Category: জাতীয়

জাতীয়

  • এবার আসছে দুই দফায় টানা ৭ দিনের ছুটির সুযোগ

    এবার আসছে দুই দফায় টানা ৭ দিনের ছুটির সুযোগ

    ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই টানা চার দিনের ছুটি কাটাতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে। সে উপলক্ষে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরের দিন ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার)।

    এ অবস্থায় এক দিনের ছুটি নিলেই টানা চার দিনের ছুটি কাটানো যাবে। কেননা এর পরের দুই দিন ৬ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) ও ৭ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি। সুতরাং মাত্র এক দিনের ছুটি নিলেই সরকারি চাকরিজীবীরা টানা চার দিনের ছুটি কাটাতে পারবেন।

    এদিকে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ক্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    এদিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। অর্থাৎ এখানে মিলছে তিন দিনের ছুটি।

    অন্যদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, চলতি বছরে মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি ও ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্র ও শনিবারে পড়েছে।

    এ ছাড়া ২০২৬ সালে ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটি নির্ধারিত হয়েছে : মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫ দিন; হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৯ দিন; খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৮ দিন; বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন।

  • নির্বাচনী সাধারণ ছুটি পাচ্ছে না যেসব প্রতিষ্ঠান

    নির্বাচনী সাধারণ ছুটি পাচ্ছে না যেসব প্রতিষ্ঠান

    আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। পাশাপাশি উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১১ ফেব্রুয়ারিকেও সাধারণ ছুটি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিল্পাঞ্চলে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি ছুটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    বিজ্ঞাপন
    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    তবে নির্বাচন উপলক্ষে ঘোষিত এই সাধারণ ছুটি সব প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে না। ঈদসহ অন্যান্য জাতীয় ছুটির মতোই কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ছুটির আওতার বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মেই চলবে, যাতে জনজীবন ও জরুরি সেবায় কোনো ব্যাঘাত না ঘটে।

    সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ছুটির বাইরে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দেশনা দেবে।

    ছুটির বাইরে যেসব প্রতিষ্ঠান থাকবে:

    বিজ্ঞাপন

    যোগাযোগ ও পরিচ্ছন্নতা খাত: টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা, ডাক বিভাগ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং এসব সেবার সঙ্গে যুক্ত যানবাহন সচল থাকবে।

    জরুরি পরিষেবা: বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানি সরবরাহ সংস্থা, ফায়ার সার্ভিস এবং দেশের সমুদ্র ও স্থলবন্দর সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম চালু থাকবে।

    বিজ্ঞাপন
    জরুরি দাপ্তরিক কার্যক্রম: যেসব সরকারি ও বেসরকারি অফিস সরাসরি জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত, সেগুলোর কার্যক্রমও চালু থাকবে।

    চিকিৎসাসেবা: সরকারি ও বেসরকারি সব হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী, পাশাপাশি ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী পরিবহনকারী যানবাহন সাধারণ ছুটির আওতার বাইরে থাকবে।

    সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্বাচন নির্বিঘ্ন করতে এবং জনসাধারণের জরুরি সেবা নিশ্চিত করতেই এসব প্রতিষ্ঠানকে সাধারণ ছুটির বাইরে রাখা হয়েছে।

     

  • অবশেষে প্রধান উপদেষ্টার হাতে পে স্কেল! দেখুন বিস্তারিত

    অবশেষে প্রধান উপদেষ্টার হাতে পে স্কেল! দেখুন বিস্তারিত

    জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫-এর সুপারিশমালা আজ প্রধান উপদেষ্টার কাছে পেশ করা হয়েছে। নতুন এই বেতন স্কেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৈষম্য কমাতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের ব্যবধান ইতিহাসের সবচেয়ে কম পর্যায়ে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    প্রস্তাবিত বেতন স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। এর ফলে বেতন অনুপাত দাঁড়িয়েছে ১:৮, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। তুলনামূলক চিত্রে দেখা যায়:

    ১৯৭৩ সালের প্রথম বেতন কমিশন: বেতন অনুপাত ছিল ১:১৫.৪।
    ২০১৫ সালের শেষ বেতন কমিশন: বেতন অনুপাত ছিল ১:৯.৪।
    ২০২৫ সালের প্রস্তাবিত কমিশন: বেতন অনুপাত কমিয়ে ১:৮ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    নতুন কাঠামো বাস্তবায়ন হলে প্রান্তিক পর্যায়ের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে। উদাহরণস্বরূপ, ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় কর্মরত ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর আর্থিক পরিবর্তনের চিত্র নিচে দেওয়া হলো:

    বর্তমান অবস্থা: মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা এবং ভাতাসহ সর্বমোট ১৬,৯৫০ টাকা।
    প্রস্তাবিত অবস্থা: মূল বেতন ২০,০০০ টাকা এবং ভাতাসহ সর্বমোট প্রাপ্তি দাঁড়াবে ৪১,৯০৮ টাকা।

    সুপারিশে উচ্চতর গ্রেড (১ম থেকে ৯ম) অপেক্ষা নিম্নতর গ্রেডের (১০ম থেকে ২০তম) কর্মচারীদের ভাতার দিকে বেশি নজর দেওয়া হয়েছে। সমতা বিধানের লক্ষ্যে ১৯তম গ্রেড থেকে ১নং গ্রেড পর্যন্ত বেতন-ভাতা বাড়লেও তা তুলনামূলক যৌক্তিক হারে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিশেষ করে যাতায়াত, টিফিন, ধোলাই ও ঝুঁকি ভাতার ক্ষেত্রে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা অগ্রাধিকার পাবেন। তবে ৫ম গ্রেড বা তার ওপরের কর্মকর্তাদের জন্য প্রচলিত গাড়ি সেবা নগদায়ন সুবিধাকে এই সাধারণ ভাতা বৃদ্ধির হারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়নি।

    কমিশন সুপারিশ করেছে যে, নতুন বেতন স্কেল যেদিন থেকে কার্যকর হবে, সেদিন থেকেই বর্তমানে প্রচলিত ১০ ও ১৫ শতাংশ বিশেষ ভাতা প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী মূল বেতনের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাজারে সরকারি কর্মচারীদের প্রকৃত আয় বৃদ্ধি নিশ্চিত করা।

  • নবম পে-স্কেল নিয়ে সিদ্ধান্ত দুপুরে

    নবম পে-স্কেল নিয়ে সিদ্ধান্ত দুপুরে

    নবম জাতীয় পে-স্কেল চূড়ান্ত করতে বুধবার (২১ জানুয়ারি) শেষ সভায় বসছে পে কমিশন। দুপুর ১২টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পুরাতন ভবনের সম্মেলন কক্ষে পূর্ণ কমিশনের এই সভা শুরু হবে। সভা শেষে বিকেলেই খসড়া সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি রয়েছে।

    বিজ্ঞাপন
    পে কমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, দুপুরে পূর্ণ কমিশনের সভায় পে-স্কেলসংক্রান্ত সব বিষয় চূড়ান্ত করা হবে। সভা শেষে বিকেল ৫টায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের সময় নির্ধারিত রয়েছে। ওই সাক্ষাতে কমিশনের চূড়ান্ত খসড়া তুলে ধরা হবে।

    কমিশনের এক সদস্য বলেন, নবম পে-স্কেলের সবকিছুই মোটামুটি চূড়ান্ত। বিষয়গুলো আরেকবার রিভাইজ করা হবে। কমিশনের সভায় খসড়া সুপারিশ পর্যালোচনা শেষে তা প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া হবে।

    বিজ্ঞাপন

    Advertisement: 0:24

    Close Player
    সুপারিশ প্রকাশের বিষয়ে জানতে চাইলে ওই সদস্য বলেন, কমিশনের সুপারিশের কপি কোনো সদস্যের কাছেই থাকবে না। এটি কেবল প্রধান উপদেষ্টার কাছে থাকবে। পরবর্তীতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সময় আরও কয়েক কপি প্রিন্ট করা হতে পারে।

    আরও পড়ুন

    ৫০তম বিসিএস নিয়ে সরকারের নতুন প্রজ্ঞাপন
    কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বেতন কমিশন ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে। পুরো মাত্রায় এটি কার্যকর করার প্রস্তাব রয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে।

    বিজ্ঞাপন
    এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন বেতন কমিশনের প্রধান জাকির আহমেদ খান।