• হিজড়া কি জ্বীনদের সন্তান?

    হিজড়া কি জ্বীনদের সন্তান?

    ❑ হিজড়া সন্তান কেন হয়?
    ❑ হিজড়া জ্বীনদের সন্তান?
    ❑ পিরিয়ড চলাকালে স্ত্রী’র সাথে মেলামেশা করলে ‘হিজড়া’ সন্তান হয়?

    ☞ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, হিজড়ারা জীনদের সন্তান। কোনো এক ব্যক্তি আব্বাস (রাঃ) কে প্রশ্ন করেছিলেন,
    – এটা কীভাবে হতে পারে?

    জবাবে তিনি বলেছিলেন যে, “আল্লাহ্ ও রাসুল (সাঃ) নিষেধ করেছেন যে, মানুষ যেনো তার স্ত্রীর মাসিক ঋতুস্রাব চলাকালে যৌন সংগম না করে।” সুতরাং কোনো মহিলার সঙ্গে তার ঋতুস্রাব হলে শয়তান তার আগে থাকে ও সেই শয়তান দ্বারা ওই মহিলা গর্ববতী হয় এবং হিজড়া সন্তান প্রসব করে।

    ☞ (মানুষ ও জ্বীন এর যৌথ মিলনজাত সন্তানকে ইসলামে বলা হয় ‘খুন্নাস’)।

    — [তথ্য: সূরা বানী ইস্রাইল- আর রাহমান , ইবনে আবি হাতিম, হাকিম তিরমিজি]

    ☞ আরেক হাদিসে হিজড়া জন্মের হেকমত উল্লেখপূর্বক আলোচনা এভাবে এসেছে যে, হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-কে একবার জিজ্ঞাসা করা হলো, হিজড়া কেন জন্ম নেয়?

    তদুত্তরে ইবনে আব্বাস বললেন, স্ত্রীর মাসিক চলাকালে যখন স্বামী তার সাথে সহবাস করে, তখন শয়তান ঐ যৌনমিলনে আগে আগে থেকে উক্ত ব্যক্তির সাথে যৌনকার্যে শরিক হয় এবং শয়তানের বীর্য ঐ মহিলার গর্ভে গিয়ে পৌছে, যার ফলে হিজরা সন্তান জন্ম গ্রহণ করে।

    — (ত্বরতুসী-কিতাবু তাহরীমিল ফাওয়াহিশ)

    বৈজ্ঞানিকভাবেও দেখা যাচ্ছে হিজড়া সন্তানের সেক্স ক্রোমোজোম প্যাটার্ন XXY, XYY. যেখানে মায়ের থেকে পাওয়া X ও বাবার থেকে পাওয়া Y বা X ক্রোমোজম মিলে মহিলার XX এবং পুরুষের XY সেক্স ক্রোমোজম সৃষ্টি হয়। তাহলে এই অতিরিক্ত Y ক্রোমোজম কার? এই প্রশ্নে তৃতীয় কোনো জ্বীন কিংবা শয়তানকে দায়ী করলে উত্তর সহজেই মিলে যায়।

    ►►►►►►►►►—•—◄◄◄◄◄◄◄◄◄

    ❑ উত্তরঃ শাস্ত্রজ্ঞ ইমামদের মতে আব্বাস (রাঃ) এর উপরিউক্ত হাদীসটি সঠিক নয়, ভুল। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) থেকে হাদীসটি প্রমাণিত নয়। তাই হাদিস হিসেবে এটি বর্ণনা করার কোন সুযোগ নেই। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে হেফাজত করেন!

    ইমাম ইবনুল কাত্তান আলফাসী তাঁর কিতাব আহকামুন নজরে (হাদিস ২১৫, পৃষ্ঠা ৪১৬) হাদিসটিকে মুনকার (বাতিল) বলেছেন।

    ইমাম ইবনু আদী আল কামিলে ইয়াইয়া ইবনে আইয়ুব আলগাফিকী এর জীবনীতে হাদিসটিকে غير محفوظ (প্রমাণিত নয়) বলেছেন।

    ইমাম যাহাবী মিযানুল ই’তিদালে ইয়াইয়া ইবনে আইয়ুব আলগাফিকী-র জীবনীতে হাদিসটিকে منكر বাতিল বলে সাব্যস্ত করেছেন।

    قال الذهبي
    ومن مناكيره.
    أحمد ابن أخي ابن وهب، حدثنا عمى، حدثني يحيى بن أيوب، عن ابن جريج، عن عطاء، عن ابن عباس – مرفوعاً: المؤنثون أولاد الجن.
    قيل لابن عباس: كيف ذلك؟ قال: نهى الله ورسوله أن يأتي الرجل امرأته وهى حائض، فإذا أتاها سبقه بها الشيطان فحملت منه فأنث المؤنث.

