• অনেক ছেলে খেয়েছি তবে মাঝ বয়সী ছেলেদের স্বাদটাই ভিন্ন : শ্রীলেখা

    অনেক ছেলে খেয়েছি তবে মাঝ বয়সী ছেলেদের স্বাদটাই ভিন্ন : শ্রীলেখা

    কলকাতার খ্যাতিমান অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। বিকল্প ধারার ছবিতে তার অনবদ্য অভিনয়ের ভক্তঅনেক। রূপের আবেদনের পাশাপাশি চরিত্রকে নিজের মধ্যে ধারণ করে সেটা ফুটিয়ে তুলতে শ্রীলেখা

    বরাবরই পটু। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তার নতুন সিনেমা ‘রেনবো জেলি’। এই ছবির প্রসঙ্গেই এক সাক্ষাৎকারে তিনি কথা বলেছেন ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয়ে।

    কিছু দিন ধরেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে, শ্রীলেখা নতুন করে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। তবে সেটা কার সঙ্গে, তা স্পষ্ট নয়। এবার শ্রীলেখা নিজেই স্বীকার করলেন তার নতুন সম্পর্কের কথা। তিনি বলেন, সত্য-মিথ্যা জানি না। তবে আমার থেকে বয়সে ছোট এক বিশেষ বন্ধু আছে। ওর সঙ্গে কাজও করছি।

    শ্রীলেখা আরো বলেন, ওর সঙ্গে যখন ঘনিষ্ঠ হই, তখন আমার স্পেস প্রব্লেম হয়। বিয়ে তো করব না, এটা কনফার্ম। প্রথম থেকেই জানি, এ সম্পর্কের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। তবে একটা মায়া আছে, ভালবাসা আছে। কিন্তু ২০ বা ৩০ বছর বয়সে যেটা ছিল সেই প্রেম এখন আর নেই। তবে ছেলে বন্ধু কম বয়সী হলে স্বাদটা একটু ভিন্ন হয়।

    নতুন এই প্রেমিক সম্পর্কে শ্রীলেখা আরো বলেন, ওর বয়সটা কম, ইমোশন অনেক বেশি। ওর ব্যাপারটা অনেক বেশি প্রকট, বয়সের কারণে। ওই বয়সে আমার এক্স হাজব্যান্ডের জন্য যে আকুতিটা ছিল সেটা সে আমার মতো করে রেসিপ্রোকেট করতে পারত না। ঠিক একইভাবে আমি এখন ওর সেই আকুতিটা হয়তো রেসিপ্রোকেট করতে পারি না। এটা একটা অদ্ভুত ভিসিয়াস সার্কেল। আসলে প্রেম বিষয়টাই এখন ইলিউশন আমার কাছে।

  • রাশিয়ার নারীরা কেন এত সুন্দর হয়,

    রাশিয়ার নারীরা কেন এত সুন্দর হয়,

    পৃথিবীতে এমন কিছু দেশ আছে যেসব দেশের মানুষ অন্যান্য দেশের মানুষের চেয়ে একটু বেশি সুন্দর। চেহারার লাবণ্য, দৈহিক অবয়ব, আবেদনময়ী ভঙ্গিমা ইত্যাদির বিচারে বিশ্বের বেশ কিছু দেশের নারীদের পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নারী বলা হয়। যার মধ্যে রাশিয়ার নারীরা অন্যতম।

    রাশিয়ান নারীরা সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে আলোচিত। তাদের গায়ের রং, শারীরিক গঠন, চুলের সৌন্দর্য, লোভনীয় চোখ, নিশ্ছিদ্র পরিষ্কার ত্বক, ভালো উচ্চতার সাথে সুন্দর ফিগারের জন্য সবসময় তারা আবেদনময়ী।

    তাদের এই চোখ জুড়ানো সৌন্দর্য নিয়ে আলোচনা কম হয় না। কিন্তু এর পেছনের রহস্য কী? কীভাবে তারা এই সৌন্দর্য ধরে রাখেন? রাশিয়ার নারীরা ত্বকের যত্নে বেশ সচেতন। জেনে নিন রূপচর্চায় তারা কোন কাজগুলো করে থাকেন-

    গোলাপজলের ব্যবহার
    প্রতিদিন সকালে গোলাপ জল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে ত্বক টোনিং হয় ভালোভাবে। তাছাড়া ত্বক ভালো রাখতে গোলাপজলের উপকারিতা সম্পর্কে তো আমরা কমবেশি জানিই। এই উপকারী উপাদানই কাজে লাগান রাশিয়ার নারীরা।

    বিশেষ টক ক্রিম ব্যবহার
    ত্বকের যত্নে রাশিয়ার নারীদের আছে নিজস্ব কিছু উপায়। তারা ফেসপ্যাক তৈরির সময় এক ধরনের টক স্বাদের ক্রিম ব্যবহার করেন। এই ক্রিমে থাকে ল্যাকটিক অ্যাসিড। এটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে।

    ডিমের কুসুমের ব্যবহার
    রাশিয়ায় সারা বছরই ঠান্ডা থাকে। যে কারণে সেখানকার আবহাওয়া থাকে ভীষণ রুক্ষ ও শুষ্ক। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে তাই রাশিয়ার মেয়েরা ডিমের কুসুম ব্যবহার করে। এতে ত্বকের রুক্ষতা দূর হওয়ার পাশাপাশি বজায় থাকে প্রাকৃতিক আর্দ্রতা। সেইসঙ্গে ডিমের কুসুম ত্বকে পুষ্টি পৌঁছে দেয়।

    শসার রসের ব্যবহার
    ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে কাজ করে শসার রস। সেইসঙ্গে এটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতেও কাজ করে। নিয়মিত এর রস ব্যবহার করলে ত্বকে বলিরেখা পড়ে না। ত্বকের শুষ্কতার জন্য লালচে বা ফোলাভাব দেখা দিলে শসার রস ব্যবহার করা হয়। এই কাজটিই যত্ন নিয়ে করে রাশিয়ার নারীরা। যে কারণে তাদের ত্বক থাকে এত সুন্দর।

    রাস্পবেরি রসের ব্যবহার
    রাশিয়ার নারীদের ঠোঁটে অনেকটা গোলাপের পাপড়ির আভা ছড়িয়ে থাকে। এর জন্য তারা ঠোঁটে রাস্পবেরির রস ব্যবহার করে। এই ফলে থাকে প্রচুর খনিজ ও ভিটামিন। তাই এটি ব্যবহারে ঠোঁটে সঠিক পুষ্টিও পৌঁছায়। সেইসঙ্গে দূর হয় ঠোঁটের কালচে ছোপও। রাস্পবেরির রসের সঙ্গে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে ব্যবহার করলে বেশি ভালো ফল পাওয়া যাবে।

    বিটরুটের ব্যবহার
    গালে প্রাকৃতিকভাবে গোলাপি আভা নিয়ে আসার জন্য রাশিয়ার নারীরা ব্যবহার করে বিটের রস। এটি হলো প্রাকৃতিক ডিটক্স এজেন্ট। ত্বকে আর্দ্রতা জোগানোর পাশাপাশি এটি ত্বকে উজ্জ্বলতা বাড়ায়। পাশাপাশি ব্রণ এবং ডার্ক সার্কেল প্রতিরোধে কাজ করে বিটরুট।

    সল্ট স্ক্রাব
    ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে বিশেষ এক ধরনের স্ক্রাব ব্যবহার করেন রাশিয়ার নারীরা। তারা অলিভ অয়েলের সঙ্গে লবণ মিশিয়ে এক ধরনের স্ক্রাব তৈরি করে। এরপর সেই স্ক্রাব দিয়ে ত্বক এক্সফোলিয়েট করে। যে কারণে ত্বকের মৃত কোষ ঝরে ত্বক সুন্দর হয়ে ওঠে।

  • আফ্রিকান ফুটবলারের বাঙালি বউ, বাসর রাতে বুঝলেন

    আফ্রিকান ফুটবলারের বাঙালি বউ, বাসর রাতে বুঝলেন

    হ্যাপি ম্যারি ক্রিসমাস’ লেখা বড় স্টিকার ঝুলছে দরজার বাইরে। কলিং বেলের শব্দে দরজা খোলার পর ‘আ’সসালামু আলাইকুম’ও শোনা গেল। সম্বোধনের জ’বাব দিয়ে ভেতরে বসতে বসতে মাথায় এল, ক্ষণিকের ব্যবধানে

    ‘হ্যাপি ম্যারি ক্রিসমাস’ ও ‘আ’সসালামু আলাইকুম’ অনভ্যস্ত কানে কিছুটা অ’দ্ভুত লাগবেই।কিন্তু সে অ’স্বস্তিটা মিলিয়ে যায় মুহূর্তেই, দারুণ এক গল্প শোনার অপেক্ষায়। ২০১২ সালের প্রথম দিককার কথা। ক্লাবের অনুশীলন শেষে রেস্টুরেন্টে গিয়ে বসতেন এক ফুটবলার। সেখানে দেখা মিলত এক না’রীর, ছেলেকে স্কুলের টিফিন কিনে দিতে ঢুকতেন তিনি।নিয়মিত চোখাচোখি হতো, কথাবার্তাও শুরু হলো। এ প্লেট থেকে খাবার ও প্লেটে, মন আদান-প্রদান হতেও সময় লাগল না।

    দুই জোড়া হাতের এক হয়ে যাওয়া—সেটাও হয়ে গেল নিমেষে। সিনেমার গল্প মনে হচ্ছে, তাই না!এখনো ঢের বাকি গল্পের। কারণ, গল্পটা এক আফ্রিকান ফুটবলারের সঙ্গে বাঙালি মেয়ের বিয়ের। ঢাকার ফুটবলের পরিচিত নাম এলিটা কিংসলে। আর এ গল্পের অন্য চরিত্রের নাম লিজা। নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকারের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার বছর খানেক আগে বিবাহবি’চ্ছেদ হয়েছিল তাঁর।

    সাধারণত আগের ঘরের সন্তানের বাবা বা মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে বা’ধা হয়ে ওঠে। কিন্তু লিজার ছেলে ফারিয়ানই দুই দেশের দুটি প্রা’ণের মধ্যে সেতুব’ন্ধ করে দিয়েছে। চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ফারিয়ানের সঙ্গেই প্রথমে পরিচয় হয়েছে এলিটার।

    বাবা থাকতেও নেই—এ কথা শুনে ফারিয়ানের প্রতি এলিটার সহানুভূতি জাগে। পরে ফারিয়ানের সূত্র ধরে লিজার সঙ্গে পরিচয়, রেস্টুরেন্টে নিয়মিত একসঙ্গে খাওয়া ও ফোন নম্বর বিনিময়। লিজা প্রথমে ইংরেজি বলতে পারতেন না। এখানেও ভরসা ছেলে ফারিয়ান।

    মা ও কিংসলের মধ্যে অনুবাদক হিসেবে কাজ করত ফারিয়ান। কয়েক মাসের পরিচয়ে এলিটার পক্ষ থেকেই প্রথমে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়। বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ২০১২ সালের ২০ মে। প্রায় দেড় বছর পর ২০১৩ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর তাঁদের কোলজুড়ে এসেছে মেয়ে সামিরা।

    বিয়ে ও মেয়ে সামিরার জ’ন্ম তারিখটা লিজার ঠোঁটের আগাতেই ছিল। তাঁদের সংসারটাও অনেক সুখের, ‘মনে হয় না আমি কোনো ভিনদেশির সঙ্গে সংসার করছি। আমাদের সম্পর্কটা খুবই মিষ্টি। দেখছেনই তো এক বাসাতেই আমার বাবা-মাও থাকেন।

    প্রথমে ভাষার স’মস্যা ছিল। কিন্তু ছেলে আমাদের সবকিছু বুঝিয়ে দিত। এখন আমি নিজেই ইংরেজিতে অ’ভ্যস্ত হয়ে উঠছি। এলিটাও এখন বাংলা অনেকটা আয়ত্তে নিয়ে ফেলেছে।’ এলিটার নামটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে প্রথম শেখ কামাল গোল্ডকাপে চট্টগ্রাম আবাহনীর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৃশ্য।এলিটার জোড়া গোলেই ইস্টবেঙ্গলকে ৩-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আবাহনী।

    মাঠে এলিটার গোল করার ক্ষ’মতা সবার জানা। কিন্তু এই নাইজেরিয়ানের সবচেয়ে বড় গুণ, অন্যান্য আফ্রিকান ফুটবলারের মতো তাঁর নামে কোনো অ’ভিযোগ নেই। ক্লাব কর্মক’র্তা থেকে দর্শক—সবাই এলিটাকে ভদ্র ফুটবলার হিসেবেই স’ম্মান করেন। বাংলাদেশে পা রাখেন ২০১১ সালে। আরামবাগ, মু’ক্তিযো’দ্ধা ও বিজেএমসি ক্লাবের হয়ে মেঘে মেঘে বেলা গড়িয়ে প্রায় সাত বছর হলো। ইতিমধ্যে পুরোপুরি বাংলাদেশি হয়ে ওঠার জন্য গত বছর নাগরিকত্ব চেয়ে আবেদন করেছেন।

    এখন তাঁর একটাই স্বপ্ন, মেয়ে সামিরা বলবে তার বাবা বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফুটবলার, ‘অনেক বছর হলো বাংলাদেশে আছি।এখানেই সংসার পেতেছি। এখন আমি নিজেই বাংলাদেশের হতে চাই। লাল-সবুজ জার্সি গায়ে খেলতে চাই। এ জন্যই বাংলাদেশের নাগরিকত্ব চেয়ে আবেদন করেছি। মেয়ের মুখ থেকে শুনতে চাই, তার বাবা বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফুটবলার।’ কথাটি শে’ষ করার আগেই চার বছরের সামিরা ‘লাভ ইউ বাবা’ বলে চুমু দিলেন এলিটার গালে।

    বৃহস্পতিবার এলিটা-লিজা দম্পতির সামনে বসে একটি সুখের সংসারের ছবি দেখে নেওয়া গেল। পরের দিনই সামিরা তার দাদাবাড়ি নাইজেরিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। এই নিয়ে ছোট মেয়েটার মধ্যে কী উচ্ছ্বাস। লিজাও প্রথমবারের মতো শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছেন।

    শাশুড়ির পছন্দ-অ’পছন্দ নিয়ে তাঁর চিন্তা। সবকিছুর মধ্যেই একটা সুখের ঘ্রাণ।দুঃখও আছে। ঝ’গড়া হলে লিজা বা এলিটা কেউই নাকি মন খুলে ঝ’গড়া করতে পারেন না। লিজা যেমন খুব ভালো ইংরেজি বলতে পারেন না, তেমনি এলিটাও পারেন না খুব ভালো বাংলা বলতে। ফলে ঝগ’ড়া হয় একপেশে। একপেশে ঝ’গড়ার আর মজা আছে নাকি। আফ্রিকা-বাংলাদেশের সন্ধিতে এই একটাই আফসোস!

  • অল্পবয়সী সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করে দাদুর হাসি থামছেই না

    অল্পবয়সী সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করে দাদুর হাসি থামছেই না

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন একজন বৃদ্ধ ভাইরাল হয়েছে, যা দেখে চোখ কপালে উঠেছে নেটিজেনদের। একজন বৃদ্ধ তাঁর হাঁটুর বয়সী সমান যুবতীকে বিয়ে করেছেন। কিন্তু, সবথেকে চমকে দেওয়া ব্যাপার হল ওই বৃদ্ধ যুবতীকে বিয়ে করে হেসেই চলেছেন। তিনি এতোটাই খুশি হয়েছেন যে দুই হাত দিয়ে তালি মেরে চলেছেন। বৃদ্ধর এমন কাণ্ড দেখে হাসি থামছে না নেটিজেনদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও।

    সোশ্যাল মিডিয়া হল এমন একটি জায়গা, যেখানে বিভিন্ন আজব ধরনের ঘটনা ভাইরাল হয় সবার আগে। এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে চলেছে একটার পর একটা বিয়ের ভিডিও। বিয়ের মণ্ডপে কখনও বর থাপ্পড় মারছেন বউকে আবার কখনও বউ থাপ্পড় মারছেন বরকে। কিছুদিন আগেই বিয়ের মণ্ডপে বর এবং বউয়ের তুমুল মারপিটের ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল।

    মিষ্টি খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে মারামারি হয়। সম্প্রতি একজন বৃদ্ধর বিয়ের ভিডিও ব্যাপক ভাবে ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তিনি একজন কম বয়সী যুবতীকে বিয়ে করে হেসেই চলেছেন। নেটিজেনরাও হতবাক ওই বৃদ্ধর কাণ্ড দেখে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে ইন্সটাগ্রামে। psycho_biihari নামের একটি প্রোফাইল থেকে ইন্সটাগ্রামে শেয়ার করা হয়েছে ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিও। সেখানে দেখা যাচ্ছে যে, বিয়ের পরে পাশাপাশি বসে রয়েছেন বর এবং বউ।