• গোপনাঙ্গে ‘তিল’ রয়েছে? কীসের লক্ষণ জানেন

    গোপনাঙ্গে ‘তিল’ রয়েছে? কীসের লক্ষণ জানেন

    তিল প্রত্যেকের জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং যা কিনা অনেক ইঙ্গিত দেয়। তাই কিছু জায়গায় তিলকে শুভ এবং কিছু জায়গায় অশুভ বলে মনে করা হয়। শুধু তাই নয়, জ্যোতিষশাস্ত্রে, তিলগুলির মাধ্যমেও একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব সনাক্ত করা যায়।
    এই তিলগুলি কেবল একজন ব্যক্তির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, বরং জ্যোতিষশাস্ত্র এবং সামুদ্রিক শাস্ত্রে এগুলিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
    এই তিলগুলি কেবল একজন ব্যক্তির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, বরং জ্যোতিষশাস্ত্র এবং সামুদ্রিক শাস্ত্রে এগুলিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

     

    অনেকের গোপনাঙ্গে লাল এবং কালো তিলও থাকে। কিন্তু, আপনি কি জানেন এই তিলগুলি কী নির্দেশ করে? গোপনাঙ্গে তিল থাকার অর্থ কী? জ্যোতিষী অংশুল ত্রিপাঠীর থেকে জেনে নেওয়া যাক এই সম্পর্কে৷
    অনেকের গোপনাঙ্গে লাল এবং কালো তিলও থাকে। কিন্তু, আপনি কি জানেন এই তিলগুলি কী নির্দেশ করে? গোপনাঙ্গে তিল থাকার অর্থ কী? জ্যোতিষী অংশুল ত্রিপাঠীর থেকে জেনে নেওয়া যাক এই সম্পর্কে৷
     
    4/7
    সমুদ্র শাস্ত্রে, একজন ব্যক্তির সম্পর্কে বলা যায় তার তিলের আকার এবং রঙের উপর ভিত্তি করে। শরীরের কোন অংশে তিল থাকলে তার অর্থ কী? চোখ, নাক, মুখ, ঠোঁট থেকে শুরু করে শরীরের গোপনাঙ্গ পর্যন্ত, তিলের বিভিন্ন অর্থ রয়েছে।
    সমুদ্র শাস্ত্রে, একজন ব্যক্তির সম্পর্কে বলা যায় তার তিলের আকার এবং রঙের উপর ভিত্তি করে। শরীরের কোন অংশে তিল থাকলে তার অর্থ কী? চোখ, নাক, মুখ, ঠোঁট থেকে শুরু করে শরীরের গোপনাঙ্গ পর্যন্ত, তিলের বিভিন্ন অর্থ রয়েছে।
    advertisement 

    5/7
    সমুদ্র শাস্ত্র অনুসারে, পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের গোপনাঙ্গে তিল থাকার অর্থ আলাদা। তবে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে উভয়কেই শুভ বলে মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয় যে গোপনাঙ্গে তিল যৌন আকাঙ্ক্ষার ইঙ্গিত দেয়।
    সমুদ্র শাস্ত্র অনুসারে, পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের গোপনাঙ্গে তিল থাকার অর্থ আলাদা। তবে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে উভয়কেই শুভ বলে মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয় যে গোপনাঙ্গে তিল যৌন আকাঙ্ক্ষার ইঙ্গিত দেয়।
     
    6/7
    যদি কোনও মহিলার বুকের আশেপাশে তিল থাকে, তাহলে তিনি তার কাজের প্রতি আত্মবিশ্বাসী। এই ধরনের মহিলাদের ব্যক্তিত্ব খুবই ভাল। তারা জানেন কীভাবে কার যত্ন নিতে হয় এবং কাউকে খুব ভালবাসতে হয়।
    যদি কোনও মহিলার বুকের আশেপাশে তিল থাকে, তাহলে তিনি তার কাজের প্রতি আত্মবিশ্বাসী। এই ধরনের মহিলাদের ব্যক্তিত্ব খুবই ভাল। তারা জানেন কীভাবে কার যত্ন নিতে হয় এবং কাউকে খুব ভালবাসতে হয়।
     
    7/7
    বুকে তিল থাকা মহিলারা অনেক বৃদ্ধ বয়সের পরে তার পছন্দের সঙ্গী পান। (Disclaimer: প্রতিবেদনের লেখা তথ্য News18 বাংলার নিজস্ব মত নয় ৷ সঠিক ফল পাওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করুন ৷ )
    বুকে তিল থাকা মহিলারা অনেক বৃদ্ধ বয়সের পরে তার পছন্দের সঙ্গী পান। (Disclaimer: প্রতিবেদনের লেখা তথ্য News18 বাংলার নিজস্ব মত নয় ৷ সঠিক ফল পাওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে
  • স্বামী দেশে ফেরার কথা শুনে স্ত্রীর কাণ্ড, বড়ি খেয়ে উ’ত্তে;জ;না;য়

    স্বামী দেশে ফেরার কথা শুনে স্ত্রীর কাণ্ড, বড়ি খেয়ে উ’ত্তে;জ;না;য়

    স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা যায়, উপজে’লার লংগাইর ইউনিয়নের পূর্ব গোলাবাড়ি গ্রামের প্রবাসী শাকিল মিয়ার স্ত্রী জনু আক্তার শাশুড়ির সাথে বসবাস করতেন। শাকিল মিয়ার পরামর্শে জনু আক্তার গফরগাঁওয়ে এসে শাশুড়ির স’ঙ্গে বসবাস শুরু করেন। বিয়ের সময় জনু আক্তারের স্বা’স্থ্য খুবই কম ছিল। শাকিল মিয়া দেশে ফিরে স্ত্রী’কে এতটা স্বা’স্থ্যহীন দেখে পছন্দ নাও করতে পারেন-

    এ আ’শঙ্কায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্বা’স্থ্য বৃ’দ্ধির জন্য গরু মো’টা-তাজাকরণ বড়ি খেয়ে আসছিলেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে ট্যাবলেট খেয়ে ঘুমিয়ে পরেন জনু আক্তার। পরে ঘুমের মধ্যেই তিনি মা’রা যান।

    স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে পাগ’লা থানার অফিসার ই’নচার্জ শাহিনুজ্জামান খানের নেতৃত্বে পু’লিশ মৃ’তের লা’শ উ’দ্ধার করে ম’য়নাত’দন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ম’র্গে প্রেরণ করে।

    পাগ’লা থানার ওসি শাহিনুজ্জামান খান বলেন, লা’শ উ’দ্ধারের সময় ঘরে গরু মো’টা-তাজাকরণ ট্যাবলেটের খালি প্যাকেট পাওয়া গেছে। ধারণা করছি গৃহবধু স্বা’স্থ্য বৃ’দ্ধির জন্য এই ট্যাবলেট খেতেন। ঘুমের মধ্যেই মা’রা গেছেন তিনি। লা’শ ম’র্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ম’য়নাত’দন্ত রিপোর্ট এলেই সত্যটা জানা যাবে।
    আরও পড়ুন : আই-ভি-এফ এই পদ্ধতির কথা আম’রা অনেকে হয়তো জানি, আবার অনেকে হয়তো জানিনা। তো যারা জানিনা তাদের জন্য খুব সহ’জ করে বলতে গেলেবলতে হয় ‘ভিকি ডোনারের’ সিনেমা’র গল্প যা আম’রা প্রায় সবাই জানি।

    সিনেমাটা আম’রা সবাই প্রায় দেখেছি। তিনি মহিলাদের স্পা’র্ম ডোনেট করতেন, যে স্পা’র্ম ডোনেট করে সন্তান উৎপাদন করাটা বর্তমানের একটি খুবই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

    এই প্রক্রিয়াটার নামই হচ্ছে আই ভি এফ। বর্তমানে যাদের সন্তান নেই, এমন অনেক মহিলাই এখন এই স্পা’র্ম ডোনারের মাধ্যমে সন্তান নিচ্ছেন, কৃত্রিম উপায়ে সন্তান উৎপাদনে এই প্রক্রিয়া।

    এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। কিন্তু এখন আপনাদের আমি যে মহিলার কথা বলবো তার কথা শুনে আপনি রীতিমত চ’মকে যাবেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক পুরো গল্পটা।

