Category: আর্ন্তজাতিক

আর্ন্তজাতিক

  • স্ত্রী ভাড়া পাওয়া যায় যে দেশে

    স্ত্রী ভাড়া পাওয়া যায় যে দেশে

    বিয়ে এমন এক অনুষ্ঠান যা দুটি মানুষ এবং তাদের পরিবারকে এক করে। এমন এক সম্পর্কের বাঁধন যা দম্পতিকে ভালোবাসা এবং অঙ্গীকারে বেঁধে রাখে। বিভিন্ন দেশে বিয়ের আচার-অনুষ্ঠানও আলাদা। বিয়েকে সাধারণত ভালোবাসা, বিশ্বাস এবং বোঝাপড়ার ভিত্তির ওপর তৈরি একটি বন্ধন হিসেবে দেখা হয়। তবে এমন এক দেশও পৃথিবীর বুকে রয়েছে যেখানে ভাড়ায় পাওয়া যায় ‘স্ত্রী’।

    দেশটির নাম থাইল্যান্ড। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সেই দেশ মনোরম সমুদ্রসৈকত এবং প্রাণবন্ত রাত্রিজীবনের জন্য বিশ্ববিখ্যাত। প্রতি বছর লাখ লাখ পর্যটক সে দেশে ঘুরতে যান।

    তবে সম্প্রতি একটি বইয়ে দাবি করা হয়েছে থাইল্যান্ডে ‘স্ত্রী’ ভাড়ায় পাওয়া যায়। ল্যাভার্ট এ ইম্যানুয়েলের লেখা ‘তাই ট্যাবু— দ্য রাইজ় অফ ওয়াইফ রেন্টাল ইন মডার্ন সোসাইটি’ বইটিতে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

    বইটিতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, নিজেদের এবং পরিবারের ভরণপোষণের জন্য এই কাজটি বেছে নেন থাইল্যান্ডের দরিদ্র পরিবারের নারীরা। এই নারীরা সাধারণত বার বা নাইটক্লাবে কাজ করেন।

    সেখানে তারা বিদেশি পর্যটকদের সঙ্গে দেখা করেন।
    ওই বই অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পর্যটকদের সঙ্গে ‘ভাড়ার স্ত্রী’ হিসেবে বসবাস করেন ওই নারীরা। যদি পর্যটকদের কোনো নারীকে মনে ধরে, তখন তাকে বিয়ে করার বিকল্পও রয়েছে।

    ইম্যানুয়েলের লেখা অনুযায়ী, স্ত্রী ভাড়া করার এই প্রবণতা বেশি রয়েছে থাইল্যান্ডের পাটায়াতে। স্থানীয়ভাবে ‘ব্ল্যাক পার্ল’ নামেও পরিচিত ‘স্ত্রী’ ভাড়া করার বিষয়টি।

    এই ব্যবস্থায় একজন নারীর অর্থের বিনিময়ে অস্থায়ীভাবে কোনো পুরুষকে ‘স্ত্রী’ হিসেবে সঙ্গ দেন। ভাড়াটে স্বামীর জন্য রান্না করা থেকে শুরু করে বাইরে ঘুরতে যাওয়া—সবই করেন ভাড়াটে স্ত্রীরা। এমনকি, একই ছাদের তলায় থাকেনও। পুরো বিষয়টিই নাকি চুক্তিনির্ভর। কোনোভাবেই একে বৈধ বিয়ে হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।

    ইম্যানুয়েলের বই অনুযায়ী, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রী ভাড়ার বিষয়টি নাকি পুরোদস্তুর ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। অনেক নারীই স্বেচ্ছায় ‘ব্ল্যাক পার্ল’ পরিষেবায় যুক্ত হচ্ছেন।

    বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ব্ল্যাক পার্ল’ পরিষেবার জন্য ১.৩ লাখ টাকা থেকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন ভাড়াটে স্ত্রীরা।

    বিষয়টিকে নিয়ে সমাজের একাংশের কৌতূহল থাকলেও অনেকে আবার সেটির নিন্দা করেছেন। হইচই পড়েছে ইতিমধ্যেই। সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। পুরো বিষয়টির নৈতিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বহু মানুষ।

