• শ’রীরের যে সমস্যা থাকলে ভুলেও রসুন খাবেন না, জেনে নিন

    শ’রীরের যে সমস্যা থাকলে ভুলেও রসুন খাবেন না, জেনে নিন

    প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে থেকেই রসুনের গুণাগুণ সম্পর্কে জানা যায়। এর বোটানিক্যাল নাম হলো Allium Salivan linn। রসুন যেমন উষ্ণ, তেমনি স্নিগ্ধ। এটি শরীরকে গরম রাখে। রসুন এন্টিবায়োটিক, সর্দি কাশি সারায়। একজিমা দূর করে। ঘাম হতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল ও রক্ত শর্করা কমায়। দুধে রসুনের রস পড়লে ছানা হয় না।

    তবে এর গন্ধ পারদের মতো সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় রসুন বেশ কার্যকর। যেমন-হাড়ের রোগ, কৃমি, চর্মরোগ, উচ্চরক্তচাপ, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, প্রস্রাবে সংক্রমণ ইত্যাদি। এক বা দুই কোয়া রসুন গরম দুধের সঙ্গে খেলে শরীরের জড়তা দূর হয় এবং এতে সামান্য জ্বরেও উপকার পাওয়া যায়। পেটে গ্যাস হলেও রসুনের রস উপকারী। রসুনের রসের শ্বাস নিলে মাথাব্যথা উপশম হয়। এ ছাড়া রসুন দিয়ে সরিষার তেল গরম করে মালিশ করলে বাতের ব্যথা দূর হয়।

    আরও পড়ুন: ভালো ঘুমের জন্য যা দরকার

    রসুনের মধ্যে সালফাইড থাকার কারণে এটি জীবাণুনাশক হিসাবে কাজ করে। এর ই-কোলাই ও টাইফয়েডের জীবাণু ধ্বংস করার ক্ষমতা আছে। এর রাসায়নিক উপাদানগুলো হলো-Organic sulphide, sulphar bearing amino acid, Essential oil. রসুন পরজীবী ধ্বংস করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, মানসিক চাপ কমায়, শ্বাসকষ্ট সারায়, স্নায়ুবিক সমস্যা রোধ করে এবং যকৃতের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। রসুনে থাকা ডাই-অ্যালাইন সালফাইড ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

    রসুন নিয়ে এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, এর এলিসিন নামক পদার্থটি দেহের ওজন বাড়া প্রতিহত করে। এছাড়া নিউইয়র্ক স্টেট ইউনির্ভাসিটির অধ্যাপক ডক্টর এরিক ব্লক রসুনের মধ্যে কিছু দ্রব্যের সন্ধান পেয়েছেন যা রক্ত জমাট বাঁধা দূর করে।

    সবচেয়ে সক্রিয় এজেন্টটির নাম এজোনাইন। এটি অনুচক্রিকার পিঠের কোষকে এমনভাবে পরিবর্তন করে যে, এগুলো আর আঠালো থাকে না। তাই জমাট বেঁধে পিণ্ডও তৈরি হয় না। এ প্রসঙ্গে ডা. ব্লক বলেন, ‘রসুনের গোটা কোয়া খাওয়াই উত্তম।’ ওষুধের জনক হিপোক্রেটস বলেছেন, বনৌষধির মধ্যে রসুনের স্থানই প্রথম। এটি শরীর ও মনের সার্বিক উন্নতি ঘটায়।

    লেখক : চিফ নিউট্রিশন অফিসার ও বিভাগীয় প্রধান (অব.), বারডেম। সভাপতি, ডায়াবেটিস নিউট্রিশনিস্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশ, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শ্যামলী ও অ্যাডভান্স হাসপাতাল, ঢাকা

    Abo

  • দিপু দাসকে পিটিয়ে হত্যা, সামনে এলো আঁতকে ওঠার মতো তথ্য

    দিপু দাসকে পিটিয়ে হত্যা, সামনে এলো আঁতকে ওঠার মতো তথ্য

    ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে হত্যার আগে চাকরি থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেন কারখানার ফ্লোর ম্যানেজার। এরপর তাকে উত্তেজিত জনতার হাতে তুলে দেওয়া হয়। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ১০ জনের তথ্য সাংবাদিকদের অবহিত করতে গিয়ে র‌্যাব-১৪ এর পরিচালক নাইমুল হাসান এই চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন।

