• পেঁপে বীজ খাওয়ার আশ্চর্যজনক ৬ স্বাস্থ্য উপকারিতা, রইল খাওয়ার নিয়ম

    পেঁপে বীজ খাওয়ার আশ্চর্যজনক ৬ স্বাস্থ্য উপকারিতা, রইল খাওয়ার নিয়ম

    আধ-পাকা বা পাকা পেঁপে সাধারণত মিষ্টি স্বাদের হয়ে থাকে। এমন উজ্জ্বল কমলা রঙের পেঁপে থাকলে তা না খেয়ে থাকা মুশকিল। গ্রীষ্ম-বর্ষা বা শীত, যে মৌসুমই হোক না কেন, পাকা পেঁপের স্বাদই অন্যরকম হয়ে থাকে। কেউ কেউ আবার খাদ্যতালিকার নিয়মিত অংশ করে ফেলেন এই পেঁপেকে।

    পেঁপের রকমারি উপকারিতার বিষয় সবার জানা থাকায় এটি নিয়মিত খাওয়া হয়। খেয়াল করলে দেখবেন, পেঁপে কাটার সময় এর বীজগুলো ফেলে দেয়া হয়। কিন্তু জানেন কি, এর বীজের স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। এ ব্যাপারে  একটি প্রতিবেদনে পেঁপে বীজের স্বাস্থ্য উপকারিতা তুলে ধরেছে। সেসব তাহলে জেনে নেয়া যাক-

    পেঁপে বীজ কি সত্যিই স্বাস্থ্যকর:
    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বিধি চাওলা বলেন, সাধারণত পেঁপে বীজ ফেলে দেয়া হয় বা উপেক্ষা করা হয়। তবে এসব অত্যন্ত পুষ্টিকর, এতে ফাইবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি ও প্রোটিন রয়েছে। পাশাপাশি জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে। এসব অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, বিশেষ করে পলিফেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েড, যা স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সহায়তা করতে পারে।

    ১. ওজন কমাতে সহযোগী পেঁপে বীজ:
    আপনি যদি স্বাস্থ্য কমানোর চেষ্টা করেন, তাহলে পেঁপে বীজ খাদ্যতালিকার অংশ করতে পারেন। বীজগুলো খাদ্যতালিকার ফাইবারের একটি সমৃদ্ধ উৎস, যা হজমে সহায়তা করে। এসব পেট ফাঁপা রোধ করে এবং নিয়মিত মলত্যাগের গতি বৃদ্ধি করে পাচনতন্ত্রকে সুষ্ঠুভাবে সচল রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া পেঁপের বীজে থাকা ফাইবার আপনাকে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা বোধ করতে সহায়তা করতে পারে। এতে লোভনীয় খাবার প্রতিরোধ করা ও ক্যালোরি গ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।

    গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁপের বীজ খাওয়া হলে ফাইবারযুক্ত খাবার স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখার সঙ্গে সম্পর্কিত। এ জন্য স্বাস্থ্য কমাতে পেঁপের বীজ খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা বুদ্ধিমানের কাজ।

    ২. অন্ত্রের স্বাস্থ্যে অবদান:
    অন্ত্রের স্বাস্থ্যের কথা উল্লেখ না করে স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়ে কিছু বলা যায় না। অন্ত্রে অসংখ্য অণুজীব রয়েছে, যা সামগ্রিক সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পেঁপের বীজে কার্পেইন নামক সক্রিয় যৌগ থাকে, যা ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ও অন্ত্রের কৃমি দূর করার ক্ষমতার জন্য পরিচিত। অন্ত্রের সামগ্রিক উন্নতি করে এবং সুষম মাইক্রোবায়োম তৈরি করে কোষ্ঠ্যকাঠিন্য কমাতে ও হজমের সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে এই বীজ।

    ৩. কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ:
    হৃদরোগের স্বাস্থ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খাবারের সময় কী খাওয়া হলো, তা কোলেস্টেরলের মাত্রার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। এ ক্ষেত্রে পেঁপের বীজ অত্যন্ত উপকারী। এই বীজ ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) কমাতে সহায়তা করে এবং ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া ওলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ হওয়ায় বীজগুলো লিপিড প্রোফাইলকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। খাদ্যতালিকায় এক টেবিল চামচ পেঁপের বীজ অন্তর্ভুক্ত করা স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখার সহজ কার্যকর উপায় হতে পারে।

    ৪. ক্যানসার প্রতিরোধী:
    প্রচলিত রয়েছে―একটি আপেল ডাক্তারকে দূরে রাখে। তবে ক্যানসার প্রতিরোধের ক্ষেত্রে পেঁপে বীজ শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে। এসবে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে, যা কোষের ক্ষতি করতে পারে। জার্নাল অব ক্যানসার মেটাস্ট্যাসিস অ্যান্ড ট্রিটমেন্টে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁপে বীজের পলিফেনল শরীরকে বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার থেকে রক্ষা করতে পারে। তাদের প্রতিরক্ষামূলক বৈশিষ্টগুলো কাজে লাগানোর জন্য পাঁচ থেকে ছয়টি বীজ পিষে খাবারে বা রসে মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন।

    ৫. প্রাকৃতিকভাবে প্রদাহ প্রশমিত করে:
    দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহে ভুগলে যেমন- আর্থ্রাইটিস, জয়েন্টে ব্যথা বা বাত ব্যথা কিংবা অন্য কোনো প্রদাহজনিত রোগ থাকলে পেঁপে বীজ প্রাকৃতিক প্রতিকার হতে পারে। এই বীজ ভিটামিন সি এবং অন্যান্য প্রদাহবিরোধী যৌগ সমৃদ্ধ। পুষ্টি উপাদানগুলো প্রদাহ কমাতে এবং জয়েন্টের স্বাস্থ্য ভালো করতে কাজ করে। এ জন্য শুধু ওষুধের ওপর নির্ভর না করে খাদ্যতালিকায় পেঁপে বীজ অন্তর্ভুক্ত করলে প্রদাহ রোধে উপকার পেতে পারেন।

     

    ৬. নারীদের মাসিক চক্রের সমস্যায়:
    অনেক নারীদের ক্ষেত্রে মাসিক চক্রের সমস্যা অস্বস্তি ও ব্যথার কারণ হতে পারে। এ সমস্যায় পেঁপের বীজ প্রাকৃতিক সমাধান হতে পারে। পেঁপে বীজ ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ, যা ইস্ট্রোজেন উৎপাদনকে প্রভাবিত করতে পারে। ফলে বীজগুলো নারীদের মাসিক চক্র নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। তবে উপাখ্যানমূলক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব মাসিকের ব্যথা কমাতে পারে। যদিও এ ক্ষেত্রে প্রমাণভিত্তিক পরিপূরক ও বিকল্প চিকিৎসার ওপর অধিকতর বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রয়োজন।

    পেঁপে বীজ খাওয়ার সঠিক উপায়:
    পেঁপে বীজের অসংখ্য উপকারিতা জানা থাকলেও হয়তো ভাবছেন, কীভাবে খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করবেন। এটি বহুমুখী বলা যায়। এই বীজ শুকিয়ে পিষে সালাদে ছিটিয়ে দিতে পারেন, চাইলে স্মুদিদে মিশিয়ে দিতে পারেন বা দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। অপ্রত্যাশিত স্বাস্থ্যকর প্রভাবের জন্য সস বা ডিপের সঙ্গে মিশিয়েও খাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। তবে পরিমিত পরিমাণ খেতে হবে, দিনে এক টেবিল চামচ পরিমাণ খাওয়া ভালো। অতিরিক্ত খেলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

  • খালেদা জিয়ার অবস্থা নিয়ে এইমাত্র যে খবর দিলেন ডা. জাহিদ

    খালেদা জিয়ার অবস্থা নিয়ে এইমাত্র যে খবর দিলেন ডা. জাহিদ

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা.এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত জটিল। তিনি সংকটময় মুহূর্ত পার করছেন।

    শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা বলেন তিনি।

    এর আগে, রাতে খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। মায়ের শয্যাপাশে তারা দীর্ঘ সময় ছিলেন বলেও জানান ডা. জাহিদ।

    আরও পড়ুনঃ  ১৪ বছর পর বাসায় ফিরে প্রিয়তমা স্ত্রীর সাক্ষাৎ পাবেন না আজহার ভাই: সিরাজুল ইসলাম

    তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবেই উনার (খালেদা জিয়া) অবস্থার উন্নতি হয়েছে, এ কথা বলা যাবে না।… উনার (খালেদা জিয়া) অবস্থা অত্যন্ত জটিল, এবং উনি একটা সংকটময় মুহূর্ত পার করছেন। চিকিৎসা এবং আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে তিনি যদি এই সংকটটা উতরিয়ে যেতে পারেন, তাহলে হয়তো আমরা ভালো কিছু পাব।

    স্বাস্থ্যের ক্রমাগত অবনতির কারণেই খালেদা জিয়াকে কেবিন থেকে সিসিইউ এবং সেখানে থেকে পরবর্তীতে আইসিইউতে নেওয়া হয় জানিয়ে ডা. জাহিদ বলেন, সত্যিকার অর্থে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২৩ নভেম্বর এখানে (এভারকেয়ার হাসপাতাল) ভর্তি হয়েছেন; ভর্তি হওয়ার পরবর্তীতে উনার (খালেদা জিয়া) শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি হয়েছিল।

    আরও পড়ুনঃ  বিএনপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে যা বললেন তাসনিম জারা

    খালেদা জিয়ার চিকিৎসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি চিকিৎসকেরা বিএনপি চেয়ারপারসনকে চিকিৎসা দিচ্ছেন, তার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান তাতে যুক্ত রয়েছেন।

    খালেদা জিয়া ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন জানিয়ে ডা. জাহিদ বলেন, খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন। তারেক রহমান এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে। সেই দোয়া সব সময় দেশের মানুষ করছেন। সেজন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। চিকিৎসক ও নার্সরা সব সময় দায়িত্ব পালন করেছেন, সেজন্যও তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

  • মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    বর্তমানে সারা বিশ্বের মহিলাদের কাছেই স্তন ক্যান্সার একটি আতঙ্কের নাম। আর এর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইদানীং ক্যানসারের প্রচলিত ওষুধে কাজ হচ্ছে না। প্রচলিত বেশির ভাগ কেমোথেরাপিও এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই স্তন ক্যান্সার দিনে দিনে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের।

    কিন্তু জানেন কি? দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের ভুলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমনই ৮টি খারাপ অভ্যাসের কথা, যেগুলো স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    ১। স্তনের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার না করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    স্তনের আকারের চেয়ে বড় মাপের বক্ষবন্ধনী স্তনের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্তনের তরলবাহী লসিকাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    ২। সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকার কারণে ঘাম হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ঘরে থাকার সময় টুকুতে ব্রা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

    ৩। প্লাস্টিকের বক্সে খাবার রাখা এবং বিশেষত সেটিতেই ওভেনে গরম করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিতে পারে। এর চেয়ে কাঁচের পাত্র ব্যবহার করুন। আর প্লাস্টিক ব্যবহার করতে চাইলে তা ফুড গ্রেড কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

    ৪। ঘামের দূর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাই! কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। এলুমিনাম বেসড উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যান্সারের ঝুকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া বিশেষ জরুরি।

    ৫। চুল পেকে যাওয়া বা হাল ফ্যাশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চুলে নানা রঙের ব্যবহার, যেটিই হোক না কেন, দোকান থেকে সস্তার চুলের রং কিনে আনবেন না। এতে চুল তো পড়ে যেতে পারেই, সেই সঙ্গে এতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিকের কারণে হতে পারে স্তন ক্যান্সারও। তাই ভালও ব্র্যান্ডের ভেষজ চুলের রং ব্যবহার করুন।

    আর সবচেয়ে ভাল হয় মেহেন্দি ব্যবহার করতে পারলে। মেহেন্দি একদিকে যেমন চুলের জন্যে ভাল, সেই সঙ্গে এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

    ৬। ঘরের দূর্গন্ধ দূর করতে এয়ার ফ্রেশনারের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এতে থাকা প্যাথালেট নামক প্লাস্টিসাইজিং রাসায়নিক যা সুগন্ধকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে, তার সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

    এর চেয়ে ফুটন্ত জলেতে এক টুকরো দারচিনি ফেলে দিন। এবার দেখুন, ঘরময় কি সুগন্ধই না ছড়াচ্ছে! আলমারির কাপড়চোপড় পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে নেপথলিন তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। অনেকে আবার বাথরুমের দুর্গন্ধ এড়াতে বেসিনে, সিঙ্কেও নেপথলিন ফেলে রাখেন।

    কিন্তু এটি পুরোটাই ক্ষতিকর কেমিকেল দিয়ে তৈরী, যা কেবল পোকামাকড়কে দূরেই রাখে না, বরং আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। এর চেয়ে নিমপাতা শুকিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রেখে দিন। একই উপকার পাবেন।

    রান্নাঘরের সিঙ্ক বা কেবিনেট যে রঙিন তরল ক্লিনার দিয়ে আপনি পরিস্কার করছেন, তাতে থাকা কেমিকেল কেবল আপনার স্তন ক্যান্সারই নয়, মাইগ্রেন ও অ্যালার্জির প্রকোপও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কেমিকেলযুক্ত এই ক্লিনার ব্যবহার না করে ভিনেগার বা বেকিং সোডা দিয়ে পরিস্কার করতে পারেন।

  • যে শর্তে হাসিনাকে ফেরত দেবে ভারত

    যে শর্তে হাসিনাকে ফেরত দেবে ভারত

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত প্রসঙ্গে ভারত সরকার যুক্তরাষ্ট্রের ইঙ্গিতের অপেক্ষায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সিপিআইএমের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম।

    মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশেকালে তিনি এ কথা বলেন।

    সেলিম বলেছেন, শেখ হাসিনা যাবেন কিংবা থাকবেন সেটা মোদি সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। এ ব্যাপারে তারা এখনো কেন চুপ রয়েছে? আগে মোদি বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলতেন কিন্তু এখন বলছেন না, কেননা যুক্তরাষ্ট্র নিষেধ করেছে। আসলে হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে ভারত সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সিগন্যালের অপেক্ষা করছে।

    সিপিআইএমের এ বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।