Month: October 2025

  • মেডিকেলের ছাত্রীর সঙ্গে রাতে কয়েকবার দেবার পর আবার চাইলো অভিনেতা

    মেডিকেলের ছাত্রীর সঙ্গে রাতে কয়েকবার দেবার পর আবার চাইলো অভিনেতা

    খুব পরিচিত মুখ। দেশের প্রথম সারির এক অভিনেতা। হুমকিটা তিনিই দিলেন, তার সঙ্গে যে কোনোভাবেই হোক একটি রাত কাটাতে হবে। নইলে সর্বনাশ করে ছাড়বেন। মেডিকেল কলেজের এই ছাত্রীর সকল নগ্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দেবেন। এভাবেই হুমকি দিচ্ছিলেন।

    মেডিকেলের ছাত্রী শান্তা আনজুম একদম দিশেহারা। ছবিগুলো প্রকাশ পেলে মুখ দেখাতে পারবেন না। স্বল্পবসনা ছবি, সুইমিং পুলের ভেজা কাপড়ে তোলা ছবি, রাতের পোশাক পরিহিত অবস্থায় তোলা ছবি। এমনকি এই অভিনেতার অনুরোধে শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গ প্রদর্শন করে সেলফি তুলেও পাঠিয়েছেন শান্তা।

    এসব ছবি প্রকাশ পেলে কারও সামনেই যেতে পারবেন না তিনি। আত্মগোপনে চলে যেতে হবে তাকে। এসব ভেবে ভেবে অস্থির শান্তা। থানা পুলিশমুখো হলেও বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাবে। এদিকে ওই অভিনেতা সময় বেঁধে দিয়েছেন ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার ডাকে সাড়া না দিলে তিনি আর অপেক্ষা করবেন না। নিরুপায় হয়ে বিষয়টি শেয়ার করেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু আদনান আবেদিনের সঙ্গে। তার মাধ্যমেই আশ্রয় নেন সিটিটিসি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিটের।

    ঘটনাটি গত বছরের শুরুর দিকে। অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় সেই অভিনেতাকে। না, ফেসবুকে যার নাম, ছবি সেই অভিনেতা তিনি না। ফেইক আইডি ইউজ করতেন। তিনি মূলত একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ওই অভিনেতার নাম, পরিচয় ব্যবহার করে ফেসবুকে বন্ধুত্ব করেন শান্তার সঙ্গে। তারপর হোয়াটসঅ্যাপে, ফোনে কথা হতো। ছবি আদান প্রদান হতো।

    এরমধ্যেই শান্তার সঙ্গে বাস্তবে ওই অভিনেতার দেখা হয় গুলশানের একটি হোটেলের পার্টিতে। না, কোনোভাবেই শান্তাকে তিনি চিনতে পারেননি। শান্তা জানান, ফেসবুকে, হোয়াটসঅ্যাপে কথা হয় প্রায়ই, সেই শান্তা তিনি। অভিনেতা হাসেন। জানান, ফেইক আইডি। ফেসবুকে তখনও তার কোনো আইডি ছিল না। সিটিটিসি’র অভিযানে আটকের পর আর মামলা করেননি শান্তা। ছবিগুলো উদ্ধার করে ওই ঘটনার সমাধান করা হয়। সূত্র: মানবজমিন।

  • কোন জিনিস মেয়েরা খুলে দেয়, আর ছেলেরা লাগায়

    কোন জিনিস মেয়েরা খুলে দেয়, আর ছেলেরা লাগায়

    অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী ইন্টারভিউ দেওয়ার আগে নার্ভাস হয়ে পড়ে। আর এদিকে যারা ইন্টারভিউ নেন তারা ওই প্রার্থীর উপস্থিত বুদ্ধির যাচাইয়ের জন্য এমন কিছু প্রশ্ন ঘুরিয়ে করে যা শুনে তারা আরো ঘাবড়ে যায়। তবে ঠান্ডা মাথায় একটু ভাবলে আপনিও উত্তর দিতে পারবেন। এই প্রতিবেদনে কিছু সাধারণ জ্ঞানেরও প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আসা হয়েছে যা আপনাকে সহায়তা করতে পারে।

    ১) প্রশ্নঃ ভারতের কোন শহরের নাম উল্টে লিখলেও যা সোজা লিখলেও তাই?
    উত্তরঃ ওড়িশার শহর ‘কটক’, যাকে উল্টো লিখলেও যা সোজা লিখলেও তাই।

    ২) প্রশ্নঃ বিশ্বের কোন দেশটিতে ভারতীয় মুদ্রা চলে?
    উত্তরঃ নেপাল ও ভুটানে।

    ৩) প্রশ্নঃ ভারতের রাজধানী কলকাতা কত সালে হয়েছিল?
    উত্তরঃ ১৭৭২ সালে কলকাতা ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী ঘোষিত হয়।

    ৪) প্রশ্নঃ কোন ধাতুকে আপনি ছুরি দিয়ে সহজেই কাটতে পারবেন?
    উত্তরঃ সোডিয়াম এমন একটি ধাতু যা সহজেই ছুরি দিয়ে কাটা যায়।

    ৫) প্রশ্নঃ ভারতের কোন শহরটি একেবারে মধ্যখানে অবস্থিত?
    উত্তরঃ নাগপুর শহরটি ভারতের মধ্যিখানে অবস্থিত।

    ৬) প্রশ্নঃ ভারতে হিন্দির পর সবচেয়ে কোন ভাষায় বেশি কথা বলা হয়?
    উত্তরঃ হিন্দির পর বাংলা ভাষায় সবচেয়ে বেশি কথা বলা হয় ভারতে।

    ৭) প্রশ্নঃ ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মোট কয়টি মৌলিক সংখ্যা আছে?
    উত্তরঃ ২৫টি। মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো: ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯, ৩১, ৩৭, ৪১, ৪৩, ৪৭, ৫৩, ৫৯, ৬১, ৬৭, ৭১, ৭৩, ৭৯, ৮৩, ৮৯ ও ৯৭)।

    ৮) প্রশ্নঃ এমন কোন জিনিস যা উত্তপ্ত হলে শক্ত হয়ে যায়?
    উত্তরঃ ডিমকে সেদ্ধ করলে বা নরম মাটি উত্তপ্ত হলে শক্ত হয়ে যায়।

    ৯) প্রশ্নঃ ভারতে কোথায় ভাসমান স্কুল রয়েছে?
    উত্তরঃ মণিপুরের লোকতাক হ্রদে একটি প্রাথমিক ভাসমান বিদ্যালয় রয়েছে।

    ১০) প্রশ্নঃ কোন জিনিস মেয়েরা খোলে আর ছেলেরা লাগায়?
    উত্তরঃ দরজা। ছেলেরা রাত করে বাড়ি ফিরলে মেয়েরা দরজা খোলে আর ছেলেরা লাগায়। (বিভ্রান্ত করার জন্য এমন প্রশ্ন করা হয়)।

  • কিডনি স্টোন দূর করার ঘরোয়া উপায়: ব্যথা থেকে মুক্তির প্রাকৃতিক সমাধান

    কিডনি স্টোন দূর করার ঘরোয়া উপায়: ব্যথা থেকে মুক্তির প্রাকৃতিক সমাধান

    কিডনি স্টোন দূর করার ঘরোয়া উপায়: ব্যথা থেকে মুক্তির প্রাকৃতিক সমাধান

    আচ্ছা, হঠাৎ কোমরে তীক্ষ্ণ ব্যথা! যেন কেউ ভিতর থেকে ছুরি চালাচ্ছে। শ্বাস আটকে আসে, কপালে ঘাম জমে, শরীর কুঁকড়ে যায়। মিনিট খানেক পর ব্যথা কমলেও ভয়টা থেকে যায়—”আবার কখন শুরু হবে?” ডায়াগনোসিসে জানা গেল, কিডনিতে পাথর জমেছে। এই অবস্থায় হাসপাতাল ছুটে না গিয়ে ঘরোয়া উপায়ে কিডনি স্টোন দূর করার কথা ভাবছেন? আপাতদৃষ্টিতে সহজ মনে হলেও, সতর্ক না হলে বিপদ ডেকে আনতে পারেন।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর ২ লাখেরও বেশি মানুষ কিডনি স্টোনের সমস্যায় ভোগেন। আমেরিকান ইউরোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা (২০২৩) বলছে, ৫ মিমি পর্যন্ত পাথর ৭০% ক্ষেত্রে প্রাকৃতিকভাবে বেরিয়ে যায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো—কীভাবে? এই দীর্ঘ প্রতিবেদনে পাবেন কিডনি স্টোন দূর করার ঘরোয়া উপায় নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত, নিরাপদ ও কার্যকর টোটকা। জানবেন কোন পদ্ধতি কখন কাজে লাগবে, কোনটি এড়িয়ে চলবেন, আর কখন ডাক্তারের দ্বারস্থ হবেন।

    কিডনি স্টোন কী? কেন হয়? প্রাথমিক ধারণা
    কিডনি স্টোন হলো কিডনির ভিতরে জমা হওয়া কঠিন খনিজ ও লবণের স্তূপ। প্রস্রাবের ঘনত্ব বেড়ে গেলে বা দ্রবীভূত পদার্থের ভারসাম্য নষ্ট হলে এগুলো স্ফটিক আকারে জমতে থাকে। ইউরোলিথিয়াসিস নামক এই সমস্যার প্রধান কারণগুলো হলো:

    পানিশূন্যতা: পর্যাপ্ত পানি পান না করলে প্রস্রাব গাঢ় হয়, খনিজ জমার ঝুঁকি বাড়ে।
    খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত লবণ, অক্সালেট সমৃদ্ধ খাবার (পালং শাক, বাদাম), প্রাণীজ প্রোটিন।
    চিকিৎসা সমস্যা: ইউটিআই, গাউট, থাইরয়েড।
    জিনগত প্রবণতা: পরিবারে কারো থাকলে ঝুঁকি ৩ গুণ।
    পাথরের ধরন বোঝা জরুরি: ৮০% ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম অক্সালেট স্টোন হয়। বাকিগুলো ইউরিক অ্যাসিড, স্ট্রুভাইট বা সিস্টিন। ঘরোয়া সমাধান অক্সালেট ও ইউরিক অ্যাসিড স্টোনে সবচেয়ে কার্যকর।

    কিডনি স্টোন দূর করার ঘরোয়া উপায়: বিজ্ঞান ও অভিজ্ঞতার আলোকে ১০টি সমাধান
    ১. পানি: প্রকৃতির প্রধান ওষুধ

    প্রতিদিন ৩-৪ লিটার পানি পান করুন। কিডনি ফাউন্ডেশনের মতে, এতে প্রস্রাবের ঘনত্ব কমে, স্ফটিক জমা রোধ হয়। লক্ষ্য রাখুন প্রস্রাবের রং হালকা হলুদ হওয়া পর্যন্ত। গরমকালে বা ব্যায়াম 후 পরিমাণ বাড়ান। সকালে খালি পেটে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানি খান—এটি ইউরেটারিক মুভমেন্ট বাড়ায়।

    বাস্তব অভিজ্ঞতা: রাজশাহীর মো. হাসান (৪২) ৪ মিমি পাথর থেকে মুক্তি পেয়েছেন শুধু পানি ও লেবুর রস দিয়ে। তাঁর পরামর্শ: “প্রতি ঘণ্টায় ১ গ্লাস পানি সময় ধরে খান। ফোনে রিমাইন্ডার সেট করুন!”

    ২. লেবুর রস: সাইট্রিক অ্যাসিডের শক্তি

    প্রতিদিন ২টি লেবুর রস ১ গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খান। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডায়াবেটিস অ্যান্ড কিডনি ডিজিজেসের গবেষণা (২০২২) বলছে, সাইট্রিক অ্যাসিড ক্যালসিয়াম অক্সালেট স্ফটিক ভাঙে। ১ চা-চামচ অলিভ অয়েল যোগ করলে পাথর নরম হয়ে বেরোতে সহজ হয়।

    ৩. তরমুজ: প্রাকৃতিক ডাইইউরেটিক
    দিনে ২-৩ কাপ তরমুজের রস বা ৪-৫ টুকরো তরমুজ খান। ৯৫% পানি ও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ তরমুজ প্রস্রাবের প্রবাহ বাড়ায়। বীজসহ ব্লেন্ড করে খেলে আরও ভালো—বীজে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, যা অক্সালেট বাঁধে।

    ৪. অ্যাপল সিডার ভিনেগার: অ্যাসিড-ক্ষার সমতা
    ১-২ চামচ কাঁচা ভিনেগার ১ গ্লাস পানিতে মিশিয়ে দিনে ২ বার খান। ইউরোপিয়ান ইউরোলজি রিভিউ-এর তথ্য অনুসারে, ম্যালিক অ্যাসিড পাথর গলায় ও ব্যথা কমায়। ডায়াবেটিস থাকলে ব্যবহারে সতর্ক হন।

    ৫. তুলসী পাতার নির্যাস: অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ
    ৫-৬টি তাজা তুলসী পাতা বেটে ১ চা-চামচ মধুর সাথে সকালে খান। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত এই পদ্ধতি ইউরিক অ্যাসিড লেভেল কমায়। নিয়মিত খেলে নতুন পাথর জমার ঝুঁকি ৩০% কমে (জার্নাল অফ ফার্মাকোগনোসি, ২০২১)।

    ৬. ডালিমের রস: অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভাণ্ডার

    দিনে ১ গ্লাস তাজা ডালিমের রস পান করুন। এর অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট প্রপার্টি কিডনির টিস্যু টোন করে। প্রাণীপরীক্ষায় দেখা গেছে, ডালিমের রস স্ফটিক গঠন ৫০% কমায়।

    ৭. গোখুরো গাছ (Gokshura): আয়ুর্বেদিক ম্যাজিক

    ১ চা-চামচ গোখুরো চূর্ণ গরম পানিতে ৫ মিনিট ফুটিয়ে ছেঁকে নিন। দিনে ২ বার পান করুন। এই ভেষজ ইউরিনারি ট্র্যাক্টের মাংসপেশি শিথিল করে পাথর বের করতে সাহায্য করে। ঢাকার ফার্মাসিস্ট ড. সুমাইয়া আক্তারের পরামর্শ: “চূর্ণ কেনার সময় ISI মার্কা দেখে নিন।”

    ৮. শশার জুস: ডিটক্সিফায়ার
    ১টি শশা + ১টি গাজর + ১টি বিট ব্লেন্ড করে রস বানিয়ে দিনে ১ বার খান। শশায় সিলিকা রয়েছে, যা পাথরের আকার কমায়। বিটের বেটালেইন প্রদাহ দমন করে।

    ৯. বেকিং সোডা: ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রক
    ১/২ চা-চামচ বেকিং সোডা ১ গ্লাস পানিতে মিশিয়ে সপ্তাহে ২-৩ বার খান। এটি প্রস্রাবের pH বাড়িয়ে ইউরিক অ্যাসিড স্টোন গলায়। উচ্চ রক্তচাপ থাকলে এড়িয়ে চলুন।

    ১০. আঙুরের রস: প্রাকৃতিক ক্লিনজার
    কিশমিশ ভিজিয়ে রস বানিয়ে খান বা সরাসরি আঙুর খান। আঙুরের টারটারিক অ্যাসিড অক্সালেট কেলাস ভাঙে। কালো আঙুরে রেসভেরাট্রল কিডনি কোষ রক্ষা করে।

    সতর্কীকরণ: ৫ মিমি-র বড় পাথর, জ্বর বা রক্তপ্রস্রাব হলে ঘরোয়া পদ্ধতি বিপজ্জনক!

    কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
    ঘরোয়া উপায়ে ২-৪ সপ্তাহের মধ্যে উন্নতি না হলে বা নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবশ্যই ইউরোলজিস্ট দেখান:

    অত্যুগ্র ব্যথা যা ওষুধে কমে না
    প্রস্রাবে রক্ত বা দুর্গন্ধ
    বমি বা জ্বর (ইনফেকশনের লক্ষণ)
    প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া
    ইমার্জেন্সি চিকিৎসা: আজকাল ESWL (শক ওয়েভ থেরাপি) বা লেজার সার্জারির মাধ্যমে ১ দিনেই পাথর অপসারণ সম্ভব।

    কিডনি স্টোন প্রতিরোধের ৫টি গোপন কৌশল
    ১. লবণ কমানো: দিনে ১ চা-চামচের বেশি নয়। প্রক্রিয়াজাত খাবার বর্জন করুন।
    ২. অক্সালেট নিয়ন্ত্রণ: পালং শাক, মিষ্টি আলু, চা সীমিত করুন। ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার (দই, দুধ) এর সাথে খেলে অক্সালেট শোষণ কমে।
    ৩. ভিটামিন সি সাপ্লিমেন্ট এড়ানো: অতিরিক্ত ভিটামিন সি অক্সালেটে রূপান্তরিত হয়।
    ৪. প্রোটিনের ভারসাম্য: দিনে ১৫০ গ্রাম-এর বেশি মাংস নয়। ডাল, সয়াবিন বেছে নিন।
    ৫. নিয়মিত চেকআপ: বছরে একবার আল্ট্রাসাউন্ড করান।

    বিশেষ টিপস: বিছানায় শুয়ে থাকবেন না! হাঁটা বা লাফানো (জাম্পিং জ্যাকস) পাথর নড়াচড়ায় সাহায্য করে।

    জেনে রাখুন (FAQs):

    প্রশ্ন: কিডনি স্টোনের ব্যথা কমাতে কী করব?
    উত্তর: গরম পানির সেঁক দিন (২০ মিনিট/বার), ইবুপ্রোফেন বা ডাইক্লোফেনাক খান (ডাক্তারের পরামর্শে)। হালকা গরম পানিতে বসুন। ব্যথার তীব্রতা ১০-এর মধ্যে ৭ ছাড়ালে ইমার্জেন্সি রুমে যান।

    প্রশ্ন: কোন খাবার একদম খাবো না?
    উত্তর: কোলা ড্রিংকস (ফসফরিক অ্যাসিড), কফি (অক্সালেট), পালং শাক, চিনাবাদাম, চিংড়ি মাছ। ধূমপান ও অ্যালকোহল পুরোপুরি বন্ধ করুন।

    প্রশ্ন: ঘরোয়া উপায়ে কত দিনে পাথর বেরোবে?
    উত্তর: পাথরের আকার ৪ মিমি হলে ৭-২১ দিন লাগতে পারে। প্রতিদিন ৩ লিটার পানি পান করলে সময় কমে। ৬ সপ্তাহেও না গেলে চিকিৎসা নিন।

    প্রশ্ন: বাচ্চাদের কিডনি স্টোন হলে কী করব?
    উত্তর: শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ দেখান। ঘরোয়া পদ্ধতি প্রয়োগ করবেন না। সাধারণত জেনেটিক কারণ বা সংক্রমণে হয়। প্রচুর পানি ও সাইট্রাস জুস দিন।

    প্রশ্ন: প্রেগন্যান্সিতে কিডনি স্টোন হলে কী করণীয়?
    উত্তর: গাইনোকোলজিস্ট ও ইউরোলজিস্টকে একসাথে দেখান। ওষুধ বা ভেষজ নিজে খাবেন না। গরম সেঁক ও পানি বেশি করে পান করুন।

    ⚠️ সতর্কীকরণ: এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো শুধু ৫ মিমি পর্যন্ত ছোট পাথর ও প্রাথমিক লক্ষণে কার্যকর। ডায়াবেটিস, হার্ট বা কিডনি রোগ থাকলে ব্যবহার না করাই ভালো। কোনো টোটকা প্রয়োগের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    সবচেয়ে বড় কথা—কিডনি স্টোন দূর করার ঘরোয়া উপায় শুধু ব্যথা কমায় না, ভবিষ্যতের ঝুঁকিও দূর করে। তবে মনে রাখবেন, ঘরোয়া সমাধান চিকিৎসার বিকল্প নয়। আপনার কিডনির যত্ন নিন, সচেতন হোন, আর সুস্থ থাকুন!

    “প্রতিরোধই সর্বোত্তম চিকিৎসা”—এই নীতিতে চলুন। প্রতিদিনের ছোট অভ্যাসেই লুকিয়ে আছে কিডনি স্টোনমুক্ত জীবন। আজই শুরু করুন!

  • পেঁয়াজের রসে চুল গজালো ৮৭% রোগীর! অবিশ্বাস্য ফল মিললো মাত্র ৮ সপ্তাহে

    পেঁয়াজের রসে চুল গজালো ৮৭% রোগীর! অবিশ্বাস্য ফল মিললো মাত্র ৮ সপ্তাহে

    পেঁয়াজের রসে চুল গজালো ৮৭% রোগীর! অবিশ্বাস্য ফল মিললো মাত্র ৮ সপ্তাহে

    ছবিঃ সংগৃহীত

    চুল পড়া বা টাক সমস্যা নিয়ে দুশ্চিন্তা করছেন? আশার আলো দেখাচ্ছে সাধারণ পেঁয়াজের রস। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, মাথার ত্বকে নিয়মিত পেঁয়াজের রস ব্যবহার করলে মাত্র আট সপ্তাহেই নতুন চুল গজাতে পারে।

    জার্নাল অব ডার্মাটোলজি-তে প্রকাশিত গবেষণায় অ্যালোপেসিয়া এরিয়েটা (প্যাঁচালো চুল ঝরে যাওয়া) রোগীদের ওপর পরীক্ষা চালানো হয়। সেখানে দেখা যায়, প্রতিদিন দু’বার মাথার ত্বকে পেঁয়াজের রস লাগানোর মাধ্যমে মাত্র দুই সপ্তাহেই নতুন চুল গজানো শুরু হয়। আর আট সপ্তাহ শেষে প্রায় ৮৭ শতাংশ রোগীর মাথায় উল্লেখযোগ্যভাবে চুল ফিরে আসে, যেখানে নিয়ন্ত্রণ গ্রুপে এ হার ছিল মাত্র ১৩ শতাংশ।

    গবেষকরা জানান, এই ফলাফল মূলত অ্যালোপেসিয়া এরিয়েটা রোগীদের ওপর পাওয়া গেছে, পুরুষদের প্রচলিত টাক (male pattern baldness) সমস্যা নয়। তবে এ গবেষণা প্রমাণ করছে, পেঁয়াজের রস একটি সহজ, প্রাকৃতিক ও সম্ভাবনাময় সমাধান হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞরা অবশ্য আরও গবেষণার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। তবে প্রাথমিক ফলাফল বলছে, ভবিষ্যতে চুল পড়া রোধ ও নতুন চুল গজানোর চিকিৎসায় পেঁয়াজের রস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।