Category: জাতীয়

জাতীয়

  • সকল স্কুল বন্ধ রাখার জরুরি ঘোষণা! কবে থেকে কার্যকর

    সকল স্কুল বন্ধ রাখার জরুরি ঘোষণা! কবে থেকে কার্যকর

    আসন্ন রমজান মাসে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ রবিবার বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। এই নির্দেশনার পর জনমনে প্রশ্ন জেগেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে ছুটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে আসবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, তারা হাইকোর্টের নির্দেশনার বিষয়ে অবগত আছেন। তবে নির্দেশনার কপি পাওয়ার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মন্ত্রণালয় কি আদালতের আদেশ মেনে স্কুল বন্ধ রাখবে, নাকি এই নির্দেশনার বিরুদ্ধে আপিল করবে—তা নিয়ে আগামীকাল সোমবার একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈঠকের পর মন্ত্রণালয়ের অবস্থান ও মাউশি থেকে চিঠি জারির বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল ও অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা। রিট আবেদনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে:

    সংবিধান ও প্রথা: আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ মানুষ মুসলিম এবং স্বাধীনতার পর থেকে রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখাই আইনগত প্রথা ও রীতিতে পরিণত হয়েছে। সংবিধানের ১৫২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যেকোনো প্রথাও আইনের অন্তর্ভুক্ত। তাই রমজানে স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক হিসেবে দাবি করা হয়।

    ধর্মীয় ও শারীরিক প্রভাব: নোটিশে উল্লেখ করা হয়, স্কুল চলাকালীন দীর্ঘ সময় যাতায়াত ও ক্লাসের চাপে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রোজা রাখা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এটি তাদের ধর্মীয় আচার চর্চায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

    নাগরিক দুর্ভোগ: রমজানে স্কুল খোলা থাকলে শহরগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দেয়।

    শিক্ষা সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব বরাবর পাঠানো এই নোটিশের প্রেক্ষিতে আদালত পুরো রমজান মাস স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। এখন সবার দৃষ্টি আগামীকাল সোমবারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভার দিকে, যেখানে নির্ধারিত হবে রমজানে ক্লাসের ভবিষ্যৎ।

  • পে স্কেল বাস্তবায়নে প্রথম সভায় আলোচনা হলো যেসব বিষয়

    পে স্কেল বাস্তবায়নে প্রথম সভায় আলোচনা হলো যেসব বিষয়

    বৈঠকে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগে জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন ২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি ২০২৫-এর দাখিল করা প্রতিবেদনের বেতন সম্পর্কিত বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সুপারিশের জন্য এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি ২০২৫-এর প্রতিবেদনের জন্য সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার।

    তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রধান করে গঠন করা এই কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, আইন ও বিচার বিভাগগের সচিব, হিসাব মহানিয়ন্ত্রক (সিজিএ)।

    এ কমিটি জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন ২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি ২০২৫-এর দাখিল করা প্রতিবেদনের বেতন সম্পর্কিত বিষয়াদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী কার্যক্রম সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়ন করে সরকারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবে। সেই কাজের জন্যই প্রথম বৈঠকে বসেন কমিটির সদস্যরা।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ২৭ জুলাই নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে সরকার। সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন এই বেতন কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন।

  • রাষ্ট্রপতি হিসেবে চূড়ান্ত ভাবে উঠে এলো যে ২ জনের নাম!

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে চূড়ান্ত ভাবে উঠে এলো যে ২ জনের নাম!

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে চূড়ান্ত ভাবে উঠে এলো যে ২ জনের নাম!

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০৯টি আসন নিয়ে বিএনপির সরকার গঠনের প্রস্তুতির মাঝেই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন সমীকরণ। আগামী মঙ্গলবার সংসদ সদস্যদের শপথ ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের কথা থাকলেও সবার নজর এখন বঙ্গভবনের পরবর্তী বাসিন্দার দিকে।

    বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, রাষ্ট্রপতি পদের জন্য দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম সবচেয়ে জোরালোভাবে বিবেচনায় রয়েছে। ৭৯ বছর বয়সী এই প্রবীণ রাজনীতিক কুমিল্লা-১ আসন থেকে এবারও নির্বাচিত হয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক এই অধ্যাপক এর আগে জ্বালানি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসে জনমত গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। ইতিপূর্বে দলীয় সমাবেশেও তাকে হবু রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করার নজির রয়েছে।

    রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে আলোচনায় আছেন বিএনপির আরেক প্রভাবশালী স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করা এই নেতাকে অবশ্য রাষ্ট্রপতির পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা করার পরামর্শ রয়েছে দলের ভেতরে।

    এদিকে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত। গত ডিসেম্বরে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেই সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। ২০২৮ সাল পর্যন্ত তার সাংবিধানিক মেয়াদ থাকলেও পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তিনি যেকোনো সময় পদত্যাগ করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    আগামীকাল মন্ত্রিসভার শপথের পর কয়েক দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে মেধা ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে খন্দকার মোশাররফ হোসেনই হচ্ছেন কি না দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি।

  • পে স্কেল বাস্তবায়নে প্রথম সভায় আলোচনা হলো যেসব বিষয়

    পে স্কেল বাস্তবায়নে প্রথম সভায় আলোচনা হলো যেসব বিষয়

    পে স্কেল প্রণয়নে গঠিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    বৈঠকে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগে জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন ২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি ২০২৫-এর দাখিল করা প্রতিবেদনের বেতন সম্পর্কিত বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সুপারিশের জন্য এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি ২০২৫-এর প্রতিবেদনের জন্য সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার।

    তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রধান করে গঠন করা এই কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, আইন ও বিচার বিভাগগের সচিব, হিসাব মহানিয়ন্ত্রক (সিজিএ)।

    এ কমিটি জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন ২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি ২০২৫-এর দাখিল করা প্রতিবেদনের বেতন সম্পর্কিত বিষয়াদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী কার্যক্রম সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়ন করে সরকারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবে। সেই কাজের জন্যই প্রথম বৈঠকে বসেন কমিটির সদস্যরা।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ২৭ জুলাই নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে সরকার। সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন এই বেতন কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন।