• বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন কাঠামো বা পে স্কেল বাস্তবায়নের সময়সূচি চূড়ান্তের পথে। বেতন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই আংশিকভাবে নতুন স্কেল কার্যকরের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে জানানো হয়েছে।

    সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত ২১ সদস্যের বেতন কমিশন তাদের সুপারিশমালা এরইমধ্যে চূড়ান্ত করেছে।

    আগামী ২১ জানুয়ারি অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে এই আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রতিবেদন জমার পর তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    এবারের পে-স্কেলে নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুপারিশমালা অনুযায়ী বর্তমানে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থাকলেও তা দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ১৮,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    একইসঙ্গে সর্বোচ্চ ধাপে বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে, যাতে বেতন বৈষম্য কমে আসে।

    নতুন এই বিশাল বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়নে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ব্যয়ের সংস্থান নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি আংশিক বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হবে।
    উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০১৫ সালের বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রায় ১০ বছর পর নতুন এই বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • পে-স্কেল নিয়ে বড় সুখবর

    পে-স্কেল নিয়ে বড় সুখবর

    দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামোর প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে। চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিক বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে বেতন কমিশন। এটি পুরো মাত্রায় কার্যকর হবে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই থেকে।

    বিজ্ঞাপন

    আগামী ২১ জানুয়ারি অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে নতুন বেতনকাঠামো প্রতিবেদন দাখিল করবে বেতন কমিশন। অর্থ উপদেষ্টা পরে তা উপস্থাপন করবেন উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বেতন কমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    বিজ্ঞাপন

    এদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় ২২ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন বেতনকাঠামো আংশিক কার্যকর করার অংশ হিসেবেই এ পদক্ষেপ নিয়ে রেখেছে সরকার।

    বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, বেতনকাঠামো পুরো মাত্রায় বাস্তবায়ন করতে গেলে বাড়তি ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা লাগবে।

    বিজ্ঞাপন

    প্রস্তাবিত বেতনকাঠামোতে নিচের দিকে বেতন–ভাতা বেশি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    গত বছরের ২৭ জুলাই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো নির্ধারণের জন্য বেতন কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনের প্রধান করা হয় সাবেক অর্থসচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। ২১ সদস্যের এ কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল।

    বিজ্ঞাপন

     

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখন ২০১৫ সালের বেতনকাঠামো অনুসারে বেতন-ভাতা পান। বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংখ্যা প্রায় ১৫ লাখ।

    বর্তমানে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা, এটা দ্বিগুণের বেশি বাড়বে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে বর্তমানে সর্বোচ্চ ধাপে নির্ধারিত বেতন ৭৮ হাজার টাকা। এটা বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করা হচ্ছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ করার সুপারিশ রয়েছে।

  • আংশিকভাবে চলতি মাসেই নতুন পে-স্কেল কার্যকর হবে

    আংশিকভাবে চলতি মাসেই নতুন পে-স্কেল কার্যকর হবে

    সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য সরকারের বরাদ্দ প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এখন এক লাখ ৬ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞাপন
    অর্থ মন্ত্রণালয় ও পে-কমিশন সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। তবে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হবে আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে, অর্থাৎ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন থেকে। চলতি মাস থেকেই আংশিকভাবে নতুন বেতন কাঠামো চালুর জন্য বাজেটে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সরকার এই প্রস্তুতি নিচ্ছে যাতে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে নির্বাচিত সরকার দ্রুত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

    অন্যদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেট ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা, যা সংশোধিত বাজেটে সামান্য কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকায় আনা হয়েছে। পরিচালন ব্যয় বেড়ে ৫ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা হলেও উন্নয়ন খাতের বাজেট কমিয়ে ২ লাখ কোটি টাকা করা হয়েছে। ঋণের সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি ও ব্যাংক একীভূতকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় বৃদ্ধির কারণে এই পরিবর্তন আনতে হয়েছে।

    আরও পড়ুন

    ১৫ বছর প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যাংক ডাকাতি হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
    পে-কমিশনের প্রতিবেদন সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই সপ্তাহেই প্রতিবেদন সরকারকে হস্তান্তর করা হবে। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, প্রতিবেদন পাওয়ার পর নতুন পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    বিজ্ঞাপন
    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এটি স্বস্তির সংবাদ, যাদের বেতন ও ভাতার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজন ছিল সংস্কার ও উন্নয়ন।

     

  • হঠাৎ স্বর্ণ ও রুপার বড় দরপতনের নেপথ্যে কী, দাম কি আরও কমবে?

    হঠাৎ স্বর্ণ ও রুপার বড় দরপতনের নেপথ্যে কী, দাম কি আরও কমবে?

    রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পর হঠাৎ করেই দিক বদলেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। ব্যাপক দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস নড়বড়ে হয়ে গেছে। সামনের দিনগুলোতে এই দুই মূল্যবান ধাতুর দামে পতন অব্যাহত থাকবে নাকি ঘুরে দাঁড়াবে বাজার, তা জানতে এখন মুখিয়ে বিনিয়োগকারীরা।

    গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৫৮০ ডলার ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড গড়ে। কিন্তু শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) স্বর্ণের দাম একদিনেই প্রায় ৯ শতাংশ পড়ে যায়, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ দরপতন। বিক্রির চাপ সেখানেই থামেনি। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত চলে সেই পতনের ধারা। এদিন দাম আরও ৩ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৪৫ ডলারে নেমে আসে। পরে অবশ্য কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় স্বর্ণের বাজার।

    বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোতে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদের দিকে ঝুঁকছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সম্পর্ক ঘিরে টানাপোড়েন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের  গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষা, ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ এবং আঞ্চলিক সংঘাতে ইরানের ভূমিকা–এসবের ফলে মূল্যবান ধাতুর দিকে ঝুঁকেছিলেন বিনিয়োগকারীরা। তাতে স্বর্ণ ও রুপার দাম তরতরিয়ে বেড়ে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছায়।

     

    মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ শিগগিরই সুদের হার কমাতে পারে, এমন প্রত্যাশার ফলে ডলার দুর্বল হয়, চাহিদা বাড়ে স্বর্ণের। এ ছাড়া দাম বাড়ার আরেকটি বড় কারণ ছিল কল অপশন কেনার ঢেউ।

    এদিকে গত সপ্তাহে রুপার দামও অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়েছে। বৃহস্পতিবার প্রতি আউন্স ১২১ দশমিক ৬৪ ডলারে পৌঁছে রেকর্ড গড়ার পরপরই দাম প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পড়ে যায়। সোমবার পর্যন্ত মোট পতন দাঁড়ায় প্রায় ৪১ শতাংশে, দাম নেমে আসে প্রায় ৭২ ডলারে। এরপর ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার শুরু হয়।

    জল্পনাভিত্তিক লেনদেন এবং শিল্পখাতে চাহিদা জোরালোভাবে বাড়বে, এমন প্রত্যাশা থেকে রুপার দাম বেড়েছিল। ইলেকট্রনিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদনে রুপার ব্যবহার বাড়ছে।

    তবে আচমকা দুটি ঘোষণায় বাজারের ভোল পাল্টে গেছে। এই দুই মূল্যবান ধাতু কেনার বদলে বিক্রির ঢল বেড়েছে। প্রথমত গত শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) কেভিন ওয়ার্শকে পরবর্তী ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। জেরোম পাওয়েলের স্থলাভিষিক্ত হতে যাওয়া ওয়ার্শকে অর্থনৈতিক সংকটকালীন অভিজ্ঞতাসম্পন্ন, বাস্তববাদী ও স্বাধীন কণ্ঠ হিসেবে দেখা হয়।

     

    এই সিদ্ধান্তের ফলে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক ও বড় আকারের সুদ কমানোর চাপ কমে যাবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। ট্রাম্প আগেও বারবার পাওয়েলের কাছে এমন দাবি জানিয়ে এসেছেন। ওয়ার্শের মনোনয়নের খবরে ডলারও শক্তিশালী হয়েছে।

    দ্বিতীয়ত, সপ্তাহান্তে শিকাগো মারকেন্টাইল এক্সচেঞ্জে (সিএমই) মার্জিন চাহিদা বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়। সিএমই-তে কমেক্সের (কমোডিটি এক্সচেঞ্জ, ইনক.) মাধ্যমে স্বর্ণ ও রুপার ফিউচার চুক্তিতে ব্যাপক লেনদেন হয়। অতিরিক্ত ঝুঁকি নেয়া ঠেকানো এবং বাজারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়।

    নাটকীয় দোলাচলের পর এখন বিনিয়োগকারীদের প্রশ্ন-স্বর্ণের দাম কি এখন দীর্ঘমেয়াদে নিম্নমুখী থাকবে, নাকি বাজারের ভোল আবার পাল্টে যাবে।

    সিএমসি মার্কেটসের এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য প্রধান ক্রিস্টোফার ফোর্বস মনে করেন, স্বর্ণের এই তীব্র পতন দীর্ঘমেয়াদি হবে না। বরং অসাধারণ এক উত্থানের পর এমন দাম কমার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন তিনি।

    ফোর্বস বলেন, ‘ডলার আবার দুর্বল হলে বা ওয়ার্শের নমনীয় অবস্থান নিশ্চিত হলে বিনিয়োগকারীরা ফিরে আসবে।’ তার ধারণা, আগামী ১২ মাসে স্বর্ণের দাম আবার সাম্প্রতিক উচ্চতা স্পর্শ করতে পারে। মার্কিন ব্যাংক জেপি মরগানের মতে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ৩০০ ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারে।

    সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জার্মানির ডয়চে ব্যাংক জানায়, বিনিয়োগকারীরা এখনো স্বর্ণ কিনতে মুখিয়ে আছে। তার এই আগ্রহ ‘সহজে প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই’।

    এদিকে বিশ্লেষকের মতে, রুপার দামও ভবিষ্যতে বাড়বে। কারণ শিল্পখাতে চাহিদা বাড়ছেই, আর অনুসন্ধান ও খনিতে বহু বছর ধরে কম বিনিয়োগের ফলে সরবরাহ এখনো সীমিত।