Month: October 2025

  • ইউরিক অ্যাসিড কমাবে এই ৬ পানীয়

    ইউরিক অ্যাসিড কমাবে এই ৬ পানীয়

    আমাদের শরীরে যখন প্রোটিনজাত খাবার—যেমন মাংস, ডাল বা কিছু নির্দিষ্ট খাবার—পাচন হয়, তখন তৈরি হয় ইউরিক অ্যাসিড। সাধারণত এটি প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়, তবে যখন অতিরিক্ত পরিমাণে তৈরি হয় বা ঠিকমতো নিষ্কাশিত না-হয়, তখন তা শরীরে জমে গিয়ে সৃষ্টি করে হাড়ের জয়েন্টে ব্যথা, ফোলা ভাব কিংবা অস্বস্তি। সাধারণভাবে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ ৩.৫ থেকে ৭.২ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার হওয়াই স্বাভাবিক। এর চেয়ে বেশি হলে তা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

    বিজ্ঞাপন
    তবে কিছু প্রাকৃতিক ও সহজ ঘরোয়া পানীয় নিয়মিত খেলে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। চলুন জেনে নিই এমনই ৬টি উপকারী পানীয় সম্পর্কে।

    লেবু পানি

    বিজ্ঞাপন

    প্রতিদিন সকালে অর্ধেক লেবুর রস এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে পান করুন। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড ভেঙে শরীর থেকে বের করতে সাহায্য করে, যা দিন শুরু করার জন্য একটি কার্যকর ও উপকারী উপায়।

    হলুদ দুধ

    বিজ্ঞাপন

    হলুদের প্রধান উপাদান কারকিউমিন শরীরে প্রদাহ কমায় এবং ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক। রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম দুধে এক চিমটি হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে পান করুন, ধীরে ধীরে এর সুফল টের পাবেন।

    শসার রস

    বিজ্ঞাপন

    শসার প্রায় ৯০ শতাংশই পানি, যা শরীর থেকে টক্সিন ও ইউরিক অ্যাসিড দূর করতে সহায়তা করে। পিউরিন কম থাকায় শসা ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধির ঝুঁকিও কমায়। নিয়মিত শসার রস পান করলে দেহ থাকে ঠান্ডা ও সতেজ।

    তরমুজের রস

    তরমুজে পানি বেশি, যা কিডনিকে ইউরিক অ্যাসিড দূর করতে সাহায্য করে। এটির পিউরিন কম, ফলে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে এটি দারুণ কার্যকর। তরমুজের রস গরমের দিনে যেমন প্রশান্তি দেয়, তেমনি স্বাস্থ্যকরও।

    আদা চা

    আদা প্রাকৃতিক প্রদাহনাশক হিসেবে কাজ করে এবং ইউরিক অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে। কয়েক টুকরো তাজা আদা পানিতে সেদ্ধ করে তাতে এক চামচ মধু মিশিয়ে তৈরি করুন আদা-চা। এটি শরীর গরম রাখে, জয়েন্টের ব্যথা কমায় এবং ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

    গ্রিন টি

    গ্রিন টি-তে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীর থেকে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড বের করতে সাহায্য করে। এটি কিডনির কার্যকারিতা ভালো রাখে। প্রতিদিন এক থেকে দুই কাপ গ্রিন টি পান করলে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।

     

  • ব্রেইন স্ট্রোকের ২ মাস আগে শরীরে দেখা দেয় ৬টি সতর্ক সংকেত

    ব্রেইন স্ট্রোকের ২ মাস আগে শরীরে দেখা দেয় ৬টি সতর্ক সংকেত

    স্ট্রোককে বলা হয় নীরব ঘাতক। হঠাৎ করেই এটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, স্ট্রোক হওয়ার দুই মাস আগেই শরীর কিছু সতর্কবার্তা দিয়ে থাকে। যদি সময়মতো সেই সংকেতগুলো চিহ্নিত করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যায়, তবে বড় ধরনের বিপদ এড়ানো সম্ভব।

    বারবার মাথা ঘোরা ও ভারসাম্য হারানো:
    হঠাৎ মাথা ঘোরা, চোখ ঝাপসা হয়ে যাওয়া বা হাঁটার সময় ভারসাম্য হারানো মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

    বিজ্ঞাপন
    হাত-পা অসাড় হয়ে যাওয়া:
    শরীরের এক পাশের হাত বা পা হঠাৎ অসাড় হয়ে যাওয়া বা দুর্বল লাগা স্ট্রোকের সম্ভাব্য সংকেত।

    কথায় জড়তা ও অস্পষ্ট উচ্চারণ:
    হঠাৎ কথা আটকে যাওয়া বা অস্পষ্ট উচ্চারণ মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল ব্যাহত হওয়ার ইঙ্গিত বহন করে।

    বিজ্ঞাপন
    দৃষ্টি ঝাপসা বা দ্বিগুণ দেখা:
    এক চোখ বা দুই চোখেই হঠাৎ দৃষ্টি সমস্যা দেখা দিলে সেটি অবহেলা করা বিপজ্জনক।

    তীব্র মাথাব্যথা:
    কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা শুরু হলে সেটি স্ট্রোকের আগাম সতর্কবার্তা হতে পারে।

    বিজ্ঞাপন
    ক্লান্তি ও বিভ্রান্তি:
    শরীর অকারণে দুর্বল হয়ে পড়া, অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা হঠাৎ স্মৃতিভ্রংশের মতো উপসর্গও স্ট্রোকের পূর্বাভাস হতে পারে।

    করণীয়:  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান ও স্থূলতা স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক বাড়ায়।

    .  তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা

    . নিয়মিত ব্যায়াম করা

    . ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার করা

    . নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো জরুরি।

    মনে রাখবেন, শরীরের ছোট ছোট সংকেত বড় বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে। তাই এসব উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

     

     

  • ছে’লেদের পু’রু’ষাঙ্গ কত বছর পর্যন্ত লম্বা ও মো’টা হয়? বিজ্ঞানসম্মত তথ্য

    ছে’লেদের পু’রু’ষাঙ্গ কত বছর পর্যন্ত লম্বা ও মো’টা হয়? বিজ্ঞানসম্মত তথ্য

    ছে’লেদের পু’রু’ষাঙ্গ কত বছর পর্যন্ত লম্বা ও মো’টা হয়? বিজ্ঞানসম্মত তথ্য

    ছেলেদের শারীরিক বৃদ্ধি ও পরিপূর্ণতা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যা বিভিন্ন পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। বিশেষ করে বয়ঃসন্ধিকালে দেহে নানা ধরনের পরিবর্তন দেখা দেয়। তবে ছেলেদের লিঙ্গ কত বছর পর্যন্ত লম্বা ও মোটা হতে পারে, তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে। চলুন, এ বিষয়ে বিজ্ঞানসম্মত তথ্য জেনে নিই।
    বয়ঃসন্ধিকাল এবং লিঙ্গের বৃদ্ধি
    বয়ঃসন্ধিকাল সাধারণত ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সের মধ্যে শুরু হয় এবং এই সময় হরমোনের প্রভাবে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বৃদ্ধি ঘটে। ছেলেদের লিঙ্গের বৃদ্ধি মূলত টেস্টোস্টেরন হরমোনের ওপর নির্ভর করে। গবেষণায় দেখা গেছে, ১৮ থেকে ২১ বছর বয়স পর্যন্ত লিঙ্গের বৃদ্ধি স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে। তবে কারও ক্ষেত্রে এটি ১৬ বা ১৭ বছরেই থেমে যেতে পারে।

    লিঙ্গের বৃদ্ধি নির্ভর করে যেসব বিষয়ের ওপর
    ১. জিনগত প্রভাব: পরিবারের পুরুষ সদস্যদের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সাধারণত মিল পাওয়া যায়। 2. হরমোনের ভারসাম্য: টেস্টোস্টেরনের মাত্রা যদি স্বাভাবিক থাকে, তাহলে লিঙ্গের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে। 3. পুষ্টি ও স্বাস্থ্য: পুষ্টিকর খাবার এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা লিঙ্গের বৃদ্ধি প্রক্রিয়াকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। 4. চিকিৎসা সংক্রান্ত অবস্থা: কিছু শারীরিক বা হরমোনজনিত সমস্যার কারণে স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে।

    বয়স বাড়ার পর কি লিঙ্গের আকার পরিবর্তন হয়?
    একবার যখন লিঙ্গের বৃদ্ধি শেষ হয়ে যায়, তখন প্রাকৃতিকভাবে এর আকারে বড় পরিবর্তন হয় না। তবে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে রক্ত সঞ্চালন ও টেস্টোস্টেরনের মাত্রার পরিবর্তন লিঙ্গের দৃঢ়তা ও কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

    অস্বাভাবিকতা হলে কী করবেন?
    যদি মনে হয়, লিঙ্গের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হচ্ছে না বা কোনো শারীরিক সমস্যা অনুভূত হচ্ছে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    প্রতিটি মানুষের শারীরিক বৃদ্ধি আলাদা এবং এটি একেবারেই স্বাভাবিক বিষয়। সঠিক তথ্য জানা এবং ভ্রান্ত ধারণা থেকে দূরে থাকা জরুরি। সুস্থ জীবনযাত্রা ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখলে দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করা সম্ভব।

  • প্রেমের টানে জয়পুরহাটে এসে প্রেমিকাকে করেন শ্রীলঙ্কান যুবক

    প্রেমের টানে জয়পুরহাটে এসে প্রেমিকাকে করেন শ্রীলঙ্কান যুবক

    জয়পুরহাট এসে প্রেমিকাকে বিয়ে শ্রীলঙ্কান যুবকের

    জয়পুরহাটের মেয়ে রাহেনা বেগমের প্রেমে পড়েছেন শ্রীলঙ্কান যুবক রওশন মতিন। সপ্তাহখানেক আগে রওশন জয়পুরহাট সদরের উত্তর পাথুরিয়া গ্রামে প্রেমিকা রাহেনার বাড়ি আসেন। পরে ওই রাতেই ধর্মীয় রীতি মেনে তাঁদের বিয়ে দেওয়া হয়। রাহেনা পাথুরিয়া গ্রামের শাহাদুল ইসলামের মেয়ে।

    রাহেনার পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, জর্ডানে গিয়ে একটি কোম্পানিতে কাজ করার সময় প্রতিষ্ঠানটির সুপারভাইজার রওশনের সঙ্গে রাহেনার পরিচয় ও প্রেম হয়। দেড় বছর আগে রওশন শ্রীলঙ্কা ফেরেন। আর গত মার্চে জয়পুরহাটে আসেন রাহেনা।

    রাহেনা বেগম বলেন, আগে এলাকায় আমার বিয়ে হয়েছিল, ওই পরিবারে একটি সন্তান রয়েছে। চাকরির সুবাদে ২০১৫ সালে আমি জর্ডান গেলে স্বামী ডিভোর্স দেন। জর্ডানে আমার কোম্পানির সুপারভাইজার রওশন মতিনের সঙ্গে পরিচয় ও সম্পর্ক হয়। দু’জন দু’জনার দেশে ফিরলেও মোবাইলে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। তিনি আরও বলেন, রওশন আমাকে বিয়ে করতে রাজি হলে, বাংলাদেশে আসতে চান। আমার পরিবারকে জানালে তারা সম্মতি দেন। ২২ সেপ্টেম্বর আমরা বিয়ে করেছি। সুখেই সংসার করছি।

    স্ত্রীকে দোভাষী বানিয়ে রওশন মতিন বলেন, রাহেনার পরিবার আমার খুব পছন্দ হয়েছে। তাঁরা অনেক ভালো মানুষ। আমি বিয়ে করেছি, এখানেই থাকতে চাই। আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি।