• পায়খানায় এই ৪টি লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার!

    পায়খানায় এই ৪টি লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার!

    কোলোরেক্টাল ক্যান্সার এখন বিশ্বব্যাপী দ্রুত বাড়তে থাকা এক জনস্বাস্থ্য সংকট। শুধু বয়স্ক নয়, তরুণদের মধ্যেও এ রোগের আক্রান্তের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। সমস্যাটি আরও জটিল হয় কারণ শুরুর পর্যায়ে এই ক্যান্সার সাধারণত নিঃশব্দে থাকে, কিংবা এমন কিছু হজমজনিত পরিবর্তন দেখা দেয় যা সহজেই অন্য সাধারণ অসুস্থতার সঙ্গে মিলে যায়। জেএএমএ নেটওয়ার্ক–এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, কিছু উপসর্গ বিশেষভাবে প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    নিচে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংকেত তুলে ধরা হলো, যেগুলো মলের মাধ্যমেই শরীর আগে থেকেই জানান দেয়।

    কেন আগেভাগে শনাক্ত করা এত গুরুত্বপূর্ণ?

    আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির তথ্যে দেখা যায়, কোলোরেক্টাল ক্যান্সার যদি রোগ ছড়িয়ে পড়ার আগেই ধরা পড়ে, তাহলে ৫ বছরের সার্ভাইভাল রেট প্রায় ৯০ শতাংশ। কিন্তু রোগ ছড়িয়ে পড়লে এ হার কমে দাঁড়ায় আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রায় ৭৩ শতাংশ এবং দূরবর্তী অঙ্গ আক্রান্ত হলে মাত্র ১৩ শতাংশে নেমে আসে।

    অর্থাৎ সময়ের আগেই শনাক্ত করতে পারলেই চিকিৎসা সফলতার সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়ে এবং সম্পূর্ণ সেরে ওঠার সুযোগও তৈরি হয়।

    মলে দেখা দিলে যেগুলো হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের প্রাথমিক সংকেত
    ১. পেন্সিলের মতো সরু বা ফিতা-আকৃতির মল

    হঠাৎ এবং স্থায়ীভাবে মল সরু, ফিতার মতো বা পেন্সিলের মতো পাতলা হয়ে গেলে তা সতর্কতার কারণ। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি জানায়, কয়েক দিনের বেশি এমন পরিবর্তন থাকলে তা অন্ত্রের ভেতরে টিউমারের কারণে পথ সংকুচিত হওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে। মেও ক্লিনিকের তথ্যমতে, কোলন বা রেকটামের ভেতর দেয়ালে টিউমার বড় হতে থাকলে মলের স্বাভাবিক পথ সঙ্কুচিত হয়, ফলে মল স্বাভাবিক আকৃতি হারায়।

    ২. মলে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা

    অন্ত্র স্বাভাবিকভাবেই অল্প পরিমাণ শ্লেষ্মা উৎপন্ন করে যা কোলনের ভেতরকার অংশ লুব্রিকেট করতে সাহায্য করে। কিন্তু মলে চোখে পড়ার মতো পরিমাণে শ্লেষ্মা দেখা গেলে তা অন্ত্রের সমস্যার সংকেত হতে পারে। এনসিবিআই এর মেডিকেল নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মলদ্বার দিয়ে রক্তপাত বা অতিরিক্ত শ্লেষ্মা নিঃসরণ হতে থাকলে তা গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

    ৩. মলে রক্ত

    উজ্জ্বল লাল বা গাঢ় তারের মতো রক্ত উভয়ই কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের অন্যতম প্রাথমিক উপসর্গ। গবেষণা বলছে, প্রাথমিক পর্যায়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই কোনো না কোনোভাবে রেকটাল ব্লিডিং দেখা যায়।

    হেমোরয়েড, অ্যানাল ফিশার বা হজমজনিত সংক্রমণের কারণেও রক্ত দেখা দিতে পারে, তবে রক্তপাত যদি বারবার ঘটে বা অন্য সতর্ক লক্ষণও দেখা দেয়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    ৪. দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য

    বারবার ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বা কখনো ডায়রিয়া আবার কখনো কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো পরিবর্তন কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের শুরুতে দেখা দিতে পারে। মোফিট ক্যান্সার সেন্টারের তথ্যমতে, বিশেষ করে ৫০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের এ ধরনের স্থায়ী মলত্যাগের পরিবর্তনকে আরও গুরুত্বসহকারে দেখা প্রয়োজন।

    যদিও খাদ্যাভ্যাস, সংক্রমণ বা আইবিএস অনেক বেশি সাধারণ কারণ, তবুও উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে কোলোনোস্কোপির মতো পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।

    তরুণদের মধ্যেও বাড়ছে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি

    দ্য লানসেট অনকোলজি–তে প্রকাশিত বড় ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে, ২৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী মানুষের মধ্যে ৫০টি দেশের মধ্যে অন্তত ২৭টি দেশে প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের হার বাড়ছে। জীবনযাপনও এই ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। এমডিপিআই এর গবেষণায় বলা হয়েছে, অল্প বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া এবং স্থূলতা প্রধান ঝুঁকির কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। গবেষকদের আশঙ্কা, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, শারীরিক কার্যক্রম কমে যাওয়া এবং মেটাবলিক রোগ বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতা, আগেভাগে স্ক্রিনিং এবং জীবনযাপনে পরিবর্তন আনলেই এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

    মলে ছোট ছোট পরিবর্তনও অনেক সময় বড় রোগের বার্তা দেয়। অবহেলা না করে সতর্ক থাকা, নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই কোলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধ ও প্রাথমিক শনাক্তকরণের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

  • মেয়েরা হ”স্ত”মৈথুন করলে ক্ষতি না উপকার হয়? জানুন অজানা কিছু তথ্য

    মেয়েরা হ”স্ত”মৈথুন করলে ক্ষতি না উপকার হয়? জানুন অজানা কিছু তথ্য

    মেয়েরা হ”স্ত”মৈথুন করলে ক্ষতি না উপকার হয়? জানুন অজানা কিছু তথ্য

    মেয়েরা হ”স্ত”মৈথুন করলে ক্ষতি না উপকার হয়? জানুন অজানা কিছু তথ্য

    হস্তমৈথুন! খুব স্বাভাবিক একটি ক্রিয়া! হস্তমৈথুন নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্নও! কিন্তু বেশিরভাগই অজানা! লজ্জা পেয়ে অনেকেই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন না! রইল হস্তমৈথুন সম্পর্কে কিছু কৌতূহলের উত্তর–

    ঘুমের সমস্যার মোকাবিলা করতে এক্সপার্ট হস্তমৈথুন ! এই সময়ে ক্ষরিত অক্সিটোসিন মন ও শরীরকে শান্ত করে, ঘুম আসে ঝটপট!

    মহিলাদের ক্ষেত্রে হস্তমৈথুনের প্রচণ্ড উত্তেজনার সময় ঘটতে থাকা পেশির সংকোচনের ফলে পেলভিক পেশি শক্তিশালী হয়।

    হস্তমৈথুন মহিলা ও পুরুষ– উভয়েরই স্মরণ শক্তি এবং দৃষ্টিশক্তির ওপরও প্রভাব ফেলে।

    হস্তমৈথুনের কারণে নারী শরীরে ডোপামাইন, এন্ড্রোফিন এবং অক্সিটোসিন হরমোন ক্ষরণ হয় যা মন ও মেজাজ…দুই ভাল রাখতে সাহায্য করে! তবে, অনেকের মনেই প্রশ্ন উঁকি মারে, বেশিমাত্রায় হস্তমৈথুন করলে কী যৌনাঙ্গের ক্ষতি হয় ? উত্তর হল, সঙ্গম যেমন সুরক্ষিত হয়, তেমনি হস্তমৈথুনও সুরক্ষিতভাবে করা উচিত । ব্যবহার করুন লুব্রিক্যান্ট ! এতে যৌনাঙ্গে আঘাত লাগবে না!

    পিরিয়ডসের সময় অনেক মহিলাই নানা শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হন। গবেষণা বলছে, অর্গ্যাসমের প্রচণ্ড উত্তেজনা জরায়ুর প্রসারণ করে, ফলে পিরিয়ডস-এর সময় রক্ত প্রবাহ উন্নত হয়, পেটব্যথাও কমে! ভাইব্রেটার-এর ব্যবহার নিয়ে বহু মহিলার মনেই প্রশ্ন বা কৌতূহল থাকে! স্বমেহনের সময় ভাইব্রেটর ব্যবহার করলে কি কোনও ক্ষতি হয়? এক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা মনে করছেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতটাই আসল । তবে বেশিমাত্রায় ভাইব্রেটার ব্যবহার না করাই ভাল ।

    এমন অনেক মহিলাই রয়েছেন যাঁরা সিঙ্গল! এমনও অনেকে রয়েছেন যাঁদের পার্টনারের সঙ্গে সেক্সলাইফে অপরিপূর্ণতা রয়েছে! সেক্ষেত্রে সবথেকে সহজ সমাধান হস্তমৈথুন! ভাল থাকার অধিকার তো সবার রয়েছে! তবে, অনেকেই ভয় পান, বেশিমাত্রায় হস্তমৈথুন করলে হয়তো ওভাম কাউন্ট কমে যায়! এই ধারণাকে সম্পূর্ণ ভুল বলে দাবি করছে চিকিৎসক মহল।

  • এই সাধারণ অভ্যাসগুলোর কারণে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে!

    এই সাধারণ অভ্যাসগুলোর কারণে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে!

    পিত্তথলিতে পাথর বা গলস্টোন অনেক সময় কোনো উপসর্গ ছাড়াই তৈরি হতে পারে। তবে পিত্তনালিতে আটকে গেলে এটি তীব্র ব্যথা, বমি, বদহজম এবং অন্যান্য জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের কারণে অজান্তেই গলস্টোনের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ম্যানিপাল হাসপাতালের সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. অনিকেত পায়াগুডে হিন্দুস্তান টাইমসকে জানিয়েছেন, গলস্টোন বাড়াতে পারে এমন পাঁচটি সাধারণ অভ্যাস—

    ১. খাবার ঘন ঘন না খাওয়া: খাবার বাদ দিলে পিত্ত দীর্ঘসময় পিত্তথলিতে জমে থাকে। স্থির পিত্তে কলেস্টেরল সহজে জমে পাথর তৈরি করতে পারে। তাই নিয়মিত সময়ে খাবার খাওয়া জরুরি।

    ২. অতিরিক্ত ভাজা বা চর্বিযুক্ত খাবার: ভাজা খাবার, অস্বাস্থ্যকর চর্বি ও প্রসেসড কার্বোহাইড্রেট পিত্তে কলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। দীর্ঘদিন এ ধরনের খাবার খেলে গলস্টোনের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    ৩. অলস জীবনযাপন: শারীরিক নড়াচড়া কম থাকলে বিপাক ধীর হয় এবং পিত্ত সঞ্চালনও কমে যায়। স্থূলতা গলস্টোনের বড় কারণ। নিয়মিত ব্যায়াম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ এতে সাহায্য করে।

    ৪. দ্রুত ওজন কমানো বা ক্র্যাশ ডায়েট: হঠাৎ দ্রুত ওজন কমালে লিভার অতিরিক্ত কলেস্টেরল তৈরি করে, যা পিত্তে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। ধীরে ও নিরাপদ উপায়ে ওজন কমানো ভালো।

    ৫. খাদ্যে ফাইবার ও পানির ঘাটতি: ফাইবার ও পানি কম হলে হজম দুর্বল হয় এবং পিত্তের প্রবাহ কমে যায়। পর্যাপ্ত ফল, শাকসবজি ও হোলগ্রেন খাবার গলস্টোন প্রতিরোধে সহায়ক।

    সব গলস্টোনই সার্জারির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু যদি ঘন ঘন ব্যথা, সংক্রমণ, প্যানক্রিয়াটাইটিস বা পিত্তনালীতে বাধা দেখা দেয়, তবে ল্যাপারোস্কোপিক কোলেসিস্টেকটমি সবচেয়ে নিরাপদ সমাধান। জটিল ক্ষেত্রে ওপেন সার্জারিও প্রয়োজন হতে পারে।

    সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত পানি পান এবং ক্র্যাশ ডায়েট এড়িয়ে চললে গলস্টোনের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। দীর্ঘদিন পেটব্যথা বা হজমের সমস্যা থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত, এতে জটিলতা কমে এবং জরুরি সার্জারির প্রয়োজনও এড়ানো যায়।

  • হাদির খুনিকে পার করেন যে দুই নেতা, দিতে হলো যত টাকা

    হাদির খুনিকে পার করেন যে দুই নেতা, দিতে হলো যত টাকা

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি নির্বাচনী প্রচারে যাওয়ার সময় তাকে গুলি করা খুনিদের নিরাপদে সীমান্ত পার করে দেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত নেটওয়ার্কের তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

    বিজ্ঞাপন
    মামলার তদন্তে উঠে এসেছে, খুনিদের পালানোর ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে বাপ্পী। আর তাকে সহযোগিতা করেন ভগ্নিপতি আমিনুল ইসলাম।

    ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ইতোমধ্যে আমিনুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত পুলিশ ও র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন ১১ জন।

    বিজ্ঞাপন
    তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাদি হত্যাকাণ্ডের পরপরই প্রধান শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর শেখকে সীমান্ত পার করার বিষয়টি আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল। ফয়সাল ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা এবং আলমগীর আদাবর থানা যুবলীগের কর্মী।

    এখন পর্যন্ত তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য হচ্ছে, ঘটনার রাতেই ফয়সাল ও আলমগীর ঢাকা ছাড়েন এবং একাধিক যানবাহন পরিবর্তন করে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্তে পৌঁছান। সেখান থেকেই তারা অবৈধভাবে ভারতে পালিয়ে যান। এই সীমান্ত পারাপারের পুরো ব্যবস্থাটি সমন্বয় করেন যুবলীগ নেতা তাইজুল। তিনি তখন নিজে ভারতে অবস্থান করলেও দূর থেকেই নির্দেশনা দেন।

    বিজ্ঞাপন
    তথ্যে আরও জানা যায়, হালুয়াঘাট সীমান্ত এলাকায় টাকার বিনিময়ে অবৈধ পারাপারের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন দালালের সক্রিয়তা রয়েছে। তাদের একজন ফিলিপ স্নাল। তার বাড়ি সীমান্তসংলগ্ন ভুটিয়াপাড়া গ্রামে।

    আরও পড়ুন

    হাদির খুনিকে পালানোর ব্যবস্থা করেন যারা, জানা গেল চাঞ্চল্যকর তথ্য
    তদন্তে পাওয়া তথ্যমতে, শহীদ হাদিকে গুলি করার কিছুক্ষণ পর তাইজুল তার ভগ্নিপতি আমিনুলকে ফোন করে জানান, তিনি ভারত থেকে ফিলিপের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না। তখন আমিনুলকে নির্দেশ দেওয়া হয়, যেন দ্রুত ফিলিপের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানানো হয়, ওই রাতেই দুই ব্যক্তিকে সীমান্ত পার করাতে হবে।

    আমিনুল ফিলিপের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে বার্তাটি পৌঁছে দেন এবং পরে বিষয়টি তাইজুলকে নিশ্চিত করেন। এরপর তাইজুলের নির্দেশে আমিনুল তাৎক্ষণিকভাবে ফিলিপকে ৫ হাজার টাকা পাঠান। সেই অর্থের বিনিময়েই ফয়সাল ও আলমগীরকে সীমান্ত পার করানো হয়।

    প্রসঙ্গত, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখযোদ্ধা, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর ওসমান হাদির মৃত্যু হয়।

    পরে তাকে দেশে এনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রিয় মসজিদের পাশে (জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে) দাফন করা হয়।