• সম্পর্কের পর থেকে দিনে ৫ বার দিত, ভিডিও করতো প্রেমিক

    সম্পর্কের পর থেকে দিনে ৫ বার দিত, ভিডিও করতো প্রেমিক

    বান্দরবান থেকে আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটের সঙ্গে যুক্ত থেকে অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারের অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
    সিআইডি সূত্রে ওই নারীর জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে পাওয়া যায় আলোচিত ওই নারী মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার বাসিন্দা।
    ‎এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে হরিরামপুরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে একাধিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় হরিরামপুর উপজেলার বয়রা ইউনিয়নের জনৈক এক ব্যক্তির সঙ্গে। ওই ‎স্বামী মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
    বিয়ের প্রায় দুই বছর পরে প্রথম স্বামীকে ডিভোর্স দেয়। পরে ১ লাখ টাকা নিয়ে অন্য আরেকটি ছেলের সঙ্গে চট্টগ্রাম চলে যায়। তারপর ওই নারী ফরিদপুরে নানির কাছে আসেন। সেখানে কিছুদিন থাকার পরেই সে আবার লাপাত্তা হয়ে যায়। আর কোনো দিন এ অঞ্চলে তাকে দেখতে পায়নি এলাকাবাসী।
    ‎উপজেলার বয়ড়া ইউনিয়নের ট্রলার চালক হাশেম মাঝি জানান, আজ থেকে আট বছর আগে এ নারীর ডির্ভোস হয়। ওই সময় কাবিনের বাবদ ১ লাখ টাকা নিয়ে গেলেও তার স্বামীর প্রায় ৫ লাখ টাকা নষ্ট করে। ওই নারীর কারণে প্রথম স্বামী নিঃস্ব হয়ে যায়। তারপর থেকে আমরা আর ওই মেয়ে এলাকায় দেখিনি। সোমবার সংবাদ প্রকাশের পর তাকে চিনতে পারি।
    ‎তবে স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, ওই নারীর বাবা এখনো দুর্গম চরাঞ্চল লেছড়াগঞ্জে বসবাস করেন। তিনি পেশায় একজন জেলে।
    দুর্গম এলাকায় বসবাস করায় ওই নারীর বাবার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
    এর আগে তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে বসেই আন্তর্জাতিক প্রাপ্তবয়স্ক কনটেন্ট প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় থাকার অভিযোগ ওঠে। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের ‘মডেল’ বলে পরিচয় দিতেন। তারা বিশ্বের অন্যতম বড় ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করে আলোচনায় আসেন।
    গবেষণামূলক অনুসন্ধানভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম দ্য ডিসেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই যুগল ২০২৪ সালের মে মাস থেকে অনলাইনে সক্রিয় হন। এক বছরের মধ্যে তারা শতাধিক ভিডিও প্রকাশ করে বিপুল দর্শক ও অনুসারী অর্জন করেন।
    প্রতিবেদনে বলা হয়, যুগলটি শুধু একটি ওয়েবসাইটেই নয়, কয়েকটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও কনটেন্ট প্রকাশ করছেন। সেসঙ্গে টেলিগ্রাম, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামেও নিজেদের কার্যক্রম প্রচার করছেন। ২০২৪ সালের মে মাসে তাদের নামে একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল খোলা হয়, যেখানে কয়েক হাজার সদস্য রয়েছেন। সেখানে নতুন ভিডিওর লিংক ও তাদের আয়ের স্ক্রিনশট শেয়ার করা হয়।
    অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, তরুণদের এই ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত হওয়ার প্রলোভন দেখানো হতো। কিছু অনলাইন পোস্টে দেখা গেছে, ‘নতুন ক্রিয়েটর যুক্ত করুন, অর্থ উপার্জনের সুযোগ পান’— এমন বার্তা দেওয়া হচ্ছে।

  • মেয়েদের শরীরের কোন অঙ্গটি সবসময় তরুণ থাকে

    মেয়েদের শরীরের কোন অঙ্গটি সবসময় তরুণ থাকে

    দেশে সারাবছর একাধিক পরীক্ষা হয়। তবে এই প্রতিযোগীমূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে তারাই পারেন যারা নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন। লিখিত পরীক্ষায় অনেকে পাস করলেও ইন্টারভিউতে বেশিরভাগই ব্যর্থ হন।

    আসলে যারা ইন্টারভিউ নেন তারা ওই প্রার্থীদের উপস্থিত বুদ্ধি যাচাইয়ের জন্য এমন কিছু প্রশ্ন করেন যা শুনে তারা ঘাবড়ে যান। তবে আপনিও যদি একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করেন তাহলে উত্তর দিতে পারবেন। যাইহোক, এই প্রতিবেদনে তেমনই কিছু অজানা প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আসা হলো।

    ১) প্রশ্নঃ কোন জিনিসটা আমরা দু’বার বিনামূল্যে পাই কিন্তু তিনবারের জন্য টাকা লাগে?
    উত্তরঃ আসলে দাঁত আমরা দুবার পাই কিন্তু এরপর দাঁতের জন্য টাকা লাগে।

    ২) প্রশ্নঃ ভারতের ইলেকট্রনিক শহর কাকে বলা হয়?
    উত্তরঃ বেঙ্গালুরুকে ভারতের ইলেক্ট্রনিক শহর বলা হয়।

    ৩) প্রশ্নঃ ভারতের জনগণনা কত বছর পর পর হয়?
    উত্তরঃ ১০ বছর অন্তর। সর্বশেষ ২০১১ সালে হয়েছিল। ২০২১ সালে হবার কথা থাকলেও মহামারীর জন্য জনগণনা বাতিল হয়েছিল।

    ৪) প্রশ্নঃ কোন দেশের বেকার ইঞ্জিনিয়ারদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
    উত্তরঃ ভারতবর্ষে।

    ৫) প্রশ্নঃ পৃথিবীর সবথেকে পুরাতন গাছটির বয়স কত?
    উত্তরঃ ৫০০০ বছরের বেশি, যা ক্যালিফোর্নিয়াতে রয়েছে।

    ৬) প্রশ্নঃ বিশ্বের প্রথম কোন দেশ রকেট তৈরি করেছিল?
    উত্তরঃ রাশিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ যারা রকেট আবিষ্কার করে।

    ৭) প্রশ্নঃ উত্তম কুমারের প্রথম বাংলা সিনেমা কোনটি?
    উত্তরঃ দৃষ্টিদান (১৯৪৮ সাল)।

    ৮) প্রশ্নঃ রাবণ নামটি কোন দেবতার দেওয়া?
    উত্তরঃ মহাদেব রাবণের নামকরণ করেছিলেন।

    ৯) প্রশ্নঃ মানুষের মুখ থেকে পেট পর্যন্ত খাবার যেতে কত সময় লাগে?
    উত্তরঃ মাত্র ৭ সেকেণ্ড।

    ১০) প্রশ্নঃ মেয়েদের শরীরের কোন অঙ্গটি সবসময় তরুণ থাকে?
    উত্তরঃ আসলে চোখ এমন একটি অঙ্গ, যা শৈশব থেকে বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত এটি বৃদ্ধি পায় না (বিভ্রান্ত করার জন্য প্রশ্নের মধ্যে মেয়ের প্রসঙ্গ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়)।

  • সিজারে বাচ্চা নেওয়ার অপর নাম নীরব মৃত্যু (মিস করবেন না স্বামী স্ত্রী দুজনেই পড়ুন)

    সিজারে বাচ্চা নেওয়ার অপর নাম নীরব মৃত্যু (মিস করবেন না স্বামী স্ত্রী দুজনেই পড়ুন)

    সিজারে বাচ্চা নেওয়ার – এক নার্স (সেবীকা)হলি ক্রস মেডিক্যালএর চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন ! গত মাসে তার ফুটফুটে পুত্র সন্তান হয় । আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম সিজারে অনেক বাচ্চা ই তো পৃথিবীতে নিয়ে আসলি অপারেশন করে , এখন তোর সিজার কোন চিকিৎসক করবে ?

