• বিমানে ওঠার আগে রানওয়েতে বসে প্রস্রাব ভারতীয়র

    বিমানে ওঠার আগে রানওয়েতে বসে প্রস্রাব ভারতীয়র

    বিমান ছাড়তে আর কিছুক্ষণ বাকি। আর তার মধ্যেই রানওয়ের পাশে বসেই প্রস্রাব করতে দেখা গেল এক বৃদ্ধকে। বিস্মিত হয়ে সেই অদ্ভুত দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেন পাইলট।

    মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বিহারের দ্বারভাঙা বিমানবন্দরে। ওই ঘটনার একটি ভিডিও ইতোমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে।

    ভিডিওটিতে দেখা যায়, সাদা ধুতি-পাঞ্জাবি পরা একজন বৃদ্ধ বিমান থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে রানওয়ের পাশে বসে প্রস্রাব করছেন। আর যাত্রীরা বিমানে ওঠার জন্য লাইন করে দাঁড়িয়ে আছেন। বিমানের ককপিটে থাকা পাইলটের চোখে বৃদ্ধের কীর্তি ধরা পড়তেই হেসে ওঠেন তিনি। দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দিও করেন। সেই ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে।

    ভাইরাল ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে ‘আদর্শ আনন্দ’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতোমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন ৯ সেকেন্ডের সেই ভিডিও।

    তবে ভাইরাল ভিডিও নিয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। কোন বিমানের ককপিট থেকে ভিডিও ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছিল এবং ওই বৃদ্ধ বিমানের যাত্রী ছিলেন কি না, তা-ও এখনও স্পষ্ট নয়।

     

  • এপাশ-ওপাশ করে রাত পার, যে ভি’টামিনের অভাবে ঘুম হচ্ছে না, জেনে নিন

    এপাশ-ওপাশ করে রাত পার, যে ভি’টামিনের অভাবে ঘুম হচ্ছে না, জেনে নিন

    রাতে ভালো ঘুম হওয়াটা খুব জরুরি। প্রতিদিন অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম না হলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আধুনিক জীবনের জন্য অনেকেরই ঘুমের সমস্যা হয়। এর মধ্যে ভিটামিনের অভাব একটি বড় কারণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন ভিটামিনের অভাবে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

    ভিটামিন ডি
    ভিটামিন ডি হাড়ের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি ঘুমে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি খেলে ভালো ঘুম হয় এবং অ্যানিমিয়া বা অনিদ্রার সমস্যা কমে যায়।

    সূর্যালোক ছাড়াও আপনি সামুদ্রিক মাছ, ডিম, দুধ ও ফলের রস থেকে ভিটামিন ডি পেতে পারেন।

    ভিটামিন ই
    এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা কোষের সুস্থতা বজায় রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন-ই ঘুমের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

    কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পালং শাক, ব্রকলি এবং টমেটো থেকে ভিটামিন-ই পাওয়া যায়।

    ভিটামিন সি
    ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা শরীরের বিভিন্ন সমস্যা রোধ করে এবং ভালো ঘুম আনে। পালং শাক, ফুলকপি, সাইট্রাস ফল যেমন— কমলা, লেবু ইত্যাদি ভিটামিন সির ভালো উৎস।

    ভিটামিন বি-৬
    এ ভিটামিন অনিদ্রা দূর করতে সাহায্য করে এবং রাতে ভালো ঘুমে সাহায্য করে।

    কলা, গাজর, পালং শাক, আলু, ডিম, চিজ, মাছ এবং গোটা শস্যদানায় প্রচুর ভিটামিন বি-৬ পাওয়া যায়।

    ভিটামিন বি-১২
    এটি মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখে এবং ঘুমের সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করে। প্রাণিজ প্রোটিন এবং দুধজাতীয় খাবারে এ ভিটামিন পাওয়া যায়।

  • সকালে বাদাম খাওয়ার আগে জেনে নিন এই ৫ স’তর্কতা

    সকালে বাদাম খাওয়ার আগে জেনে নিন এই ৫ স’তর্কতা

    সকালে বাদাম খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী হলেও কিছু ক্ষেত্রে এটি বিপরীত প্রভাব ফেলতে পারে। সঠিকভাবে না খেলে হজমের সমস্যা থেকে শুরু করে ওজন বাড়া বা অ্যালার্জির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

    তাই সকালে বাদাম খাওয়ার আগে জেনে নিন ৫টি সতর্কবার্তা—

    ১. অতিরিক্ত ক্যালোরির ঝুঁকি
    বাদামে প্রচুর ক্যালোরি ও ফ্যাট থাকে। সকালে মাত্রাতিরিক্ত খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে, বিশেষ করে যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তাদের জন্য এটি সমস্যা তৈরি করতে পারে।

    ২. খালি পেটে বেশি বাদাম নয়
    খালি পেটে অনেক বাদাম খাওয়ার ফলে হজমে সমস্যা, অম্বল বা গ্যাস্ট্রিকের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণেই খাওয়াই ভালো।

    ৩. বাদামে অ্যালার্জি থাকলে সতর্ক থাকুন
    অনেকেরই বাদামে অ্যালার্জি থাকে। ফলে সকালে বাদাম খাওয়ার পর চুলকানি, ত্বকে ফুসকুড়ি বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এ ধরনের সমস্যা থাকলে বাদাম এড়িয়ে চলুন।

    ৪. থাইরয়েড রোগীদের সাবধানতা জরুরি
    চিনাবাদাম বা আখরোটের মতো কিছু বাদাম থাইরয়েড হরমোনের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে। থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে নিয়মিত বাদাম খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    ৫. কিডনি সমস্যায় নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে খেতে হবে
    বাদামে পটাশিয়াম ও ফসফরাসের পরিমাণ বেশি থাকে। কিডনির কার্যকারিতা দুর্বল হলে এগুলো শরীরে অতিরিক্ত জমে ক্ষতি করতে পারে। তাই কিডনি রোগীরা সকালবেলা বেশি বাদাম খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন।

    ভালোভাবে খেতে চাইলে কী করবেন?
    সকালে ৪–৫টি কাজুবাদাম বা কাঠবাদাম সারারাত ভিজিয়ে খেলে হজমে সুবিধা হয় এবং শরীরও উপকৃত হয়। তবে অতিরিক্ত খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো।

  • প্রতিদিন একটি করে কলা খাওয়া কাদের জন্য জ’রুরি, জেনে নিন

    প্রতিদিন একটি করে কলা খাওয়া কাদের জন্য জ’রুরি, জেনে নিন

    আমাদের দেহের জন্য প্রতিদিন নানা পুষ্টি ও শক্তির প্রয়োজন পড়ে। আর এসব পুষ্টি ও শক্তির জোগান দেয় প্রতিদিনের খাবারের পাশাপাশি ফলমূল। তেমনি একটি ফল হচ্ছে কলা। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় কাজে আসতে পারে এই ফল।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দিনে কমপক্ষে একটি কলা খাওয়া উচিত।

    আমেরিকান জার্নাল অব ফিজিওলজি-রেনাল ফিজিওলজিতে প্রকাশিত একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, যে উচ্চ কে+ গ্রহণের সিমুলেশন ক্যালিউরেসিস, ন্যাট্রিউরেসিস ও রক্তচাপে অনেকটাই কমেছে, এমনকি উচ্চ এনএ+ গ্রহণের সঙ্গে মিলিত হলেও। এটি আমাদের মনোযোগ কলার দিকে এনে দেয়, যা পটাশিয়ামের একটি সমৃদ্ধ উৎস।

    পটাশিয়াম সমৃদ্ধ

    কলা পটাশিয়াম সমৃদ্ধ।

    একটি বড় কলায় প্রায় ৪০০-৪৫০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে, যা আপনার দৈনিক চাহিদার প্রায় ১০%। পটাশিয়াম শরীরে সোডিয়ামের (লবণ) নেতিবাচক প্রভাব ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। প্রক্রিয়াজাত খাবার, স্ন্যাকস ও রেস্তোরাঁর খাবারের জন্য আমাদের বেশির ভাগই প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি লবণ গ্রহণ করে। সোডিয়াম শরীরে পানি ধরে রাখে, রক্তের পরিমাণ বাড়ায় এবং এটিই রক্তচাপকে বাড়িয়ে তোলে।

    প্রতিদিন একটি কলা খাওয়া কি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে?

    না, এতে খুব বেশি পার্থক্য হবে না। তবে হ্যাঁ, এটি একটি প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর বিকল্প। অন্যদিকে, পটাশিয়াম আপনার কিডনিকে প্রস্রাবের মাধ্যমে অতিরিক্ত সোডিয়াম বের করে দিতে সাহায্য করে। তাই, বেশি পটাশিয়াম=কম সোডিয়াম=রক্তচাপ কমায়।

    ফাইবার সমৃদ্ধ

    কলায় প্রচুর দ্রবণীয় ফাইবার থাকে, যা হৃদপিণ্ডের জন্য ভালো।

    কলা কেবল পটাশিয়ামই নয়। এটি দ্রবণীয় ফাইবারেরও একটি দুর্দান্ত উৎস, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দ্রবণীয় ফাইবার এলডিএল কোলেস্টেরল (খারাপ কোলেস্টেরল) কমাতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল কমানোর অর্থ হলো ধমনীতে প্লাক জমা কমবে।

    কলায় থাকা ফাইবারের ধরন হজমকেও কিছুটা ধীর করে দেয়, যা রক্তে শর্করা ও ইনসুলিনের মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ একসঙ্গেই চলে। সকালের নাশতায় ওটসের সঙ্গে একটি কলা কেটে নিন। দ্বিগুণ ফাইবার পাবেন এবং আপনার দিনের শুরুটাও দুর্দান্ত হবে।

    ম্যাগনেসিয়ামের প্রাকৃতিক উৎস

    কলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম থাকে, যা রক্তনালি শিথিল করতে এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ম্যাগনেসিয়াম ভাস্কুলার টোনে ভারসাম্য রাখে, রক্তনালির দেয়ালে প্রদাহ কমায় এবং হৃৎস্পন্দন ও স্নায়ুর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত অনেকেরই অজান্তেই ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি থাকে, বিশেষ করে যদি তারা চাপের মধ্যে থাকে বা হোল গ্রেইন ফুড না খায়।

    প্রতিদিন একটি কলা আপনাকে সম্পূর্ণ ম্যাগনেসিয়াম ডোজ দেবে না, তবে এটি একটি দুর্দান্ত শুরু। বিশেষ করে যখন পাতাযুক্ত সবুজ শাক, বীজ ও আস্ত শস্যের সঙ্গে মিশিয়ে খাবেন। ম্যাগনেসিয়াম আপনাকে ভালো ঘুমাতে এবং চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করবে। এই দুটির অভাব হলে তা সরাসরি রক্তচাপকে প্রভাবিত করে।