• যেসব কারণে শীতে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে,না জানলেই বিপদ

    যেসব কারণে শীতে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে,না জানলেই বিপদ

    শীতকাল মানেই লেপ-কম্বলের উষ্ণতা। তবে এ পরিবেশের আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে এক নীরব ঘাতক— ব্রেন স্ট্রোক। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে স্ট্রোকের (Brain Stroke) প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। বয়স্ক এবং উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও প্রবল। প্রশ্ন হল, ঠান্ডা আবহাওয়া কেন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়?

    শীতে স্ট্রোক বাড়ার প্রধান কারণসমূহ

    বিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে শীতকালে শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার পেছনে বেশ কিছু জোরালো কারণ রয়েছে:

    রক্তনালীর সংকোচন (Vasoconstriction): শীতের ঠান্ডার সঙ্গে মানিয়ে নিতে শরীর তার তাপমাত্রা ধরে রাখার চেষ্টা করে। এর ফলে রক্তনালীগুলো সংকুচিত হয়ে যায়। রক্তনালী সরু হয়ে যাওয়ার কারণে রক্তের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় এবং রক্তচাপ (Blood Pressure) দ্রুত বেড়ে যায়। এ অতিরিক্ত রক্তচাপের চাপে মস্তিষ্কের সরু ধমনী ফেটে যেতে পারে অথবা রক্ত জমাট বাঁধতে পারে।

    রক্তের ঘনত্ব বৃদ্ধি: ঠান্ডা আবহাওয়ায় মানুষের রক্ত কিছুটা ঘন বা চটচটে হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় রক্তের ‘সান্দ্রতা’ বৃদ্ধি। রক্ত ঘন হয়ে গেলে ধমনীর ভেতরে ক্লট বা চাকা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়, যা মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

    শারীরিক পরিশ্রমের অভাব: শীতকালে অলসতা বা ঠান্ডার কারণে মানুষের শারীরিক পরিশ্রম এবং ব্যায়ামের মাত্রা কমে যায়। এর ফলে শরীরের বিপাকীয় হার কমে এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা পরোক্ষভাবে স্ট্রোকের জন্য দায়ী।

    ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা: শীতকালে তৃষ্ণা কম পাওয়ার কারণে অনেকেই পর্যাপ্ত পানি পান করেন না। শরীরে জলের অভাব ঘটলে রক্ত আরও ঘন হয়ে যায় এবং রক্তচাপের ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়।

    লবণের ব্যবহার বৃদ্ধি: শীতকালীন বিভিন্ন মুখরোচক খাবারে লবণের ব্যবহার বেশি হয়। অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীরে পানি ধরে রাখে এবং রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়, যা স্ট্রোকের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।

    স্ট্রোকের আগাম লক্ষণ (FAST পদ্ধতি): স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে এর লক্ষণগুলো দ্রুত চেনা জরুরি। চিকিৎসকরা একে FAST পদ্ধতির মাধ্যমে মনে রাখার পরামর্শ দেন:

    F (Face): মুখ একদিকে বেঁকে যাওয়া বা হাসতে গেলে অসামঞ্জস্য দেখা দেওয়া।

    A (Arms): হাত অবশ হয়ে আসা বা হাত উপরে তুলতে সমস্যা হওয়া।

    S (Speech): কথা জড়িয়ে যাওয়া বা স্পষ্ট করে কথা বলতে না পারা।

    T (Time): এই লক্ষণগুলো দেখা মাত্র সময় নষ্ট না করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া।

    স্ট্রোক থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়

    পর্যাপ্ত উষ্ণতা: শরীরকে সবসময় গরম রাখার চেষ্টা করুন, বিশেষ করে মাথা এবং কান ঢেকে রাখুন।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত রক্তচাপ মাপুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করুন।

    হালকা ব্যায়াম: ঘরের ভেতরেই নিয়মিত হালকা যোগব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি বজায় রাখুন।

    সঠিক খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

    মনে রাখুন

    শীতকাল মানেই কেবল উৎসব নয়, এটি শরীরের প্রতি বাড়তি যত্ন নেওয়ার সময়। সামান্য অসাবধানতা জীবনঘাতী হতে পারে। বিশেষ করে যারা আগে থেকেই উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগে ভুগছেন, তাদের জন্য শীতের প্রতিটি দিন সতর্ক থাকা জরুরি।

  • কোন ভি’টামিনে ছেলেদের লি’ ঙ্গ মোটা তাজা ও বড় হয়, জেনে নিন

    কোন ভি’টামিনে ছেলেদের লি’ ঙ্গ মোটা তাজা ও বড় হয়, জেনে নিন

    যুগ যুগ ধরে লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করার চেষ্টা করে আসছে মানুষ, কিন্তু লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন কোন ফলাফল পাওয়া যায়, বলে জানা যায় না। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে অবশ্যই লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করা সম্ভব। সারা বিশ্বে হাজার হাজার পুরুষ লিঙ্গের বিভিন্ন সমস্যাতে ভোগেন, কিন্তু এটা কোন জটিল কোন সমস্যা বা রোগ নয়। আপনি কিছু নিয়ম মেনে চলুন, আপনা-আপনি আপনার লিঙ্গ মোটা হতে বাধ্য। মুলত লিঙ্গ মোটা বা বড় হওয়া নির্ভর করে রক্তের চাপের উপর। আপনি ভেবে দেখুন, আপনার লিঙ্গের বিভিন্ন সমস্যা আপনি নিজেই সৃষ্টি করেছেন। তা হলো হস্তমৈথুন। এই হস্তমৈথুনের ফলে আপনার লিঙ্গের স্বাভাবিক রক্ত চাপ আর নেই। কতগুলো পদ্ধতি বলছিলিঙ্গ শক্ত রাখার প্রাকৃতিক উপায় : যা করলে লিঙ্গ শক্ত হবে

    প্রথম ধাপঃ

    প্রথমে আপনি মন স্থির করুন যে আপনার পেনিস বা লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করতে হবে। আপনি প্রতিদিন কিছু নিয়ম করে ব্যায়াম করুন। এতে আপনার শরীরে রক্তচাপ বেড়ে যাবে। প্রোটিন যুক্ত খাবার খান, সেই সাথে সেক্স নিয়ে গবেষনা বা চিন্তা করা বাদ দিন। অযথা লিঙ্গ শক্ত করাতে যাবেন না এতে অনেকের বীর্যপাত হয়ে যাবে।

    ২য় ধাপঃ

    সম্পূর্ণ ভাবে হস্তমৈথুন ছেড়ে দিন কারন হস্তমৈথুন করলে আপনার লিঙ্গের মাথা মোটা ও গোড়া চিকন হয়ে যাবে। ফলে আপনার লিঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থাতে থাকবে না। আপনার লিঙ্গ লাঠি বা লোহার মত শক্ত হতে পারবে না। বিষয়টি একটু ভালো করে লক্ষ্য করুন- আপনি যখন হস্তমৈথুন করেন তখন আপনার হাতের সম্পূর্ণ শক্তি আপনার লিঙ্গের উপরে পরে যার ফলে আপনার লিঙ্গের কোষ সমূহ রক্ত চলাচল করতে বাধাগ্রস্থ হয়। আর এই কারনে সেই কোষ গুলো স্বাভাবিক শক্তি হারিয়ে ফেলে। এবং আপনার হাতের স্পর্শটা বেশি পড়ে আপনার পেনিসের মাথার দিকে যার ফলে শিরশির একটা ভাব অনুভুত হয়, এতে আপনার বীর্যপাত হয় কিন্তু আপনার পেনিসের গোড়ার দিকে কোন স্পর্শ পড়ে না বললেই চলে। ফলে গোড়ার দিকের কোষে কোন পান্স হয় না যার ফলে আপনার লিঙ্গ ডান দিকে বা বাম দিকে বেঁকে যায়। তাই অযথা হস্তমৈথুন করা বাদ দিন, আপনার হাত আর আপনার সঙ্গীনীর যোনি এক জিনিস নয়, আকাশ আর পাতাল তফাত্‍। তবে হ্যা, মাসে একবার হস্তমৈথুন তেমন কোন প্রভাব ফেলে না লিঙ্গের উপরে। আপনি চাইলে প্রতি মাসে একবার করতে পারেন।৩য় ধাপঃ

    প্রথমে আপনার লিঙ্গের গোড়ার দিকে আঙ্গুল দিয়ে ধরুন এরপর ঝাঁকাতে শুরু করুন। আস্তে আস্তে ঝাঁকানোর গতি বৃদ্ধি করুন। লক্ষ্য করুন আপনার লিঙ্গ ষাঁড়ের মত দাড়িয়ে গেছে। এখানে একটা বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আপনার প্রচুর প্ররিমানে বীর্যপাত করতে ইচ্ছা জাগবে কিন্তু আপনি বীর্যপাত করবেন না। অনেকেই ভাবে, ‘যা হয় হবে আগে বীর্যপাত কররি’ এতে আপনার বিশাল ক্ষতি। আপনি আসছিলেন লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করতে কিন্তু আপনি বীর্যপাত করে সবশেষ করে দিলেন। এমন টা করলে আপনার কোন উপকার হবে না। সাময়িক কষ্ট করুন আপনি ভালো ফল পাবেন। আপনি প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ বার লিঙ্গ ঝাঁকাতে থাকুন। এতে আপনার লিঙ্গে প্রচুর রক্তচাপ বাড়বে যার ফলে আপনার লিঙ্গের কোষগুলো স্বাভাবিক থাকবে।

    ৪র্থ ধাপঃ

    আপনি মুদি দোকান থেকে একটি সতেজ ও রসালো পান পাতা কিনে আনুন। এর পরে একটি দেশী পাঁকা কলা খোঁসা ছাড়িয়ে ভর্তা করুন এবং পান পাতার যে কোন পিঠে লাগিয়ে দিন। বেশি পরিমানে লাগাবেন না, এখন আপনার লিঙ্গ হাত ঝাঁকানো শুরু করুন। আপনার লিঙ্গ দাড়িয়ে গেলে খুব ভালো ভাবে কলা লাগানো পান পাতা লিঙ্গের সাথে জড়িয়ে দিন। ২০ থেকে ৩০ মিনিট পরে লিঙ্গ থেকে ছাঁড়িয়ে ফেলুন। এবং লিঙ্গটি টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন কিন্তু ধুবেন না। আপনার লিঙ্গের ত্বক একটু জড়িয়ে যাবে। এখন একটু লিঙ্গটাকে ভালো ভাবে ঝাঁকানো শুরু করুন, এক মিনিট করে থামুন। বীর্যপাত কোন ভাবেই যেন না হয়, বীর্যপাত করলে সবশেষ

  • এনআইডি সংশোধন চালু নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    এনআইডি সংশোধন চালু নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

     
    তিনি বলেন, ভোটার তালিকা ও প্রার্থীর তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। পোস্টাল ব্যালট প্রিন্টের কাজ চলমান, ১৮ জানুয়ারির মধ্যে শেষ হবে এই কাজ। এর পরেই চালু হবে এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম।
     
    এরআগে, গত ২৪ নভেম্বর জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন) মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও প্রিন্টের কাজ শুরু হওয়ায় এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। 
  • কানে চুল গজানো কীসের ইঙ্গিত? জানলে চমকে যাবেন

    কানে চুল গজানো কীসের ইঙ্গিত? জানলে চমকে যাবেন

    বয়ঃসন্ধির পর হরমোনের পরিবর্তনের সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। এই সময়ে কানের লোমকূপ সক্রিয় হতে পারে, ফলে কানে চুল গজাতে পারে। যদিও এটি বাইরের ধূলিকণা ও জীবাণু থেকে কানকে রক্ষা করতেও সাহায্য করে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে।

    যেমন ডায়াবেটিস বা উচ্চ টেস্টোস্টেরন লেভেলের সঙ্গে এর যোগ থাকতে পারে। 

    নাকের ভেতরে চুল থাকা যদিও স্বাভাবিক। কিন্তু বাইরের পাশে হঠাৎ চুল মানে হরমোনের সমস্যা হতে পারে। অনেক বিশেষজ্ঞ বলেন, নাকের চারপাশে বেশি চুল গজালে লিভার ফাংশন দুর্বল হতে পারে।

     

    হাতে পায়ে হঠাৎ প্রচুর চুল গজানো পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের (পিসিওএস) ইঙ্গিত হতে পারে। পুরুষদের ক্ষেত্রে এটা সাধারণ, তবে হঠাৎ গজালে হরমোন বা থাইরয়েড সমস্যা হতে পারে।

    ভাতের মাড় থেকে ফুটন্ত গরম পানি—সব কিছুই সিংকে ঢালেন? এতেই হতে পারে বড় ক্ষতি

     

    তবে হঠাৎ ঘন বা মোটা চুল গজালে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চুল গজানোর সঙ্গে অতিরিক্ত ঘাম, ওজন বেড়ে যাওয়া, ব্রণ–এগুলো হলে গুরুত্ব দিন।