    অন্যদিকে বিশেষজ্ঞদের দাবি, থাইল্যান্ডের পরিবর্তিত জীবনধারার কারণে এই প্রবণতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। একাকিত্ব ওই প্রবণতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এ ছাড়াও অনেকেই এখন স্থায়ী সম্পর্কগুলির চেয়ে অস্থায়ী সম্পর্ক বেশি পছন্দ করেন। আর সে কারণেই থাইল্যান্ডে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ওই প্রবণতা।

    ‘স্ত্রী’ ভাড়া করার প্রবণতা এবং এর দ্রুত প্রসারণ নিয়ে নাকি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সে দেশের সরকারও। ফলস্বরূপ, সরকার এটি নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি আইন বাস্তবায়নের কথা বিবেচনা করছে, যা নারীদের নিরাপত্তা এবং অধিকার নিশ্চিত করবে।

     

  • বিমানে ওঠার আগে রানওয়েতে বসে প্রস্রাব ভারতীয়র

    বিমানে ওঠার আগে রানওয়েতে বসে প্রস্রাব ভারতীয়র

    বিমান ছাড়তে আর কিছুক্ষণ বাকি। আর তার মধ্যেই রানওয়ের পাশে বসেই প্রস্রাব করতে দেখা গেল এক বৃদ্ধকে। বিস্মিত হয়ে সেই অদ্ভুত দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেন পাইলট।

    মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বিহারের দ্বারভাঙা বিমানবন্দরে। ওই ঘটনার একটি ভিডিও ইতোমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে।

    ভিডিওটিতে দেখা যায়, সাদা ধুতি-পাঞ্জাবি পরা একজন বৃদ্ধ বিমান থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে রানওয়ের পাশে বসে প্রস্রাব করছেন। আর যাত্রীরা বিমানে ওঠার জন্য লাইন করে দাঁড়িয়ে আছেন। বিমানের ককপিটে থাকা পাইলটের চোখে বৃদ্ধের কীর্তি ধরা পড়তেই হেসে ওঠেন তিনি। দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দিও করেন। সেই ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে।

    ভাইরাল ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে ‘আদর্শ আনন্দ’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতোমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন ৯ সেকেন্ডের সেই ভিডিও।

    তবে ভাইরাল ভিডিও নিয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। কোন বিমানের ককপিট থেকে ভিডিও ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছিল এবং ওই বৃদ্ধ বিমানের যাত্রী ছিলেন কি না, তা-ও এখনও স্পষ্ট নয়।

     

  • না স্বামী, না সন্তান; ৩০৭ কোটির বিপুল সম্পতির মালিক কে হবে জানালেন রেখা

    না স্বামী, না সন্তান; ৩০৭ কোটির বিপুল সম্পতির মালিক কে হবে জানালেন রেখা

    বলিউডের এভারগ্রিন অভিনেত্রী রেখার ফিল্মি ক্যারিয়ার যেমন ছিল চমকপ্রদ, তেমনি তার ব্যক্তিগত জীবনও ছিল দারুণ আকর্ষণীয়। রেখার সৌন্দর্য ও অভিনয়ের কথা সবাই জানে এবং তার অর্থের কোনো অভাব নেই। তিনি কোটি কোটি সম্পত্তির মালকিন, কিন্তু প্রায়শই তার ভক্তরা ভাবতে থাকেন যে রেখার পরে কে তার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে কারণ তার স্বামী বা সন্তান নেই।

    আজ এই প্রতিবেদনে আমরা আপনাদের জানাবো রেখার পর কে পাবেন তার কোটি টাকার সম্পত্তি।মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে, রেখা তার বেশিরভাগ সময় তার বাড়িতে কাটান এবং তার সেক্রেটারি ফারজানাও তার সাথে একই বাড়িতে থাকেন। ফারজানা সারাক্ষণ তার সাথে থাকে, তাকে সারাক্ষণ ছায়ার মতো আগলে রাখে।

    ফারজানা রেখাকে তার মায়ের মতোই যত্ন করে। খবরে বলা হয়েছে, রেখা তার সম্পদের কিছু তার সচিব ফারজানাকে এবং কিছু চ্যারিটি তে দেবেন। রেখা বিশ্বাস করেন যে তিনি তার অর্থ সেই চাই প্রতিষ্ঠানে দেবেন যার খুব প্রয়োজন। রেখা তার কষ্টার্জিত অর্থ অভাবী শিশু এবং বৃদ্ধদের দিতে চান। ফারজানা সবসময় রেখার যত্ন নিয়েছে এবং যদি সে তার খুব কাছে থাকে তবে অভিনেত্রী তার অর্ধেক সম্পদ তাকে দেবেন।