    জানা গেছে যে এই মহিলা প্রায় তিন বছর হল বিবাহিতা এবং তার কোন সন্তান নেই, সেহেতু তিনি একটি সন্তান নিতে চান। এই জন্য তিনি একজন শু’ক্রাণু দাতার সন্ধান করছিলেন, সন্তান ধারনে অখ্যম অনেক মহিলাই এই সিদ্ধান্ত নেয়।

    কিন্তু এ আবার কি কথা, সেই মহিলা এই কারনে মোটেও সন্তান চান না যে তিনি সন্তান উৎপাদনে অখ্যম। বরং তিনি জানান যে তার স্বামী দেখতে খা’রাপ তাই তিনি তার স্বামির থেকে সন্তান চান না বরং অন্য পু’রুষের থেকে সন্তান চান। তার স্বামির বক্তব্য “আমি আমা’র স্ত্রী’র সাথে যখন বাচ্চার কথা বলি, তখন আমা’র স্ত্রী’ বলে যে তিনি একজন স্পা’র্ম ডোনারের কাছ থেকেই সন্তান চান।

    এর পিছনে আমা’র স্ত্রী’ এটাও যু’ক্তি দিয়েছিল যে, যদি এই পদ্ধতিতে সন্তান নেয়, তাহলে আমাদের সন্তান জীবনে অনেক এগিয়ে চলবে এবং ভালো থাকবে।” তবে প্রথমে তিনি বিষয়টি বুঝতে না পারলে সে আবার তার স্ত্রী’কে জিজ্ঞেস করেন যে আসলে কি জন্য সে এটা চায় ? উত্তরে তার স্ত্রী’ তাকে বলে যে,“তিনি যদি আকর্ষণীয় এবং বুদ্ধিমান ব্য’ক্তির শু’ক্রাণু থেকে সন্তানের জন্ম দেন তাহলে সে আগামী জীবনে বহুক্ষেত্রেই এগিয়ে থাকবে।”

    আসল কারন খুঁজতে তার স্বা’মী জানিয়েছেন যে, তার স্ত্রী’ যে শু’ক্রাণু দাতার শু’ক্রাণু চান তার সাথে অনেক আগে থেকেই স’ম্পর্ক আছে তার স্ত্রী’’র, তাই তিনি আদলতে একটি ডি’ভোর্সের মা”মলা করেছেন। এই প্রতিবেদনের সত্যতা দি থার্ড বেল যাচাই করেনি, ভা’রতীয় একটি দৈনিক ওয়েব পোর্টাল থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এই প্রতিবেদনটি বানানো।

  • যে খাবার খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পু’রুষের যৌ’ন সক্ষমতা

    যে খাবার খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পু’রুষের যৌ’ন সক্ষমতা

    যে খাবার খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পুরুষের যৌন সক্ষমতা । অনেকের দেখাযায় অতিরিক্ত মাত্রায় শারীরিক(Physical) মেলামেশা করার ফলে শুক্র সল্পতা দেখা দেয় অর্থাৎ শুক্রাণুর মাত্রা কমে যায় এবং (বীর্য) পাতলা হয়ে যায়। আপনার শরীররে যদি শুক্রাণুর(Sperm) মাত্রা কমে যায় তবে আপনি অনেক সময় সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম হতে পারেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি মিলিলিটার শুক্রাণুতে ২০ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকলে যেকোনো পুরুষ অনুর্বর হতে পারেন। বাজে খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, অ্যালকোহল(Alcohol), অনিয়ন্ত্রিত জীবন, ব্যায়ামে অনীহা প্রভৃতি কারণে দিন দিন অনুর্বরতা বাড়ছে। এক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক মসলা রসুন(Garlic)। কেননা সুস্থ (বীর্য) তৈরিতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার।

    যৌন অক্ষমতার(Sexual dysfunction) ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক এবং হিসাবে কাজ করে আর এটি অতিঅ সহজলভ্য সব্জী যা আমারা প্রায় প্রতিনিয়ত খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে থকি৷ আপনার যৌন ইচ্ছা(Sexual desire) ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷

    কোন রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন(Sexual) ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রে ও রসুন(Garlic) খুব ই কার্যকরী৷

    সেবন বিধি

    প্রতিদিন নিয়ম করে কয়েক কোষ কাঁচা রসুন(Garlic) খেলে শরীরের যৌবন দীর্ঘ স্থায়ি হয় । যারা পড়ন্ত যৌবনে চলে গিয়েছেন, তারা প্রতিদিন দু’কোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম পানি বা দুধ(Milk) খাওয়া উচিত। এতে ভালো ফল পাবেন।

    যৌবন রক্ষার জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। কাঁচা আমলকির রস(Amalki juice) ২ বা ১ চামচ নিয়ে তার সঙ্গে এক বা দুই কোয়া রসুন বাটা খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের যৌবন দীর্ঘস্থায়ি হয়। গবেষণায় প্রমাণিত এতে করে ৩ গুণ পরিমাণ শক্তি বেড়ে যায়।

    সাবধানতা

    যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন(Garlic) খাওয়া তাদের জন্য বিপদ জনক। কারণ, রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হতে অসুবিধা হতে পারে। তা ছাড়া অতিরিক্ত রসুন শরীরে এলার্জি(Allergie) ঘটাতে পারে।

    এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রসুন(Garlic) না খাওয়াই উত্তম। রসুন খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি বোধ করলে রসুন খাওয়া বন্ধ রাখুন। শিশুকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের রসুন (Garlic) না খাওয়াই ভালো। কারণ রসুন খাওয়ার ফলে তা মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুর পাকস্থলীতে ঢুকে শিশুর যন্ত্রণার কারণ ঘটাতে পারে।

    সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

  • সবুজ, লাল না কালো আঙুর-কোনটি বেশি পুষ্টিকর

    সবুজ, লাল না কালো আঙুর-কোনটি বেশি পুষ্টিকর

    সবুজ, লাল আর কালো আঙুরের মধ্যে কোনটিতে বেশি পুষ্টিগুণ রয়েছে তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন রয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম আজতকে জানানো হয়েছে সেই পুষ্টিগুণের কথা। যেমন-

    লাল আঙুর: স্বাদে মিষ্টি, সঙ্গে হালকা টক ভাব আছে লাল আঙুরে। জ্যাম, জেলি বানাতে এই আঙুর ব্যবহৃত হয়। ক্যালরি, ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ প্রায় সবুজ আঙুরের সমান। কেবল প্রোটিনের পরিমাণ একটু কম। এক কাপে গড়ে ১.১ গ্রাম প্রোটিন থাকে। ভিটামিন সি ও ভিটামিন কে–এর ভালো উৎস লাল আঙুর। পাশাপাশি এতে রেসভেরাট্রল নামে এক ধরনের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকে। এই উপাদান প্রদাহ কমায়, হৃৎপিণ্ড ভালো রাখে, এমনকি বেশ কিছু ক্যানসারও দূরে রাখে।

    কালো আঙুর: সব আঙুরের তুলনায় কালো আঙুরে পুষ্টিগুণ একটু বেশি। গাঢ় রঙের এই আঙুর বেশ মিষ্টি আর রসালো। ক্যালরি, প্রোটিন, ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ লাল আঙুরের সমানই। একই রকম ভাবে এই আঙুর ভিটামিন সি, ভিটামিন কে ও রেসভেরাট্রল সরবরাহ করে। এমনি খাওয়ার পাশাপাশি এই আঙুর সালাদসহ বিভিন্ন ডেজার্টে ব্যবহৃত হয়

    পুষ্টিগুণে কোনটি এগিয়ে?

    সবুজ, কালো, লাল—তিন রঙের আঙুরই খাদ্য উপাদানে প্রায় সমানে সমান। তিনটিতেই ক্যালরি, ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ সমান। প্রোটিনের পরিমাণে সবুজ আঙুরে একটু বেশি। তবে উপকারিতার দিক দিয়েএকটু পিছিয়ে এই আঙুর। কারণ, তিন আঙুরই ভিটামিন সি ও ভিটামিন কে-এর জোগান দেয়। কিন্তু কালো ও লাল আঙুরে এর বাইরেও তিন ধরনের পলিফেনলস, ফেনোলিক অ্যাসিড, ফ্লেভানয়েড ও রেসভেরাট্রল রয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ করে রেসভেরাট্রল শরীরের জন্য বেশ উপকারী। পুষ্টিগুণে লাল ও কালো আঙুরকে সবুজের তুলনায় খানিকটা এগিয়েই রাখতে হয়। তবে যেকোনও আঙুর খাওয়াই শরীরের জন্য উপকারী।