Category: জাতীয়

জাতীয়

  • পে স্কেল নিয়ে নতুন ঘোষণা সরকারি কর্মচারীদের

    পে স্কেল নিয়ে নতুন ঘোষণা সরকারি কর্মচারীদের

    নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) জাতীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    মহাসমাবেশে বাংলাদেশ প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাস্তবায়ন ঐক্য পরিষদের সভাপতি আবু নাসির খান বলেন, ‘প্রতি পাঁচ বছর অন্তর বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির কথা থাকলেও ২০১৫ সালের পর এ দেশে সরকারি কর্মচারীদের কোনো বেতন বৃদ্ধি হয়নি। অন্যদিকে গত ১০ বছরে নিত্যপণ্যের মূল্য বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, এই মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে খাপ খেয়ে চলতে পারছেন না সরকারি কর্মচারীরা।

    বিভিন্ন সংগঠনের নামে পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য তারা আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছেন।’

    অন্তর্বর্তী সরকার পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে নবম পে-কমিশন গঠন করলেও সম্প্রতি অর্থ উপদেষ্টা আগামী সরকার পে স্কেল বাস্তবায়ন করবে বলে সরকারি কর্মচারীদের মনে আগুন ধরিয়ে দেন।

    বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকেই এবং জাতীয় নির্বাচনের তপসিল ঘোষণার আগে বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেল আগামী ১ জানুয়ারি থেকে বাস্তবায়নের দাবি জানান আবু নাসির খান।

    মো. ওয়ারেস আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা কর্মচারীদের দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন।

    মো. জাকির হোসেন, আমিনুর রহমান ও রোকন উদ্দিনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের হাজার হাজার কর্মচারীসহ বিভিন্ন দপ্তরের লক্ষাধিক কর্মচারী মহাসমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।

    মহাসমাবেশে অন্যদের মধ্যে মো. বাদিউল কবির, মো. মাহমুদুল হাসান, র‌বিউল জোয়াদ্দার, মো. লুৎফর রহমান, আ. হান্নান, মো. বেলাল হোসেন, খায়ের আহমেদ মজুমদার প্রমুখ বক্তব্য দেন।

  • নতুন পে-স্কেল নিয়ে সুখবর আসছে ডিসেম্বরেই!  

    নতুন পে-স্কেল নিয়ে সুখবর আসছে ডিসেম্বরেই!  

    সরকারি চাকরিজীবীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে গত জুলাইয়ে পে কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ছয় মাসের মধ্যে কমিশনকে সুপারিশ জমা দিতে বলা হয়। সেই হিসেবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় থাকলেও কমিশন জানিয়েছে, তার আগেই সুপারিশ জমা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

    বিজ্ঞাপন

    অন্যদিকে সরকারি কর্মচারীরা নতুন পে স্কেলের সুপারিশ জমা দেওয়ার জন্য ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। নির্ধারিত সময় পার হলেও কমিশন সুপারিশ জমা না দেওয়ায় শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) শাহবাগ শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ করেন চাকরিজীবীরা। সেখান থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন পে–স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং জানুয়ারি ২০২৬ থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশ না হলে ১৭ ডিসেম্বর কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনের নেতারা।

    কমিশন জানিয়েছে, আন্দোলনের চাপ নয়, বরং নিয়মিত প্রক্রিয়াতেই দ্রুত সুপারিশ চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। তবে তারা নির্দিষ্ট কোনো তারিখ জানায়নি। কর্মচারীদের বেঁধে দেওয়া সময় বিবেচনায় কমিশনের হাতে কার্যদিবস রয়েছে মাত্র সাতটি, যা সুপারিশ জমা দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয় বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    কমিশনের এক সদস্য একটি গণমাধ্যমকে বলেন, চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। লেখালেখি বেশ এগিয়েছে, খুব শিগগিরই সুপারিশ জমা দেওয়া হবে।

    তবে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে তা সম্ভব কি না এ প্রশ্নের উত্তর তিনি দেননি।

    বিজ্ঞাপন

    সরকারি এবং কমিশন-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, সুপারিশ জমা দিতে পুরো ডিসেম্বরই লেগে যেতে পারে। এরপর সেই সুপারিশ যাচাই-বাছাই করে নতুন বেতন কাঠামো তৈরি করতেও সময় লাগবে। ফলে কর্মচারীদের দেওয়া আল্টিমেটাম অনুযায়ী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

     

  • হাসিনা বাদ! আ’লীগের নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই নেতা,জেনে নিন তাদের নাম

    হাসিনা বাদ! আ’লীগের নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই নেতা,জেনে নিন তাদের নাম

    গুলিস্তানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ব্যানার লাগিয়েছে ‘জুলাই যোদ্ধা’ নামের একটি সংগঠন। দুই-একদিনের মধ্যে এখানে তাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয় হিসেবে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন এর কয়েকজন সদস্য।

    অন্যদিকে রবিবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতাকর্মী কার্যালয়টি দখলে নিয়েছেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। দলটির সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানহ কতিপয় নেতাকর্মীর ফেসবুক পেজ থেকেও এমন প্রচারণা চালানো হয়। এ খবর শুনে সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় সেখানে ছুটে যান কথিত জুলাই যোদ্ধাদের কয়েকজন। যদিও তারা কাউকে খুঁজে পাননি।

    রবিবার সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় ভবনটির পাঁচতলায় একটি বড় ব্যানারে লেখা ‘জুলাই যোদ্ধাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়’। ব্যানারটির এক পাশে রয়েছে রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ এবং অপর পাশে ঢাকার শহীদ মীর মুগ্ধের ছবি।

    আ.লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঝুলছে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ ব্যানার

    কার্যালয়ের সামনে অবস্থানরত কয়েকজন নিজেদের জুলাই যোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দেন। এর মধ্যে হোসাইনুজ্জামান নামে একজন জানান, গত বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সেখানে তারা ব্যানার লাগিয়েছেন। এ সময় আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে মিষ্টিও বিতরণ করা হয়।

    তিনি বলেন, জুলাই যোদ্ধা নামের সংগঠনের অসংখ্য সদস্য রয়েছে। কার্যালয় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের দিন দেখতে পাবেন। অবশ্য এর কেন্দ্রীয় দায়িত্বে কারা রয়েছেন তা তিনি জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

    আরেক সদস্য মিনহাজুল জানান, ভবনটিতে লোকজন মল-মূত্র ত্যাগ করার কারণে তারা ভেতরে যান না। তবে কতিপয় মাদকসেবী ও যৌনকর্মী আসা-যাওয়া করে থাকে।

    আ.লীগ কার্যালয়ের সামনে থেকে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলছেন তারা

    তিনি আরও জানান, আজ থেকে তাদেরও ঢুকতে দেবেন না এবং দুই একদিনের মধ্যেই এটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু হবে।

    অন্যদিকে সন্ধ্যায় গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় দখলমুক্ত করেছেন ছাত্রলীগের নেতারা। বলা হয়, তারা নাকি মিছিল নিয়ে সেখানে গিয়ে কার্যালয়টি নিজেদের আয়ত্তে নেন।

    নারায়ণগঞ্জ থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমানের ফেসবুক থেকে পোস্ট করা হয়, ‘আলহামদুলিল্লাহ আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস দখলমুক্ত করেছে কয়েকজন জেলা-মহানগর ইউনিটের ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক। এখনও দালালি বাদ দেন। সত্যকে সত্য বলতে শিখুন। আওয়ামী লীগ মানেই ছাত্রলীগ। প্লিজ নিজেদের মধ্যে গ্রুপিং করবেন না। দখলমুক্ত করছেন ছাত্রলীগ নেতারা। যুবলীগের নাম দেবেন না। পার্টি অফিসের সামনে ছাত্রলীগ ছাড়া অন্য কেউ যায়নি।’

    কার্যালয় ঘিরে মানুষের ভিড়

    এমন বিভিন্ন পেজ থেকে এ প্রচারণা চললেও এর সত্যতা মেলেনি। আশপাশের ব্যবসায়ীরাও তা জানেন না বলে জানান। তবে লোকজন যারা আসছেন তারা আওয়ামী লীগের কেউ নন বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান একাধিক ব্যবসায়ী। তাদের ধারণা, এরা নব্য দখলদারদেরই লোক।

    প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সর্বশেষ গুলিস্তানে স্থানান্তরিত হয় ১৯৮১ সালে। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে ৮ কাঠা জমির ওপর ১০ তলা সম্প্রসারিত ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়। এটি নির্মাণে ব্যয় হয় ১০ কোটি টাকা। যার পুরোটাই ছিল দলীয় তহবিলের টাকা। ২০১৮ সালের ২৪ জুন এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের দিনেই ভবনটিতে আগুন দেয় জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্র-জনতা। সেই থেকেই পরিত্যক্ত ভবনটি গণশৌচাগার ও মাদকসেবীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়।

  • এবার বাংলাদেশের বড় যে সিদ্ধান্তে বিপাকে ভারত!

    এবার বাংলাদেশের বড় যে সিদ্ধান্তে বিপাকে ভারত!

    রাশিয়া থেকে তেল ও অস্ত্র আমদানির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য যুদ্ধে এবার বড় ধরনের চাপে পড়েছে ভারত। ওয়াশিংটন নতুন করে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা বিদ্যমান ২৫ শতাংশ শুল্কের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। ট্রাম্প ঘোষিত এই অতিরিক্ত শুল্ক আগামী ২৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।

    এই কঠোর সিদ্ধান্তে ভারত এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি করযুক্ত বাণিজ্য অংশীদারে পরিণত হবে, যা কার্যত যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞার সমান। এর ফলে ভারতের রপ্তানিমুখী শিল্পে বড় ধাক্কা লাগতে চলেছে এবং দেশটির প্রবৃদ্ধি অর্ধ শতাংশের বেশি কমে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।

    ইতিমধ্যে এর প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতারা ভারতীয় কারখানাগুলোতে দেওয়া অর্ডার বাতিল বা স্থগিত করতে শুরু করেছেন। ভারতের তৈরি পোশাক, চামড়া ও বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হলেও অতিরিক্ত শুল্কের কারণে সেসব পণ্য এখন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না।

    এক ভারতীয় ব্যবসায়ী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রে আর প্রতিযোগিতা করতে পারছি না। যেখানে বাংলাদেশের শুল্ক ২০ শতাংশ, সেখানে আমাদের দিতে হচ্ছে ৫০ শতাংশ। ফলে ক্রেতারা বাংলাদেশের দিকেই ঝুঁকছেন।”

    এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বিকল্প পথ হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের ওপর শুল্ক মাত্র ২০ শতাংশ, যা ভারতের তুলনায় অনেক কম। ফলে ভারতের বাতিল হওয়া বিপুল সংখ্যক অর্ডার সরাসরি বাংলাদেশে চলে আসছে।

    মার্কিন সংস্থাগুলো বাংলাদেশের কারখানায় নতুন করে অর্ডার দিচ্ছে। পাশাপাশি, ভারতীয় বড় ব্যবসায়ীরাও এখন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এবং অনেকে যৌথ উদ্যোগে কাজ করার চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন।

    ভারতীয় উদ্যোক্তারা দীর্ঘ মেয়াদে মার্কিন বাজার ধরে রাখতে বাংলাদেশকে ‘মধ্যবর্তী সেতু’ হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছেন। অর্থাৎ, ভারতীয় কোম্পানিগুলো সরাসরি নয়, বরং বাংলাদেশের কারখানাগুলোর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য পাঠাতে চাইছে।

    এদিকে, বাংলাদেশি পোশাক কারখানাগুলো হঠাৎ করে অতিরিক্ত অর্ডার পাওয়ায় চাপের মুখে পড়েছে। মালিকরা বলছেন, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের এই সময়ে তাদের অর্ডার কয়েক গুণ বেড়েছে। এর ফলে উৎপাদন ব্যস্ততায় কারখানাগুলো দিনরাত চলছে। এক শীর্ষ রপ্তানিকারক বলেন, “আমাদের যেসব ক্রেতা আগে ভারতে অর্ডার দিতেন, তারাই এখন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। অর্ডার এত বেড়েছে যে, সময়মতো ডেলিভারি দিতে আমরা সংগ্রাম করছি।”

    বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি ভারতের জন্য মারাত্মক সংকট ডেকে আনলেও, বাংলাদেশের জন্য এটি এক বিরাট সুযোগ—নতুন বাজার দখল করা এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রবাহ আরও বাড়ানোর।