Category: জাতীয়

জাতীয়

  • নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, সর্বোচ্চ আলোচনায় ২ জন

    নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, সর্বোচ্চ আলোচনায় ২ জন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য শপথের তারিখ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন- দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন।

    নির্বাচন শেষে নবনির্বাচিত সরকারের কাছে শিগগিরই ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার প্রাক্কালে তিনি কোনো সাংবিধানিক পদে থাকবেন কি না- এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও গুঞ্জন রয়েছে, নতুন সরকার চাইলে তিনি সাংবিধানিক কাঠামোর ভেতরে কোনো দায়িত্ব পেতে পারেন।

    তবে তারেক রহমান-এর আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, ড. ইউনূসকে নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট পদ চূড়ান্ত হয়নি এবং এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। অন্যদিকে ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে মত দিয়েছেন, ড. ইউনূস রাষ্ট্রপতি হলে দেশ উপকৃত হতে পারে। যদিও বিএনপি ও ড. ইউনূসের প্রেস সচিব এ ধরনের আলোচনার কথা অস্বীকার করেছেন। প্রেস সচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষে ড. ইউনূস সামাজিক ব্যবসা, তরুণদের নিয়ে কাজ এবং ‘শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ’ ধারণা প্রচারে মনোযোগ দিতে চান।

    এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন এবং একই দিনে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ করান।

  • রমজানে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছুটির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজ

    রমজানে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছুটির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজ

    মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসের পুরো সময় ধরে বন্ধ থাকবে কিনা, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)।  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আপিলের ওপর শুনানি শেষে আসবে এ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

    রমজানের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের ছুটি নিশ্চিত করতে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইলিয়াছ আলী মণ্ডল।

    এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ একটি রিট আবেদনের শুনানিতে রোজায় সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার আদেশ দেন।

     

    হাইকোর্টের দেওয়া সেই আদেশের ফলে পুরো রমজান মাসে সব মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল ৮ মার্চের পরিবর্তে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই বন্ধ থাকার কথা ছিল। তবে এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করলে হাইকোর্টের সেই আদেশটি সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) স্থগিত করে দেওয়া হয়।

    তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে আদালতের আদেশে কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই। ফলে রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে নাকি বন্ধ থাকবে—সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

  • রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য, যা বলছে অধিদপ্তর

    রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য, যা বলছে অধিদপ্তর

    আসন্ন পবিত্র রমজানে সব ধরনের মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। এদিকে হাইকোর্টের নির্দেশনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে কোনো ধরনের নির্দেশনা নেই। এতে রোজায় প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে নাকি বন্ধ থাকবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, তারা একটি বাৎসরিক ছুটির তালিকা করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। তাতে রমজান, ঈদুল ফিতরসহ কয়েকটি ছুটি মিলিয়ে ১৯ দিন বন্ধ রাখার কথা রয়েছে। তবে সেটি এখনো ওয়েবসাইটে প্রকাশ হয়নি।

    অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই ছুটির তালিকায় ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত রোজা, ঈদসহ কয়েকটি ছুটি রয়েছে। শুক্র ও শনিবারসহ সেখানে মোট ছুটি ১৯ দিন।

    এর বাইরে প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে অধিদপ্তরের কাছে কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা।

    হাইকোর্টের আদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি জানিয়ে উপ-পরিচালক জয়নাল আবদীন বলেন, ‌যতদূর জেনেছি, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে বলা হয়েছে। প্রাথমিকের কথা আমরা জানতে পারিনি। সেক্ষেত্রে অধিদপ্তর ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ছুটি রেখেছে। এটা থাকবে নাকি পরিবর্তন হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

  • রাষ্ট্রপতি হিসেবে চূড়ান্ত ভাবে উঠে এলো যে ২ জনের নাম!

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে চূড়ান্ত ভাবে উঠে এলো যে ২ জনের নাম!

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০৯টি আসন নিয়ে বিএনপির সরকার গঠনের প্রস্তুতির মাঝেই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন সমীকরণ। আগামী মঙ্গলবার সংসদ সদস্যদের শপথ ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের কথা থাকলেও সবার নজর এখন বঙ্গভবনের পরবর্তী বাসিন্দার দিকে।

    বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, রাষ্ট্রপতি পদের জন্য দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম সবচেয়ে জোরালোভাবে বিবেচনায় রয়েছে। ৭৯ বছর বয়সী এই প্রবীণ রাজনীতিক কুমিল্লা-১ আসন থেকে এবারও নির্বাচিত হয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক এই অধ্যাপক এর আগে জ্বালানি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসে জনমত গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। ইতিপূর্বে দলীয় সমাবেশেও তাকে হবু রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করার নজির রয়েছে।

    রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে আলোচনায় আছেন বিএনপির আরেক প্রভাবশালী স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করা এই নেতাকে অবশ্য রাষ্ট্রপতির পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা করার পরামর্শ রয়েছে দলের ভেতরে।

    এদিকে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত। গত ডিসেম্বরে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেই সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। ২০২৮ সাল পর্যন্ত তার সাংবিধানিক মেয়াদ থাকলেও পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তিনি যেকোনো সময় পদত্যাগ করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    আগামীকাল মন্ত্রিসভার শপথের পর কয়েক দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে মেধা ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে খন্দকার মোশাররফ হোসেনই হচ্ছেন কি না দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি।