• দাঁ’তের গ’র্ত কেন হয়, আর গ’র্ত হলে আপনি কী করবেন জেনে নিন

    দাঁ’তের গ’র্ত কেন হয়, আর গ’র্ত হলে আপনি কী করবেন জেনে নিন

    দাঁতের মধ্যে নানা কারণে গর্ত হতে পারে। যেমন দন্তক্ষয় বা ডেন্টাল ক্যারিজ, দাঁত ভেঙে গিয়ে গর্ত হওয়া বা রুট ক্যানেল চিকিৎসার জন্য গর্ত হওয়া। দাঁতের মধ্যে গর্ত বা ক্যাভিটি হলে তাতে ময়লা, খাদ্যকণা ইত্যাদি জমে, সংক্রমণ হয়। দাঁতে ব্যথা করে ও শিরশির অনুভূতি শুরু হয়। শিশুদের এই গর্ত বা ক্যাভিটি হলে তারা ব্যথায় কষ্ট পায় ও কিছু খেতে গেলেই দাঁত শিরশির করে ওঠে।
    দাঁতের গর্তের অন্যতম কারণ দন্তক্ষয় বা ডেন্টাল ক্যারিজ। ডেন্টাল ক্যারিজ প্রাথমিক অবস্থায় খুবই ছোট কালো গর্তের মতো দেখায়। এ অবস্থায় কোনো ব্যথা বা অসুবিধা না থাকায় রোগীরা, বিশেষ করে শিশুরা বুঝতে পারে না যে গর্ত তৈরি হচ্ছে। জটিলতা হওয়ার পরই কেবল ধরা পড়ে। তবে দাঁত ভেঙে গেলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রোগী সেটা বুঝতে পারে। এ ছাড়া রুট ক্যানেল চিকিৎসার পর রোগী যদি পরসেলিন ক্রাউন বা মুকুট পরে না নেয়, তবে গর্ত বেড়ে যায়। পরে রুট ক্যানেল এবং ভেতরের জিনিসপত্র সব বেরিয়ে আসে।

    চিকিৎসা কী
    দাঁতের গর্তের লক্ষণ দেখা দেওয়া মাত্র দেরি না করে শূন্য জায়গাটা ভর্তি বা ফিলিং করে নেওয়া উচিত। কারণ, ডেন্টাল ক্যারিজ যদি ধীরে ধীরে ডেন্টিন থেকে আরও গভীরে অর্থাৎ পাল্প চেম্বার পর্যন্ত চলে যায়, তবে ব্যথার তীব্রতা বেড়ে যায়। চিকিৎসাব্যবস্থাও জটিল হয়ে পড়ে। ভাঙা দাঁতকে আজকাল ফিলিং ম্যাটেরিয়াল বা লাইট কিউর দিয়ে সুন্দরভাবে পূরণ করা যায়, যা দেখতে অবিকল স্বাভাবিক রঙের হয়। রুট ক্যানেল চিকিৎসা করা দাঁতের ক্রাউন বা মুকুট বসাতে দেরি করা উচিত নয়।

    ক্যাভিটি প্রতিরোধের ৫ উপায়
    * সঠিক নিয়মে প্রতিদিন দুই বেলা দাঁত ব্রাশ করা
    * চিনিযুক্ত পানীয় বা আঠালো খাবার, অম্লযুক্ত খাবার, কফি ইত্যাদি এড়িয়ে চলা বা খাওয়ার পর কুলি করে মুখ ধুয়ে ফেলা
    * শুধু ব্রাশ নয়, সুতা বা ফ্লস দিয়ে দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার করা
    * ধূমপান বর্জন
    * নিয়মিত দাঁত পরীক্ষা করা

  • ৯৯ শতাংশ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক ঘটে মাত্র ৪ কারণে!

    ৯৯ শতাংশ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক ঘটে মাত্র ৪ কারণে!

    একটি বৃহৎ গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে, প্রায় ৯৯ শতাংশ হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং হার্ট ফেইলারের ক্ষেত্রে চারটি মূল ঝুঁকি যুক্ত থাকে। এই গবেষণা পরিচালনা করেছেন নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার গবেষকরা।

    চারটি ঝুঁকি

    গবেষণায় দেখা গেছে, প্রথমবারের হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক বা হার্ট ফেইলারের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সম্পর্কিত চারটি ঝুঁকি হলো—

    • উচ্চ রক্তচাপ
    • উচ্চ কোলেস্টেরল
    • রক্তের শর্করার (গ্লুকোজ) উচ্চ মাত্রা
    • ধূমপান

    গবেষকরা স্পষ্ট করেছেন, এই চারটি ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণযোগ্য, অর্থাৎ জীবনধারার পরিবর্তন ও চিকিৎসার মাধ্যমে কমানো সম্ভব।

    বিশাল ডেটা বিশ্লেষণ

    গবেষণায় দক্ষিণ কোরিয়ার ৯ মিলিয়ন প্রাপ্তবয়স্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৭ হাজার ব্যক্তির তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে, তাদের দশ বছরের বেশি সময় ধরে পর্যবেক্ষণ করা হয়। ফলাফল দেখিয়েছে, প্রায় সবাই যিনি কার্ডিওভাসকুলার ইভেন্টে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের আগে অন্তত একটি ঝুঁকি ছিল, এবং ৯০ শতাংশের বেশি দুই বা ততোধিক ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    সবচেয়ে প্রভাবশালী ঝুঁকি

    উচ্চ রক্তচাপ সর্বাধিক সাধারণ এবং প্রভাবশালী ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। গবেষণায় “নন-অপটিমাল” মান ব্যবহার করা হয়েছে, অর্থাৎ আদর্শের সামান্য উপরে থাকা মাত্রাও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

    গবেষকরা জানিয়েছেন, এই চারটি ঝুঁকি একমাত্র কারণ নয়। জেনেটিক, প্রদাহ ও অন্যান্য জীবনধারা সম্পর্কিত অভ্যাসও প্রভাব ফেলে। তবে এই চারটি ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করলেই বড় অংশের কার্ডিওভাসকুলার ইভেন্ট প্রতিরোধ করা সম্ভব।

    প্রতিরোধের পরামর্শ

    গবেষণার প্রধান বার্তা হলো—শুরুর দিকে প্রতিরোধ। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ত্যাগ—এই সাধারণ ব্যবস্থা এমনকি সামান্য উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল বা রক্তের শর্করাও নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

  • নতুন ৪ থানা ও ২ নতুন বিভাগ অনুমোদন চূড়ান্ত করেছে সরকার!

    নতুন ৪ থানা ও ২ নতুন বিভাগ অনুমোদন চূড়ান্ত করেছে সরকার!

    প্রশাসনিক কাঠামোকে শক্তিশালী ও সেবাকেন্দ্রিক করার লক্ষ্যে সরকার নতুন চারটি থানা এবং দুইটি বিভাগ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১১৯তম সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

    বিজ্ঞাপন

    সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের দ্রুত বাড়তে থাকা জনসংখ্যার জন্য পূর্বাচল এলাকা দুইটি পৃথক প্রশাসনিক ইউনিটে ভাগ করা হচ্ছে ‘পূর্বাচল উত্তর’ এবং ‘পূর্বাচল দক্ষিণ’ নামে দুটি থানা গঠন করা হবে। এছাড়া কক্সবাজারের অর্থনৈতিক ও শিল্পবাণিজ্যের গুরুত্ব বিবেচনায় ‘মাতারবাড়ী’ নামে একটি নতুন থানা অনুমোদিত হয়েছে। নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বড় আয়তন ও প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর জন্য সেখানে নতুন একটি থানা গঠনের প্রস্তাবও মঞ্জুর হয়েছে।

    আরও পড়ুন

    নিকারের সভা অনুষ্ঠিত, যেসব প্রস্তাব অনুমোদন দিলো সরকার
    অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাঠামোতে সংস্কারের অংশ হিসেবে ‘রাজস্ব নীতি বিভাগ’ ও ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ নামে দুটি নতুন প্রশাসনিক বিভাগ গঠন করা হবে। এর মাধ্যমে রাজস্ব আহরণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত হবে।

    বিজ্ঞাপন

    সভায় মোট ১১টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। বৈঠকে অর্থ ও আইন উপদেষ্টা, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সরকারের শীর্ষ ১৪ জন সচিব উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা বিশ্বাস করেন, নতুন সিদ্ধান্তের ফলে স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতি অনেক বেড়ে যাবে।

     

  • প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ নিয়ে যা জানা গেল

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ নিয়ে যা জানা গেল

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার লিখিত ফল গতকাল রবিবার (১৮ জানুয়ারি) প্রকাশ হওয়ার গুঞ্জন থাকলেও আজও তা প্রকাশ হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।

    সূত্র জানায়, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রক্রিয়া এখনও চলমান। সব কার্যক্রম সম্পন্ন করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে অনুমোদনের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হবে। তবে এখনও সেই চিঠি মন্ত্রণালয়ে পৌঁছায়নি। এ কারণে আজ ফল প্রকাশের সম্ভাবনা নেই।

    তবে সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্যপদের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশ নেন ১০ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি পরীক্ষার্থী।

    পরীক্ষার কয়েক দিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ফেসবুকে কিছু প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়লেও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পরীক্ষার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

    পরীক্ষা শেষে দীর্ঘদিন ধরে ফলের অপেক্ষায় রয়েছেন হাজারো প্রার্থী। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বরাতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়, উত্তরপত্র স্ক্যানিংয়ের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে, যা বুয়েটের একটি বিশেষজ্ঞ টিম সম্পন্ন করেছে। ফলাফল প্রস্তুতির কাজেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

    সব প্রক্রিয়া শেষ করে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।