    ফারজানা প্রায় ৩২ বছর ধরে রেখার ছায়ার মতো তার বাড়িতে থাকেন এবং তার সাথে তার সমস্ত কাজ দেখেন। খবরে অনুযায়ী, রেখার বেডরুমে শুধু ফারজানাকেই যেতে দেওয়া হয়। তথ্য সূত্রে জানা গেছে, রেখার বেডরুমে কাউকে অনুমতি দেওয়া হয় না কিন্তু ফারজানা সবসময় তার বেডরুমে তার সঙ্গে থাকে। যদিও তাদের সম্পর্ক নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা করা হয়েছিল এবং তাদের চরিত্র নিয়ে আঙুল তোলা হয়েছিল, কিন্তু ফারজানা রেখার জন্য নীরব ছিলেন।

    রেখা বর্তমানে প্রায় ৪০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পত্তির মালকিন। আসলে রেখা তার সম্পত্তি কাকে দেবেন তা নিয়ে কখনও প্রকাশ্যে কোনও বিবৃতি দেননি। তবে এ নিয়ে গণমাধ্যমে নানা কথা শোনা যায়। এখন শুধুমাত্র সময়ই বলতে পারবে যে রেখার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী কি হতে চলেছে!

  • দিল্লিতে যে বাড়িতে বসবাস করছেন হাসিনা, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

    দিল্লিতে যে বাড়িতে বসবাস করছেন হাসিনা, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

    আওয়ামী লীগের গুজব তৈরির কারখানা হিসাবে খ্যাত সিআরআই’র দায়িত্ব এখন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের হাতে। নয়াদিল্লির অভিজাত এলাকা লুটিয়েন্স বাংলো জোনের কাছেই একটি দোতলা ভবনকে কার্যালয় বানিয়ে তিনি এখন এই প্রতিষ্ঠানটির যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এই লুটিয়েন্স বাংলো জোনেরই একটি বাড়িতে বসবাস করছেন তার মা পতিত স্বৈরাচার ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    অন্তর্বর্তী সরকার, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং এনসিপির বিরুদ্ধে একের পর এক সাইবার আক্রমণের পেছনে কাজ করছে আওয়ামী লীগের সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন (সিআরআই)। আক্রমণ থেকে রেহাই পাচ্ছেন না শীর্ষ রাজনীতিবিদ, উপদেষ্টা ও সামরিক-বেসামরিক আমলাসহ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) দিয়ে তৈরি ভিডিও ক্লিপ, বেনামি ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেল ব্যবহার করে সিআরআই এক ধরনের সাইবার যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। এক কথায়, জুলাই অভ্যুত্থানকে ব্যর্থ করে দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা মেশিন হিসাবে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি, যা এখন পরিচালিত হচ্ছে ভারত থেকে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    সূত্র জানায়, প্রধানত তিনটি লক্ষ্য সামনে রেখে এই মুহূর্তে কাজ করছে সিআরআই। প্রথমত, অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণ করা। দ্বিতীয়ত, যেকোনো মূল্যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভন্ডুল করা এবং তৃতীয়টি হচ্ছে, বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির বিরুদ্ধে জনমত তৈরিসহ গণ-অভ্যুত্থানের সব শক্তির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ফিরিয়ে আনা। এজন্য প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালের শুরুতে সরকার গঠনের পর ২০১০ সালে সিআরআই’র কার্যক্রম শুরু হয়। ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে অবস্থিত শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ছিল প্রতিষ্ঠানটির ঠিকানা। কিন্তু বাস্তবে গোপনে নানা জায়গা থেকে পরিচালিত হতো সিআরআই’র কার্যক্রম।

    গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার নজিরবিহীন গণ-অভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে আশ্রয় নেন দিল্লিতে। শেখ হাসিনার পথ ধরে দলটির বহু নেতা, সাবেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এবং সংসদ-সদস্যদের বেশির ভাগই দেশ ছাড়েন। এ কারণে সিআরআই’র কার্যক্রমও অনেকটা মুখথুবড়ে পড়ে।

    জানা গেছে, ক্ষমতা হারানোর প্রাথমিক ধকল কাটিয়ে উঠে গত তিন মাস থেকে ফের সক্রিয় হয়েছে সিআরআই। তবে এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা ও কাজে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর আগে দীর্ঘদিন সিআরআই’র মূল দায়িত্বে ছিলেন এই মুহূর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় বসবাসরত হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। এছাড়াও শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ শেখ পরিবারের একাধিক সদস্য প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্টি বোর্ডে রয়েছেন।

    জানা গেছে, আওয়ামী লীগের গুজব তৈরির কারখানা হিসাবে খ্যাত সিআরআই’র দায়িত্ব এখন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের হাতে। নয়াদিল্লির অভিজাত এলাকা লুটিয়েন্স বাংলো জোনের কাছেই একটি দোতলা ভবনকে কার্যালয় বানিয়ে তিনি এখন এই প্রতিষ্ঠানটির যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এই লুটিয়েন্স বাংলো জোনেরই একটি বাড়িতে বসবাস করছেন তার মা পতিত স্বৈরাচার ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হওয়ায় আইনগতভাবে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে এখন অফিশিয়ালি সিআরআই’র দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। এ কারণে শেখ হাসিনার নির্দেশে জয়কে সরিয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে সিআরআই’র নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পুতুল নিয়মিত এই কার্যালয়ে অফিস করছেন। এখান থেকেই বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে সিআরআই’র কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

    এর আগে গত ১১ জুলাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় আঞ্চলিক কার্যালয়ের (এসইএআরও) পরিচালক পদ থেকে সায়মা ওয়াজেদকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে পাঠানো হয়। দুর্নীতি, জালিয়াতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দুটি মামলা করে। পুতুল আগে থেকেই ভারতে অবস্থান করছিলেন।

    অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের গবেষণা, তথ্য কার্যক্রম পরিচালনা, নীতিনির্ধারণ, প্রচার-প্রচারণার কাজের কথা বলা হলেও আদতে সিআরআই এখন ভিন্ন কাজ করছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে আওয়ামী কালচারাল ফ্যাসিস্ট যাদের বলা হয়, তাদের সংগঠিত করে কাজে লাগানোর প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে। এজন্য এ তালিকার টকশোর জনপ্রিয় মুখ, সিনিয়র সাংবাদিক, ইউটিউবার, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার বুদ্ধিজীবীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সিআরআই’র দিল্লির এই কার্যালয় থেকেই এসব ছদ্মবেশী কালচারাল ফ্যাসিস্টদের নানা কৌশলে কাজে লাগাতে বিভিন্ন অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হচ্ছে। উদ্দেশ্য সরকারের বিরুদ্ধে জনগণকে ক্ষেপিয়ে তোলা, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিগুলোর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে একে অপরের মুখোমুখি দাঁড় করানো, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা উজ্জীবিত করার নামে লুকিয়ে থাকা আওয়ামী কালচারাল শক্তিকে জড়ো করা, বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিকে চরম প্রতিপক্ষ হিসাবে সঙ্ঘাত সংঘর্ষে জড়ানো এবং সর্বোপরি, সারা দেশে বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষাঙ্গনে বড় ধরনের সঙ্ঘাত-সহিংসতা সৃষ্টি করে দেশকে চরম অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাওয়া। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গে আওয়ামী লীগের সব শক্তিকে ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে নিয়ে আসা। সবশেষে সুযোগ বুঝে একসঙ্গে কমপক্ষে ২০ লাখ কর্মী-সমর্থক জড়ো করে ঢাকা অ্যাটাক অথবা যমুনা ঘেরাও কর্মসূচি দেওয়া।

    এ কাজে প্রজন্ম ৭১, মঞ্চ ৭১, ব্রিগেড ৭১, নিউক্লিয়াস ৭১, মুক্তিবাহিনী ৭১, হিস্টোরি অব আগস্ট, নয়া সংগ্রাম ২৫, প্রত্যাবর্তনস-০২, বঙ্গবন্ধু-৭১ এবং জয়বাংলা ব্রিগেডসহ এরকম শতাধিক ফেসবুক আইডি, ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলকে প্রোপাগান্ডা প্ল্যাটফর্ম হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।