    উত্তরে জানায় ,নরমাল ডেলিভারি ‘র জন্য প্রিপারেসন নেওয়া হয়েছে । কারন ! সিজারে বাচ্চা হলে একজন নারী ২য় ,৩য় বার পুনরায় মা হতে গেলে ঝুকি থাকে ৯০.৭ % । অনেক সময়েই বাচ্চার শরীর ছুরি , কাচি লেগে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতি হয় যা আমাদের দেশের চিকিৎসক গন কাউকেই বলেন না ! অর্থের লোভে প্রত্যেক গর্ভবতী মা কে মেডিক্যাল চেকাপ এর আগে থেকে ই বলে রাখা হয় সিজারে বাচ্চা নিতে হবে অন্যথায় ! মৃত্যু ঝুঁকির ভয় দেখানো হয় । জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিসয়ক সংস্থা WHO জানিয়েছে একটি দেশে ‘র ১৫% মেয়ে যদি একান্তে ই না পারে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া তে বাচ্চা নিতে , সে ক্ষেত্রে সিজার করাতে হবে ।

    আমার দেশে বর্তমান সিজারে বাচ্চা হচ্ছে সে অনুপাতে ৯৭.৩% যা নারী স্বাস্থ্য’র জন্য ঝুঁকিপূর্ণ । এই সিজারে বাচ্চা নিতে গেলে যেমন মা মারা যায় বেশীরভাগ সময় তেমনি ক্ষতি হয় নব জন্ম নেওয়া শিশুটির । সিজারে হওয়া বাচ্চা অনেক বেশী অসুস্থ থাকে একটু খেয়াল করে দেখবেন, যা নরমালে হওয়া বাচ্চাদের হয় না খুব একটা । প্রতি বছর সিজারে বাচ্চা হতে গিয়ে মারা যায় আমাদের দেশে ২৭.৯% মা ,শিশু ।

    এই ছারাও সিজার অপারেশনে রোগীর জন্য রক্ত চাওয়া হয় অনেক সময় ই ১০-১৫ ব্যাগ , যার মধ্যে বড় জোর ২ ব্যাগ রক্ত কাজে লাগিয়ে অন্যগুলো বিক্রি করা হয় । সামাজিক স্ট্যাটাস হয়ে গেছে এখন সিজারে বাচ্চা নেওয়া ! যা বর্তমান নারী দেহ কে ধ্বংস করে দিচ্ছে নীরবে, চিকিৎসকরা সবই জানেন , বুঝেন কিন্তু হাঁসপাতালের মালিক দের খুশী রাখতে এবং নিজেদের অর্থনীতি কে শক্তিশালী করতে তারা করেন নারীর পেট কাঁটা বিজনেস ।

    figure>

    পোষ্টটা কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন৷ T= (Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।
  • আপনার হাতে যদি M চিহ্ন থাকে তাহলে যা আছে ভাগ্যে

    আপনার হাতে যদি M চিহ্ন থাকে তাহলে যা আছে ভাগ্যে

    হাতের তালুতে ‘M’ চিহ্ন থাকলে জ্যোতিষশাস্ত্র মতে আপনি অত্যন্ত ভাগ্যবান এবং বিশেষ ব্যক্তিত্বের অধিকারী, যা হৃদয়, ভাগ্য ও আয়ু রেখার সমন্বয়ে তৈরি হয়; এটি জীবনে সৌভাগ্য, নেতৃত্ব, অন্তর্দৃষ্টি, পরিবর্তন ও শক্তিশালী আধ্যাತ್ಮিকতার ইঙ্গিত দেয়, বিশেষ করে পুরুষদের ক্ষেত্রে এটি প্রতিশ্রুতি ও সংবেদনশীলতার চিহ্ন।
    ‘M’ চিহ্নের তাৎপর্য:
    ** সৌভাগ্য ও নেতৃত্ব:** এটি একটি শুভ লক্ষণ, যা জীবনে প্রচুর সৌভাগ্য, সাফল্য ও নেতৃত্ব ক্ষমতা নির্দেশ করে।
    পরিবর্তন ও রূপান্তর: এই চিহ্নটি জীবনের বড় পরিবর্তন এবং সেই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠার ইঙ্গিত দেয়।
    অন্তর্দৃষ্টি ও সংবেদনশীলতা: যাদের হাতে এই চিহ্ন থাকে, তারা সাধারণত শক্তিশালী অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন ও অনুভূতিপ্রবণ হন।
    পুরুষদের জন্য: পুরুষদের হাতে থাকলে তারা অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ও সংবেদনশীল হন।
    গঠন: এটি হৃদয়রেখা, মস্তিষ্করেখা (শীর্ষরেখা) এবং জীবনরেখার সমন্বয়ে গঠিত একটি আকৃতি।
    সংক্ষেপে:
    যদি আপনার হাতে স্পষ্ট ‘M’ চিহ্ন থাকে, তবে আপনি একজন বিশেষ মানুষ, যিনি জীবনের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে জীবনে সফলতা ও সমৃদ্ধি লাভ করতে পারেন