Category: জাতীয়

জাতীয়

  • স্মার্ট এনআইডি কার্ড বিতরণ শুরু, এসএমএসে জানা যাবে স্ট্যাটাস

    স্মার্ট এনআইডি কার্ড বিতরণ শুরু, এসএমএসে জানা যাবে স্ট্যাটাস

    জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম আবারও শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ধাপে ধাপে স্মার্ট এনআইডি কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। যারা আগে ভোটার হয়েছেন কিন্তু এখনও স্মার্ট কার্ড পাননি, কিংবা যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, তাদের সবাইকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হচ্ছে।

    বিজ্ঞাপন
    নির্বাচন কমিশন জানায়, স্মার্ট কার্ড বিতরণ একসঙ্গে সব জেলায় হবে না; বরং এলাকার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন, উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিস থেকে কার্ড বিতরণ বিষয়ক তথ্য দেওয়া হচ্ছে।

    এসএমএসে স্মার্ট এনআইডির অবস্থা জানতে পারবেন

    .নাগরিকরা ঘরে বসে তাদের স্মার্ট এনআইডি কার্ডের স্ট্যাটাস জানতে পারবেন। এর জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

     

    .যাদের এনআইডি নম্বর ১৩ সংখ্যা, তাদের জন্মসাল যোগ করে ১৭ সংখ্যার পূর্ণ নম্বর তৈরি করতে হবে।

    বিজ্ঞাপন
    .অনলাইনে এনআইডির কপি সংগ্রহের সুবিধা

    .স্মার্ট কার্ড হাতে না পেলেও নাগরিকরা নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে এনআইডির অনলাইন কপি (PDF) ডাউনলোড করতে পারবেন। যদিও এটি অনেক ক্ষেত্রে সাময়িক ব্যবহারের জন্য কার্যকর, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কাজে মূল স্মার্ট কার্ড প্রয়োজন হতে পারে।

    .স্মার্ট এনআইডি সংগ্রহের স্থানসমূহ।

    নির্ধারিত সময়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্মার্ট এনআইডি কার্ড বিতরণ করা হবে:

    .ইউনিয়ন পরিষদ

    .উপজেলা নির্বাচন অফিস

    .নির্ধারিত বিতরণ কেন্দ্র

    .স্থানীয় নির্বাচন অফিস থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।

    সতর্ক থাকার আহ্বান

    নির্বাচন কমিশন নাগরিকদের গুজব ও ভুয়া তথ্য থেকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। শুধুমাত্র অফিসিয়াল ও নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    স্মার্ট এনআইডি কার্ড নাগরিক সেবার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫ সালে পুনরায় বিতরণ কার্যক্রম শুরু হওয়ায় দীর্ঘদিন অপেক্ষমাণ নাগরিকরা উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

  • সারাদেশের সব সরকারি অফিসের জন্য জারি হলো জরুরি নির্দেশনা

    সারাদেশের সব সরকারি অফিসের জন্য জারি হলো জরুরি নির্দেশনা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে কার্যকর হলো নতুন জরুরি নির্দেশনা। নির্বাচনকালীন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেশের সব সরকারি অফিসের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগে বিশেষ লোগো ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে সব মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারি সব চিঠিপত্রের ডান পাশে নির্ধারিত বিশেষ লোগো সংযুক্ত রাখতে হবে। কেন্দ্রীয় সচিবালয় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসনের প্রতিটি দপ্তরের পত্রালাপেই এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে।
    জানা গেছে, গত ৫ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়।
    শুধু দাপ্তরিক চিঠিপত্রেই নয়, নির্বাচনী পরিবেশ ও গণভোট সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টিনন্দন স্থানে লোগো সম্বলিত ব্যানার প্রদর্শনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

    নির্বাচনের আমেজ ছড়িয়ে দেওয়া এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করতেই সরকারের এই পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারের সার্বিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এই জরুরি নির্দেশনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

  • নতুন স্পিকার হিসেবে সবচেয়ে আলোচনায় যিনি

    নতুন স্পিকার হিসেবে সবচেয়ে আলোচনায় যিনি

    বিদায়ী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। তার সভাপতিত্বেই নতুন স্পিকার নির্বাচন করা হবে।

    সংবিধান অনুযায়ী সাধারণত বিদায়ী স্পিকার নতুন স্পিকার নির্বাচনের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। তবে বর্তমান স্পিকারের পদত্যাগের কারণে এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটছে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হয়েছে। নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পেয়েছেন। তবে দলের স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এখনো কোনো সরকারি দায়িত্ব পাননি।

    এ কারণে স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে—এমন আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্য মন্ত্রিসভা ও সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পেলেও প্রবীণ এই নেতা এখনো সরকারের বাইরে রয়েছেন।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নরসিংদী-২ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া ড. আবদুল মঈন খানকে সংসদের সম্মানজনক কোনো পদে রাখা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠজনরা।

    ড. মঈন খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে বিভিন্ন মহলে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করা হয়। অনেকের মতে, তাকে স্পিকার করা হলে তিনি দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

    উল্লেখ্য, সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হয়। ওই অধিবেশনেই সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন স্পিকার নির্বাচিত হবেন।

  • দুই বেসরকারি কলেজের নাম পরিবর্তন করল সরকার

    দুই বেসরকারি কলেজের নাম পরিবর্তন করল সরকার

    নওগাঁর মান্দা কারিগরি ও কৃষি কলেজ এবং ফরিদপুরের ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেন কলেজের নাম পরিবর্তনের অনুমতি দিয়েছে সরকার। এ ছাড়া তিনটি কলেজের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়েছে।

    বিজ্ঞাপন
    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভিন্ন দুটি চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। কলেজের নাম পরিবর্তনের অনুমতির জন্য চিঠি ঢাকা ও রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন

    তারেক রহমানের রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার পথপরিক্রমা
    চিঠিতে বলা হয়েছে, নওগাঁর মান্দা কারিগরি ও কৃষি কলেজের নাম পরিবর্তন করে মান্দা মডেল কলেজ করা হয়েছে। ফরিদপুরের ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেন কলেজের নাম পরিবর্তন করে ফরিদপুর মহাবিদ্যালয় রাখা হয়েছে।

    বিজ্ঞাপন

    এদিকে নাম পরিবর্তনের বিষয়ে মতামত চাওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে পুনরায় যাচাই সাপেক্ষে নামকরণের যৌক্তিকতা উল্লেখ করে মতামত বা সুপারিশ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠাতে বলা হয়। চিঠিটি ঢাকা, যশোর, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হয়েছে।

    সাতক্ষীরা বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি আদর্শ কলেজের নাম পরিবর্তন করে দাঁতভাঙ্গা আদর্শ কলেজ, জনতা বাজার কলেজের নাম পরিবর্তন করে জনতা বাজার শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ ও ভার্সেটাইল মডেল কলেজের নাম পরিবর্তন করে ভিক্টোরিয়া মডেল কলেজ নামকরণের সুপারিশ করা হয়েছে।