• হাসিনা বাদ! আ’লীগের নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই নেতা, জেনে নিন তাদের নাম

    হাসিনা বাদ! আ’লীগের নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই নেতা, জেনে নিন তাদের নাম

    বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে এবার ভারতে গোপন বৈঠক করেছে আওয়ামী লীগের পলাতক নেতারা।আর এই অস্থিতিশীল করার জন্য করা হয়েছে কমিটি জে কমিটির প্রধান জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং বাহাউদ্দিন নাসি. হাসিনাকে বাদ দেওয়া হয় গত ১৫ই জানুয়ারি এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও জানা গেছে, সম্প্রতি।

    আল জাজিরার অনুসন্ধানে সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের এক ফেসবুক পোস্টে এ কথা জানানো হয়েছে। বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বৈঠকের কথা জানান তিনি।জুলকারনাইন সায়ের জানান, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান এবং পরবর্তী সহিংসতায় যুক্ত হওয়া শীর্ষ নেতাদের নিয়ে আওয়ামী লীগের একটি গোপন বৈঠক গত ১৫ জানুয়ারি কলকাতার পার্ক হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটিতে শুধু আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারাই নয়, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক এবং বর্তমান নেতাদেরও উপস্থিতি দেখা গেছে।বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতাদের মধ্যে ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, অসীম কুমার উকিল, যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাদ্দাম হোসেন, আল নাহিয়ান খান জয়, গোলাম রাব্বানী, লেখক ভট্টাচার্য, শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান, সিদ্দিকী,নাজমুল আলম।

    এছাড়া বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মেহের আফরোজ শাওন এবং চিত্রনায়িকা সোহানা সাবা। গোপনে বৈঠকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার উদ্দেশ্যে দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয় এবং দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বৈঠকে জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং বাহাউদ্দিন নাসিমকে নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ করে আন্দোলন ও ধ্বংসাত্মক কাজের সমন্বয়কের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে তবে হাসিনাকে এখানে কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নায় । ছাত্রলীগ নেতা হাসিনার ড্রাইভারের ছেলে মোহাম্মদ রুবেলকে গণভবন কোয়ার্টার, আদাবর প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ ও সেনা কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।হাজারিবাগ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মৃত তোরাব আলীর ছেলে লিটন সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে নেপাল ভ্রমণে গিয়ে সেখান থেকে কলকাতা গিয়ে বৈঠকে অংশ নেন।

    তাকে দেশে এসে হাজারিবাগ, ধানমণ্ডিসহ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে নাশকতার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নানকের কথিত ছেলে মোহাম্মদপুর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তারেকুজ্জামান রাজীব এবং সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাগ্নে আসিফকে মোহাম্মদপুর ও আশপাশ এলাকার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। সাবেক এমপি যুবলীগের মোহাম্মদ মাইনুল হোসেন খান নিখিলকে পুরান ঢাকা চাঁনখারপুল উত্তরাসহ সমগ্র ঢাকায় নাশকতা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে তার লোকজন দিয়ে, মগবাজার, গুলিস্তান, তেজগাঁও, বাড্ডা এবং বনশ্রী এলাকায় নাশকতার সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।সাবেক এমপি ওয়াখিল উদ্দিনের লোকজনকে দিয়ে বাড্ডা ও ভাটারা এলাকায় নাশকতা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু কে বনানী মিরপুর এলাকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আলো আসবে গ্রুপের অ্যাডমিন চিত্রনায়িকা সুহানা সাবাকে, ভারতীয় কূটনীতিক ও বিভিন্ন লোকজনের সাথে যোগাযোগ রক্ষা, অভিনেত্রী গায়িকা মেহের আফরোজ শাওন কে সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

  • ধেঁয়ে আসছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ কনকন

    ধেঁয়ে আসছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ কনকন

    শীতের হিমেল হাওয়ার সঙ্গে ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে প্রকৃতি। এরই মধ্যে দেশজুড়ে নতুন করে ধেঁয়ে আসছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ‘কনকন’

    শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) এক বিশেষ বার্তায় এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছে।

    বিডব্লিউওটি-র পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই শৈত্যপ্রবাহটি ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারি অথবা ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। বিশেষ করে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে এর তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কোথায় কেমন প্রভাব পড়বে: রাজশাহী ও খুলনা বিভাগ ছাড়াও রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে এই শৈত্যপ্রবাহ বেশ সক্রিয় থাকবে। এছাড়া গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতেও শীতের দাপট বাড়বে। তবে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় এর প্রভাব তুলনামূলক কম থাকতে পারে। অন্যদিকে ঢাকা শহর ও উপকূলীয় এলাকায় কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হলেও সেখানে শৈত্যপ্রবাহের সরাসরি প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম।

    তাপমাত্রা: শৈত্যপ্রবাহ চলাকালে চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী ও পাবনাসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রামসহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে তাপমাত্রা ৭ থেকে ৯ ডিগ্রির মধ্যে থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিলেট, কুমিল্লা ও কিশোরগঞ্জসহ দেশের কিছু অংশে তাপমাত্রা ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে নামতে পারে।

    কুয়াশা ও রোদের আবহাওয়া: শৈত্যপ্রবাহ শুরুর প্রথম দুই-তিন দিন দেশজুড়ে ঘন কুয়াশার দাপট বেশি থাকবে। তবে পরবর্তীতে কুয়াশা কিছুটা কমলে দিনের বেলায় রোদের দেখা মিলতে পারে। নদী অববাহিকায় ঘন কুয়াশা থাকলেও রাতে কনকনে শীতের তীব্রতা অব্যাহত থাকবে। ঢাকা শহর ও উপকূলীয় এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে।

    গুগল ডিসকভার ও সার্চ র‍্যাঙ্কিংয়ের জন্য ৮টি হাই-সার্চ ট্যাগ (কমা দিয়ে): শৈত্যপ্রবাহ কনকন ২০২৬, আজকের আবহাওয়ার খবর, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কত, কুয়াশাবেল্ট সতর্কতা, বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম, তীব্র শীতের পূর্বাভাস, রাজশাহী ও খুলনায় শৈত্যপ্রবাহ, আবহাওয়া আপডেট ডিসেম্বর ২০২৫।

  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক জানালেন খালেদা জিয়ার বর্তমান অবস্থা

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক জানালেন খালেদা জিয়ার বর্তমান অবস্থা

    : রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত। তবে তাকে দেওয়া চিকিৎসা তিনি গ্রহণ করতে পারছেন বলে জানা গেছে।

    চিকিৎসকদের সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে, এসময়ে মধ্যে তাকে দেওয়া মেডিসিন তার শরীর গ্রহণ করতে পারবেন। যেটাকে পরোক্ষভাবে উন্নতিও বলা যায়। চিকিৎসকদের আশা, নতুন করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি না হলে তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন।

    ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট কিনুন

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একজন চিকিৎসক বলেন, “গত কয়েক দিন ম্যাডামের স্বাস্থ্যের অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে, তিন মেডিসিন গ্রহণ করতে পারছেন। এটাকে পরোক্ষভাবে উন্নতিও বলা যেতে পারে। চিকিৎসকরা আশাবাদী।”

    আরও দেখুন
    চিকিৎসক
    ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট কিনুন
    স্বাস্থ্য
    স্বাস্থ্যের
    চিকিৎসার
    চিকিৎসায়
    চিকিৎসা
    চিকিৎসকদের
    শিক্ষা উপকরণ
    মোবাইল ফোন

    বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, “ভালো-মন্দ মিলিয়ে ম্যাডাম আগের মতই আছেন।”

    বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, মেডিক্যাল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে ম্যাডামের চিকিৎসা চলছে। আগে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমান লন্ডন থেকে ম্যাডামের চিকিৎসার সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর নিতেন। এখন তিনি দেশে এসে হাসপাতালে গিয়ে মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সশরীরে নিবিড়ভাবে কাছ থেকে ম্যাডামের চিকিৎসা দেখভাল করছেন।

     

     

    তিনি আরও বলেন, অতীতের দুঃসময়ে অনেক বাধা সত্ত্বেও মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকরা ম্যাডামের চিকিৎসা করেছিলেন, তারাই এখনও দিনরাত পরিশ্রম করে ওনার চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন। কোনো গুজবে কান না দিয়ে ম্যাডামের শারীরিক অবস্থার উন্নতির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।

    আরও দেখুন
    স্বাস্থ্য
    ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট কিনুন
    স্বাস্থ্যের
    চিকিৎসক
    চিকিৎসকদের
    চিকিৎসায়
    চিকিৎসা
    চিকিৎসার
    এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদন
    বিনোদন খবর

    এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন নেওয়ার বিষয়টি এখন চূড়ান্ত হয়নি বলেও জানা গেছে। এর আগে বিএনপির পক্ষ থেকে প্রথমে ৫ ডিসেম্বর পরে ৭ ডিসেম্বর তাকে লন্ডন নেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু গতকাল শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়- খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত আছে। তবে, তার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়টি নির্ভর করছে তার শারীরিক অবস্থার অর্থাৎ দীর্ঘ যাত্রার ধকল নিতে শারীরিকভাবে উপযোগী কি না, সেটার ওপর।

    গতকাল খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ‘বিদেশে যাওয়ার ব্যাপারে আমাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে। যখনই উনাকে বিদেশ নেওয়ার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড যথোপযুক্তভাবে তৈরি মনে করবে, শারীরিকভাবে মনে হবে যে উনাকে সেফলি ট্রান্সফার করা যাবে—তখনই ফ্লাই করবেন।’

    আরও দেখুন
    চিকিৎসায়
    চিকিৎসার
    স্বাস্থ্যের
    ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট কিনুন
    স্বাস্থ্য
    চিকিৎসা
    চিকিৎসক
    চিকিৎসকদের
    সংবাদ অনুসরণ
    রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    জাহিদ হোসেন আরও বলেন, ‘ওই সময়ে (শুক্রবার) এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কারিগরি সমস্যার কারণে আসতে পারেনি, এটাও যেমন সত্য; আবার ওই সময়ে জরুরিভাবে মেডিক্যাল বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে ওই মুহূর্তে তার বিমানযাত্রা সঠিক হবে না। সে জন্য তাকে বিদেশ নেওয়ার বিষয়টি কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হয়তো শারীরিক অবস্থাই বলে দেবে তাকে কখন বিদেশে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া যাবে।’

    রোবার (৭ ডিসেম্বর) বেলা ১২টার দিকে খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এবি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার বিষয়ে এখন ফাইনাল কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

    আরও দেখুন
    চিকিৎসায়
    চিকিৎসক
    চিকিৎসকদের
    চিকিৎসা
    স্বাস্থ্য
    স্বাস্থ্যের
    ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট কিনুন
    চিকিৎসার
    মোবাইল ফোন পরিষেবা
    জাতীয় সংবাদ

    গত ২৩ নভেম্বর থেকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন খালেদা জিয়া। ২৭ নভেম্বর তার অবস্থা সংকটাপন্ন হলে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে নিয়ে নিবিড় চিকিৎসা দিচ্ছে মেডিক্যাল বোর্ড। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার পর দেশের চিকিৎসক টিমের সাথে যুক্ত হন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চিকিৎসকরা।

    ৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, কিডনি, ডায়াবেটিস ও আর্থ্রাইটিসের মতো নানা জটিলতায় ভুগছেন।

  • যেসব কারণে শীতে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে,না জানলেই বিপদ

    যেসব কারণে শীতে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে,না জানলেই বিপদ

    শীতকাল মানেই লেপ-কম্বলের উষ্ণতা। তবে এ পরিবেশের আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে এক নীরব ঘাতক— ব্রেন স্ট্রোক। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে স্ট্রোকের (Brain Stroke) প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। বয়স্ক এবং উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও প্রবল। প্রশ্ন হল, ঠান্ডা আবহাওয়া কেন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়?

    শীতে স্ট্রোক বাড়ার প্রধান কারণসমূহ

    বিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে শীতকালে শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার পেছনে বেশ কিছু জোরালো কারণ রয়েছে:

    রক্তনালীর সংকোচন (Vasoconstriction): শীতের ঠান্ডার সঙ্গে মানিয়ে নিতে শরীর তার তাপমাত্রা ধরে রাখার চেষ্টা করে। এর ফলে রক্তনালীগুলো সংকুচিত হয়ে যায়। রক্তনালী সরু হয়ে যাওয়ার কারণে রক্তের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় এবং রক্তচাপ (Blood Pressure) দ্রুত বেড়ে যায়। এ অতিরিক্ত রক্তচাপের চাপে মস্তিষ্কের সরু ধমনী ফেটে যেতে পারে অথবা রক্ত জমাট বাঁধতে পারে।

    রক্তের ঘনত্ব বৃদ্ধি: ঠান্ডা আবহাওয়ায় মানুষের রক্ত কিছুটা ঘন বা চটচটে হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় রক্তের ‘সান্দ্রতা’ বৃদ্ধি। রক্ত ঘন হয়ে গেলে ধমনীর ভেতরে ক্লট বা চাকা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়, যা মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

    শারীরিক পরিশ্রমের অভাব: শীতকালে অলসতা বা ঠান্ডার কারণে মানুষের শারীরিক পরিশ্রম এবং ব্যায়ামের মাত্রা কমে যায়। এর ফলে শরীরের বিপাকীয় হার কমে এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা পরোক্ষভাবে স্ট্রোকের জন্য দায়ী।

    ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা: শীতকালে তৃষ্ণা কম পাওয়ার কারণে অনেকেই পর্যাপ্ত পানি পান করেন না। শরীরে জলের অভাব ঘটলে রক্ত আরও ঘন হয়ে যায় এবং রক্তচাপের ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়।

    লবণের ব্যবহার বৃদ্ধি: শীতকালীন বিভিন্ন মুখরোচক খাবারে লবণের ব্যবহার বেশি হয়। অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীরে পানি ধরে রাখে এবং রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়, যা স্ট্রোকের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।

    স্ট্রোকের আগাম লক্ষণ (FAST পদ্ধতি): স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে এর লক্ষণগুলো দ্রুত চেনা জরুরি। চিকিৎসকরা একে FAST পদ্ধতির মাধ্যমে মনে রাখার পরামর্শ দেন:

    F (Face): মুখ একদিকে বেঁকে যাওয়া বা হাসতে গেলে অসামঞ্জস্য দেখা দেওয়া।

    A (Arms): হাত অবশ হয়ে আসা বা হাত উপরে তুলতে সমস্যা হওয়া।

    S (Speech): কথা জড়িয়ে যাওয়া বা স্পষ্ট করে কথা বলতে না পারা।

    T (Time): এই লক্ষণগুলো দেখা মাত্র সময় নষ্ট না করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া।

    স্ট্রোক থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়

    পর্যাপ্ত উষ্ণতা: শরীরকে সবসময় গরম রাখার চেষ্টা করুন, বিশেষ করে মাথা এবং কান ঢেকে রাখুন।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত রক্তচাপ মাপুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করুন।

    হালকা ব্যায়াম: ঘরের ভেতরেই নিয়মিত হালকা যোগব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি বজায় রাখুন।

    সঠিক খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

    মনে রাখুন

    শীতকাল মানেই কেবল উৎসব নয়, এটি শরীরের প্রতি বাড়তি যত্ন নেওয়ার সময়। সামান্য অসাবধানতা জীবনঘাতী হতে পারে। বিশেষ করে যারা আগে থেকেই উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগে ভুগছেন, তাদের জন্য শীতের প্রতিটি দিন সতর্ক থাকা জরুরি।