• অবশেষে প্রধান উপদেষ্টার হাতে পে স্কেল! দেখুন বিস্তারিত

    অবশেষে প্রধান উপদেষ্টার হাতে পে স্কেল! দেখুন বিস্তারিত

    জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫-এর সুপারিশমালা আজ প্রধান উপদেষ্টার কাছে পেশ করা হয়েছে। নতুন এই বেতন স্কেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৈষম্য কমাতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের ব্যবধান ইতিহাসের সবচেয়ে কম পর্যায়ে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    প্রস্তাবিত বেতন স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। এর ফলে বেতন অনুপাত দাঁড়িয়েছে ১:৮, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। তুলনামূলক চিত্রে দেখা যায়:

    ১৯৭৩ সালের প্রথম বেতন কমিশন: বেতন অনুপাত ছিল ১:১৫.৪।
    ২০১৫ সালের শেষ বেতন কমিশন: বেতন অনুপাত ছিল ১:৯.৪।
    ২০২৫ সালের প্রস্তাবিত কমিশন: বেতন অনুপাত কমিয়ে ১:৮ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    নতুন কাঠামো বাস্তবায়ন হলে প্রান্তিক পর্যায়ের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে। উদাহরণস্বরূপ, ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় কর্মরত ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর আর্থিক পরিবর্তনের চিত্র নিচে দেওয়া হলো:

    বর্তমান অবস্থা: মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা এবং ভাতাসহ সর্বমোট ১৬,৯৫০ টাকা।
    প্রস্তাবিত অবস্থা: মূল বেতন ২০,০০০ টাকা এবং ভাতাসহ সর্বমোট প্রাপ্তি দাঁড়াবে ৪১,৯০৮ টাকা।

    সুপারিশে উচ্চতর গ্রেড (১ম থেকে ৯ম) অপেক্ষা নিম্নতর গ্রেডের (১০ম থেকে ২০তম) কর্মচারীদের ভাতার দিকে বেশি নজর দেওয়া হয়েছে। সমতা বিধানের লক্ষ্যে ১৯তম গ্রেড থেকে ১নং গ্রেড পর্যন্ত বেতন-ভাতা বাড়লেও তা তুলনামূলক যৌক্তিক হারে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিশেষ করে যাতায়াত, টিফিন, ধোলাই ও ঝুঁকি ভাতার ক্ষেত্রে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা অগ্রাধিকার পাবেন। তবে ৫ম গ্রেড বা তার ওপরের কর্মকর্তাদের জন্য প্রচলিত গাড়ি সেবা নগদায়ন সুবিধাকে এই সাধারণ ভাতা বৃদ্ধির হারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়নি।

    কমিশন সুপারিশ করেছে যে, নতুন বেতন স্কেল যেদিন থেকে কার্যকর হবে, সেদিন থেকেই বর্তমানে প্রচলিত ১০ ও ১৫ শতাংশ বিশেষ ভাতা প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী মূল বেতনের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাজারে সরকারি কর্মচারীদের প্রকৃত আয় বৃদ্ধি নিশ্চিত করা।

  • শেষ হলো পে কমিশনের সভা, বেতন বৃদ্ধিসহ জানা গেলো যেসব সুবিধা

    শেষ হলো পে কমিশনের সভা, বেতন বৃদ্ধিসহ জানা গেলো যেসব সুবিধা

    নবম জাতীয় পে কমিশনের সভা শেষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবর ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে শেষ হওয়া সভায় বেতন ও পেনশন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সুবিধা বৃদ্ধির সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    বিজ্ঞাপন
    সুত্রে জানা গেছে, নতুন পে স্কেলে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন ১০০ থেকে ১৪৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। এতে ২০তম গ্রেডে বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হবে, আর সর্বোচ্চ প্রথম গ্রেডের বেতন হবে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

    পেনশনভোগীদের জন্যও বড় ধরনের সুবিধার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। যারা মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পান, তাদের পেনশন শতভাগ বা দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা হবে। ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকার পেনশনপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ এবং ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশনপ্রাপ্তদের জন্য ৫৫ শতাংশ পেনশন বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে।

    প্রবীণ পেনশনভোগীদের চিকিৎসা ভাতাও বাড়ানো হবে। ৭৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য চিকিৎসা ভাতা ১০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে, যা বর্তমানে ৮ হাজার টাকা। অন্যদিকে ৫৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য চিকিৎসা ভাতা ৫ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন

    বৈশাখী ভাতা ও পেনশন নিয়ে বড় সুখবর পেতে যাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা
    পে কমিশন বলেছে, দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই সুপারিশগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন এই প্রতিবেদন সরকারে জমা দিয়ে যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের পর নতুন বেতন ও পেনশন কাঠামো কার্যকর করা হবে।

    বিজ্ঞাপন
    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য এটি বড় ধরনের আর্থিক স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।

     

  • খাবারটি খেয়ে বউয়ের কাছে যান ১ ঘণ্টা গ্যারান্টি, জেনে নিন

    খাবারটি খেয়ে বউয়ের কাছে যান ১ ঘণ্টা গ্যারান্টি, জেনে নিন

    সুস্থ দেহ ও সুন্দর মন পাওয়ার আকাঙ্খা সবারই থাকে। আজীবন তারুণ্য ধরে রাখতে এবং যৌবনের রঙিন দিন অ’তিবাহিত করতে কার না ইচ্ছে করে। আর সেই ইচ্ছে পূরণের জন্য নিয়মিত পুষ্টিকর ও সেই সঙ্গে ভেজালমুক্ত খাবার খাওয়ার কোনও বিকল্প নেই। শুধু তাই নয়, জীবনে উদ্দীপনা আনতে ভায়াগ্রার সাহায্য নেন অনেকেই।
    বর্তমান জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে আমাদের জীবনে শিথিলতা আসছে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যদি থাকে এমন কিছু খাওয়ার যার মধ্যে রয়েছে জিনসিনোসাইড, তাহলে আপনার জীবনে ফিরে আসতে পারে যৌবন।
    নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌ’ন সমস্যার (যৌ’ন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহ’বাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত, মেহ-প্রমেহ) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। জেনে নিন, এ জাতীয় ৫টি ভেষজ খাবারের নাম, যা ভায়াগ্রার চাইতে বেশি উত্তেজক-
    ১। সজনে ডাঁটা : এক গ্লাস দুধে সজনে ফুল, লবন ও গোলম’রিচ মিশিয়ে প্রতিদিন খেলেও আপনার ক্ষমতা বাড়বে। ২। রসুন : র’ক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে রসুন। ফলে প্রতিদিনের ডায়েটে যদি রসুন থাকে তবে উত্তে’জনা বাড়বে। আফ্রিকান হেলথ সায়েন্সসও এটা প্রামাণ করেছে, আদার মতোই উপকারী রসুন।
    ৩। হিং : রান্নায় আম’রা হিং মেশাই। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস জলে এক চিমটি হিং ফেলে খেলে আপনার কামনা বাড়বে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি টানা ৪০ দিন ধরে রোজ ০.০৬ গ্রাম হিং খাওয়া যায় তাহলে পেতে পারেন সুস্থ জীবন। ৪। জিরা : জিরার মধ্যে থাকা পটাশিয়াম ও জিঙ্ক র’ক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে বাড়ে উদ্দীপনা। প্রতিদিন এক কাপ গরম চায়ে জিরা ফেলে খেতে পারেন উপকার পাবেন।
    ৫। আদা : বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদার উপকারিতার কথা আমাদের সবার কম-বেশি জানা। সুস্থ জীবন বজায় রাখতেও অ’পরিহার্য্য হতে পারে আদা। আদার মধ্যে থাকা ভোলাটাইল অয়েল স্নায়ুর উত্তে’জনা বাড়ায় ও র’ক্ত সঞ্চালনের মাত্রা ঠিক রাখে।

    ট্যাগ
  • দেশজুড়ে সরকারের জরুরি প্রজ্ঞাপন জারি!

    দেশজুড়ে সরকারের জরুরি প্রজ্ঞাপন জারি!

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সাধারণ নাগরিকদের কাছে থাকা সব বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গত রবিবার (১৮ জানুয়ারি) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্রগুলো নিকটস্থ থানায় জমা দিতে হবে।

    নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুসরণে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সধারীদের জন্য অস্ত্র বহন ও প্রদর্শন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। তবে বৈধভাবে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ও গৃহীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এবং তাঁদের জন্য অনুমোদিত সশস্ত্র দেহরক্ষীদের (রিটেইনার) ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। তারা নিজ নিজ নিরাপত্তার প্রয়োজনে অস্ত্র বহন করতে পারবেন।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে, সরকারের এই আদেশ লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য দেশের সব পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের আগে ও পরে আইনশৃঙ্খলার অবনতি রোধ এবং সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই আগ্নেয়াস্ত্র জমার এই প্রথাগত কিন্তু কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে মন্ত্রণালয়।