৯৭ সালে। প্রসেনজিৎ ও ঋতুপর্ণার ‘মায়ার বাঁধন’ ছবিতে প্রসেনজিতের মেয়ের ভূমিকায় শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেন শ্রাবন্তী। এরপর ধীরে ধীরে রোয়াব বাড়তে থাকে তার। ২০০৩ সালের মধ্যই ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের আলাদা একটা পরিচয় গড়ে তোলেন তিনি।

    এরপরই ঘটে বিশাল অঘটন। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই বিয়ে করেন পরিচালক রাজীব বিশ্বাসকে। বিয়ের পর অভিনয় থেকে কিছুটা সরে যান শ্রাবন্তী। তারপরই তিনি মা হন। কিন্তু এসময় ধীরে ধীরে দূরত্ব বাড়তে থাকে তাদের মধ্যে। এমনকি অভিনেত্রী দাবী করেন যে, রাজীব তাঁর ওপর শারীরিক অত্যাচারও চালিয়েছেন। তারপর বাধ্য হয়ে বিচ্ছেদ ঘটে তাদের মধ্যে।

    লম্বা বিরতির পর ২০০৮ সালে আবারো টলিউডের পর্দায় কামব্যাক করেন অভিনেত্রী। ব্যাস, তারপর থেকে আর তাকাতে হয়নি তাকে। বড় বড় হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন বঙ্গ ইন্ডাস্ট্রিকে। তারপর থেকে একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন অভিনেত্রী। কিন্তু আর সম্পর্ক টেকেনি তার। কিছুদিন আগে একই বিল্ডিংয়ের বাসিন্দা অভিরূপ নাগ চৌধুরীর সাথে তার সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়।

    কদিন আগে আবার এও শোনা যায় অভিরূপকে ছেড়ে জিম ট্রেনারের সাথে রোম্যান্স করছেন তিনি। কিন্তু এখন এসব মন দিতে নারাজ তিনি। কাবেরী অন্তর্ধান-এর মতো সিনেমায় দূর্দান্ত অভিনয় করে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন তিনি। এখন সামনের দিকে তাকাতে চাইছেন শ্রাবন্তী। সামনেই তার হাতে রয়েছে দেবী চৌধুরানী-এর মতো সিনেমা।