• ১২ ঘণ্টায় ১ হাজার ৫৭ জন পুরুষকে খুশি করে রেকর্ড গড়লেন যুবতী

    ১২ ঘণ্টায় ১ হাজার ৫৭ জন পুরুষকে খুশি করে রেকর্ড গড়লেন যুবতী

    বনি ব্লু। জন্ম ১৯৯৯। স্টাফলফোর্ডের মেয়ে। তিনি এখন যথেষ্ট পরিচিত মুখ প্রাপ্তবয়স্ক ভিডিও বানানোর কারণে। ওনলি ফ্যান নামক ওই প্ল্যাটফর্মে ভিডিও বানানোর আগে, বনি ওয়েবক্যাম মডেল হিসেবে নিজের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। এবার তাঁরই এক ভিডিও ঘিরে হইচই।

    কেন হইচই ভিডিও ঘিরে? কারণ সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা পোস্টে বনি দাবি করেছেন, তিনি ১২ঘণ্টায় বিছানায় সঙ্গ দিয়েছেন ১০৫৭জন পুরুষকে। সোমবার তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট করে এই তথ্য জানান। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি ভিডিওতে বলা সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত করেছেন, অর্থাৎ তিনি যে সংখ্যক পুরুষের কথা বলেছেন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে, তা সত্য।

    বনির এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই একপ্রকার হইচই পড়ে গিয়েছে। নেটিজেনরা নানা ধরনের মন্তব্য করছেন। বনি একটি বিশ্ব রেকর্ড গড়ে তুলেছেন এই কাজের মাধ্যমে। এর আগে, ২০০৪ সালে লিসা স্পার্কসের একদিনের শয্যাসঙ্গী ছিল ৯১৯। ২০২৫-এ এসে সেই রেকর্ড ভাঙলেন বনি।

    জানা যাচ্ছে, মূলত ১৮-১৯ বছরের তরুণরাই বনির ‘টার্গেট অডিয়েন্স’। তিনি মনে করেন এই ধরনের প্রাপ্তবয়স্ক ভিডিও, সত্যি নয়, আবার শিক্ষামূলকও নয়। জানা গিয়েছে, প্রাপ্তবয়স্ক ভিডিও বানানোর আগে, তিনি চাকরিতে নিয়োগের কাজ করতেন। তিনি ইতিমধ্যে বিয়েও সেরে ফেলেছেন।

    উল্লেখ্য, নানা সময়ে, একাধিক ভিডিও শেয়ার করে বনি জানিয়েছেন, কীভাবে এই কাজ করেন, কত টাকা রোজগার করেন, কীভাবে তাঁর দিন গুজরান হয়, মেকআপ কেনেন কোথা থেকে, কত টাকা দিয়ে, সেসব শেয়ার করেন। তাতে যদিও বেশকিছু নেটিজেন বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। বলছেন, কী হবে এই রেকর্ডের বিষয়ে জেনে?

  • বাসর রাত তাই চিৎকার করেনি ফুলি, র”ক্তক্ষরণেই মৃ”ত্যু

    বাসর রাত তাই চিৎকার করেনি ফুলি, র”ক্তক্ষরণেই মৃ”ত্যু

    সময় রাত ২টা ৪৫ মিনিট। ডিউটি ডাক্তার সবে মাত্র বিশ্রাম নেয়ার জন্য ঘুম ঘুম চোখে বিছানায়। ইমারজেন্সি থেকে কল আসল। চোখের পাতায় ঘুম ঠেসে, ইমারজেন্সিতে এসে চমকে যাওয়ার মত অবস্থা। মহিলা রোগী, পরনের চাদর রক্তে ভেজা। মুখের রঙ ফ্যাকাসে, সাদা। কাপড় দেখেই বোঝা যাচ্ছে নতুন বিয়ে হয়েছে।

    রোগীর নাম ফুলি (ছদ্দ নাম)। হিস্ট্রি নেয়ার জন্য ডাক্তার জানতে চাইল, কি হয়েছে? রোগীর সাথে সদ্য বিবাহিত জামাই, জা এবং আরও ৪/৫ জন এসেছে।

    ডাক্তারের প্রশ্ন শুনেই রোগীর বর চোরের মত, রুম থেকে বের হয়ে গেল। রোগীর সঙ্গে আসা এক মহিলা তেজের সাথে বলল, ‘ডাক্তার হইছেন, বুঝেন না কেরে, সব বলতে হইবো। ওদের গ্রামে গাছের মাথায় বাধা মাইকটিতে একটির পর একটি বিয়ের গান বেজে চলছে। বিয়ে বাড়িতে সবাই ব্যস্ত। বর পক্ষের যারা এসেছে, কথা বার্তায় অভিজাত ও ব্যক্তিত্ব দেখানোর চেষ্টায় ব্যস্ত। দর কষাকষি করার পরে, কনে পক্ষ থেকে যৌতুক হিসেবে যা পাওয়া গেছে, তা নেহাতই কম নয়।
    কিন্তু কম হয়ে গেছে কনের বয়স। বাচ্চা মেয়ে, নাম ফুলি বেগম, সবে মাত্র ১৪ পেরিয়ে ১৫ বছরে পড়েছে। মেয়ের বাবাও মোটামুটি ভাবে লাল শাড়ি পড়িয়ে মেয়েকে বিদায় দিতে পেরে খুশি। মেয়ে হলে তো বিদায় দিতেই হবে। ক্লাস সেভেন পর্যন্ত মেয়েকে পড়িয়েছে। কম কি! তাছাড়া, শোনা যাচ্ছে ছেলেও নাকি ভাল।

    বাড়ির উঠোনে বসে মুখে পান চিবোতে চিবোতে ছেলের মামা বলল, ‘এমন ছেলে কোথায় পাবেন মিয়া। তাছাড়া, ছেলে মানুষের একটু দোষ থাকলেও সমস্যা নেই, বিয়ের পর ঠিক হয়ে যাবে। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মেয়েকে নিয়ে আসা হল তার নতুন ঘরে। যে মেয়েটি সবে মাত্র জীবনের সংজ্ঞা শিখতে শুরু করেছে, শৈশব থেকে কৈশোরে পা রাখতে যাচ্ছে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই, তার আজ বাসর রাত।

    পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজে সতীত্ব যাচাই করার উৎসব। আর বিয়ে তো একটি সামাজিক বৈধতা মাত্র। সমাজ অনেক এগিয়েছে ঠিকই, কিন্তু বিয়ের সময় মেয়ের মতামতটা এখনও গৌন। মেয়ের যদি মতামত না নেওয়া হয় বা পরিবারের কারও ধমকে মতামত দানের পর বিয়ে হয়, তাহলে তাকে ধর্ষণ না বলে উপায় নেই। ফুলির ইচ্ছে করছে, চিৎকার করতে, কিন্তু বাসর ঘরে চিৎকার করা যে উচিত নয়, এতটুকু বুঝতে শিখেছে ফুলি। হাত পা ছুঁড়ে বরের লালসার যজ্ঞ থেকে বেরিয়ে আসার মিথ্যে চেষ্টা।
    সমাজ বিধীত ‘বর’, যখন আদিম পশুত্ব থেকে বাসস্তবে ফিরে আসে, তখন ফুলি রক্তে ভেজা। তখনও ফিনকির মত রক্ত যাচ্ছে। ক্রমান্বয়ে সাদা ফাক্যাসে হয়ে আসছে মুখের রঙ! ফুলি এখন হাসপাতালের বেডে অচেতন হয়ে শুয়ে আছে। তাকে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হচ্ছে, ফুলির চোখ পড়েছিল শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ওপর। তারা যে কানাকানি করে কথা বলছিল, ব্যাঙ্গাত্তক হাসি তামাশা করছিল।