    বিজ্ঞাপন

    এরইমধ্যে পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস বিডি লিমিটেড কোম্পানির ফ্লোর ম্যানেজার আলমগীর হোসেনকে (৩৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার সঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছেন কারখানার কোয়ালিটি ইনচার্জ এবং মিরাজ হোসেন আকন (৪৬)।

    ঘটনার বর্ণনা দিয়ে র‌্যাব কর্মকর্তা নাইমুল হাসান বলেন, ঘটনার সূত্রপাত হয় ৪টার সময়। ফ্যাক্টরির ফ্লোর ইনচার্জ তাকে (দিপুকে) ইস্তফা দিতে বাধ্য করে। ইস্তফা দেওয়ার পর উত্তেজিত জনতার কাছে সে (ফ্লোর ম্যানেজার) হ্যান্ডওভার করে দেয়। পুলিশের কাছে কেন দেয়নি, তার নিরাপত্তা কেন নিশ্চিত করেননি সেজন্য পাইওনিয়ার কারখানার দুজনকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি।

    এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, আমরা বারবার চেষ্টা করেছি, কাকে বলেছে, কী বলেছে, এটা কিন্তু কেউ বলতে পারেনি। আমার মনে হয়, উত্তেজিত জনতা কিংবা পূর্বের কোনো শত্রুতা ছিল কি না, সেটাও তদন্ত করে দেখব। একটা লোককে এই অভিযোগে মেরে ফেলা এবং গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে তাকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা কোনোভাবেই আইনে কভার করে না এবং সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও এটাকে গ্রহণযোগ্য মনে করে না।

    মামলা যেহেতু থানায় হয়েছে, ফলে থানাই এই মামলা তদন্ত করবে। পাশাপাশি র‌্যাবের ‘ছায়া-তদন্তের’ কথাও জানান পরিচালক নাইমুল হাসান।

    বিজ্ঞাপন

    এদিকে, গ্রেপ্তার অন্য আটজন হলেন, তারেক হোসেন (১৯), লিমন সরকার, মানিক মিয়া (২০), এরশাদ আলী (৩৯), নিঝুম উদ্দিন (২০), আজমল হাসান সগীর (২৬), শাহিন মিয়া (১৯) এবং মো. নাজমুল। শেষ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

    র‌্যাব-১৪ এর পরিচালক নাঈমুল হাসান বলেন, এরা কেউ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত না। বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    বিজ্ঞাপন
    এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে ভালুকা উপজেলায় ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে যুবক দিপু চন্দ্র দাসকে (২৮) পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার লাশে আগুন দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক প্রায় দুই ঘণ্টা অবরোধ করে রাখা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং অর্ধপোড়া লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

    এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে দিপুর ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস বাদী হয়ে ভালুকা মডেল থানায় ১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

     

     

  • সুন্দরী বলে গাড়ির মধ্যে আমাকে ৫ বার! পরে আবার চাইতো

    সুন্দরী বলে গাড়ির মধ্যে আমাকে ৫ বার! পরে আবার চাইতো

    রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকাগুলোর মধ্যে ফার্মগেট অন্যতম। দিনে মানুষের ভিড়ে এলাকা সবসময় কর্মচঞ্চল থাকে। তবে রাত গভীর হলে এলাকাটির চিত্র বদলে যায়। অনেক রাতেই সেখানে দেখা যায় বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কার্যকলাপের চেষ্টা ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর আনাগোনা, যা পথচারীদের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করে।
    শনিবার ও রবিবার মধ্যরাতে সরেজমিনে দেখা যায়—রাস্তার ধারে কিছু লোকজন অপেক্ষা করছে খদ্দেরের উদ্দেশ্যে, যার সঙ্গে যুক্ত থাকে বিভিন্ন যানবাহনও। কিছু ক্ষেত্রে পথচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা বা বিরক্ত করার ঘটনাও ঘটে। এতে অনেক সাধারণ মানুষ অস্বস্তিতে পড়েন।
    সোহেল হাসান নামের এক পথচারী জানান, গভীর রাতে চলাফেরা করলে কিছু ব্যক্তির অনাকাঙ্ক্ষিত ইঙ্গিত বা ডাকে তিনি বিব্রত হন। অন্যদিকে নিতু নামে এক যুবতীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়—অর্থনৈতিক কারণে সে সম্প্রতি এই পথে জড়িয়েছে। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরবে।
    এদিকে পুরান ঢাকার লেপ–তোষকের বাজারে শীত আসার আগেই দোকানগুলো লাল কাপড়ে ঢেকে যায়। লেপ বানানোর ক্ষেত্রে লাল কাপড় ব্যবহারের বিষয়টি বহু পুরোনো ঐতিহ্য। একসময় মুর্শিদাবাদে তুলা প্রস্তুত করে সেই তুলা সিল্ক ও মখমলের মাঝখানে ভরা হতো, আর কাপড়ের রং ছিল লাল। পরে দাম কমাতে সাধারণ কাপড় ব্যবহারের চল শুরু হলেও রঙের ঐতিহ্যটি বজায় থাকে।
    ব্যবসায়ীদের মতে, লাল কাপড় দূর থেকেই আকর্ষণীয় দেখায় এবং লেপ সাধারণত ধোয়া হয় না বলে ময়লাও কম বোঝা যায়। তবে কেউ কেউ মনে করেন—ঐতিহ্যের পাশাপাশি ক্রেতার নজর কাড়তেই এ রং বজায় রাখা হয় 

    Comments

  • ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দিপু দাসকে হত্যার আগের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো র‍্যাব

    ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দিপু দাসকে হত্যার আগের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো র‍্যাব

    ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে হত্যার আগে চাকরি থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেন কারখানার ফ্লোর ম্যানেজার। এরপর তাকে উত্তেজিত জনতার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    বিজ্ঞাপন

    শনিবার (২০ ডিসেম্বর) এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ১০ জনের তথ্য সাংবাদিকদের অবহিত করতে গিয়ে র‌্যাব-১৪ এর পরিচালক নাইমুল হাসান এই চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন।

    এরই মধ্যে পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস বিডি লিমিটেড কোম্পানির ফ্লোর ম্যানেজার আলমগীর হোসেনকে (৩৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কারখানার কোয়ালিটি ইনচার্জ এবং মিরাজ হোসেন আকন (৪৬)।

    ঘটনার বর্ণনা দিয়ে র‌্যাব কর্মকর্তা নাইমুল হাসান বলেন, ঘটনার সূত্রপাত হয় ৪টার সময়। ফ্যাক্টরির ফ্লোর ইনচার্জ তাকে (দিপুকে) ইস্তফা দিতে বাধ্য করে। ইস্তফা দেওয়ার পর উত্তেজিত জনতার কাছে সে (ফ্লোর ম্যানেজার) হ্যান্ডওভার করে দেয়। পুলিশের কাছে কেন দেয়নি, তার নিরাপত্তা কেন নিশ্চিত করেননি সেজন্য পাইওনিয়ার কারখানার দুজনকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি।

    এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, আমরা বারবার চেষ্টা করেছি, কাকে বলেছে, কী বলেছে, এটা কিন্তু কেউ বলতে পারেনি। আমার মনে হয়, উত্তেজিত জনতা কিংবা পূর্বের কোনো শত্রুতা ছিল কিনা সেটাও তদন্ত করে দেখব। একটা লোককে এই অভিযোগে মেরে ফেলা এবং গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে তাকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা কোনোভাবেই আইনে কভার করে না এবং সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও এটাকে গ্রহণযোগ্য মনে করে না।

    বিজ্ঞাপন

    মামলা যেহেতু থানায় হয়েছে, ফলে থানাই এই মামলা তদন্ত করবে। পাশাপাশি র‌্যাবের ‘ছায়া-তদন্তের’ কথাও জানান পরিচালক নাইমুল হাসান।

    আরও পড়ুন

    দিপু দাসকে পিটিয়ে হত্যা, সামনে এলো আঁতকে ওঠার মতো তথ্য
    গ্রেপ্তার অন্য আটজন- তারেক হোসেন (১৯), লিমন সরকার, মানিক মিয়া (২০), এরশাদ আলী (৩৯), নিঝুম উদ্দিন (২০), আজমল হাসান সগীর (২৬), শাহিন মিয়া (১৯) এবং মো. নাজমুল। শেষ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

    র‌্যাব-১৪ এর পরিচালক নাঈমুল হাসান বলেন, এরা কেউ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত না। বাকি আসামিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

    এর আগে, গত বৃহস্পতিবার রাতে ভালুকা উপজেলায় ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে যুবক দিপু চন্দ্র দাসকে (২৮) পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার লাশে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক প্রায় দুই ঘণ্টা অবরোধ করে রাখা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং অর্ধপোড়া লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

    এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে দিপুর ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস বাদী হয়ে ভালুকা মডেল থানায় ১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা করেন।আতিফ আসলামের স্থগিত কনসার্ট নিয়ে সুখবর