Category: জাতীয়

জাতীয়

  • তিন কোম্পানির ইন্টারনেট ব্যবহার করলে শাস্তি

    তিন কোম্পানির ইন্টারনেট ব্যবহার করলে শাস্তি

    উপজেলা বা থানা পর্যায়ের ইন্টারনেট সেবাদানকারী দেশের তিনটি প্রতিষ্ঠানের আইএসপি লাইসেন্স বাতিল করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এই তিন কোম্পানির ইন্টারনেট ব্যবহার করলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

    সম্প্রতি বিটিআরসির লাইসেন্সিং শাখার পরিচালক (প্রশাসন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ মো. তৌফিকুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— ঢাকার সূত্রাপুরে অবস্থিত র‌্যাবি কমিউনিকেশন, কদমতলির জেজি অনলাইন এবং ধানমন্ডির বেস্ট কমিউনিকেশন লিমিটেড। ২৯৬তম কমিশন সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসব প্রতিষ্ঠান এখন থেকে সংশ্লিষ্ট ক্যাটাগরির অধীনে কোনো টেলিযোগাযোগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। কেউ এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে টেলিযোগাযোগ সেবা গ্রহণ, চুক্তি সম্পাদন বা আর্থিক লেনদেন করলে তা আইনবিরোধী হিসেবে গণ্য হবে এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

    এ ছাড়া, প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে আবেদন অনুযায়ী সমর্পণযোগ্য লাইসেন্সপত্র চলতি মাসের মধ্যেই কমিশনে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • কনস্টেবলের স্ত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব এএসপির, অতঃপর…

    কনস্টেবলের স্ত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব এএসপির, অতঃপর…

    বরিশাল রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সে (আরআরএফ) কর্মরত এক কনস্টেবলের স্ত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাবসহ প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. আফজাল হোসেন। এ ঘটনায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    বুধবার (৩০ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে তাকে বরখাস্তের এ প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।

    এতে বলা হয়, পারিবারিক বিরোধের কারণে ওই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী মৌখিক অভিযোগ দিতে যান বরিশাল আরআরএফের কমান্ড্যান্টের কাছে। সেখানে দেখা হয় এএসপি আফজাল হোসেনের সঙ্গে। পরে বিভিন্ন সময় কনস্টেবলের স্ত্রীকে হোয়াটসঅ্যাপে কথাবার্তা ও মেসেজ দিয়ে বিরক্ত করেন এএসপি আফজাল। এ ছাড়া অনৈতিক প্রস্তাবসহ প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেন।

    প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, এএসপি আফজাল ওই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল ও মামলার কু-পরামর্শ দেওয়াসহ সংসার ভাঙার চেষ্টা করেন, যা নৈতিকস্থলনজনিত আচরণ ও অকর্মকর্তাসূলভ কর্মকাণ্ড হিসেবে পরিগণিত। এ ছাড়া কনস্টেবলের তালাকপ্রাপ্ত দ্বিতীয় স্ত্রীকে দিয়েও মামলাসহ বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন অফিসে অভিযোগ দাখিলের কু-পরামর্শ দেন এএসপি আফজাল।

    সুশৃঙ্খল পুলিশ বাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে এএসপি আফজাল হোসেনের এমন অপেশাদার আচরণ জনসম্মুখে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন করেছে জানিয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তার এমন আচরণ ‘অসদাচরণের শামিল ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ’। এজন্য ২১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরি থেকে এএসপি আফজালকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

    সবশেষে বলা হয়, সাময়িক বরখাস্তকালে আফজাল হোসেন সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত থাকবেন এবং খোরপোষ ভাতা পাবেন।

     

  • ওবায়দুল কাদেরের যে কুকীর্তি ফাঁস করল ভারতীয় গণমাধ্যম

    ওবায়দুল কাদেরের যে কুকীর্তি ফাঁস করল ভারতীয় গণমাধ্যম

    টেলিগ্রামে চাঁদাবাজি, অনুমোদনহীন গ্রুপ পরিচালনা এবং রাজনৈতিক কার্যক্রমে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগে এবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘নিউজ ১৮’। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতা হারানোর পরেও কীভাবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে দল পরিচালনা ও অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছেন তিনি, তার বিস্তারিত চিত্র উঠে এসেছে সেখানে।

    নিউজ ১৮ জানায়, আগামী ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভারতে আশ্রয় নেওয়ার এক বছর পূর্ণ হচ্ছে। এর আগেই তার দল আওয়ামী লীগের ভেতরে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। দলটির একাধিক শীর্ষসূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ এখন নানা সংকটে জর্জরিত। তবে সবচেয়ে বিস্ময়কর তথ্য হচ্ছে, টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্মে শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে কে কথা বলবেন, তা নির্ধারণেও অর্থ লেনদেন চলছে। এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

    প্রতিদিন একাধিক টেলিগ্রাম গ্রুপে অংশ নিয়ে নিজেই বক্তব্য রাখেন ওবায়দুল কাদের। প্রায়ই ‘ঢাকা ঘেরাও’ এর ডাক দেন তিনি। কিন্তু এসব ডাকে কোনো সময়সীমা বা বাস্তব কর্মপরিকল্পনার অভাব রয়েছে বলে দলের ভেতর অভিযোগ উঠেছে।

    নিউজ ১৮-কে আওয়ামী লীগের এক জ্যেষ্ঠ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ওবায়দুল কাদেরকে এখন কর্মীরা প্রত্যাখ্যান করছে। তিনি নিজেকে প্রাসঙ্গিক রাখার জন্য অসংখ্য টেলিগ্রাম গ্রুপ তৈরি করেছেন। এগুলো দলের জন্য নয়, বরং একটি অর্থনৈতিক প্রতারণার জন্য ব্যবহার করছেন।

    তিনি আরও বলেন, শীর্ষ নেতৃত্ব জানতে পেরেছে, তিনি দলের সিনিয়র নেতা, সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রীদের কাছ থেকেও টাকা নিয়েছেন, শুধুমাত্র শেখ হাসিনার সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার নামে।

    দলীয় শৃঙ্খলা ভেঙে, অননুমোদিত গ্রুপ গঠন, অর্থ আদায় এবং গোয়েন্দা সংস্থার নজরে পড়ার আশঙ্কায় এখন উদ্বিগ্ন আওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়র নেতা।

     

  • বিএনপির কার্যালয়ের ভাড়া চাওয়ায় দোকান মালিককে পিটিয়ে হত্যা

    বিএনপির কার্যালয়ের ভাড়া চাওয়ায় দোকান মালিককে পিটিয়ে হত্যা

    নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় দলীয় কার্যালয়ের বকেয়া ভাড়া চাওয়ায় মো. জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া (৫৭) নামে এক দোকান মালিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। বুধবার (৩০ জুলাই) সকালে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া ওই ইউনিয়নের মৃত তালেব আলী ভূঁইয়ার ছেলে।

    নিহতের পরিবারের দাবি, বিএনপির পার্টি অফিস হিসেবে ভাড়া দেওয়া দোকানের বকেয়া চাওয়ায় মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তোতা মেম্বারসহ ১০-১২ জন মিলে জাহাঙ্গীরকে দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন।

    নিহত জাহাঙ্গীরের ছেলে রাসেল বলেন, সকাল ৯টার দিকে আমার বাবা বকেয়া ভাড়া চাইতে গেলে তোতা মেম্বার (৭০), তার ছেলে খোকন (৩৫), রাসেল (৩০), বেণু হাজীর ছেলে আলম (৪৫) ও সাদ্দামসহ ছয়-সাতজন মিলে তাকে ধরে পার্টি অফিসে নিয়ে যান এবং সেখানে প্রচুর মারধর করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    স্থানীয়দের ভাষ্য, ৫ আগস্টের পর বিএনপির কার্যালয় হিসেবে দোকানটি ভাড়া নেন তোতা মেম্বার। এটি বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমনের অনুসারীদের অফিস হিসেবে পরিচিত।

    জানা গেছে, সকালে বকেয়া ১০ হাজার টাকা ভাড়া চাইতে গেলে তোতা মেম্বার ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, ‘বিএনপির অফিসের আবার কীসের ভাড়া?’ একপর্যায়ে তর্ক-বিতর্কের মধ্যে দোকান মালিক জাহাঙ্গীর তোতা মেম্বারকে ধাক্কা দিলে, তার অনুসারীরা তাকে পার্টি অফিসে নিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন।

    আড়াইহাজার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, একটি দোকানের ভাড়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে একজন গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।