    যেন সব দোষ ফুলির। লজ্জায় কারও দিকে তাকাতেও ভয় করে। তারপর ইঞ্জিন চালিত গাড়ীর প্রচন্ড শব্দ। আরও এলোমেলো কিছু মুহূর্ত। কিছুক্ষণ পর, সাদা এপ্রোন পড়া একজন ডাক্তার এসে তার হাত ধরেছে। মনে আছে শুধু এটুকুই। ডাক্তার নার্সকে সাথে নিয়ে, ফুলি বেগমকে পরীক্ষা করলেন। ভয়াবহ রকমের পেরিনিয়াল টিয়ার (যৌনাঙ্গ ও তার আশ পাশ ছিঁড়ে গেছে)। তখনও রক্ত যাচ্ছে প্রচুর। হাতে পালস দেখা হল। খুবই কম। জরুরি ভিক্তিতে রোগীকে রক্ত দেয়া দরকার। জরুরি অবস্থায় অপারেশন করে ছিঁড়ে যাওয়া অংশ ঠিক করতে হবে। এই ভয়াবহ সংকটাপন্ন রোগীকে নিয়ে হিমসিম খাওয়ার অবস্থা কর্তব্যরত ডাক্তারের। ম্যাডামকে ফোন করা হল…
    সকালে রোগীর শ্বশুরবাড়ির লোক সবাই উধাও। ফুলির বাবা আসলেন সেই ভোরে, রক্ত জোগাড় হল কোন রকমে। ছয়দিন পর, রোগীর সেপ্টিসেমিয়া ডেভলপ করলো। ইনফেকশন রক্তে ছড়িয়ে গেছে। ভাল অ্যান্টিবায়োটিক দরকার।

    রোগীর বাবা এসে বললেন, তারা আর খরচ চালাতে পারবেন না। ডাক্তার পরামর্শ দিলেন, কোন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করাতে, তাহলে ঔষুধ কেনার খরচ কিছুটা বাচবে। কিন্তু, হাসপাতাল মানে তো, কাজকর্ম রেখে একজনকে রোগীর পাশে থাকতে হবে। রিলিজ দিয়ে বাসায় নিয়ে যেতে চাচ্ছেন, যা হবার হবে। রিলিজ নিয়ে ফুলিকে বাসায় নেয়া হল।

    আরও বেশি অসুস্থ হওয়ায় চারদিন পরে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হল। পরদিন ভোর ভোর সময়। একবার চোখ খুলে আবার বন্ধ করলো ফুলি। সেই বন্ধ শেষ বন্ধ। এই সমাজের প্রতি ঘৃনায় চোখ জ্বল জ্বল করছিল কি না কেউ দেখতে পারেনি। ভোরের স্বল্প আলোয় বিদায় জানালো জীবনের নিষ্ঠুরতাকে। ফুলি ‘একিউট রেনাল ফেইলরে’ মারা গেছে।

    ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে ডায়ালাইসিসের জন্য বলা হয়েছিল, তারা রোগী নিয়ে এত ঝামেলা করতে পারবে না। শ্বশুরবাড়ি থেকে সেই বাসর রাতের পর, কেউ আসেনি। তাদেরই বা এত চিন্তা কি, একটা বউ মরলে দশটা বউ পাওয়া যায়!

    ফুলি একা নয়, এ রকম ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়।

    এই ঘটনা গুলো চক্ষু লজ্জার ভয়ে প্রকাশ হয় না। কিন্তু সচেতনতা জরুরি।

  • ব্রা-এর বাংলা অর্থ কী? অনেকেই বলতে পারেন না, জানলে অবাক হবেন

    ব্রা-এর বাংলা অর্থ কী? অনেকেই বলতে পারেন না, জানলে অবাক হবেন

    মহিলাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পোশাকের মধ্যে ব্রা একটি। কিন্তু আজও সমাজে এটি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা হয় না। এমনকি দোকানে কিনতে গিয়েও মহিলাদের বেশ সমস্যায় পড়তে হয়। কিন্তু এটি একটি অন্তর্বাস, যা নিয়ে লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই। বরং লজ্জা ঢাকতেই এই পোশাক পরা হয়। যাইহোক এই প্রতিবেদনে ব্রা সম্পর্কে একটি মজার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

    আপনি নিশ্চয়ই জানেন, মহিলাদের অন্তর্বাসকে ব্রা বলে, যা একটি ইংরেজি শব্দ। আসলে ব্রা হল একটি সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি ফরাসি শব্দ ব্রেসিয়ার থেকে এসেছে। ১৮৯৩ সালে এই শব্দটি প্রথমবার এক মার্কিন সংবাদপত্রে ব্যবহার করা হয়েছিল। এরপর ধীরে ধীরে বিভিন্ন ম্যাগাজিনেও এই শব্দটির প্রচলন হয়। কয়েক বছর পর অক্সফোর্ড অভিধানেও জায়গা করে নেয় এই শব্দ৷

    তবে অতীতের তুলনায় এখন ব্রা-র ডিজাইনে অনেক পরিবর্তন এসেছে। শুরুতে ব্রা-তে কাপের আকার ছিল না। তাহলে একবার ভাবুন সেই সময় মহিলাদের কতটা সমস্যায় পড়তে হতো। জানা যায়, ১৯৩০ সালে এসএইচ ক্যাম্প কোম্পানি প্রথমবারের মতো ব্রা-তে কাপের আকার ডিজাইন তৈরি করেছিল।

    প্রাথমিকভাবে এই শব্দের অর্থ হলো শিশুদের অন্তর্বাস, কিন্তু পরবর্তীতে মহিলাদের পোশাকের রূপ দেয়া হয়েছিল। আসলে ব্রা (BRA) একটি সংক্ষিপ্ত রূপ। এর পূর্ণরূপ হল Breast Resting Area অর্থাৎ স্তন বিশ্রামের এলাকা। তবে একে বক্ষবন্ধনীও বলা হয়ে থাকে৷ তবে যত সময় এগিয়েছে, মহিলাদের এই অন্তর্বাসটির ডিজাইন পরিবর্তন হয়েছে। আজকাল বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের A থেকে D সাইজের ব্রা পাওয়া যায়।

    তবে অধিকাংশ মহিলাই স্তনের সঠিক আকার না জেনেই অন্তর্বাস ব্যবহার করেন। সমীক্ষায় দেখা গেছে, বিষের প্রায় ৮০ শতাংশ নারী ভুল সাইজের ব্রা পরেন। এমনকি তারা ফিটিং এবং সঠিক মাপ নেওয়ার পরেও ভুল করেন। তবে ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক মাপের ব্রা পরাই উচিত। তবে একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর আর এটি ব্যবহার করা যায় না। একটি ব্রা-র মেয়াদ ৮ থেকে ৯ মাস থাকে। কিন্তু দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে তার স্তনের ক্ষতি হতে পারে।

  • স্ত্রীকে ১৭ টুকরো করে শহরের নানা জায়গায় ফেলেন

    স্ত্রীকে ১৭ টুকরো করে শহরের নানা জায়গায় ফেলেন

    স্ত্রীকে খুনের পর তার দেহ ১৭ টুকরো করে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ফেলে দেন স্বামী। ভারতের মহারাষ্ট্রের ভিওয়ানিতে এমনই একটি ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে।

    শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কিন্তু ওই ব্যক্তি কেন স্ত্রীকে খুন করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

     

    পুলিশ সূত্রে খবর, গত কয়েক দিন ধরেই শহরের নানা প্রান্ত থেকে দেহাংশ উদ্ধারের খবর আসছিল। কোথাও হাত, কোথাও পা, কোথাও কোমরের অংশ— এভাবে গত কয়েক দিন ধরেই নানা জায়গা থেকে দেহাংশ উদ্ধারের খবর পাচ্ছিল পুলিশ। ‘সিরিয়াল কিলার’-এর তত্ত্বও ঘোরাফেরা করতে শুরু করে। ফলে শহরে আতঙ্কও বাড়ছিল।

    গত ৩০ আগস্ট দেহাংশ উদ্ধার হওয়ার প্রথম খবর আসে পুলিশের কাছে। একটি কসাইখানার কাছ থেকে এক মহিলার কাটা মাথা উদ্ধার হয়। সমস্ত থানাগুলোকে সতর্ক করা হয়। কোথাও কোনো নিখোঁজ ডায়েরি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়। তখন জানা যায়, ভৈওয়াড়া থানা এলাকায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি হয়েছে। এক মহিলা তার কন্যার নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেই সূত্র ধরে খুন হওয়া মহিলার পরিচয় জানতে পারে পুলিশ। তার পরই মহিলার স্বামীকে আটক করা হয়।

     

    জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্ত খুনের কথা স্বীকার করেছেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। অভিযুক্তের নাম তহ্বা। তার স্ত্রী মুস্কান মহম্মদকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানতে পেরেছে, মুস্কানকে খুনের পর তার দেহ ১৭ টুকরো করে ফেলে দেন তহ্বা।