Category: জাতীয়

জাতীয়

  • আ.লীগ ক্যাডারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া কে এই মেজর সাদেক?

    আ.লীগ ক্যাডারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া কে এই মেজর সাদেক?

    ‘দেশজুড়ে নাশকতার ছক আওয়ামী লীগের’ শিরোনামে গত ২৮ জুলাই দৈনিক আমার দেশে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপরই দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে নাশকতা চালানোর জন্য কর্মশালার নামে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৪০০ ক্যাডারকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ষড়যন্ত্রের ঘটনায় ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। প্রশিক্ষণের মূল দায়িত্বে ছিলেন মেজর সাদেকুল হক সাদেক। ইতোমধ্যে মেজর সাদেকের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ ক্যাডারদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সম্পৃক্ততার সত্যতা পেয়েছে আইএসপিআর।

    শুক্রবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের পাঠানো এক সংবাদ

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি একটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ জুলাই ওই কর্মকর্তাকে তার নিজ বাসস্থান রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে আটক করে সেনা হেফাজতে নেয়া হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের লক্ষ্যে একটি আদালত গঠন করা হয়েছে এবং অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। পূর্ণ তদন্ত সমাপ্তি সাপেক্ষে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ওই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হচ্ছে। এছাড়াও তার কর্মস্থল থেকে অনুপস্থিত থাকা সংক্রান্ত বিষয়ে আরেকটি তদন্ত আদালত গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে আদালতের সুপারিশক্রমে সেনা

    আইন অনুযায়ী দায় নিরূপণে (Command Responsibility) প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    কক্সবাজারের রামু ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত রয়েছেন মেজর সাদেক। গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মেজর সাদেকের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন তার স্ত্রী সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সুমাইয়া জাফরিন। সাদেক ও সুমাইয়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার সময় শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে নেতাকর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন।

    আর সরকার উৎখাতের এ পরিকল্পনার বিষয়টি কলকাতায় বসে সার্বিক তত্ত্বাবধান করছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তাকে সহযোগিতায় সেখানে রয়েছেন ডিএমপির সাবেক

    কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা ও পুলিশের সাবেক কর্মকর্তারা।

    এ ছাড়া সরকার উৎখাতের এই পরিকল্পনায় কৌশলগত সহযোগিতা করছেন দিল্লিতে অবস্থান করা পলাতক অতিরিক্ত আইজিপি ও পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক প্রধান পলাতক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুজিবুর রহমান।

  • অবশেষে কমে গেল লোহার দাম,কমে কত হলো দাম..?

    অবশেষে কমে গেল লোহার দাম,কমে কত হলো দাম..?

    বিশ্ববাজারে আকরিক লোহার দাম বেশ কিছুদিন ধরেই ১০০ ডলারের আশপাশে ঘোরাফেরা করছিল। কিন্তু চীনের অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত গতি না ফেরায় এবার দাম নিম্নমুখী হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বড় ভোক্তা চীন থেকে নতুন কোনো প্রণোদনার ঘোষণা না আসায় বাজারে হতাশা তৈরি হয়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে স্টিলশিল্প ও কাঁচামালের বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার

    চীনের ডালিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জে বুধবার (৩০ জুলাই) সেপ্টেম্বর মাসের সবচেয়ে লেনদেন হওয়া আকরিক লোহার চুক্তির দাম ০.৪৪ শতাংশ কমে প্রতি মেট্রিক টন ৭৮৯ ইউয়ানে (১০৯.৯৫ মার্কিন ডলার) দাঁড়ায়

    সিঙ্গাপুর এক্সচেঞ্জেও দাম পড়ে গেছে। একই মাসের জন্য চুক্তির দর ০.৯১ শতাংশ কমে ১০১.৮ ডলারে নেমে আসে।

    এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান ৯০ দিনের শুল্ক বিরতি বাড়ানোর আলোচনা সাফল্যমণ্ডিত হওয়ায় সকালের দিকে দাম কিছুটা বাড়ে। তবে চীনের পলিটব্যুরোর বৈঠকে কোনো নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক প্রণোদনার ঘোষণা না থাকায় বাজারে হতাশা ছড়ায়।

    চীনা রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার মতে, পলিটব্যুরোর বার্ষিক জুলাই বৈঠকে স্থিতিশীল নীতির প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও, রিয়েল এস্টেট খাত চাঙা করতে কোনো নতুন পরিকল্পনার উল্লেখ করা হয়নি।

    চীনের এই খাতটি দেশের মোট স্টিল চাহিদা ও অর্থনীতির বড় চালিকাশক্তি হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা চায়নি এটি অবহেলিত থাকুক।

  • আ. লীগ কর্মীদের প্রশিক্ষণের অভিযোগ : মেজর সাদিক সেনাবাহিনীর হেফাজতে

    আ. লীগ কর্মীদের প্রশিক্ষণের অভিযোগ : মেজর সাদিক সেনাবাহিনীর হেফাজতে

    আওয়ামী লীগের কর্মীদের মেজর সাদিক নামে সেনাবাহিনীর একজন অফিসার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে— এমন সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ

    মাধ্যমে ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মেজর সাদিককে হেফাজতে নিয়েছে সেনাবাহিনী এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিকেলে ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেস ‘এ’-তে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান সেনাসদরের মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা।

    তিনি বলেন, মেজর সাদিকের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। যদিও বিষয়টি তদন্তাধীন আছে, তারপরও আমি বলব, যে এ রকম একটা ঘটনার কথা জানার পরে সেনাবাহিনী তাকে হেফাজতে নিয়েছে এবং তদন্ত চলমান আছে। তদন্তে তার দোষ প্রমাণিত হলে নিঃসন্দেহে সেনাবাহিনীর প্রচলিত নিয়মে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যেহেতু বিষয়টি তদন্তাধীন আছে তাই এর বেশি এই মূহুর্তে বলা আমার মনে হয় সমিচীন হবে না।

    তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি নিয়ে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে ইউপিডিএফ-জেএসএস— এ ধরণের যে দলগুলো আছে সবসময় আমরা দেখেছি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে, চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে তারা সবসময়ই ঝামেলা তৈরি করে। এ নতুন কিছু নয়। বিভিন্ন সময় মারামারি হয়, অবশ্য সেনাবাহিনী কাজ করছে এবং সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করছে যাতে করে এটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকে। সেনাবাহিনী একাই কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামের স্টেক হোল্ডার নয়। বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন সবাই কিন্তু এটার অংশ। সবাই যদি সমন্বিতভাবে কাজ করে আমি নিশ্চিত যে এটাকে আরও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিয়ে যাওয়া সম্ভব এবং এটা অবশ্যই প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, কেএনএফ অস্ত্র আরাকান আর্মির কাছ থেকে নিচ্ছে, তারা আধিপত্য বিস্তার করছে। আরাকান আর্মি এখন এমন একটা অবস্থায় আছে, তাদের সাথে কেএনএফের যোগসূত্র সৃষ্টি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। তারা একই গোত্রীয় মানুষ এবং একই ধরণের মানসিকতা নিয়ে কাজ করছে। সেক্ষেত্রে কেএনএফ আরাকান আর্মির কাছ থেকে যদি কোনো অস্ত্র পেয়েও যায়, এটাতে আমি অবাক হব না। কিন্তু আশার বিষয় এটা যে কেএনএফ কোনো অবস্থাতেই আধিপত্য বিস্তার করতে পারছে না। বরং কেএনএফ এখন অন্তত নাজুক অবস্থায় আছে। আমাদের অভিযান চলমান আছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতে চাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে কেএনএফকে সমূলে উৎপাটন করা সম্ভব এবং সেটা অবশ্যই প্রয়োজন।

    এ সময় গোপালগঞ্জের বিষয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা বলেন, গোপালগঞ্জে যে ঘটনাটি হয়েছে সেটি দুঃখজনক। কিন্তু কোন প্রেক্ষাপটে ঘটেছে, কেন সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বল প্রয়োগ করতে হয়েছিল, সে ব্যাপারেও সরকারি পর্যায়ে একটি উচ্চপর্যায়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে একজন বিচাপতিকে প্রধান করে। তদন্ত কমিটি খুঁজে বের করবে যে কীভাবে এটা হয়েছে, কেন হয়েছে, প্রেক্ষাপট কী ছিল? আমরা সে পর্যন্ত অপেক্ষা করি।

    তিনি বলেন, কোনো দলকে নয়, কোনো ব্যক্তিকে নয়। বরং যাদের জীবন হুমকির মধ্যে পড়েছিল আমরা সেটা বিবেচনা করেই তাদেরকে উদ্ধার করেছিলাম। যাদের জীবন হুমকির মধ্যে বিবেচনায় পড়েছিল তাদেরকে আমরা উদ্ধার করেছি। সেটা দলের পরিচয়ে মুখ্য বিষয় ছিল না। জীবন রক্ষার্থে এ কাজটি করা হয়েছে।

  • যে জরুরি নির্দেশনা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য, যা করতে হবে ১০ দিনের মধ্যে!

    যে জরুরি নির্দেশনা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য, যা করতে হবে ১০ দিনের মধ্যে!

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ হওয়া খালি বাসা ১০ দিনের মধ্যে ‘দখল’ নিতে হবে। এ নির্দেশনা দিয়ে সম্প্রতি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, সিনিয়র, সচিব, বিভাগীয় কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    ঢাকা শহরে কর্মরত বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুকূলে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন শ্রেণির সরকারি বাসা-বাড়ি কতিপয় শর্ত সাপেক্ষে বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দপত্রে উল্লিখিত শর্ত অনুযায়ী বাসা খালি হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে বাসার দখল গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    অনেক সময় বরাদ্দপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে কিছু বরাদ্দগ্রহীতা বাসা খালি থাকা সত্ত্বেও বাসার দখলভার গ্রহণ করেন না। এতে বাসাটি দীর্ঘদিন খালি থাকার কারণে একদিকে যেমন সরকার রাজস্ব আহরণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে বাসার দখল ধরে রাখার কারণে অন্য কর্মচারীকে বাসা বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

    এমতাবস্থায় বরাদ্দপত্রের শর্ত মোতাবেক বাসাটি খালি হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে দখলভার গ্রহণ করতে বলা হলো। দখলভার গ্রহণে ইচ্ছুক না হলে তা দ্রুততার সঙ্গে আবাসন পরিদপ্তরকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।