• বাবা হারালেন ইত্যাদির সেই ‘নাতি’

    বাবা হারালেন ইত্যাদির সেই ‘নাতি’

    বিনোদনমূলক জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’তে নাতি চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেছেন অভিনেতা শওকত আলী তালুকদার নিপু। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ‘ইত্যাদি’তে নিয়মিত নাতি চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। প্রথম পর্ব প্রচারের পর থেকেই চরিত্রটি সাদরে গ্রহণ করে নেন দর্শকরা।

    এবার ‘ন্যাতি’-খ্যাত জনপ্রিয় এ অভিনেতার পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছাঁয়া। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে তার বাবা মারা গেছে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ইত্যাদি কর্তৃপক্ষ।

    অভিনেতা শওকত আলী তালুকদার নিপুর বাবার নাম ডা. গোলাম মোস্তফা তালুকদার। দীর্ঘদিন ধরে গলার ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি। এর আগে রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাও করানো হয়েছে। সম্প্রতি উত্তরার আহসানিয়া মিশন ক্যানসার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

    জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় উত্তরায় প্রথম জানাজা শেষে মরদেহ দাফনের উদ্দেশে নিজ গ্রাম জামালপুর নেয়া হবে। সেখানে আরেক দফা জানাজার পর পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের কথা রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ১৯৮১ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন শওকত আলী তালুকদার নিপু। তার গ্রামের বাড়ি জামালপুর। পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর উত্তরায় থাকেন। তিন ভাই ও এক বোন তারা।

    অভিনেতা হিসেবে শওকত আলী তালুকদার নিপুর ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও চাহিদা থাকার পরও ইত্যাদি ছাড়া অন্য কোনো অনুষ্ঠানে অভিনয় করতে দেখা যায় না তাকে। ইত্যাদির নাট্যাংশে কখনো নানা, কখনো নানি, কখনোবা অন্য কোনো চরিত্রের সঙ্গে নাতি চরিত্রে নিয়মিত অভিনয় করেন তিনি।

     

  • মঞ্চে পোশাক খোলার পর যা ঘটেছিল, জানালেন টাইটানিক নায়িকা

    মঞ্চে পোশাক খোলার পর যা ঘটেছিল, জানালেন টাইটানিক নায়িকা

    তিন দশকের বেশি সময় ধরে দর্শকদের অভিনয়জাদুতে মুগ্ধ করে আসছেন কেট উইন্সলেট। ১৬ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে কেট অভিনীত নতুন সিনেমা ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’। সিনেমাটির প্রচার উপলক্ষে গত এক মাসে অনেক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন অভিনেত্রী, হাজির হয়েছে বেশ কয়েকটি টক শোতে। কথা বলেছেন নতুন সিনেমাসহ নানা প্রসঙ্গে। তবে ‘গ্রাহাম নরটন’ শোতে গিয়ে এমন এক ঘটনার স্মৃতিচারণা করলেন, যা নিয়ে আগে কথা বলেননি অভিনেত্রী।

    ঘটনাটি কয়েক দশক আগের, কেট উইন্সলেটের অভিনয়জীবনের প্রথম দিকের। তখন তাঁর বয়স মোটে ১৮। একবার মঞ্চে অভিনয় করতে গিয়ে ঘটেছিল ঘটনাটি। কী এমন ঘটনা, যা নিয়ে এত দিন পরও কথা বলতে হলো অভিনেত্রীকে?
    চরিত্রের প্রয়োজনে অভিনয় করতে গিয়ে বেশ কয়েকবারই পর্দায় পোশাক খুলতে হয়েছে কেট উইন্সলেটকে। সে প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়েই মঞ্চের ঘটনাটির স্মৃতিচারণা করেন তিনি।

    ঘটনাটি কী ছিল, সেটা শোনা যাক কেট উইন্সলেটের মুখেই, ‘তখন আমার ১৮, ম্যানচেস্টারে একটি নাটকে অভিনয় করছিলাম। আমার চরিত্রটি ছিল এক চিকিৎসকের সেক্রেটারির চাকরিপ্রত্যাশীর। নিয়োগ দেওয়ার আগে চিকিৎসক আমাকে পরীক্ষা করে দেখতে চান, সে জন্য পোশাক খুলে ফেলতে বলেন। কথামতো কাজ করি। কিন্তু তখনই আমার বাথরুম পায়। পোশাক খুলে মঞ্চে দাঁড়িয়ে আছি, প্রচণ্ড চাপ থাকার পরও বাথরুমে যেতে পারছি না…সে এক বিব্রতকর অবস্থা।’

    কেট উইন্সলেট জানান, মঞ্চে পাত্রপাত্রীদের পোশাক খুলাটা সাধারণ ঘটনা। তবে এ ধরনের দৃশ্যের আগে চারপাশে একধরনের পর্দা টেনে দেওয়া হতো, ফলে দর্শকেরা দেখতে পারত না। অভিনয় শেষ হতেই যে দৌড়ে বাথরুমে গিয়েছিলেন, অনুষ্ঠানে সে কথা জানাতে ভোলেননি কেট উইন্সলেট।
  • আমার মতো নিতম্ব ওরা কখনো দেখেনি : নোরা ফাতেহি

    আমার মতো নিতম্ব ওরা কখনো দেখেনি : নোরা ফাতেহি

    বলিউডের আবেদনময়ী অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। নিজের রূপ আর আকর্ষণীয় শারীরিক সৌন্দর্যের জন্য গর্ব করেন তিনি। তবে এবার শরীর নিয়ে ছবি শিকারীদের উপর চটলেন অভিনেত্রী। করলেন, বিস্ফোরক মন্তব্য।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ছবি শিকারীরা প্রায়ই নোরার বাজে ছবি তোলার জন্য উঠে পড়ে লাগেন। শারীরিক সৌন্দর্যের দিকে মনোযোগ না দিয়ে তারা বিশেষ অঙ্গের দিকে ফোকাস করে ছবি তোলেন। যা নিয়ে সম্প্রতি মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ‘হায় গরমি’ খ্যাত এ সেলিব্রেটি।

    এ প্রসঙ্গেই নায়িকা চুপ না থেকে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। সংবাদমাধ্যমে অনেকটা ক্ষোভ প্রকাশ করেই বলেন, ‘মুম্বাইয়ে ছবিশিকারিদের নির্দিষ্ট অঙ্গের ছবি তোলার কদর্য প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। অনুমতি না দেওয়া সত্ত্বেও তারা বিকৃতভাবে ছবি তুলছেন। এটা কী ঠিক?’

    নোরা আরও বলেন, ‘মনে হয় আমার মতো নিতম্ব কখনো দেখেনি ওরা। শুধু আমি নই, অনেক অভিনেত্রীদের বেলাতেই এমনটা করেন ছবি শিকারীরা, বিষয়টি আমি খেয়াল করেছি। অপ্রয়োজনীয়ভাবে সেলিব্রেটিদের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ক্যামেরার নজরে বিশেষভাবে ফোকাস করার মানে কী? কোন দিকে নজর তাদের?’

    নোরা ফাতেহি জানান, সমাজমাধ্যমে ট্রেন্ড ধরে রাখার জন্য এই সব করা হয়।

    শরীরের কারণে বার বার শিরোনামে এসেছেন তিনি। তবে নিজের শরীর নিয়ে কোনও গোঁড়ামি নেই নোরার। তার কথায়, ‘আমার শরীর সুন্দর এবং আমার সম্পদ নিয়ে আমি গর্ব বোধ করি। আমি কখনওই আমার শরীর নিয়ে লজ্জিত নই।’

  • চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ছেলেদের পুরুষত্ব, ব্যবসা চলছে রমরমা

    চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ছেলেদের পুরুষত্ব, ব্যবসা চলছে রমরমা

    বিক্রি হচ্ছে পুরুষত্ব কলগার্লের যখন রমরমা ব্যবসা তখন এ’সকর্টের খাতায় নাম লেখাতে ছেলেরাও পিছিয়ে নেই। বেশিরভাগ সময় এইসব ছেলেরা পুরুষত্ব বিক্রি করে কর্পোরেট বিজনেসম্যানদের স্ত্রীদের কাছে। কিংবা সেই সকল মহিলা যারা উদ্যম জীবন যাপনে অভ্যস্ত। ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে এসকর্ট বিজনেস কিংবা কল গার্ল নামে যে কালচারটা গড়ে উঠেছে সেটার লিডিং পজিশনে আছে নামী দামি ভার্সিটির উচ্চ শিক্ষিত মেয়েরা।

    শুধু মেয়েরাই এই এসকর্ট বিজনেসে চালিয়ে যাচ্ছে এমনটা নয়; ছেলেরাও এখন নিজেদের পুরুষত্ব বিক্রি করছে চড়া দামে। সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন’ এসকর্ট বিজনেসের এই রমরমা ব্যাবসায় মেয়েরা আগে পেটের দায়ে আসলেও’ এখন আসে স্রেফ উচ্চাভিলাষী জীবনযাপনের জন্য। ঢাকার উত্তরায় এরকম কিছু ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানেস্বামী স্ত্রী” উভয়েই এসকর্ট বিজনেসের সাথে জড়িত। স্বামী বাইরের লোককে ডেকে এনে স্ত্রীর ঘরে পাঠায়। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একেবারে বাসায় বসে নিরাপদে এরকম বিজনেস চালিয়ে আসছিল বেশ কিছু যুগল। যেহেতু হোটেল বিজনেসের মতো উদ্যম নয় অতএব মানুষের চোখের আড়ালে খুব সহজেই বিজনেস চালানো সহজ ছিল। লক্ষ্যনীয় বিষয় এই যে’ ভার্সিটির এই ছেলে মেয়েগুলোকে কখনোই আপনি ধরা পড়তে দেখবেন না। ধরা খায় রাস্তার ৩০০ টাকার মেয়েটা’ কিংবাকোন সস্তা পতিতালয়ের কোন সস্তা মেয়ে। অনলাইন এবং অফলাইন সব জায়গায় এই এক্সপেন্সিভ গ্রুপটা বেশ আধিপত্যের সাথে বিজনেস করে। উচু লেভেলের

    যাবে। ভার্সিটির মতো জায়গা থেকে যখন উচ্চ শিক্ষিত মেধাবী মানুষ বের হওয়ার কথা’ তখন সেখান থেকে বের হয় উচ্চ শিক্ষিত এসকর্ট (ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই)। এসকর্ট বিজনেসের সঙ্গে জড়িত এক বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণী জানায়’ একজন স্ত্রী তার স্বামীর কথায় আরেকজন পুরুষের সাথেবিছানা শেয়ার করতে সানন্দে রাজি হয়ে যাচ্ছে। বিনিময়ে শরীর বিক্রি করে স্মার্ট ফোন’ ল্যাপটপও আদায় করে নিচ্ছে অনেকে। এ পেশায় আধুনিক ছেলেরাও যোগ দিয়েছে। যে লক্ষণগুলো স্পষ্ট করে একজন নারী বিবাহিত জীবনে অসুখী অনেকগুলো স্বপ্নের জাল বুনে একজন নারী স্বামীর সংসার শুরু করেন। বলা যায় একটি নতুন জীবনের সূচনা। বিবাহিত জীবন খুব সুখে শান্তিতে কাটবে এমনটাই কমনা থাকে সবার তবে সব আশা সবার পুর্ন হয়না। তাই বিয়ের পরও দুঃখী থেকে যায় কিছু নারী।

    আপনি যদি একজন বিবাহিত নারী হয়ে থাকনে এবং আপনার বিবাহিত জীবন যদি সুখকর না হয়ে থাকে তবে আজকের এই লেখা ধরে নিন আপনাকে উদ্দেশ্য করেই। আসলে একটা সময়ে গিয়ে আমরা জীবনে ঠিক বেঠিক বুঝে উঠতে পারিনা। আমরা কি আসলেই ভালো আছি কিনা তাও বুঝিনা। আজ আমরা আলোচনা এমন কিছু লক্ষণ নিয়ে যা স্পষ্ট করে যে একজন বিবাহিত নারী সুখে নেই। প্রথমেই বলা যাক ঘুমের কথা। উইমেনস হেলথ

    একরোস দ্যা ন্যাশনের ডাক্তার ট্রক্সেল একটি বিশেষ গবেষণার পর এ কথা বলেন যে’ সুখী বিবাহিত নারীরা অসুখী নারীদের তুলনায় শতকরা ১০ ভাগ গভীর এবং সুখকরভাবে নিদ্রা যাপন করে থাকেন। হতে পারে আপনার স্বামী শহরের বাইরে আছেন কিংবা আপনার আপনার সন্তানের অসুস্থ। যে কোন কারনেই হোক না কেন একজন বিবাহিত নারী সেই মুহূর্তে যথেষ্ট অসুখী যখন তার ঘুমের জায়গা টেনশন দখল করে নেয়। একজন অসুখী বিবাহিত নারীর দ্বিতীয় লক্ষণ হচ্ছে ক্লান্তি।