• দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন

    দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন

    টানা ২ দফা বাড়ার পর ফের দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এবার ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪২ হাজার ৯০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ৪১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

     

    এর আগে, সবশেষ গত ৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

    এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা সেদিন বিকেল ৪টা থেকেই কার্যকর হয়েছিল।

    এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ২৫ বারের মতো সমন্বয় করা হয় স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৬ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং ৯ দফা কমানো হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।

  • ভোটকেন্দ্র কোথায়? ঘরে বসেই কেন্দ্রের নাম ও নম্বর জানবেন যেভাবে

    ভোটকেন্দ্র কোথায়? ঘরে বসেই কেন্দ্রের নাম ও নম্বর জানবেন যেভাবে

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। আসন্ন এ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের সুবিধার্থে ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ নামে একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অ্যাপটির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর দিয়ে ঘরে বসেই নিজেদের ভোটকেন্দ্রের নাম, নম্বর ও অবস্থান জানতে পারবেন ভোটাররা।

    সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক। তিনি বলেন, ‘Smart Election Management BD’ নামের অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ভোটাররা অ্যাপটির মাধ্যমে সহজেই ঘরে বসে ভোটকেন্দ্রের জিও লোকেশন, ছবি, কেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্ব এবং ম্যাপসহ বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন।

    এ ছাড়াও অ্যাপটির মাধ্যমে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের তথ্য, নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীদের হলফনামা, নির্বাচনসংক্রান্ত নানা তথ্য এবং নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কেও জানা যাবে।

     

    উল্লেখ্য, অ্যাপটি মোবাইল ফোনে ইনস্টল করার পর ভোটারের জন্মতারিখ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর প্রদান করলে প্রয়োজনীয় সব তথ্য প্রদর্শিত হবে। এতে রয়েছে ভোটার আইডি নম্বর, ভোট দেয়ার নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রের নাম ও ঠিকানা, ভোট দেয়ার সিরিয়াল নম্বর বা ভোটিং সিরিয়াল নম্বর-সহ বিভিন্ন তথ্য।

  • ১০ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    ১০ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ঘোষিত ১০ ফেব্রুয়ারির (মঙ্গলবার) ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সরকার। যেসব কল-কারখানা প্রতিষ্ঠান এই ছুটি কার্যকর করবে, তারা চাইলে সুবিধাজনক সময়ে একদিনের এই ছুটি পুষিয়ে নিতে পারবে।

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা যেসব কারখানা কার্যকর করবে, তারা প্রয়োজনে পরবর্তীতে যেকোনো দিনে শ্রমিকদের দিয়ে একদিন কাজ করিয়ে সেই ছুটি পুষিয়ে নিতে পারবে।

     

    পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

    উল্লেখ্য, গত ২৫ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধ ও বৃহস্পতিবার) সারাদেশে নির্বাহী আদেশে নির্বাচনকালীন সরকারি ছুটি ঘোষণা করে সরকার। সেই সঙ্গে একই প্রজ্ঞাপনে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়।

  • নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে আশার আলো দেখালেন অর্থ উপদেষ্টা

    নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে আশার আলো দেখালেন অর্থ উপদেষ্টা

    দীর্ঘ এক দশক পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণে গঠিত পে কমিশন সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনা শেষে গত ২১ জানুয়ারি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদন জমার পর সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হলেও অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে সেই আশা অনেকটাই ম্লান হয়ে যায়।

    অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়ে দেয়, নির্বাচন শেষে নির্বাচিত সরকারই নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে। ফলে আপাতত নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

    এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান স্পষ্টভাবে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার পে-স্কেল সংক্রান্ত কোনো গেজেট প্রকাশ করবে না। একইসঙ্গে তারা এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না বা বাস্তবায়নেও যাবে না।

    তিনি আরও জানান, এই সরকারের মেয়াদে পে-স্কেল নিয়ে কোনো ধরনের প্রজ্ঞাপন জারি, সিদ্ধান্ত গ্রহণ কিংবা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে না।

    অন্যদিকে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সবশেষ সচিবালয়ে ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে জানান, পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করে দিয়ে যাবে বর্তমান সরকার।

    তিনি বলেন, জাতীয় বেতন কমিশন মূল বেতন দ্বিগুণের বেশি বাড়ানোর যে সুপারিশ করেছে, তা অত্যন্ত ইতিবাচক। কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করে যাবে অন্তর্বর্তী সরকার। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থও বরাদ্দ রাখা হবে।

    পরবর্তী সরকার এই পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে কি না—এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, অর্থ বরাদ্দ দিয়ে এবং সুপারিশ করে যাওয়া হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে।

    বর্তমান সরকার কেন এখনই পে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী গেজেট প্রকাশ করছে না—এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গেজেট প্রকাশ করা সহজ বিষয় নয়। এতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয় কোন খাতে কত টাকা দেওয়া হবে। সে কারণেই সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করে দেওয়া হচ্ছে।

    এদিকে ভোটের আগেই নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে সরকারি কর্মচারীরা আন্দোলনে নেমেছেন। টানা তিন দিন কর্মবিরতির পর বৃহস্পতিবারও কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা। এতে সরকারি দপ্তরগুলোতে কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে।

    এছাড়া আগামীকাল মহাসমাবেশ ও প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে পদযাত্রার কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা চলছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করলেও নাম প্রকাশ করে কথা বলতে রাজি হননি।