• থার্টি ফার্স্টের রাতে পরকীয়া প্রেমিককে ডেকে নিয়ে স্পর্শকাতর অঙ্গ কর্তন

    থার্টি ফার্স্টের রাতে পরকীয়া প্রেমিককে ডেকে নিয়ে স্পর্শকাতর অঙ্গ কর্তন

    গত ৩১ ডিসেম্বর, খ্রিষ্টীয় নতুন বছরের শুরুতে মুম্বাইয়ে একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ২৫ বছর বয়সী এক বিবাহিত নারী নববর্ষের আনন্দে তার ৪৪ বছর বয়সী বিবাহিত প্রেমিককে মিষ্টি খাওয়ানোর জন্য বাড়িতে ডেকে নিয়ে গোপনাঙ্গে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন।

    বিজ্ঞাপন
    প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা একে অপরের আত্মীয় অভিযুক্ত নারী ভুক্তভোগীর বোনের ননদ। তাদের সম্পর্ক প্রায় ছয়-সাত বছর ধরে অবৈধ ছিল। অভিযুক্ত নারী প্রেমিককে তার স্ত্রী ছেড়ে দিয়ে বিয়ে করার জন্য চাপ দিতেন এবং এ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া হতো।

    ভুক্তভোগী ব্যক্তি, যিনি ১৮ বছর ধরে সান্তা ক্রুজ ইস্টে পরিবারসহ বসবাস করছিলেন, অবৈধ সম্পর্কের কারণে গত নভেম্বর মাসে বিহারে চলে যান। তবে অভিযুক্ত নারী ফোনে তাকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। ১৯ ডিসেম্বর মুম্বাইয়ে ফিরে আসার পর থেকে ভুক্তভোগী ব্যক্তি ওই নারীর সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে যোগাযোগ এড়িয়ে চলছিলেন।

     

    নববর্ষের রাতে, ৩১ ডিসেম্বর রাত আড়াইটার সময়, নারী নববর্ষের মিষ্টি খাওয়ানোর কথা বলে তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। তখন নারীর সন্তানরা ঘুমিয়ে ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, নারী প্রথমে প্রেমিককে প্যান্ট খুলতে বলেন, এরপর রান্নাঘর থেকে একটি সবজি কাটার ছুরি নিয়ে এসে আচমকাই তার গোপনাঙ্গে আঘাত করেন। এতে ভুক্তভোগী গুরুতর আহত হন এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।

    চোটের পরও ভুক্তভোগী দ্রুত নিজের বাড়িতে ফিরে এসে ছেলেদের ও বন্ধুদের সাহায্যে প্রথমে ভিএন দেশাই হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তাকে সায়ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, আঘাতটি বেশ গভীর এবং অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।

     

  • বিয়ে করলেই মিলবে ২৫ লাখ টাকা, প্রেম করলে ৪২ হাজার

    বিয়ে করলেই মিলবে ২৫ লাখ টাকা, প্রেম করলে ৪২ হাজার

    আধুনিকায়নের পথে হাঁটছে পুরো পৃথিবী। তবে এ আধুনিকায়নের প্রভাব দেখা দিয়েছে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে। সম্প্রতি পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশে কমতে শুরু করেছে জনসংখ্যা। দক্ষিণ কোরিয়া এ তালিকায় শীর্ষ স্থানীয় আবস্থানে রয়েছে।
    দেশটিতে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিয়ে না করার এবং সন্তানের জন্ম না দেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত কয়েক দশক ধরে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে হাঁটলেও নবজাতকের সংখ্যা তলানিতে ঠেকেছে দেশটিতে। ফলে দেশটির অস্বাভাবিক জনসংখ্যাগত বৈপরীত্যের মুখোমুখি হচ্ছে।
    বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় কাটানো, তীব্র পেশাদার চাপ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণেই দেশের জন্মহার তলানিতে নেমেছে। এ জন্মহার হ্রাসের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে এক দিন পৃথিবীর মানচিত্র থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার অস্তিত্বই মুছে যাবে।
    সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ানে’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে ২০২০ সাল থেকে প্রথম বারের মতো জনসংখ্যা কমতে শুরু করে। ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার এক-তৃতীয়াংশ নারী বিয়েই করতে চান না। এদের মধ্যে ৯৩ শতাংশ নারীরা গৃহকর্মের প্রতি অনীহা প্রকাশ করেছে। সন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব তরুণ-তরুণীদের বিয়ে না করার অন্যতম কারণ বলে বিবেচিত হয়েছে।
    ২০২৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার মোট প্রজননের হার দাঁড়িয়েছে ০ দশমিক ৭২। যা ২০২২ সালে ছিল ০ দশমিক ৮১। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে জন্মহার কমেছে ৮ শতাংশ।
    ৭০ দশকের শুরুতে দেশটিতে নারীদের গড়ে চারটি সন্তান থাকত। ১৯৬০ সালে এই হার ছিল ৬। সেই সময় দেশের অর্থনীতির হাল ধরতে সরকার জন্মনিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা শুরু করে। ১৯৮২ সাল নাগাদ অর্থনীতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে প্রজননহার ২ দশমিক ৪ এ স্থির হয়ে যায়।
    এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গড় আয়ুর উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির কারণে প্রবীণ নাগরিকদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্য দিকে, সন্তানধারণে অনিচ্ছার কারণে ধীরে ধীরে কমে আসছে পরিবারের সংখ্যাও।
    এভাবে চলতে থাকলে নষ্ট হবে দেশে সামাজিক কাঠামো, ভেঙে পড়বে অর্থনীতি। তাই বিয়ে ও সন্তানধারণের প্রতি যুব সমাজকে আকৃষ্ট করতে একগুচ্ছ পরিকল্পনাও ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। এ প্রকল্পগুলির মাধ্যমে যুবসমাজকে সম্পর্ক তৈরি, বিয়ে এবং সন্তানধারণের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। দেশটির কোনও পুরুষ বা নারী যদি বিপরীত লিঙ্গের কারও সঙ্গে ডেটে যেতে চান, তাহলে সরকার তার সম্পূর্ণ খরচ বহন করবে।
    এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ডেটে যাওয়ার জন্য প্রেমিক-প্রেমিকাকে ৪২ হাজার টাকা পর্যন্ত দেবে দেশটির সরকার। সরকারি সহায়তা শুধুমাত্র প্রেম বা ডেটে যাওয়ার জন্য থেমে নেই। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন যদি তাদের মা-বাবারা দেখা করেন, তবে সেই খরচও আলাদাভাবে বহন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
    জানা গেছে, দক্ষিণ কোরীয় কোনও যুগল যদি বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তাহলেও মোটা টাকা আর্থিক সাহায্য দিতে রাজি সরকার। বিবাহে ইচ্ছুক প্রেমিক-প্রেমিকাকে বিয়ের জন্য সে দেশের সরকারের কাছ থেকে প্রায় ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেওয়া হবে।
    এছাড়াও সন্তানধারণের জন্যও দম্পতিদের অতিরিক্ত সুবিধা প্রদান করা হয়। সরকারের দাবি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতি তীব্র আকার ধারণ করায়, কোনও দম্পতি যেন সন্তান ধারণ থেকে বিরত না থাকেন, সে কারণেই এ সিদ্ধান্ত।
  • ঘুমের মধ্যে লালা ঝরে কেন? দেখেনিন যে রো’গের লক্ষণ

    ঘুমের মধ্যে লালা ঝরে কেন? দেখেনিন যে রো’গের লক্ষণ

    নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন, ছোট বাচ্চারা ঘুমালে তাদের মুখ থেকে লালা(Saliva) ঝরে বালিশ ভিজে যায়। এই সমস্যা কেবল ছোটদের হয় তা কিন্তু নয়, বড়দেরও হয়ে থাকে। কিন্তু সবার হয় না। এই বিব্রতকর সমস্যা অনেকের কাছেই কোনো সমস্যাই মনে হয় না। বলা চলে, এই লালা(Saliva) ঝরাকে বেশিরভাগ মানুষ কোনো গুরুত্ব দেন না। তবে এটি মোটেও হেলাফেলা করার মতো সমস্যা নয়।

    স্বাভাবিকভাবে শোয়ার ধরন পরিবর্তনের কারণে ঘুমের মধ্যে মুখ থেকে লালা ঝরতে পারে। আবার লালা ঝরার সমস্যাটি হতে পারে শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতারও লক্ষণ। টি চলুন এই বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক-

    কেন লালা ঝরে?
    মানবদেহ প্রতিদিন এক লিটারেরও বেশি লালা উৎপাদন করে। এটি লালাগ্রন্থি দ্বারা উৎপাদিত হয়ে থাকে। জেগে থাকা অবস্থায় আমরা লালা ঝরতে দেই না, সাধারণত তা গিলে ফেলা হয়। পরক্ষণে রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে পুনরায় লালা উৎপাদিত হতে থাকে। ঘুমে বিভোর থাকা অবস্থায় লালা যেহেতু গিলে ফেলা যায় না, তাই মুখে লালা(Saliva) জমতে শুরু করে। এর ফলে ঠোঁটের কোণ দিয়ে লালা বাইরে ঝরে পড়ে।

    লালা বেশি ঝরে কখন?
    অনেকেই ঘুমের মধ্যে মুখ খুলে ঘুমিয়ে থাকেন। আবার কেউ উপুর হয়ে ঘুমান। এসব ক্ষেত্রে লালা ঝরার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অনেকেই নাক দিয়ে ঠিকভাবে নিশ্বাস নিতে পারেন না, তাই তারা মুখ খুলে শ্বাস নিয়ে থাকেন ঘুমের মধ্যে। এক্ষেত্রে মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে।

    চিকিৎসকদের মতে, উপুর হয়ে পেটে ভর দিয়ে ঘুমানো স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। ঠিক একইভাবে উপুর হয়ে ঘুমালে মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে।

    লালা ঝরা যেসব রোগের লক্ষণ
    # স্নায়ুজনিত বিভিন্ন ঝুঁকির কারণ হতে পারে মুখ দিয়ে লালা(Saliva) ঝরা। যারা নিদ্রহীনতার সমস্যায় ভুগছেন; তাদের ক্ষেত্রেও এ সমস্যাটি নিয়মিত দেখা দিতে পারে।

    # যদি মাউথ আলসার থাকে, সেক্ষেত্রেও মুখে থুতু বেড়ে যায়। এ কারণেও লালা ঝরতে পারে। এ সময় প্রতিরোধক ওষুধ খেলে সমস্যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

    # শ্বাসকষ্ট, জ্বর, অ্যালার্জি বা সাইনাস সংক্রমণের কারণে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। নাক বন্ধ থাকার কারণে মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়ার প্রয়োজন পড়ে। এক্ষেত্রেও মুখ দিয়ে লালা(Saliva) ঝরতে পারে।

    # এমএস, পারকিনসন, পেশীবহুল ডিসস্ট্রফি এবং এমনকি কিছু ধরণের ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও এ সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। এসব রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের থুতু গিলতে অসুবিধা হয়।

    # গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রিফ্লেক্স ডিসঅর্ডার (জিইআরডি) এর কারণেও মুখ থেকে লালা(Saliva) ঝরতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো কিছু গিলতে অসুবিধা হয়। এ সমস্যায় যারা ভুগছেন; তাদের মুখ দিয়েও লালা ঝরতে পারে।

    # কিছু ওষুধের কারণেও এমনটি ঘটতে পারে। অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ (বিশেষত ক্লোজাপাইন) এবং আলঝাইমারস চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত ওষুধসহ কিছু অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের কারণে ঘুমের মধ্যে অতিরিক্ত লালা ঝরতে পারে।

    # সর্দি বা সংক্রমণজনিত কারণে নাক বন্ধ অবস্থায় থাকলে মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়ার কারণে লালা(Saliva) ঝরতে পারে। কারণ এক্ষেত্রে ঘুমানোর সময় শ্বাস নেয়ার জন্য যখন আপনি মুখ খুলে ঘুমাবেন; তখন লালা জমে তা বাইরে বেরিয়ে আসবে।

    # অনেকেই ভাবতে পারেন, লালা ঝরা হয়তো একটি সাধারণ বিষয়। তবে জানলে অবাক হবেন, বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে লালা ঝরতে পারে। স্ট্রোক বা সেরিব্রাল পলসিসহ একাধিক স্ক্লেরোসিস (এমএস) এর কারণেও আপনার মুখ দিয়ে নিয়মিত লালা(Saliva) ঝরতে পারে।

    সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

  • বাতিল হল বিএনপির দুই নেতার মনোনয়ন

    বাতিল হল বিএনপির দুই নেতার মনোনয়ন

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান–শ্রীনগর) আসনে বিএনপির দুই নেতার মনোনয়ন সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। তারা দুজনই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।
    বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার সৈয়দা নুরমহল আশরাফী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    মনোনয়ন বাতিল হওয়া নেতারা হলেন— বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা কলেজের সাবেক ভিপি মীর সরাফত আলী সপু এবং শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোমিন আলী।
    জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, যাচাইয়ের সময় তাদের জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রে সমর্থনকারী ভোটারদের স্বাক্ষরের সঙ্গে তালিকাভুক্ত তথ্যের অসামঞ্জস্য পাওয়া গেছে। এ কারণেই আপাতত মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
    তবে নির্বাচন বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী।