• বাচ্চা লম্বা হয় না যে তিনটি ভিটামিনের অভাবে

    বাচ্চা লম্বা হয় না যে তিনটি ভিটামিনের অভাবে

    অনেক অভিভাবকই চিন্তিত থাকেন—শিশুর বয়স অনুযায়ী উচ্চতা ঠিকমতো বাড়ছে না কেন। চিকিৎসকরা বলছেন, এর পেছনে অন্যতম কারণ হতে পারে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি: ভিটামিন ডিভিটামিন বি-১২, এবং ক্যালসিয়াম

    এই তিনটির ঘাটতি শিশুর হাড়ের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত করে এবং লম্বা হওয়া বাধাগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে ভিটামিন ডি হাড়ে ক্যালসিয়াম জমাতে সাহায্য করে, বি-১২ নার্ভ ও কোষ বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য, আর ক্যালসিয়াম তো হাড় গঠনের মূল উপাদানই।

    তাই শিশুদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় এসব পুষ্টি উপাদান থাকা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিম্নোক্ত খাবারগুলো শিশুর এই ভিটামিন ঘাটতি পূরণে সাহায্য করতে পারে:

    • বাদাম
    • কিসমিস
    • কলা
    • কমলা
    • দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
    • ডিম
    • সামুদ্রিক মাছ
    • দেশি মুরগির মাংস

    নিয়মিত সুষম খাবার খাওয়ানো এবং রোদে কিছু সময় খেলাধুলা করার সুযোগ দিলে শিশুর শরীরে প্রাকৃতিকভাবেই ভিটামিন ডি তৈরি হয়।

    তাই শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত হলে শুধু ওষুধ নয়, সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলাই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।

  • ছাত্রীকে ভালোবেসে লিঙ্গ পরিবর্তন করেছেন শিক্ষিকা, পেতেছেন সংসার

    ছাত্রীকে ভালোবেসে লিঙ্গ পরিবর্তন করেছেন শিক্ষিকা, পেতেছেন সংসার

    ভালোবাসার মানুষকে নিজের করে পেতে কত কিছুই করে মানুষ। সম্প্রতি ভারতের রাজস্থান রাজ্যের এক নারী শিক্ষিকার ভালোবাসার মানুষকে কাছে পাওয়ার অভিনব এক গল্প সামনে এলো।

    রাজস্থান টিচার চেঞ্জেস জেন্ডার টু ম্যারি: ”এভরিথিংক’স ফেয়ার ইন লাভ” শীর্ষক প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানায়, ছাত্রীর প্রেমে পড়েছিলেন রাজস্থানের ভরতপুরের ওই শিক্ষিকা। প্রেমের সম্পর্ক এতটাই গভীর হয়ে যায় যে, ছাত্রীকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন তিনি। অনেক বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে এখন জুটি বেঁধেছেন শিক্ষিকা-ছাত্রী। তবে ঘটনাটি অন্যরকম।

    পশ্চিমবঙ্গের আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, সরকারি স্কুলের শারীরবিদ্যার শিক্ষিকা মীরা। কল্পনা ছিল সেই স্কুলেরই ছাত্রী। খুব ভাল বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে মীরা ও কল্পনার মাঝে। বছর দুয়েক বন্ধুত্বের পর কল্পনাকে ভালবাসতে শুরু করেন মীরা। শেষমেশ কল্পনাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন তিনি। কল্পনারও সেই সম্পর্কে কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্তু দুজনের পরিবার এতে মোটেও রাজি ছিল না। সামাজিক রীতি অনুযায়ী, রাজি হওয়ার কথাও নয়।

    ডিএনএ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেমের কারণে মীরা এখন আরভ। কল্পনাকে বিয়ে করার জন্য মীরা অস্ত্রোপচার করে লিঙ্গ পরিবর্তন করেন। এক সাক্ষাৎকারে কল্পনা বলেন, ‘আমি ওকে প্রথম থেকেই ভালবাসতাম। অ;স্ত্রোপচার না করলেও আমি আরভকে বিয়ে করতাম। আরভের অস্ত্রোপচারের সময়ও ওর পাশে ছিলাম।’

    ইন্ডিয়া ডটকম জানায়, ২০১৯ সালে মীরা স্থির করেন, তিনি লিঙ্গ পরিবর্তন করবেন। ওই বছর তার প্রথম অস্ত্রোপচার হয়। অবশেষে গত ৪ নভেম্বর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আরভ-কল্পনা। পরে আরভ বলেন, ‘নিজের ইচ্ছায় লিঙ্গ পরিবর্তন করিয়েছি। ভালবাসার জন্য এই কাজ আমার কাছে তুচ্ছ।’

  • নখে সাদা দাগ হয় কেন, অনেকেই এর কারণ জানেন না

    নখে সাদা দাগ হয় কেন, অনেকেই এর কারণ জানেন না

    শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে একটি হল নখ। আলফা-ক্যারোটিন প্রোটিন দিয়ে তৈরি নখের প্রধান কাজ নিচে থাকা নরম ত্বককে সুরক্ষা দেওয়া।

    প্রায়ই নখে ছোট কিংবা বড় সাদা দাগ দেখা যায়। এই সাদা দাগ পড়ার বিষয়টিকে সবাই কমবেশি স্বাভাবিকভাবেই নেন। এ ছাড়া এই দাগগুলো ধীরে ধীরে নিজ থেকেই চলে যায়।

    অনেক সময় কারও কারও নখে দীর্ঘদিন ধরে থাকে সাদা দাগগুলো। এ ছাড়া যদি প্রতিটি নখেই এমন দাগ হয় সেক্ষেত্রে বুঝতে হবে শরীরে কোন রোগ বাসা বাঁধছে।

    আরও দেখুন
    ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট কিনুন
    ভিটামিন
    স্বাস্থ্য
    বিশেষ সংখ্যা
    ইসলাম বিষয়ক
    অনলাইন সংবাদপত্র
    বাণিজ্য সংবাদ
    স্বাস্থ্য বিষয়ক
    চাকরির খবর
    বই প্রকাশনা

    নখে সাদা দাগ কেনো হয়?

    নখের এই সাদা দাগকে সাধারণত লিউকোনিচিয়া বলা হয়। অর্থাৎ নখের বিবর্ণতা। শরীরে কোন ভিটামিন, খনিজ বা কোন জরুরি উপাদানের ঘাটতি হলে এই সাদা দাগগুলো নখে দেখা যায়। অথবা নখে কোন আঘাত পেলেও অনেক সময় এরকম দাগ দেখা যায়।

    নখে দীর্ঘদিন ধরে এই সাদাদাগ থাকা মানে জটিল কোন রোগ আক্রান্ত হওয়াও বোঝায়।

    আরও দেখুন
    ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট কিনুন
    ভিটামিন
    স্বাস্থ্য
    বাণিজ্য সংবাদ
    দৈনিক সংবাদ
    ইভেন্ট টিকেট
    আর্কাইভ অ্যাক্সেস
    বিনোদন সংবাদ

    নখের সাদা দাগের কারণ

    ১. ছত্রাক সংক্রমণ

    নখের সাদা দাগের একটি কারণ হল ছত্রাকের সংক্রমণ। হোয়াইট সুপারফিশিয়াল অনাইকোমাইকোসিস নামক একটি ছত্রাকের কারণে হাতে বা পায়ের নখগুলিতে সাদা দাগ দেখা যায়। এ রকম ছত্রাকের কারণে অনেক সময় হাত-পায়ের নখ ফাটা, মোটা হয়ে যাওয়া বা হলুদ বা বাদামি রং ধারণ করে।

    ২. খনিজের ঘাটতি

    নখের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, আয়রন, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম এবং কপারের মতো খনিজ উপাদানের উপর নির্ভর করে। এসব উপাদানের ঘাটতি দেখা দিলে নখের সামগ্রিক গঠন ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা প্রভাবিত হয়। তখন নখে সাদা দাগের মত দেখা যায়।

    ৩. অ্যালার্জির কারণ

    নেইলপলিশ, গ্লস, হার্ডেনার বা নেইলপলিশ রিমুভারে অনেকের অ্যালার্জি থাকে। আর এই অ্যালার্জির কারণেই অনেক ক্ষেত্রে নখে সাদা দাগ তৈরি হতে পারে। এ ছাড়া অনেকে নখ সাজাতে অ্যাক্রিলিক বা জেল প্রয়োগ করে থাকে। এসব রাসায়নিক নখকে খারাপভাবে ক্ষতি করতে পারে এবং সাদা দাগের কারণ হতে পারে।

    ৪. নখে আঘাত পাওয়া/ ম্যানিকিউর

    দাঁত দিয়ে নখ কামড়ানোর অভ্যাস আছে অনেকের। এ ছাড়া নখ দিয়ে শক্ত কোন বস্তুতে আঘাত করা, টিনের নখ খোলা এসব কারণেও অনেক সময় নখ আঘাতপ্রাপ্ত হয়। ম্যানিকিউর করার সময় সতর্ক না থাকলে বা খুব ঘন ঘন ম্যানিকিউরও নখের ক্ষতির কারণ হতে পারে। এতে করে নখে সাদা দাগ দেখা যেতে পারে।

    ৫. ভারী ধাতুর বিষক্রিয়া

    আর্সেনিক এবং সীসা থেকে ভারী ধাতব বিষক্রিয়ার ফলে নখজুড়ে ‘মিউস লাইন’ নামে সাদা ব্যান্ড তৈরি হয়। দীর্ঘদিন ধরে আর্সেনিক দূষিত খাবার/ পানি পান করলে এ রকম হয়ে থাকে।

    ৬. নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ

    কিছু ওষুধ নখে সাদা দাগ সৃষ্টি করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ক্যান্সারের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত সালফোনামাইড। এই ওষুধগুলোয় নখ পাতলা হয়ে ভঙ্গুরতার মতো সমস্যা হতে পারে।

    নখের সাদা দাগের প্রতিকার ও প্রতিরোধ

    ১. নখের সাদা দাগের প্রতিকার হিসেবে ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত যাতে শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকে। মাছ, ডিম, চর্বিহীন মাংস, বাদাম, সবুজ শাকসবজি, কলিজা ও ফলমূল ইত্যাদি খাবার নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

    ২. অ্যালার্জির কারণে নখে সাদা দাগ হলে যে পণ্যের কারণে অ্যালার্জি হয়েছে সেই পণ্য ব্যবহার বন্ধ করে দিন বা এড়িয়ে চলুন। নেইল পলিশ, জেল কিংবা অ্যাক্রিলিক ম্যানিকিউর কিছুদিন বন্ধ রাখুন।

    ৩. দাঁত দিয়ে নখ কামড়ানো বা নখ দিয়ে কিছু খোঁচানো, আঁচড়ানো বা ঘন ঘন ম্যানিকিউর করা থেকে বিরত থাকুন।

    ৪. নখ কাটার সরঞ্জাম ও নেইল কাটার সব সময় জীবাণুমুক্ত করে ব্যবহার করা উচিত। এ ছাড়া যার যার আলাদা আলাদা নেইল কাটার ব্যবহার করা উচিত।

    ৫. নখ সব সময় পরিস্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখুন যাতে ছত্রাকের সংক্রমণ না হয়।

    চিকিৎসকের কাছে কখন যাবেন?

    তবে সব সময় নখের সাদা দাগ সাধারণ মনে করে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। নখের সাদা দাগ নিয়ে আপনার যদি সন্দেহ হয় যে ছত্রাক সংক্রমণের ফলে বিবর্ণতা সৃষ্টি হয়েছে, বা নিম্নোক্ত লক্ষণগুলো থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

    নখের উপর সুনির্দিষ্ট সাদা দাগ

    সাদা দাগ সব নখে ছড়িয়ে পড়লে

    পিটেড এবং ফ্লাকি দাগ

    নখ থেকে দুর্গন্ধ

  • স্ট্রোকের ২ মাস আগে শরীরে দেখা দেয় ৬টি লক্ষণ

    স্ট্রোকের ২ মাস আগে শরীরে দেখা দেয় ৬টি লক্ষণ

    স্ট্রোককে প্রায়শই ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়, কারণ এটি হঠাৎ করেই আঘাত হানতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্ট্রোক হওয়ার দুই মাস আগেই শরীর কিছু সতর্কবার্তা দেয়। যদি সময় মতো এই লক্ষণগুলো চিহ্নিত করে চিকিৎসা নেওয়া যায়, তবে মারাত্মক বিপদ এড়ানো সম্ভব।

    স্ট্রোকের ৬টি আগাম লক্ষণ

    ১. মাথা ঘোরা ও ভারসাম্য হারানো: হঠাৎ মাথা ঘোরা, চোখে ঝাপসা দেখা বা হাঁটার সময় ভারসাম্য রাখতে না পারা মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহের সমস্যার ইঙ্গিত।

    ২. হাত-পা অসাড় হওয়া: শরীরের একদিকের হাত বা পা হঠাৎ অসাড় বা দুর্বল হয়ে যাওয়া স্ট্রোকের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।

    ৩. কথা বলতে জড়তা: কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে কথা আটকে যাওয়া বা অস্পষ্টভাবে কথা বলা মস্তিষ্কের রক্ত চলাচলে বাধার ইঙ্গিত দেয়।

    ৪. দৃষ্টিতে সমস্যা: এক চোখে বা উভয় চোখেই হঠাৎ ঝাপসা দেখা বা দুটি করে দেখা শুরু হলে তা অবহেলা করা উচিত নয়।

    ৫. তীব্র মাথাব্যথা: হঠাৎ করে বিনা কারণে তীব্র মাথাব্যথা শুরু হওয়া স্ট্রোকের একটি সম্ভাব্য সতর্কবার্তা।

    ৬. ক্লান্তি ও বিভ্রান্তি: অস্বাভাবিক ক্লান্তি, শরীর দুর্বল লাগা বা হঠাৎ করে কোনো বিষয় মনে করতে না পারা (স্মৃতিভ্রংশ) স্ট্রোকের পূর্বাভাস হতে পারে।

    ঝুঁকি কমাতে করণীয়

    বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান এবং স্থূলতা স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয়। তাই এই ঝুঁকিগুলো কমাতে কিছু অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি:

    * স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া।

    * নিয়মিত ব্যায়াম করা।

    * ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করা।

    * নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো।

    মনে রাখবেন, শরীরের এই ছোট ছোট সংকেতগুলো বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে। তাই উপরের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    ট্যাগ