• পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে ৪টি খাবার: জেনে নিন কী খাবেন!

    পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে ৪টি খাবার: জেনে নিন কী খাবেন!

    পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে ৪টি খাবার: জেনে নিন কী খাবেন!
    বিশ্বে অসংখ্য দম্পতি প্রজনন অক্ষমতার কারণে নিঃসন্তান জীবনযাপন করেন। নারী ও পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বহু বিষয়ের উপর নির্ভরশীল, যার মধ্যে খাদ্যাভ্যাস এবং খাদ্যে থাকা পুষ্টিগুণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রজনন ক্ষমতা ও দৈনিক খাদ্যতালিকা একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত।
    একটা সময় ছিল যখন সন্তান না হওয়ার জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নারীদেরকেই দায়ী করা হতো। তবে এখন সময় বদলেছে। মানুষ শারীরিক সমস্যা ও চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারছে। বর্তমানে পুরুষের মধ্যে বন্ধ্যাত্ব বা ইনফার্টিলিটি সমস্যা ক্রমশ বাড়ছে।
    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুল জীবনযাত্রা এবং খাদ্যাভ্যাস এর মূল কারণ। তবে কিছু নির্দিষ্ট খাবার রয়েছে যা পুরুষের ফার্টিলিটি বা প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক, বিশেষ করে শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধিতে এগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখে।
    এখানে তেমনই ৪টি খাবারের কথা উল্লেখ করা হলো:
    * ব্রোকলি: ফুলকপির মতো দেখতে সবুজ রঙের এই সবজিটি অনেকের পছন্দের না হলেও, এখন থেকে এটিকে আপনার খাদ্যতালিকায় রাখুন। ব্রোকলিতে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন সি এবং পটাশিয়াম, যা প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে দারুণ সাহায্য করে।
    * আপেল: সুস্বাদু এই ফলের গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না। আপেলে থাকা খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা বাড়াতে পারে। তাই প্রতিদিন একটি করে আপেল খাওয়া অত্যন্ত উপকারী।
    * কলা: কমবেশি সব বাড়িতেই কলা থাকে, এবং এই ফল স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। কলাতে রয়েছে ব্রোমেলিন এনজাইম, যা সেক্সুয়াল ক্ষমতা কয়েকগুণ বাড়াতে সক্ষম এবং পুরুষের শারীরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
    * ডিম: প্রতিটি মানুষেরই দৈনিক একটি করে ডিম খাওয়া উচিত। ডিমে রয়েছে ভিটামিন বি, ভিটামিন ডি, প্রোটিন, এবং লিউটিন। এই সব উপাদানই প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন সকালে ডিম খাওয়ার অভ্যাস করুন।
    এছাড়াও, খাদ্যতালিকায় এক গ্লাস দুধ রাখতে পারেন। যদি ধূমপান বা মদ্যপানের অভ্যাস থাকে, তবে দ্রুত তা ত্যাগ করুন। কারণ এই অভ্যাসগুলো প্রজনন ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেয়।

  • মি’লনে সর্বোচ্চ আনন্দ পেতে ট্রাই করুন এই ৯টি পজিশন

    মি’লনে সর্বোচ্চ আনন্দ পেতে ট্রাই করুন এই ৯টি পজিশন

    আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো ৯টি পজিশন সম্পর্কে যা মিলনে সর্বোচ্চ আনন্দ প্রদান করবে। ক্যালোরি(Calorie) ঝরিয়ে সুস্থ থাকতে কে না চায়? অতিরিক্ত ক্যালোরি ঝরিয়ে ফেলতে পারলে পুরুষরা যেমন সুঠাম পুরুষালী দেহের অধিকারী হতে পারেন, তেমনই মহিলারাও পেতে পারেন কমনীয়, আকর্ষণীয় শরীর।

    কিন্তু দৈনিক কাজের চাপে বর্তমানে পুরুষ বা মহিলারা আলাদা করে ব্যায়াম(Exercise) করার সময় পান না প্রায়শই। কিন্তু খবর রাখেন কি, শুধু ব্যায়াম নয়, সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে উদ্দাম যৌ’নজীবনও যথেষ্ট ক্যালোরি ঝরাতে পারেন। কিন্তু জানেন কি, ক্যালোরি(Calorie) ঝরাতে কোন পজিশন কতটা উপকারী? পড়ুন এই বিশেষ প্রতিবেদনটি-

    ১. মিশনারি পজিশন: দম্পতিদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই পজিশনে মহিলাদের উপর পুরুষরা শায়িত হন। অন্তত পাঁচরকমভাবে এই পজিশন(Position) ট্রাই করা যায়। এই ভঙ্গিমায় মিলিত হলে পুরুষদের ১২০ ক্যালোরি ও মহিলাদের ৪০ ক্যালোরি ‘বার্ন’ হয়।

    ২. ডগি স্টাইল: এই স্টাইলে মিলিত হলে পুরুষদের ১২০ ক্যালোরি(Calorie) ও মহিলাদের ৮০ ক্যালোরি ঝরে।

    ৩. লেগস ইন দ্য এয়ার: এই ভঙ্গিমায় অন্তত ৮৫ ক্যালোরি ঝরাতে পারেন মহিলারা, পুরুষদের ঝরে ১৩০ ক্যালোরি।

    ৪. কাউগার্ল: কাউগার্ল পজিশনে(Position) মহিলাদের বেশি ক্যালরি ঝরে, প্রায় ২২০ ক্যালোরি। সেক্ষেত্রে পুরুষদের ঝরে মাত্র ৪০ ক্যালোরি।

    ৫. রিভার্স কাউগার্ল: এই পদ্ধতিতে মহিলাদের ঝরে ১০০ ক্যালোরি(Calorie), পুরুষদের ৪০ ক্যালোরি।

    ৬. স্পুনিং: এই পজিশনে(Position) পুরুষদের ঝরে ১১০ ক্যালোরি। মহিলাদের একটু কম, ৭০ ক্যালোরি। ৭. ওরাল: এক্ষেত্রে পুরুষ ও মহিলা- দু’জনেরই ৬০-৭০ ক্যালোরি করে কমে।

    ৮. লোটাস: এই পজিশনে মহিলাদের পরিশ্রম তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। তাই তাঁদের ক্যালোরিও একটু বেশিই ঝরে। তুলনায় পুরুষদের ঝরে ৪০ ক্যালোরি(Calorie)।

    ৯. স্ট্যান্ডিং: দাঁড়িয়ে মিলিত হলে পুরুষদের প্রচুর ক্যালোরি ঝরে, প্রায় ৫০০। তুলনায় মহিলাদের ঝরে মাত্র ১০০-১৫০ ক্যালোরি।

    সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আরো স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস এবং পরামর্শ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

  • থাইরয়েডের চিকিৎসা না নিলে মৃত্যু হতে পারে, লক্ষণ বুঝবেন যেভাবে

    থাইরয়েডের চিকিৎসা না নিলে মৃত্যু হতে পারে, লক্ষণ বুঝবেন যেভাবে

    থাইরয়েড রোগ ছোঁয়াচে নয়। থাইরয়েড সমস্যা নিয়মিত চিকিৎসায় রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে চিকিৎসা না নিলে মৃত্যুর কারণ হতে পারে।যদি হঠাৎ ওজন বেড়ে যায় বা কমে যায়, অতিরিক্ত ঘাম হয়, শীত বা গরম অসহ্য লাগে, শরীর ব্যথা করে, চুল পড়ে যায়, ত্বকের সমস্যা থাকে তাহলে ধরে নিতে হবে থাইরয়েডের ঝুঁকিতে আছেন। এছাড়াও যদি বুক ধড়ফড় বা হাত/পা কাঁপে, গলার স্বর বসে যায়, পাতলা পায়খানা হয়, শারীরিক দুর্বলতা থাকে, নিঃসন্তান দম্পতি বা বারবার গর্ভপাত হয়, অনিয়মিত/কম/বেশি মাসিক হয়, তাহলে অবশ্যই থাইরয়েড পরীক্ষা করতে হবে।
    বিশ্ব থাইরয়েড দিবস-২০২৫ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডির ‘দি থাইরয়েড সেন্টার’ সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে থাইরয়েড মেলার উদ্বোধন শেষে বিশেষজ্ঞরা এসব তথ্য জানান।
    অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনো থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬০ ভাগই চিকিৎসা আওতার বাইরে রয়েছেন। জীবনে চারটি সময়ে অবশ্যই থাইরয়েড স্ক্রিনিং করা প্রয়োজন। প্রথমত- জন্মের পরপরই, দ্বিতীয়ত- বয়ঃসন্ধিকালে। এছাড়াও মায়েদের গর্ভধারণের পূর্বে ও বয়স ৪০ হওয়ার পর থাইরয়েড স্ক্রিনিং প্রয়োজন।
    এ সময় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (সাবেক পিজি) ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেসের (নিনমাস) বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল বারী বলেন, থাইরয়েড আক্রান্তদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই নারী। প্রতি ২ হাজার ৩০০ শিশুর মধ্যে একজন জন্মগত থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছে। আক্রান্ত ব্যক্তির ৬০ শতাংশই চিকিৎসাসেবার আওতায় নেই।
    এক গবেষণায় দেখা গেছে, থাইরয়েড রোগ বিস্তারে বংশগত প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে দাদি, নানি বা মা- এদের থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে ৭০ শতাংশের ক্ষেত্রে শিশুদের ও আত্মীয়স্বজনদের থাইরয়েড সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আট শতাংশ রোগী সাব-ক্লিনিক্যাল হাইপোথাইরোডিসমে ভুগছে, যার অধিকাংশই তাদের থাইরয়েড আছে- তা জানে না।
    অনুষ্ঠানে চিকিৎসকরা জানান, জনসচেতনতা তৈরি করার লক্ষ্যে দি থাইরয়েড সেন্টার লিমিটেড ও বিটমির ২০১৭ সাল থেকে প্রতিবছর নিয়মিতভাবে থাইরয়েড মেলার আয়োজন করে আসছে। থাইরয়েড সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে রাজধানীতে তিন দিনব্যাপী এই থাইরয়েড মেলার আয়োজন করা হয়। এ মেলায় ৫০০ টাকায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা পাওয়া যাবে। এ ছাড়া দরিদ্র ও এক বছরের কম বয়সি শিশুদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে। ৩ হাজার ৫০০ টাকায় থাইরয়েড চেকআপ (রক্ত, আল্ট্রাসনোগ্রাম এবং ব্লাডগ্রুপিং)। এক বছরের কম বয়সি শিশুদের বিনামূল্যে থাইরয়েড চেকআপ। কম মূল্যে থাইরয়েড ক্যান্সার চিকিৎসা, ২৫ শতাংশ কম মূল্যে এলাস্ট্রস্কান করা হবে। এছাড়াও ২৫ শতাংশ কম মূল্যে থাইরয়েডগ্রন্থি গয়টার/টিউমার/ক্যান্সারের রেডিওফ্রিকুয়েন্সি, লেজার ও রোথেরাপি করা হবে।
    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিটমির সিনিয়র শিক্ষক ডা. সোনিয়া ফেরদৌস ও ডা. শায়লা পারভীন প্রমুখ।
  • প্রস্টেট ক্যান্সারের লক্ষণ, সতর্ক হবেন কখন

    প্রস্টেট ক্যান্সারের লক্ষণ, সতর্ক হবেন কখন

    প্রস্টেট ক্যান্সারের লক্ষণ, সতর্ক হবেন কখন

    পুরুষদের মধ্যে অন্যতম সাধারণ ক্যান্সার হলো প্রস্টেট ক্যান্সার। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না। তবে ধীরে ধীরে ক্যান্সার অগ্রসর হলে কিছু নির্দিষ্ট উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই সতর্ক সংকেতগুলো চিনতে পারলেই চিকিৎসা সহজ হয়ে যায়।

    প্রস্টেট ক্যান্সারের প্রধান লক্ষণ

    মূত্রসংক্রান্ত সমস্যা:

    .বারবার প্রস্রাবের প্রয়োজন, বিশেষ করে রাতে

    .প্রস্রাব শুরু করতে বা থামাতে অসুবিধা

    বিজ্ঞাপন

    .দুর্বল প্রস্রাব প্রবাহ বা মাঝপথে থেমে যাওয়া

    .কাশি বা হাসির সময় প্রস্রাব লিক হওয়া

    বিজ্ঞাপন
    .দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে না পারা

    .প্রস্রাবের সময় জ্বালা বা ব্যথা

    .মলদ্বারে চাপ বা অস্বস্তি

    রক্তপাত:

    .প্রস্রাবে রক্ত আসা

    .বীর্যে রক্ত দেখা

    যৌনগত সমস্যা:

    .হঠাৎ ইরেকশন সমস্যা শুরু হওয়া

    .বীর্যপাতের সময় ব্যথা বা অস্বস্তি

    .স্বাভাবিকের তুলনায় কম বীর্য নির্গত হওয়া

    .অ্যাডভান্স প্রস্টেট ক্যান্সারের লক্ষণ

    .নীচের অঙ্গ ফোলা বা দুর্বল হয়ে যাওয়া

    .হাড়ে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়লে কোমর, নিতম্ব বা পিঠে স্থায়ী ব্যথা

    .কনস্টিপেশনসহ মলত্যাগে সমস্যা

    .পায়ে টান ধরা বা অসাড়তা

    .হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া ও শরীর দুর্বল হওয়া

    .অতিরিক্ত ক্লান্তি, বমি ভাব বা বমি হওয়া

    চিয়া সিডের সঙ্গে যে খাবার কখনোই খাবেন না
    করণীয়

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব লক্ষণ সবসময় প্রস্টেট ক্যান্সারের কারণে নাও হতে পারে। তবে এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং PSA (Prostate-Specific Antigen) টেস্ট প্রস্টেট ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করতে সহায়তা করে।