Category: জাতীয়

জাতীয়

  • নতুন ৪ থানা ও ২ নতুন বিভাগ অনুমোদন চূড়ান্ত করেছে সরকার!

    নতুন ৪ থানা ও ২ নতুন বিভাগ অনুমোদন চূড়ান্ত করেছে সরকার!

    প্রশাসনিক কাঠামোকে শক্তিশালী ও সেবাকেন্দ্রিক করার লক্ষ্যে সরকার নতুন চারটি থানা এবং দুইটি বিভাগ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১১৯তম সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

    বিজ্ঞাপন

    সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের দ্রুত বাড়তে থাকা জনসংখ্যার জন্য পূর্বাচল এলাকা দুইটি পৃথক প্রশাসনিক ইউনিটে ভাগ করা হচ্ছে ‘পূর্বাচল উত্তর’ এবং ‘পূর্বাচল দক্ষিণ’ নামে দুটি থানা গঠন করা হবে। এছাড়া কক্সবাজারের অর্থনৈতিক ও শিল্পবাণিজ্যের গুরুত্ব বিবেচনায় ‘মাতারবাড়ী’ নামে একটি নতুন থানা অনুমোদিত হয়েছে। নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বড় আয়তন ও প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর জন্য সেখানে নতুন একটি থানা গঠনের প্রস্তাবও মঞ্জুর হয়েছে।

    আরও পড়ুন

    নিকারের সভা অনুষ্ঠিত, যেসব প্রস্তাব অনুমোদন দিলো সরকার
    অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাঠামোতে সংস্কারের অংশ হিসেবে ‘রাজস্ব নীতি বিভাগ’ ও ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ নামে দুটি নতুন প্রশাসনিক বিভাগ গঠন করা হবে। এর মাধ্যমে রাজস্ব আহরণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত হবে।

    বিজ্ঞাপন

    সভায় মোট ১১টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। বৈঠকে অর্থ ও আইন উপদেষ্টা, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সরকারের শীর্ষ ১৪ জন সচিব উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা বিশ্বাস করেন, নতুন সিদ্ধান্তের ফলে স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতি অনেক বেড়ে যাবে।

     

  • প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ নিয়ে যা জানা গেল

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ নিয়ে যা জানা গেল

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার লিখিত ফল গতকাল রবিবার (১৮ জানুয়ারি) প্রকাশ হওয়ার গুঞ্জন থাকলেও আজও তা প্রকাশ হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।

    সূত্র জানায়, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রক্রিয়া এখনও চলমান। সব কার্যক্রম সম্পন্ন করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে অনুমোদনের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হবে। তবে এখনও সেই চিঠি মন্ত্রণালয়ে পৌঁছায়নি। এ কারণে আজ ফল প্রকাশের সম্ভাবনা নেই।

    তবে সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্যপদের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশ নেন ১০ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি পরীক্ষার্থী।

    পরীক্ষার কয়েক দিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ফেসবুকে কিছু প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়লেও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পরীক্ষার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

    পরীক্ষা শেষে দীর্ঘদিন ধরে ফলের অপেক্ষায় রয়েছেন হাজারো প্রার্থী। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বরাতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়, উত্তরপত্র স্ক্যানিংয়ের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে, যা বুয়েটের একটি বিশেষজ্ঞ টিম সম্পন্ন করেছে। ফলাফল প্রস্তুতির কাজেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

    সব প্রক্রিয়া শেষ করে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

     

  • সরকারি কর্মচারীদের সর্বনিম্ন বেতন হচ্ছে ৪২ হাজার

    সরকারি কর্মচারীদের সর্বনিম্ন বেতন হচ্ছে ৪২ হাজার

  • এলপিজি নিয়ে সুখবর দিল সরকার

    এলপিজি নিয়ে সুখবর দিল সরকার

    গ্যাস (এলপিজি) আমদানি করতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) নীতিগত অনুমতি দিয়েছে সরকার।

    সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে এলপিজি আমদানির জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত এই সংস্থাকে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    রোববার রাতে গণমাধ্যকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, বিপিসিকে এলপিজি আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে আমদানি করা হবে। এতে বাজারে সরবরাহ বাড়বে ও দাম নিয়ন্ত্রণে সহায়তা পাওয়া যাবে।

    তিনি আরও বলেন, এর মধ্যে প্রক্রিয়া শুরুর জন্য বিপিসির চেয়ারম্যানকে মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হচ্ছে। এখন সরকার থেকে সরকার পর্যায়ে এলপিজি আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। আমদানি করা গেলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং ভারসাম্য আসবে।

    সম্প্রতি দেশে এলপিজির সংকট দেখা দিলে তা আমদানির অনুমতি চেয়ে ১০ জানুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবকে চিঠি দিয়েছিল বিপিসি।

    চিঠিতে বলা হয়, দেশে এলপিজির বাজার পুরোপুরি বেসরকারি খাতনির্ভর হওয়ায় সংকটের সময় সরকারিভাবে বাজারে হস্তক্ষেপের সুযোগ সীমিত। ফলে সরবরাহ-ঘাটতি ও কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে তা মোকাবিলার কার্যকর কোনো হাতিয়ার সরকারের হাতে থাকে না। বিপিসির ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটিকে এলপিজি আমদানির অনুমতি দেওয়া হলো।