ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭—দুই আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন। আইন অনুযায়ী একাধিক আসনে জয়ী হলে একটি আসন রাখার সুযোগ থাকায় তিনি বগুড়া-৬ (সদর) ছেড়ে দিয়ে ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন।
নির্বাচন কমিশন বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য ঘোষণা করার পর থেকেই উপনির্বাচন ঘিরে বগুড়া শহরজুড়ে আলোচনা তুঙ্গে। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বড় অংশ চান, জিয়া পরিবারের কেউ—ডা. জোবাইদা রহমান, শর্মিলা রহমান সিঁথি কিংবা জাইমা রহমান—এই আসনে প্রার্থী হোন।
জিয়া পরিবারের বাইরে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সভাপতি ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, সাবেক সভাপতি অ্যাড. এ কে এম মাহবুবুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন, আলী আজগর তালুকদার হেনা এবং সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু।
দলীয় সূত্রের দাবি, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী উল্লেখযোগ্য ভোট পাওয়ায় জিয়া পরিবারের বাইরে কাউকে মনোনয়ন দিলে জয় কঠিন হতে পারে। এ কারণে তৃণমূল নেতাকর্মীদের বড় অংশই চান, জিয়া পরিবারের একজনকে প্রার্থী করা হোক।
বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি ডা. আফসারুল হাবীব বলেন, আসনটি ধরে রাখতে জিয়া পরিবারের সদস্যই সবচেয়ে উপযুক্ত।
তবে তা সম্ভব না হলে, দলের দুর্দিনে তথ্য ও যোগাযোগ সহায়তা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা বিএনপির মিডিয়া সেলের সভাপতি ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলকে মনোনয়ন দেওয়া যেতে পারে বলে মত দেন তিনি। তার মতে, সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তাকে বিপুল ভোটে জয়ী করা সম্ভব।