• মি”ল”নের খুব ইচ্ছা হলে মেয়েরা যেসব অ..ঙ্গ.ভ.ঙ্গি করে কাছে ডাকে! ভিডিওসহ

    মি”ল”নের খুব ইচ্ছা হলে মেয়েরা যেসব অ..ঙ্গ.ভ.ঙ্গি করে কাছে ডাকে! ভিডিওসহ

     

    সাধারণত এমনটা মনে করা হয়, ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে নারীদের যৌন চাহিদা বোধহয় সবচেয়ে বেশি থাকে। কিন্তু সত্যিই কি তাই? উত্তর খুঁজতে গিয়ে কিন্তু বেরিয়ে এসেছে অন্য তথ্য যা শুনলে চমকে যাবেন আপনিও।

    সাম্প্রতিক একটি গবেষণা বলছে সম্পূর্ণ অন্য কথা। নারীদের শারীরিক চাহিদা সম্পর্কে নতুন এই গবেষণায় প্রকাশিত তথ্য বলছে, ৩৬ বছর বয়সে নারীদের যৌন চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে।

    অনেকেই হয়তো বলবেন, যৌবনের গোড়ায়। ২০-২২ বছর নাগাদ সবচেয়ে বেশি হয়তো। কিন্তু বিষয়টা আদপেও তেমন নয়। অন্তত মহিলাদের ক্ষেত্রে তো নয়ই। এমনটাই বলছে নতুন এই সমীক্ষা।

    ২০১৭ সাল থেকে এই বিষয় নিয়ে ‘ন্যাচারাল সাইকেল’ নামে ইংল্যান্ডের এক গর্ভনিরোধক ওষুধ কোম্পানি সমীক্ষা চালিয়ে আসছে। পৃথিবী জুড়ে নানা বয়সের ২৬০০ মহিলাদের নিয়ে এক সমীক্ষা চালিয়েছে তারা। সেখানে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, শারীরিক সম্পর্ক কতটা উপভোগ করছেন তাঁরা? সেই সমীক্ষার রিপোর্টে হালে দেখা গিয়েছে, ৩৬ বছর বা তার অধিক বয়সের মহিলারা নিজেদের শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে খুশি সব চেয়ে বেশি।

    কীভাবে, কখন ও কতক্ষণ মহিলারা যৌন সুখ উপভোগ করেন, সেই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় এই সমীক্ষায়। নারীদের তিনটি গ্রুপে ভাগ করা হয়। ২৩ বছরের নিচে, ২৩-৩৫ বছরের মধ্যে ও ৩৬ বছরের উপরে।

    চাঞ্চল্যকর এই সমীক্ষায় ৩৬ বছরের উপরের নারীরা জানিয়েছেন, তাঁরা দিনের বেশিরভাগ সময়ই সেক্স সংক্রান্ত কথা ভাবেন। দশজনের মধ্যে আটজন নারীই জানিয়েছেন, স্বল্প পোশাকে রাস্তায় বেরোতে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। বরং, বিকিনি পরা অবস্থায় অন্য পুরুষদের নজর তাঁরা উপভোগ করেন।

    ২৩ বছরের কম ও ২৩-৩৫ বছরের নারীদের গ্রুপটির ১০ জনের মধ্যে মাত্র চারজন জানিয়েছেন, তাঁরা পার্টনারের সঙ্গে সেক্স নিয়ে সুখী। অন্যদিকে, ৩৬ বছর ও তার বেশি বয়সি নারীরা জানিয়েছেন, তাঁদের ঘনঘন অর্গ্যাজম হয়।

    বাকি দুটি গ্রুপের নারীদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে মাত্র ৫ জন জানিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গীর সঙ্গে মিলনের সময় চরম অর্গ্যাজম অনুভব করেন। বয়স্ক নারীদের গ্রুপটির সদস্যরা জানিয়েছেন, গত চার সপ্তাহ তাঁরা দুর্দান্ত সেক্স করে কাটিয়েছেন।

    অথচ দেখা যাচ্ছে, তুলনামূলক অল্পবয়স্ক নারীদের গ্রুপের মাত্র অর্ধেক নারী মনে করেন, তাঁরা গত চার সপ্তাহে মোটামুটি ভাল সেক্স লাইফ উপভোগ করেছেন।

    বয়সের ভিত্তিতে মূলত ৩টি দলে মহিলাদের ভাগ করা হয়েছিল এই সমীক্ষাটি চালানোর সময়। প্রথমটি ২৩-এর নীচে। দ্বিতীয়টি ২৩ থেকে ৩৫-এর মধ্যে। আর তৃতীয়টি ৩৬ এবং তার উপরে। দেখা গিয়েছে, ৩ নম্বর দলে থাকা মহিলাদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৮ জনেরই দাবি, তাঁরা শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি প্রচণ্ড পরিমাণে উপভোগ করেন।

    সেখানে প্রথম দলের অর্থাৎ ২৩ বছরের নীচে যাঁদের বয়স, সেই মহিলাদের মধ্যে ১০ জনের প্রতি ৭ জন চূড়ান্ত উপভোগ করতে পারেন যৌনসুখ। আর দ্বিতীয় দলের মহিলাদের মধ্যে প্রতি ১০ জনে মাত্র ৪ জন উপভোগ করেন শারীরিক সম্পর্ক।

    Disclaimer: তবে এই সমীক্ষার তথ্যকে চূড়ান্ত ধরে কোনও বড় সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া কখনওই কাম্য নয়। আমরা এই ধরণের সমীক্ষা ও তার ফলাফলের সঙ্গে কোনও ভাবেই যুক্ত নয়।

     

  • সম্পূর্ণ উ;ল;ঙ্গ হয়ে ঘুমনোর অভ্যেস বলিউডের এই ৫ তারকার, রইল ছবিতে

    সম্পূর্ণ উ;ল;ঙ্গ হয়ে ঘুমনোর অভ্যেস বলিউডের এই ৫ তারকার, রইল ছবিতে

    সম্পূর্ণ উ;ল;ঙ্গ হয়ে ঘুমনোর অভ্যেস বলিউডের এই ৫ তারকার, রইল ছবিতে

    Bollywood: বিভিন্ন সমীক্ষায় একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে ঘুম নাকি স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। এর নাকি রয়েছে হাজারও গুণ। তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়া থেকে শুরু করা থেকে শুরু করে ঘুমের গুণগত মানও নাকি বাড়ে এই কারণে। কমায় মানসিক চাপ ও হতাশাও। বলিউডের পাঁচ অভিনেতা রয়েছেন যারা ভালবাসেন নগ্ন হয়ে ঘুমোতে। জানেন তাঁরা কারা? রইল ছবিতে
    বিভিন্ন সমীক্ষায় একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে ঘুম নাকি স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। এর নাকি রয়েছে হাজারও গুণ। তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়া থেকে শুরু করা থেকে শুরু করে ঘুমের গুণগত মানও নাকি বাড়ে এই কারণে। কমায় মানসিক চাপ ও হতাশাও। বলিউডের পাঁচ অভিনেতা রয়েছেন যারা ভালবাসেন নগ্ন হয়ে ঘুমোতে। জানেন তাঁরা কারা? রইল ছবিতে
    বিভিন্ন সমীক্ষায় একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে ঘুম নাকি স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। এর নাকি রয়েছে হাজারও গুণ। তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়া থেকে শুরু করা থেকে শুরু করে ঘুমের গুণগত মানও নাকি বাড়ে এই কারণে। কমায় মানসিক চাপ ও হতাশাও। বলিউডের পাঁচ অভিনেতা রয়েছেন যারা ভালবাসেন নগ্ন হয়ে ঘুমোতে। জানেন তাঁরা কারা? রইল ছবিতে

    1 / 6
    এই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে বলিউডে হ্যান্ডসাম হাঙ্ক জন আব্রাহাম। এক সাক্ষৎকারে তিনি নিজেই জানিয়েছিলেন পোশাক খুলে না ঘুমোলে তাঁর কিছুতেই ঘুম আসে না।
    এই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে বলিউডে হ্যান্ডসাম হাঙ্ক জন আব্রাহাম। এক সাক্ষৎকারে তিনি নিজেই জানিয়েছিলেন পোশাক খুলে না ঘুমোলে তাঁর কিছুতেই ঘুম আসে না।

    2 / 6
    তালিকায় নাকি রয়েছেন জ্যাকলিন ফার্নান্দেজও। অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন ঘুমোনোর সময় গায়ে পোশাক রাখা নাকি একেবারেই নাপসন্দ তাঁর
    তালিকায় নাকি রয়েছেন জ্যাকলিন ফার্নান্দেজও। অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন ঘুমোনোর সময় গায়ে পোশাক রাখা নাকি একেবারেই নাপসন্দ তাঁর

    3 / 6
    অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়াতে অ্যামি জ্যাকসনও জানিয়েছিলেন তিনিও বেছে নেন একই পন্থা। পছন্দ করেন নগ্ন হয়ে ঘুমোতে।
    অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়াতে অ্যামি জ্যাকসনও জানিয়েছিলেন তিনিও বেছে নেন একই পন্থা। পছন্দ করেন নগ্ন হয়ে ঘুমোতে।

    4 / 6
    রাখি সাওয়ান্ত বরাবরই বিতর্কের কেন্দ্রে, তিনিও জানিয়েছিলেন ঘুমোতে যাওয়ার সময় আবার পোশাক কী? বিবস্থ হয়েই ঘুম তাঁর কাছে অনেক শান্তির।
    রাখি সাওয়ান্ত বরাবরই বিতর্কের কেন্দ্রে, তিনিও জানিয়েছিলেন ঘুমোতে যাওয়ার সময় আবার পোশাক কী? বিবস্থ হয়েই ঘুম তাঁর কাছে অনেক শান্তির।

    5 / 6
    এই মুহূর্তে রণবীর সিংয়ের নগ্ন ছবি নিয়ে জোর চর্চা চলছে চারিদিকে। রণবীর জানিয়েছিলেন বাড়িতে থাকলে ঘুমোতে যাওয়ার সময় উলঙ্গ হয়েই ঘুমোতে পছন্দ করেন তিনি।
    এই মুহূর্তে রণবীর সিংয়ের নগ্ন ছবি নিয়ে জোর চর্চা চলছে চারিদিকে। রণবীর জানিয়েছিলেন বাড়িতে থাকলে ঘুমোতে যাওয়ার সময় উলঙ্গ হয়েই ঘুমোতে পছন্দ করেন তিনি।

  • মি’লনের পর যা করলে পু’নরায় মি’লন করার শ’ক্তি পাবেন, অনেকেই জানেন না

    মি’লনের পর যা করলে পু’নরায় মি’লন করার শ’ক্তি পাবেন, অনেকেই জানেন না

    মি’লনের পর যা করলে পু’নরায় মি’লন করার শ’ক্তি পাবেন, অনেকেই জানেন নামি’লনের পর যা করলে পু’নরায় মি’লন করার শ’ক্তি পাবেন, অনেকেই জানেন না

    স”হবা”সের পরে দু’জনেরই উচিত কমপক্ষে এক পোয়া গরম দুধ, একরতি কেশন ও দুই তোলা মিশ্রি সংযোগে সেবন করা। সহবাসে কিছু শক্তির হ্রাস হ’তে পারে। এতে করে কিঞ্চিৎ পূরণ হয়।

    অন্যথায় স”হবা”স করা উচিত নহে। এই কারণেই মনীষীরা মাসানে- একবার রতিক্রিয়া ব্যবস্থা করে দেন। যাতে উপরোক্ত সামগ্রীর যোগাড় করতে গরীব বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকের পক্ষেও কষ্টকর না হয়।

    পুষ্টিকর খাদ্য না খেলে পুরুষ অচিরেই শক্তিহীন হ’য়ে পড়ে ও তার কর্মশক্তি লোপ পায়। অত্যধিক মৈ”থুনের জন্য হজমশক্তি লোপ পায়। ফলে অম্ল, অজীর্ণ প্রভৃতি নানা প্রকার রোগ দেখা দেয়।

    প্রত্যেক মানুষের কিছু গোপন ইচ্ছা, চাওয়া – পাওয়া থাকে। তবে এগুলো অনেকে প্রকাশ করে আবার অনেকেই প্রকাশ করে না। বিশেষ করে মেয়েরা । কিছু কিছু জিনিস আছে, যেগুলো একজন নারী সবার অগোচরে চাহিদা করেন কিন্তু মুখে সম্পূর্ণ বিপরীত কথা বলেন।

    চলুন জেনে নেওয়া যাক নারীদের এমন ১০টি গোপন আকাঙ্ক্ষা কথা যা মনে মনে খুব চান কিন্তু কাউকে তা জানতে দেন না:

    ১) প্রত্যেক মেয়েই চায় তার স্বামী আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হোক। লক্ষ্য করলে দেখবেন অনেকে প্রেম করে কিন্তু বিয়ে করার কথা বললে প্রেমিকাকে বলে আগে একটা ভালো চাকরি কর তরাপর। অধিকাংশ নরীদের চাওয়া এটাই।

    ২) ছেলেদের থেকে মেয়েরা সব সময় একটা সাজালো গোছালো সংসার চায়। যা সম্ভব শুধু ছোট পরিবারে, বড় পরিবারে ও সম্ভব তবে কষ্টকর। এ কারণে অধিকাংশ মেয়েরা চায় একক পরিবার , যৌথ পরিবার আদৌ বর্তমান মেয়েরা পছন্দ করে না।

    ৩) বাহ্যিকভাবে একটা মেয়েকে ভালো ভাবে চেনা যায় না।প্রত্যেক নারী নিজেকে তার বন্ধুদের মাঝে আকর্ষণীয় এবং যৌবনময়ী হয়ে উঠতে চায় কিন্তু এই বিষযটা সে প্রকাশ করে না। মনে মনে রাখে।

    ৪) প্রত্যেক নারী চায় সে ফর্সা হতে। সে ফর্সা থাকুক আর না থাকুক ফর্সা হওয়ার চেষ্টা সে করবেই। ৫) মেয়েরা কখনই তার স্বামীর মুখে অন্য নারীর গুনকীর্তন শুনতে পছন্দ করে না।সে চাইবে তার স্বামী যেন একমাত্র তাকেই চাক।

    ৬) মেয়েরা মুখে মুখে বলতে পারে সে নিজের দেহের ওজন নিয়ে সে কখনোই চিন্তা করে না কিন্তু অাসলে সে চায় নিজেকে চান স্লিম ও যৌবনময়ী শরীরের অধিকারী করতে।

    ৭) মেয়েদের ভিতর অনেক ঈর্ষা। একজন মেয়ে অন্য একজন মেয়ের সাফল্য কখনোই দেখতে পারে না। ৮) সকল নারী চায় তার প্রিয় মানুষটি তার কথা সবসময় মেনে চলুক, তার কথা সবসময় পালন করুক, সে মনে করে তার অনেক দ্বায়িত্ব।

    ৯) একজন ছেলে তার বয়স এবং চেহারা নিয়ে ততোটা না ভাবলেও একজন নারী চায় তার চেহারায় যেন বয়সের কালো ছাপ না পড়ে।

    ১০) একটি মেয়ে তার বুকের স্তন অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। নারীরা স্ত’নের ব্যাপরে খুবই সজাগ, খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে। কারণ পুরুষকে আকর্ষণ করার মেইন অঙ্গ এটা। এজন্য নারী চায় স্ত’ন থাকুক

  • জনপ্রিয় সবজির চাষে এখন লাভ হবে বহুগুন

    জনপ্রিয় সবজির চাষে এখন লাভ হবে বহুগুন

    বাংলাদেশে অনেক ধরনের সবজি চাষ করা হয়। কিন্তু বেশির ভাগ কৃষক বলছেন, সবজি চাষে আশানুরূপ লাভ হচ্ছে না। এ বিষয়ে কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষকরা লাভজনক চাষাবাদ ছেড়ে বাজারে সহজে কম দামে পাওয়া যায় এমন ফসলের চাষ শুরু করে। এ ক্ষেত্রে তাদের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

    কৃষকদের উচিত তাদের জমিতে এমন সবজি রোপণ করা, যার চাহিদা সারা বছরই বাজারে থাকে। আমরা এখানে সেই সব দামি সবজির কথা বলছি, যেগুলো চাষ করে প্রতি মাসে চাষিরা ভালো লাভ করতে পারেন।

    চেরি টমেটো চাষ এই সবজিটি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী বলে মনে করা হয়। চেরি টমেটো ঝোপে আরোহণ দ্বারা জন্মায়। দামের কথা বললে বাজারে প্রায় দেড়শ থেকে আড়াইশ টাকা বিক্রি হয়।

    জুচিনি চাষে ওজন কমানোর জন্য জুচিনি সবজি খাওয়া হয়। বাজারেও এই সবজির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাজারে এর ভালো চাহিদা রয়েছে।

    মাশরুম চাষ মাশরুম চাষ করতে খামার নয়, ঘর দরকার। এটি একটি অন্ধকার ঘরে চাষ করা হয়। বাজারে এর দাম ১৫০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা প্রতি কেজি।

    Bok Choy এর চাষ বিদেশে উৎপন্ন একটি সবজি কিন্তু এখন ধীরে ধীরে ভারতেও এর চাষ হচ্ছে। বিদেশি সবজি হওয়ায় ভারতে এর চাষ কম হয়, তাই ভারতের বাজারে এর দাম বেশি থাকে।

    অ্যাসপারাগাস চাষ ভারতের বাজারে সবচেয়ে দামি সবজি অ্যাসপারাগাস বিক্রি হয়। এটি ঔষধি গুণে পরিপূর্ণ। এর দাম সম্পর্কে কথা বললে, এটি প্রতি কেজি ১২০০ টাকায় বিক্রি হয়। দেড় বছর বপনের ১৮ মাসের মধ্যে শতবরী ফসল কাটার জন্য প্রস্তুত।