• রাষ্ট্রের কাছে যা চাইলেন শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী!

    রাষ্ট্রের কাছে যা চাইলেন শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী!

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচার চেয়ে রাষ্ট্রের কাছে আবারও আকুতি জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা। আজ শুক্রবার বিকেলে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।

    শম্পা তাঁর পোস্টে স্পষ্ট করে লিখেছেন যে, একজন স্ত্রী এবং তাঁর সন্তানের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রের কাছে এখন একমাত্র পাওনা হলো এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার। জাগতিক কোনো সুযোগ-সুবিধা বা চাওয়া-পাওয়া নয়, বরং ওসমান হাদি হত্যার সুষ্ঠু বিচারই তাঁদের কাছে এখন প্রধান দাবি। উল্লেখ্য যে, এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে সম্প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে বাদীর পক্ষ থেকে আদালতে নারাজি দাখিল করা হয়েছে। এরপরই আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

    স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই বিচারের দাবিতে অনড় রয়েছেন শম্পা। ফেসবুকের এই পোস্টটি শহীদ হাদির অনুসারী এবং ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীদের মধ্যে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তারা মনে করছেন, দ্রুত এই মামলার রহস্য উদ্ঘাটন এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।

  • ফেব্রুয়ারিতে যে দুই দফায় ছুটি পাচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীরা

    ফেব্রুয়ারিতে যে দুই দফায় ছুটি পাচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীরা

    নতুন মাসের শুরুতেই সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আসছে স্বস্তির খবর। ফেব্রুয়ারিতে দুই দফায় টানা ছুটি পাওয়ার সুযোগ থাকছে, যা কর্মব্যস্ততার মাঝেই এনে দেবে বাড়তি বিশ্রাম ও পরিবারকে সময় দেওয়ার সুযোগ।
    মাসের প্রথম দফার ছুটি আসছে পবিত্র শবেবরাতকে কেন্দ্র করে। ৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার চাঁদ দেখা গেলে সেদিনই শবেবরাত পালিত হবে। সে ক্ষেত্রে পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সরকার নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করতে পারে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার ও শনিবার, অর্থাৎ ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি। সব মিলিয়ে এই দফায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা তিন দিনের ছুটি উপভোগ করবেন।
    এরপর খুব বেশি সময়ের বিরতি ছাড়াই আসছে দ্বিতীয় দফার ছুটি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্ধারিত রয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার। নির্বাচন উপলক্ষে ওই দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। এরপর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি আবারও সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় এই পর্বেও সরকারি চাকরিজীবীরা টানা তিন দিনের বিশ্রাম পাবেন।
    সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে সরকারি কর্মচারীরা দুই দফায় তিন দিন করে মোট ছয় দিনের ছুটির সুযোগ পাচ্ছেন। শীতের শেষভাগে এমন ছুটির সূচি অনেকের কাছেই ভ্রমণ, পারিবারিক সময় কিংবা ব্যক্তিগত কাজে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • ডান হাতে ‘M’ চিহ্ন থাকলে যা হয়

    ডান হাতে ‘M’ চিহ্ন থাকলে যা হয়

    জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, ডান হাতে ‘M’ চিহ্ন থাকলে ব্যক্তি ভাগ্যবান হন, যা হৃদয়রেখা, মস্তিষ্করেখা ও জীবনরেখার সমন্বয়ে তৈরি হয় এবং নেতৃত্ব, সম্পদ ও বুদ্ধিমত্তার সাথে সাফল্য নির্দেশ করে; এই চিহ্ন থাকলে মানুষ সাধারণত আবেগগত ও বৌদ্ধিক স্তরে ভারসাম্যপূর্ণ, ক্যারিশমাটিক এবং জীবনে অনেক উচ্চতা লাভ করে। 
    ‘M’ চিহ্নের বৈশিষ্ট্য ও ফলাফল:
    • ভাগ্যবান: এই চিহ্ন থাকা ব্যক্তিরা সাধারণত অত্যন্ত ভাগ্যবান হন, এবং খুব কম মানুষের হাতে এটি দেখা যায়।
    • নেতৃত্ব ও সম্পদ: এটি নেতৃত্ব, সম্পদ এবং সাফল্য লাভের ইঙ্গিত দেয়, যা ব্যক্তির স্থিতিস্থাপকতা ও প্রজ্ঞার ফল।
    • ব্যালান্সড ব্যক্তিত্ব: ব্যক্তি আবেগ, বুদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ স্তরে ভারসাম্যপূর্ণ হন এবং ক্যারিশমার কারণে সম্মানিত হন।
    • উচ্চাকাঙ্ক্ষী: এই চিহ্ন থাকলে ব্যক্তি জীবনে অনেক বড় কিছু অর্জন করতে পারে এবং তাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকে।
    • সমন্বয়: ‘M’ চিহ্নটি মূলত হৃদয়রেখা, মস্তিষ্ক রেখা এবং জীবনরেখার মিলনস্থল থেকে তৈরি হয়, যা এই তিনটি রেখার সম্মিলিত প্রভাবকে নির্দেশ করে। 
    গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
    • হাতের রেখা নিয়ে জ্যোতিষশাস্ত্রের ব্যাখ্যা সবার কাছে সমানভাবে গ্রহণযোগ্য নয়; এটি বিশ্বাস-অবিশ্বাসের বিষয়।
    • নিজের ভাগ্য নিজে গড়ার ওপর জোর দেওয়া উচিত, শুধুমাত্র হাতের রেখার ওপর নির্ভর করা উচিত নয়, এমন মতও প্রচলিত আছে
  • ১ বছর আগে থেকেই শরীর বলে দেয় ক্যান্সার আসছে

    ১ বছর আগে থেকেই শরীর বলে দেয় ক্যান্সার আসছে

    ক্যান্সার—বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর প্রধান কারণগুলোর একটি। তবে সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো বলছে, ক্যান্সার যতটা হঠাৎ ধরা পড়ে বলে মনে হয়, বাস্তবে তা নয়। শরীর ক্যান্সার শুরুর প্রায় এক বছর আগেই বিভিন্ন ধরনের সতর্ক সংকেত পাঠাতে থাকে—যা অবহেলা করলেই বিপদ!

    ইউকে-ভিত্তিক নতুন গবেষণার আলোকে ও একাধিক গবেষণা, জার্নাল যেমন The Lancet Oncology এবং BMJ সম্প্রতি রিপোর্ট করেছে যে, ডায়াগনোসিসের প্রায় ৮-১২ মাস আগেই কিছু রোগী নানা অসামঞ্জস্যপূর্ণ উপসর্গের মুখোমুখি হন—যেমন অকারণে ওজন হ্রাস, দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি, হজমের সমস্যা বা রাতের ঘাম।
    রক্তের পরিবর্তন:

    • কোনো উপসর্গ ছাড়াই রক্তে হালকা রকম অস্বাভাবিকতা (যেমন, হিমোগ্লোবিন হ্রাস, সাদা রক্তকণিকার পরিবর্তন) দেখা যেতে পারে, যা কিছু ধরনের ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।

    হজমে সমস্যা:

    • দীর্ঘমেয়াদি অম্বল, বদহজম বা পেটের ব্যথা (বিশেষ করে প্যানক্রিয়াস বা পাকস্থলীর ক্যান্সারে) কয়েক মাস বা এক বছর আগেই শুরু হতে পারে।

    ওজন হ্রাস:

    • অযথা ওজন কমে যাওয়া বা ক্ষুধা কমে যাওয়া শরীরে কোনো বড় সমস্যা, বিশেষ করে ক্যান্সারের সূচনাপর্ব নির্দেশ করতে পারে।

    অসাধারণ ক্লান্তি বা দুর্বলতা:

    • ঘুম, বিশ্রাম বা খাবার খাওয়ার পরেও ক্লান্তি না কমা—বিশেষ করে রক্তাল্পতা ছাড়া ক্লান্তি হলে সেটা কোলন ক্যান্সারের ইঙ্গিত হতে পারে।

    ত্বকে পরিবর্তন:

    • ত্বকে হঠাৎ দাগ, মোল বা কালো চিহ্ন বড় হয়ে যাওয়া (স্কিন ক্যান্সারের সম্ভাবনা), বা চোখের সাদা অংশে হলদে ভাব (লিভার সমস্যা) ইত্যাদি লক্ষণ শরীরের ভেতরের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

    অতিরিক্ত ঘাম বা রাতে ঘাম:

    • রাতে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া (night sweats) বা অস্বাভাবিক জ্বর (বিশেষ করে টিউমার থেকে সৃষ্ট) অনেক সময় লিম্ফোমার পূর্ব সংকেত।

    গবেষকেরা বলছেন, অনেক সময় রক্ত পরীক্ষা বা ইউরিন টেস্টেও সূক্ষ্ম কিছু পরিবর্তন ধরা পড়ে, যা পরবর্তীতে ক্যান্সার হিসেবে ধরা পড়ে।

    উপসর্গ যেগুলোর দিকে নজর দেওয়া জরুরি:

    • অকারণে ওজন হ্রাস
    • অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বলতা
    • দীর্ঘদিন ধরে চলা হজমের সমস্যা বা বুক জ্বালা
    • রাতের বেলা অতিরিক্ত ঘাম বা জ্বর
    • ত্বকে অস্বাভাবিক দাগ, মোল বড় হয়ে যাওয়া
    • বাত বা পেশিতে ব্যথা যেটি সহজে সারছে না

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উপসর্গগুলো যে সবসময় ক্যান্সারের ইঙ্গিত, তা নয়; তবে অবহেলা করাও ঠিক নয়।

    ভবিষ্যতের প্রযুক্তি আশা দিচ্ছে ,স্বিডিশ গবেষকরা সম্প্রতি একটি রক্ত পরীক্ষার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন, যেটি রক্তের “শর্করার ধরণ” বা glycosaminoglycan পরিমাপ করে ১৪ ধরনের ক্যান্সার প্রথম ধাপেই শনাক্ত করতে সক্ষম হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও আগেভাগেই ক্যান্সার ধরা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন চিকিৎসকেরা।

    ক্যান্সার ‘নীরব ঘাতক’, কিন্তু নীরব নয়। শরীর সময় থাকতেই সতর্ক করে, শুধু আমাদের সেই সংকেত বুঝতে শিখতে হবে। প্রাথমিক উপসর্গগুলোকে গুরুত্ব দিন, প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। আগেভাগে সচেতনতা মানেই—জীবনের নিরাপত্তা!