    قال ابن عدي: حدثنا إبراهيم بن إسماعيل بن الفرج الغافقي، حدثنا أحمد، فذكره.

    قال وهذان الحديثان ليحيى بْن أيوب، عنِ ابْن جُرَيج غير محفوظين فأما حديث المؤنثين فلا أعلمه رواه غير بن أخي بن وَهب، عَن عَمِّه، عَن يَحْيى بن أيوب

    ١- [عن عبدالله بن عباس:] المُؤْنِثونَ أولادُ الجنِّ.
    ابن القطان (ت ٦٢٨)، أحكام النظر برقم ٢١٥ وصفحة ٤١٦ • منكر • أخرجه ابن عدي في «الكامل في الضعفاء» (٧/٢١٦) مطولاً.

  • মেয়েদের শ’রীরের এই ৪ জাগায় হাত দিলেই সাথে সাথে রাজি হবে যেকোনো যুবতী

    মেয়েদের শ’রীরের এই ৪ জাগায় হাত দিলেই সাথে সাথে রাজি হবে যেকোনো যুবতী

    মেয়েদের শ’রীরের এই ৪ জাগায় হাত দিলেই সাথে সাথে রাজি হবে যেকোনো যুবতী
    মেয়েদের শরীরে এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে স্পর্শ করলে মেয়েরা অনেক বেশি টার্ন অন হয়ে পড়ে। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই ছেলেরা সেইসব অংশের দিকে নজর দেয় না। ফোরপ্লে সীমাবদ্ধ থাকে ব্রেস্ট, নিপলস আর কিসের মধ্যেই। তারপরেই ইন্টারকোর্স। ব্যাপারটা যেন একঘেয়েই। কিন্তু কিছু জায়গায় স্পর্শ করে, ভালবেসে, পাগল করে দেওয়া যায় মেয়েদের।

    ১. ঘাড়ের পিছন দিকে:

    মেয়েদের শরীরে এটাই সবচেয়ে সেক্সুয়ালি টার্নিং অন এরিয়া। ছেলেরা কিন্তু অনেকসময় এই অংশটা এড়িয়ে যায়। কিন্তু শুধু এখানে স্পর্শ করেও একজন মহিলাকে দ্রুত উত্তেজিত সম্ভব। একজন মেয়ে যখন সামান্য টার্ন অন থাকে তখন তার পিছন দিকের চুল সরিয়ে ঘাড়ে হাত বুলিয়ে দেখুন। আস্তে আস্তে কিস করুন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনী পাগল হয়ে যাবে। সামান্য লিক করুন, সুড়সুড়ি দিন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনী উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন।

    ২. কান:

    কানে হালকা স্পর্শ, চুম্বন অনেক বেশি সেক্সুয়ালি অ্যাট্রাক্টেড করে দেয় মেয়েদের। কানের উপর আস্তে আস্তে নিঃশ্বাস ফেললে পাগল হয়ে পড়বে আপনার সঙ্গিনী। হালকা কামড় দিতে পারেন কানের লতিতে। লিক করতে পারেন কানের চার পাশে যে কোন জায়গায়। কিন্তু কানের ছিদ্রে নয়, এটি মেয়েদের জন্যে একটা টার্ন অফ।

    ৩. উরু বা থাই:

    মেয়েদের দ্রুত উত্তেজিত করত তিন নম্বরটির পয়েন্টটির জুড়ি মেলা ভার। সঙ্গিনীর উরুর সফট স্পটে স্পর্শ করুন। দেখবেন সে কি করে।

    ৪. হাতের তালু ও পায়ের পাতা:

    হাত দিয়ে প্রতি মুহূর্ত স্পর্শ করছেন, কিন্তু তার হাতেই যে লুকিয়ে আছে অসংখ্য সেক্সুয়াল ফিলিংস। সঙ্গিনীর হাতের উপর নিজের আঙুলগুলি বোলাতে থাকুন, সুড়সুড়ি দিন। এটিই যেন তাকে স্বর্গের সুখ দিবে

  • আপিল শুনানির প্রথম দিনে যারা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ও হারালেন

    আপিল শুনানির প্রথম দিনে যারা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ও হারালেন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ৫১ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। আর একজনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে তিন জনের বিষয়টি অপেক্ষমাণ রয়েছে।

    শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবন অডিটোরিয়ামে প্রথম দিনের শুনানিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে শুনানিতে চার নির্বাচন কমিশনাররাও অংশ নেন। প্রথম দিন নির্ধারিত ৭০টি আপিল আবেদনের শুনানি করা হয়।

    ইসি সূত্রে জানা যায়, আপিল আবেদন শুনানিতে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হামিদুর রহমান আযাদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারাসহ ৫১ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তাদের মনোনয়নপত্র রিটার্নিং কর্মকর্তা বাতিল করেছিলেন। পরে ইসিতে এ বিষয়ে আপিল করেন তারা। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে বিএনপির এম এ হান্নানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী এস কে একরামুজ্জামানের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে কমিশন। তার নামে মামলা ও পলাতক থাকার অভিযোগ তোলা হয়েছিল।

    এদিন প্রার্থিতা ফিরে পেলেন যারা-

    আপিল মঞ্জুর হওয়ায় প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন রংপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহ আলম বাসার, শরীয়তপুর-১ আসনের মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা (স্বতন্ত্র), শরীয়তপুর-৩ আসনে জাতীয় পার্টির মো. আব্দুল হান্নান, নরসিংদী-১ আসনে জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ মোস্তফা জামাল, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জাতীয় পার্টির মো. ছালাউদ্দিন খোকা, ফরিদপুর-৪ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মিজানুর রহমান, গাজীপুর-৫ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. রুহুল আমীন, চট্টগ্রাম-১১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নুরউদ্দিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে জাতীয় পার্টির মুঃ খুরশিদ আলম, রাজশাহী-৫ আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. আলতাফ হোসেন মোল্লা, কুমিল্লা-১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের বড়ুয়া মনোজিত ধীমন, লালমনিরহাট-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু সামা মো. রেদওয়ানুল হক, ঢাকা-১৮ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারা, চাঁদপুর-২ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মানসুর, মাদারীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহা. কামরুল ইসলাম সাইদ, বগুড়া-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. শাহজাহান আলী তালুকদার, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে মো. শাহীন রেজা চৌধুরী, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, কিশোরগঞ্জ-১ আসনে খেলাফত মজলিসের আহমদ আলী, চাঁদপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির হাবিব খান, কুমিল্লা-৯ আসনে খেলাফত মজলিসের মো. আবদুল হক আমিন, নেত্রকোনা-৪ আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির চম্পা রানী সরকার, ময়মনসিংহ-৭ আসনে বিএনপির ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান, পঞ্চগড়-১ ও ২ আসনে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) আল রাশেদ প্রধান, নরসিংদী-৫ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মশিউর রহমান, মাগুরা-২ আসনে জাতীয় পার্টির মশিয়ার রহমান, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির, হবিগঞ্জ-৪ আসনে এবি পার্টির মোকাম্মেল হোসেন, গাইবান্ধা-১ আসনে মো. মোস্তফা মহসিন, গোপালগঞ্জ-২ আসনে কামরুজ্জামান ভূঁইয়া, ঝালকাঠী-১ আসনে জাতীয় পার্টির মো. কামরুজ্জামান খান, কক্সবাজার-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, শরীয়তপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, গাজীপুর-৩ আসনে ইসলামী ঐক্য জোটের মুফতি শামীম আহমেদ, টাঙ্গাইল-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী, শরীয়তপুর-১ আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির নুর মোহাম্মদ মিয়া, গাজীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সালাহউদ্দিন সরকার, গাজীপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির এস এম শফিকুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-১ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হেদায়াতুল্লাহ হাদী, গাজীপুর-৫ আসনে জাতীয় পার্টির ডা. মো. সফিউদ্দিন সরকার, ফেনী-১ আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেসের ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী, হবিগঞ্জ-১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের কাজী তোফায়েল আহম্মেদ, বগুড়া-৬ আসনে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের দিলরুবা, নরসিংদী-২ আসনে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ ইব্রাহীম, নড়াইল-২ আসনে জাতীয় পার্টির খন্দকার ফায়েকুজ্জামান, দিনাজপুর-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহনেওয়াজ ফিরোজ শুভ শাহ, খুলনা-৫ আসনে জাতীয় পার্টির শামিম আরা পারভীন (ইয়াসমীন), ঢাকা-১৮ আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের সৈয়দ হারুন-অর- রশীদ এবং কুড়িগ্রাম-২ আসনে জাতীয় পার্টির পনির উদ্দিন আহমেদ।

    যাদের আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে-

    নরসিংদী-৪ আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেসের কাজী শরিফুল ইসলাম, বাগেরহাট-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুজিবর রহমান শামীম, রংপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির মো. মঞ্জুম আলী, গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রনী মোল্লা, ঢাকা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনির হোসেন, খুলনা-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আছাদুল বিশ্বাস, ঢাকা-৩ আসনে জাতীয় পার্টির মো. ফারুক, নাটোর-১ আসনে খেলাফত মজলিসের মো. আজাবুল হক, নড়াইল-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. উজ্জল মোল্যা, পাবনা-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মো. হাসানুল ইসলাম, খুলনা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রউফ মোল্যা (অনুপস্থিত), কুমিল্লা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জায়েদ আল মাহমুদ, ঢাকা-১৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন হাওলাদার, কক্সবাজার-৩ আসনে মো. ইলিয়াছ মিয়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুছা সিরাজী।

    সিদ্ধান্ত অপেক্ষমাণ রয়েছে যাদের-

    মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন, যশোর-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান ও পটুয়াখালী-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান বাবরি প্রার্থিতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত অপেক্ষমাণ রয়েছে।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠি ত হতে যাচ্ছে।

  • সবার জন্য লবণ ক্ষতিকর নয়, কারা সাবধান থাকবেন

    সবার জন্য লবণ ক্ষতিকর নয়, কারা সাবধান থাকবেন

    লবণ মানেই ক্ষতি এমন ধারণা বহুদিন ধরেই স্বাস্থ্য চর্চায় দাপট দেখাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে ডায়েট চার্ট সবখানেই লবণ কমানোর উপদেশ। কিন্তু সত্যিই কি লবণ সবার জন্য সমানভাবে ক্ষতিকর? হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দিমিত্রি ইয়ারানোভ বলছেন, বিষয়টি এত সহজ নয়। মানুষের শরীর ও শারীরবৃত্তীয় গঠন অনুযায়ী লবণের প্রভাব ভিন্ন হতে পারে।

    ডা. ইয়ারানোসোডিয়াম জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় নার্ভ, মাংসপেশি, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ সবকিছুর সঙ্গেই এটি জড়িত। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক অবস্থায় লবণ আর ‘মসলা’ থাকে না, হয়ে ওঠে রোগের জ্বালানি। তাই কারা লবণ খেতে পারবেন আর কারা পারবেন না তা জানা জরুরি।

    যেসব অবস্থায় লবণ এড়িয়ে চলা জরুরি

    ১. হার্ট ফেইলিউর রোগীরা

    হার্ট ফেইলিউরের রোগীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীরে পানি জমিয়ে ফেলে। এতে বুক ও ফুসফুসে জট তৈরি হয়, শ্বাসকষ্ট বাড়ে এবং বারবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। দীর্ঘমেয়াদে এটি মৃত্যুঝুঁকিও বাড়ায়।

    ২. রেজিস্ট্যান্ট হাইপারটেনশন

    যাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিন থেকে চারটি ওষুধ লাগে, তাদের জন্য লবণ অত্যন্ত ক্ষতিকর। ডা. ইয়ারানোভ বলেন,
    যদি আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এত ওষুধ লাগে, তবে লবণ নিরপেক্ষ নয় এটা নীরব শত্রু।

    ক্রনিক কিডনি ডিজিজে আক্রান্তদের শরীর অতিরিক্ত সোডিয়াম সামলাতে পারে না। এতে কিডনির অবনতি দ্রুত হয় এবং শরীরের তরল নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে। ছবি: সংগৃহীত

    ৩. দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ

    ক্রনিক কিডনি ডিজিজে আক্রান্তদের শরীর অতিরিক্ত সোডিয়াম সামলাতে পারে না। এতে কিডনির অবনতি দ্রুত হয় এবং শরীরের তরল নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে।

    ৪. লিভার সিরোসিস ও পোর্টাল হাইপারটেনশন

    লিভার সিরোসিসে অতিরিক্ত লবণ পেটে পানি জমা (অ্যাসাইটিস) ও পোর্টাল হাইপারটেনশন আরও বাড়িয়ে দেয়। এ বিষয়ে চিকিৎসকের মন্তব্য, অ্যাসাইটিস আপনার স্বাদের কথা শোনে না।

    ৫. বয়সজনিত রক্তনালির শক্ত ভাব

    বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধমনিগুলো সোডিয়াম সহ্য করার ক্ষমতা হারায়। ফলে আগে যেটুকু লবণ ক্ষতি করত না, বয়স বাড়ার পর সেটিই হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ডা. ইয়ারানোভের ভাষায়, ২৫ বছর বয়সের মতো করে আপনার ধমনিগুলো আর সোডিয়াম সামলায় না।

    চিকিৎসকেরা বলছেন লবণ পুরোপুরি বাদ দিতে হবে না। লবণ শরীরের জন্য অপরিহার্য। কিন্তু কার শরীরে কতটা লবণ নিরাপদ, তা নির্ভর করে ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর। তাই সবার জন্য এক নিয়ম মানার চেয়ে প্রয়োজন ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যঝুঁকি বুঝে সিদ্ধান্ত নেয়া।

    সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস