• মেয়েদের জামার বোতাম বাঁদিকে কেন থাকে? ৯০% মানুষের অজানা

    মেয়েদের জামার বোতাম বাঁদিকে কেন থাকে? ৯০% মানুষের অজানা

    লাইফস্টাইল ডেস্ক : বর্তমানে ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও সব ক্ষেত্রেই সমানভাবে পাল্লা দিচ্ছে। এইসময় ইউনিসেক্স ফ্যাশনের চল রয়েছে, এর মানে হলো এমন পোশাক যা পুরুষ এবং নারী উভয়ই পরতে পারেন। চশমা থেকে শুরু করে জিন্স এবং আরও অনেক ধরনের পোশাকই ইউনিসেক্স।

    আগে কেবল পুরুষদেরকেই শার্ট পরতে দেখা যেত, কিন্তু বর্তমানে নারীরাও শার্ট পরছে। তবে এই দুই শার্টের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য না হলেও, বোতামের বড় পার্থক্য রয়েছে। যেখানে পুরুষদের বোতাম ডানদিকে থাকে সেখানে মহিলাদের বাঁদিকে থাকে। এর পিছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে।

    ইতিহাসের কথা বললে, পুরুষরা তাদের ডান হাতে তলোয়ার ধরতো এবং মহিলারা তাদের বাম হাতে তলোয়ার ধরতেন। এই অবস্থায় মহিলারা তাদের সন্তানকে বাম দিকে ধরে থাকতেন এবং বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর জন্য তাদের শার্টের বোতাম খুলতে ডান হাত ব্যবহার করতে সুবিধা হত।

    কথিত আছে, বিখ্যাত যোদ্ধা নেপোলিয়নের আদেশেই মহিলাদের শার্টের বোতাম বাম পাশে রাখা হয়েছিল। জানা যায়, নেপোলিয়ন সবসময় তার একটি হাত জামায় রাখতেন। অনেক মহিলা তাকে অনুকরণ করতে শুরু করে। এমনটা যাতে না হয় সেইজন্য মহিলাদের শার্টে বাম দিকে বোতাম লাগানোর আদেশ জারি করেন।

    বলা হয়, আগের যুগে নারীরা উভয় পা একই পাশে ঝুলিয়ে ঘোড়ায় চড়তেন। এমতাবস্থায়, বাঁ দিকে বোতাম করা হলে, বাতাস তার শার্ট ভিতরে নিয়ে যেত এবং বিপরীত দিকে এগোতে সহায়তা করত। এ ছাড়া কোনও কোনও বিশেষজ্ঞ বলছেন, নারী ও পুরুষের পোশাকের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করতে শার্টের বোতামগুলো ভিন্ন ভিন্ন দিকে লাগানো হয়।

  • বরিশালের মেয়ে মডেল শান্তা ‘গুপ্তচর কি না’ খতিয়ে দেখছে ভারতের পুলিশ

    বরিশালের মেয়ে মডেল শান্তা ‘গুপ্তচর কি না’ খতিয়ে দেখছে ভারতের পুলিশ

    বাংলাদেশি নাগরিক হওয়ার পরও ভারতীয় ভোটার ও আধার কার্ড সংগ্রহের অভিযোগে গ্রেপ্তার মডেল ও অভিনেত্রী শান্তা পালের বিষয়ে তদন্তের পরিসর বাড়িয়েছে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। জিজ্ঞাসাবাদে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি খুঁজে পাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

    দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতীয় ভোটার ও আধার কার্ড ২৮ বছর বয়সী শান্তা পেলেন কীভাবে, তা খতিয়ে দেখছেন পুলিশের কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে তার বন্ধু বাংলাদেশি নাগরিক সুমন চন্দ্রশীলের বিষয়েও তদন্ত করা হচ্ছে, যার নাম জিজ্ঞাসাবাদের সময় উঠে আসে। অর্থের বিনিময়ে অন্য কোনো দেশে শান্তা তথ্য সরবরাহ করেছিলেন কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। কারণ বিলাসী জীবনযাপন করা শান্তাকে ভারত-চীন সীমান্তের নাথু লা পাস, দীঘা ও গ্যাংটকে গিয়ে ভিডিও ধারণ করতে দেখা গেছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, বরিশালের মেয়ে শান্তা কলকাতার যাদবপুরের বিজয়গড়ে এক ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার সম্পর্কে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, একজন সফল বাংলাদেশি মডেল ও অভিনেত্রী ভুয়া নথি ব্যবহার করে কেন ভারতে অবস্থান করছিলেন, তা স্পষ্ট নয়। শান্তার কাছ থেকে দুটি আধার কার্ড পাওয়া গেছে। তার মধ্যে একটি ২০২০ সালে বর্ধমানের একটি ঠিকানায় তাঁর নামে নিবন্ধিত। অন্যটি কলকাতার ঠিকানা দেওয়া আছে। এসব নথি কীভাবে সংগ্রহ করেছেন, সে বিষয়ে সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি এই মডেল।

    পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, শান্তার বন্ধু সুমন চন্দ্রশীলকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের সহজেই ভারতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া উদ্বেগের বিষয়।

    পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, যাদবপুরের বিজয়গড়ে শান্তার বাড়ি তল্লাশির সময় কর্মকর্তারা তার বন্ধু সুমনের আধার কার্ড এবং দক্ষিণ কলকাতার উপকণ্ঠে বেহালার আনন্দগড় এলাকার একটি ঠিকানা পান। সুমন বেহালার এক নারীকে বিয়ে করেন এবং ওই ঠিকানা থেকে আধার কার্ডটি সংগ্রহ করা হয়েছিল।পুলিশ জানিয়েছে, বরিশালের মেয়ে শান্তা কলকাতার যাদবপুরের বিজয়গড়ে এক ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার সম্পর্কে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, একজন সফল বাংলাদেশি মডেল ও অভিনেত্রী ভুয়া নথি ব্যবহার করে কেন ভারতে অবস্থান করছিলেন, তা স্পষ্ট নয়। শান্তার কাছ থেকে দুটি আধার কার্ড পাওয়া গেছে। তার মধ্যে একটি ২০২০ সালে বর্ধমানের একটি ঠিকানায় তাঁর নামে নিবন্ধিত। অন্যটি কলকাতার ঠিকানা দেওয়া আছে। এসব নথি কীভাবে সংগ্রহ করেছেন, সে বিষয়ে সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি এই মডেল।

    পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, শান্তার বন্ধু সুমন চন্দ্রশীলকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের সহজেই ভারতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া উদ্বেগের বিষয়।

    পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, যাদবপুরের বিজয়গড়ে শান্তার বাড়ি তল্লাশির সময় কর্মকর্তারা তার বন্ধু সুমনের আধার কার্ড এবং দক্ষিণ কলকাতার উপকণ্ঠে বেহালার আনন্দগড় এলাকার একটি ঠিকানা পান। সুমন বেহালার এক নারীকে বিয়ে করেন এবং ওই ঠিকানা থেকে আধার কার্ডটি সংগ্রহ করা হয়েছিল।

    এদিকে বেহালার স্থানীয় লোকজন পুলিশকে জানিয়েছেন, সুমনকে বহুদিন ধরে এলাকায় দেখা যায়নি।

    বিজয়গড়ে শান্তার বাসা থেকে বেশ কিছু ব্যাংক-সংক্রান্ত নথিও উদ্ধার করে পুলিশ।

    জিজ্ঞাসাবাদে এই মডেল জানান, কলকাতায় একটি হোটেল খোলার পরিকল্পনা করছিলেন তিনি। সে জন্য ব্যাংকঋণ নেওয়ার কথাও ভাবছিলেন। হোটেলটির অর্থায়নে কারা ছিলেন এবং এতে কোনো অংশীদারি ছিল কি না, তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে। বাংলাদেশে কয়েকটি মডেলিং প্রতিযোগিতায় শান্তা অংশ নেন বলে জানা গেছে। তার ভাষ্য, ভারতে একটি তেলুগু ছবিতে কাজ করছেন তিনি। টালিউডের এক তারকার সঙ্গে আরেকটি ছবি করারও কথাবার্তা চলছে।

  • বাড়ির টবে চাষ করুন সুগন্ধি মশলা এলাচ, হবে বাম্পার ফলন

    বাড়ির টবে চাষ করুন সুগন্ধি মশলা এলাচ, হবে বাম্পার ফলন

    এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যারা বাড়ির ভেতর ছোটখাটো কাজে লাগাতে পছন্দ করেন। আপনাদের এমন একটি গাছের কথা বলব একদিকে বাড়ির শোভা বর্ধন করবে অন্যদিকে আপনার কাজেও লাগবে।

    কিন্তু কী সেই গাছ? আসুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। আমরা যে গাছের কথা বলতে যাচ্ছি সেটি হল এলাচ গাছ। যেকোনো সুস্বাদু খাবারের সুগন্ধি বাড়াতে এলাচ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়াও মুখশুদ্ধি হিসেবেও এলাচ এর ব্যবহার রয়েছে। তাই আপনি চাইলে এলাচ গাছ লাগাতে পারেন।

    এলাচের বীজ আপনি বাজার থেকেও কিনতে পারেন অথবা চাইলে অনলাইনে অর্ডার দিতে পারেন। এলাচ গাছ খুব একটা বড় হয় না। তাই কাছাকাছি কোন দোকান থেকে এলাচ বীজ কিনে নে লাগিয়ে ফেলুন। কিন্তু শুধু লাগিয়ে দিয়ে ছেড়ে দিলে হবে না। বেশ কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

    এলাচ গাছের বীজ একটি বায়ুরোধী কোন পাত্রে সারা রাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর ঐ পাত্রে কালো ও লাল মাটি মিশিয়ে রাখুন অথবা এর পরিবর্তে আপনি গোবর বা কোকোপিট ব্যবহার করতে পারেন। আপনাকে এই বিষয় মাথায় রাখতে হবে যে মাটিতে যেন কোনো পোকামাকড় না থাকে। পোকামাকড় থাকলে গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হবে।

    সেই মাটিতে সামান্য সামান্য জল দিন, দেখবেন ৫/৬ দিনের মাথায় বীজ অঙ্কুরিত হওয়া শুরু করে দেবে। তবে বীজ অঙ্কুরিত হওয়া না পর্যন্ত ভালোভাবে রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। তারপর 20,25 দিনের মাথায় দেখবেন গাছ ধীরে ধীরে বড় হতে শুরু করেছে। তাহলে আর দেরি না করে আজই এলাচ বীজ কিনে নে লাগিয়ে দিন।

  • বেশি ভাগ সময় গাড়িতেই কাজ করতে বাধ্য হতে হয়

    বেশি ভাগ সময় গাড়িতেই কাজ করতে বাধ্য হতে হয়

    রাজধা’নীর অন্য,তম ব্যস্ত’তম এলাকার ম,ধ্যে ফা’র্মগেট অন্ন’তম। দিনের বেলায় মানুষের পদ’চারণায় মুখরিত থাকে লাকা তাই দেখে হয়তো অনেক কি,ছুই বো,ঝা যায় না। কি,ন্তু রাতের নিরব,তা যত বাড়ে, ততই এই এলাকায় আনা,গোনা বাড়ে দে’হ ব্যব’সায়ীদের।খ’দ্দেরের

    খোঁ’জে বো’রকা প’ড়ে অ’পেক্ষা ক’রতে দে’খা যায় তাদের রা,স্তার ধারে। গত,শনিবার এ,বং রবিবার মধ্য’রাতে সরে’জমিনে ফা’র্মগেটে গিয়ে দেখা যায়, খ’দ্দেরের খোঁ’জে বোরকা প’ড়ে এখানে-সেখানে অ’পেক্ষা করছেন প’তিতারা।তাদের পাশেই সারি-সারি সিএনজি দাঁ,ড়িয়ে আছে। খ’দ্দের এসে প্রথ,মে দামা’দামি করে।

    এরপর চূ’ড়ান্ত হলে নিয়ে যায় সিএ,নজি করে।তাদের ম,ধ্যে অনে,কেই সাধা,রণ মানু,ষকেও বির’ক্ত করে।নিবি,লাগবে বলে বিভি,ন্ন ইশা’রা দেয় তারা।এতে অনেক পথ,চারীও বিড়ম্ব,নার ম,ধ্যে প’ড়েন।সোহেল হাসান নামের একজন পথ,চারী বলেন, ওরা সু,যোগ বুঝে ই,শারা

    দেয়,নানান রকম অ’’শ্লী’ল কথাও বলে। সাংবা’দিক পরিচয় গো’পন রেখে কথা হয়নিতু নামের একপতি’তার স’’ঙ্গে। স,দ্য এ পথে পা বাড়িয়েছে বলে দা’বিতার। কি’শো’রগঞ্জ জে’লার ভৈরবে,বাড়ি বলে জা’নান নিতু। আরও পড়ুন : লেপ কেন লাল কাপড়েই বানানো হয়। শীতের পরশ লাগতেই লেপ-তোষক বানানোর ধুম পড়ে। লেপ তোষকের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় ও তোরজোর থাকায় ব্যবসায়ীদেরও পোয়াবারো। তারা মৌসুমী লাভের এই সুযোগটাকে হাতছাড়া করতে চাইছেন না।

    শীতের আসার আগেই লেপ ও তোষকের দোকান ছেয়ে যায় লাল আভায়! কারণ লেপ মানেই যেন তুলায় মোড়ানো লাল কাপড়! প্রশ্ন তো জাগতেই পারে, বেশিরভাগ লেপে কেন লাল কাপড় ব্যবহার করা হয়?

    এক সময় মুর্শিদাবাদের একেবারে নিজস্ব এই শিল্পের নাম ছিল সর্বত্র। লম্বা আঁশের কার্পাস তুলাকে বীজ ছাড়িয়ে লাল রঙ্গে চুবিয়ে শুকিয়ে ভরা হতো মোলায়েম সিল্ক এবং মখমলের মাঝখানে। সেই মখমলের রঙ ছিল লাল। সুগন্ধের জন্যে দেওয়া হতো আতর। এখন অবশ্য উচ্চমূল্যের কারণে মখমলের কাপড় ব্যবহার হয় না।

    বাংলা, বিহার, ওড়িশাসহ অভিবক্ত বাংলার প্রথম নবাব মুর্শিদ কুলি খানের আমল থেকেই রীতি অনুযায়ী লাল মখমলের কাপড় ব্যবহার করে লেপ সেলাই করা হতো। এরপর মুর্শিদ কুলি খানের মেয়ের জামাই নবাব সুজাউদ্দিন মখমলের পরিবর্তে সিল্ক কাপড় ব্যবহার শুরু করেন। তবে রঙের কোনো পরিবর্তন আসেনি। তবে মখমল ও সিল্কের কাপড়ের মূল্য জনসাধারণের হাতের নাগালে না থাকার কারণে, পরবর্তীতে সাধারণ কাপড় ব্যবহারের চল শুরু হয়। তবে তখনও কাপড়ের রঙ লালই থেকে যায়।

    এদিকে পুরান ঢাকার লেপ ব্যবসায়ীরা জানান, লেপে এই রীতি ও রঙের ব্যবহার নবাবরাও অনুসরণ করতেন। সেই থেকে লাল কাপড়ে লেপ বানানোর রীতি চলে আসছে। এছাড়া আরো কিছু কারণ রয়েছে; এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, লেপ কখনো ধোয়া যায় না। আর লাল কাপড় ব্যবহারের ফলে ময়লা কম দেখা যায়।

    তবে এ ক্ষেত্রেও মতান্তর রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, ইতিহাস বা ঐতিহ্যের রীতি মেনে নয়, ব্যবসার খাতিরে ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই লাল কাপড়ে মুড়ে রাখা হয়। ফলে দূর থেকেই তা ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে